ঢাকা শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ২৩শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৭ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রুমিন ফারহানার সমালোচকদের প্রতি কড়া বার্তা, সামাজিক অপরাধের উদাহরণ তুলে ধরলেন


রুমিন ফারহানার সমালোচকদের প্রতি কড়া বার্তা, সামাজিক অপরাধের উদাহরণ তুলে ধরলেন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বিএনপির সাবেক নেত্রী ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এই পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে বিভিন্ন সমালোচনা শুরু হয়।

ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সনাতন ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে তার বক্তব্যের কারণে নেটিজেনদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। এছাড়া, তার চেহারায় দেবী দুর্গার প্রতীকী রূপ দিয়ে ফেসবুকে প্রচার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পোস্টে তিনি বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ ও অন্যায়ের উদাহরণগুলো ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় তুলে ধরেন।

আরও পড়ুন: সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরকারের বড় উদ্যোগ গ্রহণ

পোস্টে রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, ‘ছবিটি কেউ একজন তৈরি করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে বিভাজন আর ঘৃনা উস্কে দিতে। যারা ঘৃনার চাষকে ধর্ম ভাবেন তাদের বলছি’…

এ সময় তিনি ২২টি প্রশ্ন তুলে ধরেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, ‘১. বলাৎকারে ধর্ম যায় না, ২. ঘুষ খেলে ধর্ম যায় না, ৩. শিশু ধর্ষণ বা নির্যাতনে ধর্ম যায় না, ৪. মানুষ খুনে ধর্ম যায় না, ৫. নারীর ওপর সহিংসতায় ধর্ম যায় না, ৬. নারীকে কুৎসিত অপবাদ দিলে ধর্ম যায় না, ৭. অন্যের সম্পদ লুট করলে ধর্ম যায় না, ৮. প্রতারণা আর মানুষ ঠকালে ধর্ম যায় না, ৯. সারাবেলা মিথ্যার চাষে ধর্ম যায় না, ১০. নোংরামি করে ধরা পড়ে মুতা বিয়া বললে ধর্ম যায় না, ১১. মুনাফেকিকে জীবনের মূল মন্ত্র বানালে ধর্ম যায় না, ১২. ধর্মকে ব্যবসা বানালে ধর্ম যায় না, ১৩. বোনের হিস্যা ভাই মারলে ধর্ম যায় না, ১৪. বাবা মাকে বৃদ্ধ বয়সে ভাগাড়ে ফেললে ধর্ম যায় না, ১৫. অন্যের হক মেরে খেলে ধর্ম যায় না, ১৬. মিথ্যার বেসাতিতে ধর্ম যায় না, ১৭. ধর্মকে ঢাল বানিয়ে পাপাচারে লিপ্ত হলে ধর্ম যায় না, ১৮. ওজন বা মাপে কম দিলে ধর্ম যায় না, ১৯. খাদ্যে ভেজাল এমন কি বিষ মেশালেও ধর্ম যায় না, ২০. ব্যভিচারে ধর্ম যায় না, ২১. দুর্বলের ওপর অত্যাচারে ধর্ম যায় না, ২২. দুষ্টের লালন পালনে ধর্ম মজবুত হয়।

পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ধর্ম যায় কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে।’

একই সঙ্গে নেটিজেনদের দ্বারা তৈরি দেবী দুর্গার ছবির সঙ্গে বিশেষ দ্রষ্টব্যে (বি.দ্র.) তিনি লেখেন, ‘মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।’

আরও পড়ুন: এসএএফএনের সিনিয়র ফেলো হলেন রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারতের ঘুম কেড়ে নিতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


‘বদর’ প্রতিরক্ষা চুক্তি ভারতের ঘুম কেড়ে নিতে পারে

ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মোড় এনে কাতারের রাজধানী দোহায় স্বাক্ষরিত হয়েছে চার জাতির একটি নতুন প্রতিরক্ষা সমঝোতা স্মারক, যা ‘বদর চুক্তি’ (Badr Memorandum of Understanding) নামে পরিচিত। এই চুক্তিটি তুরস্ক, পাকিস্তান, কাতার এবং ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছে। চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো—প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের যৌথ উৎপাদন, প্রযুক্তি বিনিময়, সামরিক গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) এবং উন্নত কারিগরি প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া। অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর সামরিক সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী প্রতিরক্ষা শিল্প ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

