প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন বিএনপির সাবেক নেত্রী ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এই পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে ফেসবুকে বিভিন্ন সমালোচনা শুরু হয়।
ধর্মীয় অনুভূতি, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সনাতন ধর্মের আচার-অনুষ্ঠান নিয়ে তার বক্তব্যের কারণে নেটিজেনদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। এছাড়া, তার চেহারায় দেবী দুর্গার প্রতীকী রূপ দিয়ে ফেসবুকে প্রচার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) তিনি ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পোস্টে তিনি বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ ও অন্যায়ের উদাহরণগুলো ব্যঙ্গাত্মক ভাষায় তুলে ধরেন।
পোস্টে রুমিন ফারহানা উল্লেখ করেন, ‘ছবিটি কেউ একজন তৈরি করে ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছে বিভাজন আর ঘৃনা উস্কে দিতে। যারা ঘৃনার চাষকে ধর্ম ভাবেন তাদের বলছি’…
এ সময় তিনি ২২টি প্রশ্ন তুলে ধরেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, ‘১. বলাৎকারে ধর্ম যায় না, ২. ঘুষ খেলে ধর্ম যায় না, ৩. শিশু ধর্ষণ বা নির্যাতনে ধর্ম যায় না, ৪. মানুষ খুনে ধর্ম যায় না, ৫. নারীর ওপর সহিংসতায় ধর্ম যায় না, ৬. নারীকে কুৎসিত অপবাদ দিলে ধর্ম যায় না, ৭. অন্যের সম্পদ লুট করলে ধর্ম যায় না, ৮. প্রতারণা আর মানুষ ঠকালে ধর্ম যায় না, ৯. সারাবেলা মিথ্যার চাষে ধর্ম যায় না, ১০. নোংরামি করে ধরা পড়ে মুতা বিয়া বললে ধর্ম যায় না, ১১. মুনাফেকিকে জীবনের মূল মন্ত্র বানালে ধর্ম যায় না, ১২. ধর্মকে ব্যবসা বানালে ধর্ম যায় না, ১৩. বোনের হিস্যা ভাই মারলে ধর্ম যায় না, ১৪. বাবা মাকে বৃদ্ধ বয়সে ভাগাড়ে ফেললে ধর্ম যায় না, ১৫. অন্যের হক মেরে খেলে ধর্ম যায় না, ১৬. মিথ্যার বেসাতিতে ধর্ম যায় না, ১৭. ধর্মকে ঢাল বানিয়ে পাপাচারে লিপ্ত হলে ধর্ম যায় না, ১৮. ওজন বা মাপে কম দিলে ধর্ম যায় না, ১৯. খাদ্যে ভেজাল এমন কি বিষ মেশালেও ধর্ম যায় না, ২০. ব্যভিচারে ধর্ম যায় না, ২১. দুর্বলের ওপর অত্যাচারে ধর্ম যায় না, ২২. দুষ্টের লালন পালনে ধর্ম মজবুত হয়।
পোস্টের শেষে তিনি উল্লেখ করেন, ‘ধর্ম যায় কেবল অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলে।’
একই সঙ্গে নেটিজেনদের দ্বারা তৈরি দেবী দুর্গার ছবির সঙ্গে বিশেষ দ্রষ্টব্যে (বি.দ্র.) তিনি লেখেন, ‘মা দুর্গা দশভুজা, আটভুজা না। যাই হোক মূর্খের সমাজ, কি আর করা।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন