ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিদেশি অস্ত্রসহ খুলনায় আটক দুই ব্যক্তি


বিদেশি অস্ত্রসহ খুলনায় আটক দুই ব্যক্তি

খুলনা মহানগরের লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে একটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড গুলি এবং একটি ম্যাগাজিনসহ দুই অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৬।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৬, সিপিসি স্পেশাল কোম্পানির একটি আভিযানিক দল এ অভিযান চালায়।

গ্রেফতারদের মধ্যে আছেন পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলার মাদারশী এলাকার মো. শুক্কুর হাওলাদার (৩৫) এবং খুলনা মহানগরের লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকার মো. ইমরান খান (৩৭)।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

র‍্যাব জানায়, অভিযান চলাকালে ইমরান খানের বসতঘরের তল্লাশি চালিয়ে তার নির্দেশ অনুসারে একটি বিদেশি পিস্তল, পাঁচ রাউন্ড তাজা গুলি এবং একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। পরে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সেগুলো জব্দ করা হয়।

র‍্যাবের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, শুক্কুর হাওলাদারের বিরুদ্ধে পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া থানায় এবং ইমরান খানের বিরুদ্ধে খুলনার বটিয়াঘাটা থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

এ ঘটনার পর অস্ত্র আইনে মামলা দায়েরের পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া আলামতসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব-৬।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপ প্রদর্শনীর আয়োজকের জন্য গাজাবাসীর চোখে জল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৪ পি.এম


বিশ্বকাপ প্রদর্শনীর আয়োজকের জন্য গাজাবাসীর চোখে জল

 ফিলিস্তিনিরা দুঃখের যেন শেষ নেই। তাদের নিত্যদিনের সঙ্গী হলো কান্না। এই দুঃখের মধ্যেও তাদের মুখে একটু হাসি ফোটানোর চেষ্টা করছিলেন একজন মানুষ। বিশ্বকাপ ফুটবল যখন পুরো বিশ্বকে মাতোয়ারা করে রেখেছে, তখন তিনি গাজার উদ্বাস্তু বাসিন্দাদের জন্য বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখার আয়োজন করেছিলেন। হাজারো ফিলিস্তিনির মনে জায়গা করে নেওয়া সেই মানুষটাকেও হত্যা করেছে ইসরাইল।

বর্তমানে গাজা উপত্যকা ইসরাইলি হামলায় কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সেখানে খাদ্য নেই, পানি নেই, নেই চিকিৎসা। খোলা আকাশের নিচে তাঁবু টানিয়ে কোনোরকমে বেঁচে থাকার লড়াই করছেন ২০ লক্ষাধিক মানুষ। এসব অসহায় মানুষের জন্য কাজ করছিলেন মিশরীয় ত্রাণকর্মী মোহাম্মদ আল-ওয়াহিদি।

গাজায় মিশরের প্রধান ত্রাণ সংস্থার এই সিনিয়র কর্মকর্তা হিসেবে অনেকের কাছে তিনি ছিলেন সবচেয়ে পরিচিত মানবিক সহায়তাকর্মীদের একজন। গত মাসে ফিফা বিশ্বকাপ শুরু হলে গাজাবাসীর জন্য তা প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করেছিলেন তিনি।

ইসরাইলি হামলার মধ্যেও গাজার বিভিন্ন এলাকায় বড় পর্দায় বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখার সুযোগ হাজারো ফুটবলপ্রেমীকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছিল, কিন্তু সেই গাজা অন্তপ্রাণ মানুষটিকে হত্যা করা হলো ইসরাইলের হাতে।

গত মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার খেলার প্রাক্কালে গাজার সাবরা এলাকায় বিমান হামলা চালিয়ে ৫৭ বছর বয়সি মোহাম্মদ আল-ওয়াহিদি সহ চারজনকে হত্যা করা হয়। নিহতদের মধ্যে ১০ ও ৮ বছর বয়সি দুই ভাইবোনও ছিলেন, যারা ঘটনাস্থলের পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।

ফিলিস্তিনি মানবাধিকার কেন্দ্র (পিসিএইচআর) জানিয়েছে, হামলায় নিহত চতুর্থ ব্যক্তি ছিলেন ৩০ বছর বয়সি আহমেদ জিহাদ রজব দোগমুশ। তিনি ট্যাক্সি ভেতরে ছিলেন। তবে তিনি চালক ছিলেন নাকি যাত্রী, তা স্পষ্ট নয়। ইসরাইলি সামরিক বাহিনীর দাবি, তারা একজন হামাস যোদ্ধাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল এবং নিরীহ ব্যক্তিদের নিহত হওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তারা অবগত।