ইসলামের ইতিহাসের ঐতিহাসিক ‘বদর যুদ্ধ’ এবং এর আরবি অর্থ ‘পূর্ণিমার চাঁদ’-এর সাথে মিলিয়ে এই চুক্তির নামকরণ করা হয়েছে ‘বদর’। বিশ্লেষকদের মতামত অনুযায়ী, এই চুক্তির মাধ্যমে চার দেশের নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং বন্ধুত্বপূর্ণ দেশগুলোর সামরিক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। বিশেষ করে, তুরস্কের উন্নত ড্রোন প্রযুক্তি, সাঁজোয়া যান এবং ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমের সাথে ইন্দোনেশিয়া ও পাকিস্তানের উৎপাদন সক্ষমতা এবং কাতারের বিশাল আর্থিক বিনিয়োগ এই চুক্তিকে বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা বাজারে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্লকে পরিণত করতে পারে।

ভারতের কৌশলগত উদ্বেগের কারণ

এই প্রতিরক্ষা চুক্তিটি দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে, বিশেষ করে ভারতের নিরাপত্তা মহলে নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই চুক্তির ফলে পাকিস্তান তার সামরিক আধুনিকায়ন এবং অস্ত্র সংগ্রহের ক্ষেত্রে এককভাবে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিকল্প বা বহুমুখী উৎস খুঁজে পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

এছাড়া, ইন্দোনেশিয়ার এই চুক্তিতে অংশগ্রহণ নতুন কূটনৈতিক জটিলতা তৈরি করেছে। কারণ, এর কিছুদিন আগে ভারতের সাথে সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ‘ব্রহ্মোস’ ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল ইন্দোনেশিয়া। ফলে জাকার্তার এই বহুমুখী কূটনৈতিক ও সামরিক অবস্থান নয়া দিল্লির কৌশলগত নীতিনির্ধারকদের উদ্বিগ্ন করেছে। যদিও ‘বদর’ চুক্তিটি মূলত একটি সামরিক শিল্প ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার রূপরেখা—যেখানে ন্যাটো-রীতির কোনো যৌথ পারস্পরিক প্রতিরক্ষা বাধ্যবাধকতা (Mutual Defence Pact) নেই, তবুও বিগত আগস্টে তুরস্ক, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’র সাথে এটি আঞ্চলিক নিরাপত্তায় সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সরকারের জরুরি নির্দেশ, সব অফিসে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের বিধিমালা মানতে হবে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


সরকারের জরুরি নির্দেশ, সব অফিসে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের বিধিমালা মানতে হবে

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অফিসকক্ষে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের জন্য প্রচলিত বিধিমালা অনুসরণের নির্দেশনা প্রদান করেছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সব সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা বা ব্যক্তি জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের অধিকারী বা যোগ্য না হয়েও অফিসকক্ষে চেয়ার বা সোফার পেছনে খুঁটিতে খাঁড়াভাবে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করছেন।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা কেবল সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রদর্শনের বিধান রয়েছে, যা মোটরগাড়ি, জলযান ও বিমান ছাড়া প্রযোজ্য।

তবে কিছু অফিসে জাতীয় পতাকা সার্বক্ষণিকভাবে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে। এছাড়া, জাতীয় পতাকার সঠিক আকার, অনুপাত ও রং বজায় না রেখে অফিসকক্ষে সজ্জা, অলংকরণ কিংবা ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।

এসব কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা এবং প্রতীক আদেশ, ১৯৭২ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর সরাসরি লঙ্ঘন। চিঠিতে জাতীয় পতাকার প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া, অধীন দপ্তর এবং সাংবিধানিক ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে বলা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে আরও ২ জনের প্রাণহানি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:২৯ পি.এম


হাম উপসর্গে আরও ২ জনের প্রাণহানি

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও দুই জনের মৃত্যু ঘটেছে।

এই তথ্যটি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রকাশ করা হয়েছে।

একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩১ জন হয়েছে।

গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে ১ হাজার ১০৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া, হাম শনাক্ত হওয়ার পর ১০৪ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।

এই পরিস্থিতিতে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বর্তমানে ১ হাজার ২০৭ জনে পৌঁছেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাম উপসর্গে মৃত্যু হল আরও ২ শিশুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৬:৩০ পি.এম


হাম উপসর্গে মৃত্যু হল আরও ২ শিশুর

ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০৭ জন।

আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুমের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৯৫ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৩৬ জন। ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর মোট সংখ্যা ২৩ হাজার ২৪৮ জন।

১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবরের মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬০৮ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯২৭ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা সহ, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে মোট ১ হাজার ১০৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে কারো মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে ১০৪ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১২ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৪৯
মাগরিব ০৫:২৬
ইশা ০৬:৩৭
সূর্যোদয় : ০৫:৫৯ সূর্যাস্ত : ০৫:২৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%