বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:২৯ পি.এম
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অফিসকক্ষে জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের জন্য প্রচলিত বিধিমালা অনুসরণের নির্দেশনা প্রদান করেছে। সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সব সিনিয়র সচিব ও সচিবদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে, সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কিছু কর্মকর্তা বা ব্যক্তি জাতীয় পতাকা প্রদর্শনের অধিকারী বা যোগ্য না হয়েও অফিসকক্ষে চেয়ার বা সোফার পেছনে খুঁটিতে খাঁড়াভাবে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করছেন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা কেবল সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রদর্শনের বিধান রয়েছে, যা মোটরগাড়ি, জলযান ও বিমান ছাড়া প্রযোজ্য।
তবে কিছু অফিসে জাতীয় পতাকা সার্বক্ষণিকভাবে ঝুলিয়ে রাখা হচ্ছে। এছাড়া, জাতীয় পতাকার সঠিক আকার, অনুপাত ও রং বজায় না রেখে অফিসকক্ষে সজ্জা, অলংকরণ কিংবা ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে।
এসব কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ জাতীয় সংগীত, পতাকা এবং প্রতীক আদেশ, ১৯৭২ এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২-এর সরাসরি লঙ্ঘন। চিঠিতে জাতীয় পতাকার প্রতি যথাযথ সম্মান ও মর্যাদা প্রদর্শনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, অধীন দপ্তর এবং সাংবিধানিক ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে বলা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও দুই জনের মৃত্যু ঘটেছে।
এই তথ্যটি বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতর কর্তৃক প্রকাশ করা হয়েছে।
একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৩১ জন হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গে ১ হাজার ১০৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া, হাম শনাক্ত হওয়ার পর ১০৪ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে।
এই পরিস্থিতিতে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বর্তমানে ১ হাজার ২০৭ জনে পৌঁছেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা, ২২ অক্টোবর, ২০২৬ : দেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আরও দুই শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত হাম ও হাম উপসর্গে মৃত রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২০৭ জন।
আজ বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুমের পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৯৫ জন এবং ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগীর মোট সংখ্যা ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬০ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ৩৬ জন। ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর মোট সংখ্যা ২৩ হাজার ২৪৮ জন।
১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবরের মধ্যে সন্দেহজনক হাম রোগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৯৩ হাজার ৬০৮ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৯২৭ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা সহ, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সন্দেহজনক হাম রোগে মোট ১ হাজার ১০৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হাম রোগে কারো মৃত্যু হয়নি। ১৫ মার্চ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগে ১০৪ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা চললেও, ব্যক্তিগত অর্জনে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আইসিসির ওয়ানডে অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে তিনি তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছেন। ব্যাটিং এবং বোলিং—দুই ক্ষেত্রেই কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য তিনি এই র্যাঙ্কিংয়ে নিজের স্থান ধরে রেখেছেন।
আইসিসির অক্টোবর ২০২৬-এর র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, মিরাজ ২৬০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। তার উপরে অবস্থান করছেন আফগানিস্তানের আজমতউল্লাহ ওমরজাই এবং জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা।
বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের জন্য মিরাজের গুরুত্ব শুধুমাত্র একজন স্পিনার হিসেবে নয়, বরং ব্যাট হাতেও দলের প্রয়োজনে অবদান রাখার ক্ষেত্রে। মাঝের ওভারে প্রতিপক্ষের রান আটকে রাখা, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নেওয়া এবং ব্যাটিংয়ে প্রয়োজনীয় রান যোগ করার সক্ষমতা তাকে একজন কার্যকর অলরাউন্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
২০২৬ সালের মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের ২-১ ব্যবধানে জয় লাভে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ওই সিরিজে তিনি তিন ম্যাচে পাঁচটি উইকেট নিয়ে বল হাতে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করেন। এরপর আইসিসির র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে অলরাউন্ডারদের ভূমিকা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। মিরাজের মতো একজন ক্রিকেটারের বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ তিনে থাকা দলটির জন্য ইতিবাচক খবর। এখন তার লক্ষ্য হবে এই অবস্থান ধরে রাখা এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আরও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করা।
আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটের অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিং
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের আসামে বাঙালি মুসলমানদের ১ হাজার ১০০ টিরও বেশি বাড়িঘর এবং ১০টির অধিক মসজিদ ধ্বংস করার ঘটনায় বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের আসাম ও উত্তরপ্রদেশসহ বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটাচ্ছে ভারত। তিনি বলেন, "মুসলমানদের বাড়িঘর ও মসজিদ ভেঙ্গে দিয়ে ভারত চরম মানবাধিকার লংঘন করছে।" গত এক দশকে প্রায় ১৯ হাজার পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সংগঠিত রাষ্ট্রীয় অপরাধ পর্যালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ৩ সদস্যের একটি প্যানেল রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের যথেষ্ট সত্যতার প্রমাণ পেয়েছে। গত ৩১ মার্চ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আসাম ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীরা জাতিগত নির্মূলে ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ভারতকে মুসলিম শূন্য করে হিন্দু রাষ্ট্র পরিণত করার লক্ষ্যে ভারতে অবস্থিত মুসলিম ঐতিহ্যগুলো বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার।
মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, "১৯৯২ সালে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে সারা বিশ্বে নিন্দিত হয়েছে।" আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিবাদকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে ভারত সংখ্যালঘুদের উপর দমন চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের জন্য ভারত সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
সম্প্রতি দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে দেড়শ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক মসজিদ উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে মোদী প্রশাসন। ১৯৭৭ সাল থেকে মসজিদটি সরকারি গ্যাজেটভুক্ত ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। নয়া দিল্লির মিউনিসিপাল কাউন্সিলের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকায় থাকা ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদটি গত ১৯ অক্টোবর ছয় দিনের মধ্যে খালি করার নোটিশ পেয়েছে। ৭ অক্টোবর থেকে মসজিদের বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বিচ্ছিন্ন করায় মুসল্লিদের নামাজ আদায়সহ দৈনন্দিন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়ায় ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানরা রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমীর হাবিবুল্লাহ মিয়াজী ভারতের মুসলিমদের অস্তিত্ব রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, "অন্যথায় জুলুমের পরিণতিতে ভারত একদিন ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে।" তিনি আশাবাদী যে, সেদিন বেশি দূরে নয়, ভারতে আবার মজলুম মুসলমানদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