ইসরাইলি বিমান হামলায় ওয়াহিদির মৃত্যুতে গাজার সমগ্র অঞ্চলে মুহূর্তে গভীর শোকের ঢেউ বয়ে যায়। তার মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার কাজের ছবি ও ভিডিওতে ভরে ওঠে। সেই সঙ্গে আসতে থাকে শত শত শোকবার্তা। বিশেষ করে যারা ত্রাণ বিতরণের সময় বা বাস্তুচ্যুত মানুষের শিবিরে থাকার সময় তার সংস্পর্শে এসেছিলেন, তাদের কাছ থেকে।

গাজাবাসীর অনেকেই বলেন, তিনি গোটা উপত্যকার আশ্রয়শিবিরগুলোতে পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছিলেন, কারণ তিনি অফিসে বসে কাজ করার বদলে মাঠপর্যায়ে থেকেও বেশি পছন্দ করতেন।

তার সাথে কাজ করা স্বেচ্ছাসেবকরা তাকে এমন একজন ব্যক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন, যিনি নিয়মিতভাবে ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রগুলোতে উপস্থিত থাকতেন, বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর সঙ্গে সরাসরি কথা বলতেন এবং তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয়তা মেটানোর চেষ্টা করতেন। এই উদ্যোগের লক্ষ্য ছিল পরিবারগুলোকে, বিশেষত শিশুদের, যুদ্ধের বাস্তবতা থেকে কিছুটা ছন্দময় অবসরে নিয়ে আসা।

মোহাম্মদ আল-ওয়াহিদি মূলত গাজায় মিসরীয় রিলিফ কমিটির জনসংযোগ পরিচালক ছিলেন। যুদ্ধের সময় ধ্বংসস্তূপ সরানো, সড়ক চালু করা এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য আশ্রয়শিবির নির্মাণে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।

মিসরীয় রিলিফ কমিটি জানিয়েছে, আল-ওয়াহিদি সমাজে অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মানুষের বিরোধ মীমাংসা করেছেন, অসহায়দের খাবারের ব্যবস্থা করেছেন এবং বিশ্বকাপের ম্যাচ বড় পর্দায় প্রদর্শন করে যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের মুখে কিছুটা আনন্দ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করেছিলেন।

গত বুধবার (৮ জুলাই) গাজায় তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গাজার হাজার হাজার মানুষ তার জানাজায় অংশ নেন। দাফনের আগে আল-ওয়াহিদির মরদেহ ফিলিস্তিন ও মিসরের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো হয়। দিনভর প্রতিবেশী, বন্ধু ও স্বজনরা তার বাড়িতে গিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

এদিন আল-ওয়াহিদির ছেলে ফাওয়াজ রয়টার্সকে ফোনে বলেন, ‘আমার বাবা বাস্তুচ্যুত মানুষ, যুদ্ধের শিকার পরিবার এবং গাজার কষ্টে থাকা মানুষের জন্য অন্তত কিছুটা আনন্দ এনে দিতে চেয়েছিলেন। তাই তিনি তাদের তাঁবু ও ধ্বংসস্তূপের পাশে বিশ্বকাপের ম্যাচ দেখার ব্যবস্থা করেছিলেন।’

ফাওয়াজ আরও বলেন, ত্রাণ সংস্থায় কাজ করা খুবই কঠিন ছিল। তবুও তার বাবা সবসময় বলতেন, যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের পাশে দাঁড়াতে চান।

মিশরের দুটি নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, আল-ওয়াহিদি ত্রাণ সংস্থার লজিস্টিক কার্যক্রমের দায়িত্বে ছিলেন। এই সংস্থাটি গাজায় মিশর সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। সূত্রগুলো আরও জানায়, মিশরের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা আল-ওয়াহিদির মৃত্যুর বিষয়টি ইসরাইলের কাছে উত্থাপন করেছেন। তিনি গাজায় চলমান বিমান হামলা এবং ত্রাণ কার্যক্রমে বাধা দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

মিশরের ম্যাচগুলো বিপুল দর্শক টেনেছে, যা এই দলটির প্রতি গাজার বহু ফিলিস্তিনির দীর্ঘদিনের ভালোবাসার প্রতিফলন — যারা দীর্ঘকাল ধরে প্রতিবেশী দেশ মিসরের সঙ্গে সাংস্কৃতিক, আবেগগত ও রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় রেখে এসেছেন।

ধ্বংসপ্রাপ্ত ভবনগুলোর মাঝে বড় পর্দার সামনে জড়ো হওয়া শিশু ও পরিবারগুলোর ভিডিও অনলাইনে ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে, যা এই সংঘাতের মধ্যেও আনন্দের বিরল দৃশ্য উন্মোচন করে। মিশর বনাম আর্জেন্টিনার শেষ ষোলোর ম্যাচ প্রদর্শনীর মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে আল-ওয়াহিদি নিহত হন, যা বহু ফিলিস্তিনির মনে ক্ষতির বেদনা আরও গভীর করে তোলে।

আল-ওয়াহিদির কাজের নথিপত্র রাখতেন ত্রাণকর্মী মোহাম্মদ হুমাইদ। সহকর্মীর মৃত্যুতে তিনি লিখেছেন: ‘তিনি শুধু একটি মানবিক কমিটির ত্রাণকর্মী ছিলেন না। তিনি ছিলেন বাস্তুচ্যুত ও সর্বস্বহারা মানুষের জন্য প্রতিদিন খুলে যাওয়া আশার একটি দুয়ার।’ তিনি আরও লেখেন, ‘যারা তাকে চিনতেন, তারা সবাই তার দয়া, সততা ও উদারতার কথা বলেন।’ ‘গাজায় যারা নিজেদের জীবন অন্যকে সাহায্য করার জন্য উৎসর্গ করেছেন, তারাও রেহাই পান না। কিন্তু ভালো কাজ কখনো মরে না। তা মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকে।’

গাজায় মানবিক সহায়তাকর্মীরা এখনও মৃত্যুর ঝুঁকির মধ্যেও কাজ করে চলেছেন। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের শেষ নাগাদ যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ৫৯৩ জন ত্রাণকর্মী নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ইসরাইল ও হামাসের মধ্যে ১০ মাস আগে যুদ্ধবিরতি হওয়ার পরও আটজন নিহত হয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুনামগঞ্জ সীমান্তে কয়লা সংগ্রহে নেমেছেন স্থানীয়রা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


সুনামগঞ্জ সীমান্তে কয়লা সংগ্রহে নেমেছেন স্থানীয়রা

ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে সুনামগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় কয়লা কুড়ানোর হিড়িক দেখা গেছে। পাহাড়ি ঢলের পানির তোড়ে শত শত টন কয়লা ভেসে এসেছে, যা সংগ্রহ করতে বিভিন্ন জনজীবনকে ঝুঁকিতে ফেলে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন অসংখ্য মানুষ।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরবেলা তাহিরপুরের কলাগাঁও সীমান্তের কলাগাঁও ছড়া দিয়ে ভেসে আসা ভারতীয় বাংলা কয়লা কুড়ানোর চেষ্টা করছেন স্থানীয় লোকজন। মাছ ধরার ঠেলা, জালসহ আরও নানা সরঞ্জাম ব্যবহার করে ভেসে আসা ভারতীয় কয়লা তারা কুড়িয়ে তীরে নিয়ে আসছেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরের দিকে পাহাড়ি ঢলের পানির সঙ্গে মেঘালয় পাহাড় থেকে বাংলা কয়লা ভেসে আসতে থাকে। আশপাশের গ্রামের লোকজন দ্রুত সেই কয়লা কুড়িয়ে নেওয়ার জন্য তীরে উঠতে থাকেন।

কলাগাঁও গ্রামের বাসিন্দা মোর্শেদ আলম সাদ্দাম জানিয়েছেন, ভারি বৃষ্টি হলে পাহাড়ি ঢলের পানির সাথে মেঘালয় পাহাড় থেকে প্রচুর বাংলা কয়লা ভেসে আসে। এলাকার বিভিন্ন লোক মাছ ধরার সরঞ্জাম ব্যবহার করে সেই কয়লা কুড়ানোর চেষ্টা করেন এবং অনেকেই সফলভাবে কয়লা কুড়িয়ে নিয়ে তীরে তুলেছেন।

শ্রীপুর উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলী হায়দার জানান, ভারি বৃষ্টি হলে মেঘালয় পাহাড় থেকে বাংলা কয়লা ভেসে আসা শুরু হয়। পাহাড়ি ঢল ও বন্যাপ্রবণ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে কয়লার আগমনের সংখ্যা বাড়ে। এই কয়লা কুড়িয়ে নেওয়া দিয়ে সীমান্তের শত শত পরিবারের সংসার চলে। আজ পাহাড়ি ঢলের সাথে কয়লা আসায় লোকজন সেই কয়লা কুড়িয়ে জমা করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ালেন এমপি সরোয়ার আলমগীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৯ পি.এম


বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ালেন এমপি সরোয়ার আলমগীর

টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের কারণে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এবং পানিবন্দি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সরোয়ার আলমগীর।

তার ব্যক্তিগত উদ্যোগের মাধ্যমে ১০ জুলাই (শুক্রবার) দুপুরে ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বন্যাকবলিত অসহায় ও দুস্থ প্রতিবেশীদের মধ্যে জরুরি ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

জানা যায়, ধুরুং খাল, হালদা নদী ও সর্তা খালের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ফটিকছড়ির বেশ কয়েকটি নিচু এলাকা ও ফসলি জমি প্লাবিত হয়ে গেছে। ফলে সাধারণ মানুষ পানিবন্দি হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছে। দুর্যোগের এ পরিস্থিতির মধ্যে সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই নিজ নির্বাচনী এলাকার দুর্গত মানুষের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন এমপি সরোয়ার আলমগীর।

ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ভূজপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বিপুল চন্দ্র দে, হারুয়ালছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন চৌধুরী, ইউপি সদস্য মোহাম্মদ শাহাজাহান প্রমুখ। এসময় স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে এমপি সরোয়ার আলমগীর এই সময় বলেন, "ফটিকছড়ির আপামর জনতা আমার পাশে থেকে যে আস্থা ও ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার প্রতিদান আমি জনগণের সুখ-দুঃখে পাশে থেকে দিতে চাই। বন্যার এই কঠিন পরিস্থিতিতে ফটিকছড়ির একজন মানুষও যেন না খেয়ে থাকে, সেই লক্ষ্যে স্থানীয় নেতাকর্মী ও প্রশাসনকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করছি।"

তিনি সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "সরকারি সহায়তার পাশাপাশি আমাদের সবাইকে নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এই বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে আমরা এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করতে সক্ষম হবো।"

এদিকে বন্যার্তদের মাঝে দ্রুত ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ায় স্থানীয় এলাকাবাসী নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য ও প্রশাসনের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। স্থানীয় প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছে এবং দুর্গতদের সহায়তায় জরুরি সকল ধরনের প্রস্তুতি জোরদার রেখেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বান্দরবানে বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি পৌঁছে দিচ্ছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


বান্দরবানে বন্যাকবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি পৌঁছে দিচ্ছে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ

অতিবৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের কারণে বান্দরবানের জেলা সদরসহ সাতটি উপজেলা, ২টি পৌরসভা এবং ৩৪টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে জেলা শহরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। ফলে প্রায় কয়েক হাজার মানুষ পানিবন্দি অবস্থায় আছেন। বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয় এবং সেখানে প্রায় ৪ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নিয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে ডাল, চালসহ শুকনো খাবার এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। বন্যার পানি নামতে শুরু করলে জনদুর্ভোগ বাড়তে শুরু করেছে। তবে চলমান বন্যা পরিস্থিতির মোকাবেলায় বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে দেওয়ান বাড়ির পুকুরপাড় রাস্তায় মোবাইল ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্টের মাধ্যমে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ করছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় পার্বত্য জেলা বান্দরবানের অনেক স্থানে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে জেলার নিম্নাঞ্চলের ঘর-বাড়ি এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে পানি প্রবাহিত হয়ে স্থানীয়দের দুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে। এদিকে বিশুদ্ধ পানির চাহিদা বেড়ে গেছে।

জেলা সদরের বাসিন্দাদের জন্য বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে বান্দরবান জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ একটি ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে পুকুর থেকে পানি তুলে সেই পানি বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরিশোধন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে বিতরণ করছে। বান্দরবান বাজারে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক থানজামা লুসাই। এ সময় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে সহ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং স্থানীয় জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, প্রতিটি পরিবারকে ১০ লিটার করে একটি জেরিক্যানে (এক ধরনের পাত্র) পরিশোধিত পানি বিতরণ করা হচ্ছে। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী অনুপম দে বলেন, বান্দরবানের বিশুদ্ধ পানির চাহিদা মেটাতে এই ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে বিভিন্ন পয়েন্টে দৈনিক দেড় লাখ লিটার পানি পরিশোধন করা হবে এবং এসব পানি পৌরসভার বাসিন্দাদের বিনামূল্যে সরবরাহ করা হবে।

তিনি আরও জানান, প্রতিটি উপজেলায় ২০ হাজার করে পানি পরিশোধন ট্যাবলেট এবং জেলা সদর উপজেলায় ৬০ হাজার পানি পরিশোধন ট্যাবলেট স্থানীয় জনগণের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রম আগামী কয়েকদিন অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিভাগের এই কর্মকর্তা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%