শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:৪৪ পি.এম
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান মেটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পিএইচডি শিক্ষার্থীদের জন্য দুই বছরের রিসার্চ পিএইচডি ফেলোশিপের জন্য আবেদন আহ্বান করেছে। নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা এই ফেলোশিপের মাধ্যমে টিউশন ফি, স্টাইপেন্ড, জীবনযাপন এবং গবেষণাসহ বিভিন্ন খরচের সহায়তা পাবেন।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত যেকোনো বর্ষের শিক্ষার্থী এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
গবেষণা প্রস্তাবের মান, সম্ভাব্য প্রভাব ও সুপারিশপত্র আবেদন মূল্যায়নে গুরুত্ব পাবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুটি সুপারিশপত্র জমা না দিলে আবেদন মূল্যায়নের জন্য বিবেচিত হবে না।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পাবেন -
> দুই বছরের পূর্ণ টিউশন ফি ও অন্যান্য অ্যাকাডেমিক ফি।
> বছরে ৪২ হাজার মার্কিন ডলার স্টাইপেন্ড।
> জীবনযাপন ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের খরচ।
> মেটার বার্ষিক ফেলোশিপ সামিটে অংশ নেওয়ার সুযোগ।
> মেটার গবেষকদের সঙ্গে কাজ ও যোগাযোগের সুযোগ।
মেটা জানায়, ফেলোশিপের আওতায় দুই বছরের জন্য টিউশন, স্টাইপেন্ড ও গবেষণাসংক্রান্ত সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদনের যোগ্যতা
> স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণকালীন পিএইচডি প্রোগ্রামে অধ্যয়নরত হতে হবে।
> যেকোনো জাতীয়তার শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবেন।
> এক বা একাধিক চলমান গবেষণা প্রকল্পে যুক্ত থাকতে হবে।
> ফেসবুক থেকে ইতোমধ্যে অন্য কোনো অনুদান পেলে এই ফেলোশিপের জন্য আবেদন করা যাবে না।
সময়সূচি
আবেদন শুরু: ৩ আগস্ট ২০২৬
আবেদন শেষ: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুপারিশপত্র জমার শেষ সময়: ৬ অক্টোবর ২০২৬
আবেদন মূল্যায়ন শুরু: ১১ অক্টোবর ২০২৬
ফল প্রকাশ: ১৮ জানুয়ারি ২০২৭
বিজয়ীদের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা: ৩১ জানুয়ারি ২০২৭- এর মধ্যে
যেভাবে আবেদন করবেন
আগ্রহীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আবেদন করার সময় নিজেদের গবেষণার সঙ্গে সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ ক্ষেত্র নির্বাচন করতে হবে। পাশাপাশি দুটি সুপারিশপত্র জমা দিতে হবে, যার একটি গবেষণা-তত্ত্বাবধায়কের কাছ থেকে হতে হবে।
আবেদন করতে এবং নির্দেশাবশি জানতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কোহাত জেলায় পুলিশ সদর দফতরে আত্মঘাতী বোমা হামলা এবং বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩১ জনে পৌঁছেছে। নিহতদের মধ্যে ১৬ জন পুলিশ সদস্য রয়েছেন। এ ঘটনায় ১০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানায়।
একজন জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, জঙ্গি হামলা ও আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ফলে অন্তত ৩১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। হামলায় জড়িত অবশিষ্ট সশস্ত্র ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান এখনও চলমান রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার জুমার নামাজের সময় কোহাত পুলিশ লাইন্সের কাছে একটি মসজিদের পাশে বিস্ফোরকভর্তি গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। বিস্ফোরণের পর একাধিক সশস্ত্র হামলাকারী পুলিশ কমপ্লেক্সে প্রবেশের চেষ্টা করে এবং গুলি চালায়।
বিস্ফোরণের তীব্রতায় মসজিদের ছাদের একটি অংশ ভেঙে পড়ে। এতে মসজিদে উপস্থিত মুসল্লি ও পুলিশ সদস্যরা হতাহত হন। হামলায় পুলিশ সদর দফতরের প্রধান প্রাচীর এবং কয়েকটি ভবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল এবং নিকটবর্তী সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী এবং উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে।
আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর জঙ্গি হামলার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কোহাতের এই হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে পাকিস্তানের সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) থেকে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তারা ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার জন্য কোনো জামানত প্রয়োজন হয় না। এই ঋণের সুদহারও তুলনামূলকভাবে কম।
বিসিকের এই ঋণ পেতে উদ্যোক্তাদের কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। দেশের ৬৪টি জেলায় অবস্থিত বিসিক কার্যালয়গুলোতে আবেদন করে যেকোনো সময় সরাসরি এই ঋণ নেওয়া সম্ভব।
বিসিকের যত ঋণ কর্মসূচি
বর্তমানে বিসিকের তিন ধরনের ঋণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। প্রথমত, প্রণোদনা প্যাকেজ ঋণ কর্মসূচি। করোনার পর ২০২০–২১ অর্থবছর থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে এটি পুনঃ অর্থায়ন তহবিলে রূপান্তরিত হয়। গত জুন মাস পর্যন্ত এই তহবিলের পরিমাণ ২৭০ কোটি টাকা হয়েছে। এই তহবিল থেকে ৯ হাজার ২৯১ জন ঋণ পেয়েছেন।
উদ্যোক্তাদের জন্য ২০১৫–১৬ অর্থবছর থেকে নিজস্ব অর্থায়নে একটি ‘বিনীত’ (বিসিক নিজস্ব তহবিল) ঋণ কর্মসূচি চালু করা হয়। মাত্র ১৫ কোটি টাকা দিয়ে শুরু হওয়া এই তহবিলের পরিমাণ বর্তমানে ১৫০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। গত জুন মাস পর্যন্ত ৮ হাজার ৮৭৩ জন এই তহবিল থেকে ঋণ পেয়েছেন।
প্রান্তিক পর্যায়ের মৌচাষিদের জন্য ২০১৯ সাল থেকে আলাদা একটি ঋণ কর্মসূচি বিসিক চালু করেছে। বর্তমানে এই তহবিলের আকার ৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। মৌচাষিরা এখানে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারেন। এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৯৭ জনকে এই ঋণ প্রদান করেছে বিসিক।
বিসিকের কর্মকর্তারা জানান, সকল কর্মসূচির ক্ষেত্রে ঋণের সুদহার ও অন্যান্য প্রক্রিয়া একই রকম।
ঋণের পরিমাণ ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া
উদ্যোক্তারা ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারেন। বিসিকের কর্মকর্তারা জানান, শিগগিরই ঋণের এই সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে, সব ঋণের অনুমোদন বিসিকের জেলা কার্যালয় দিতে পারে না। উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে বিসিক জেলা কার্যালয় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত ঋণ অনুমোদনের ক্ষমতা ভাগ করা রয়েছে। বিসিকের জেলা কার্যালয় সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ অনুমোদন করতে পারে। ৫ লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ অনুমোদন দেয় আঞ্চলিক কার্যালয়। আর ১০ লাখ টাকার বেশি (২০ লাখ টাকা পর্যন্ত) ঋণের অনুমোদন দেয় বিসিকের প্রধান কার্যালয়।
ঋণের শর্ত কী
বিসিকের কর্মকর্তারা জানান, দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সম্পূর্ণ জামানতমুক্ত। এই ক্ষেত্রে শুধু একজন জামিনদার (গ্যারান্টার) থাকলেই ঋণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
দুই লাখ টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে ‘ইকুইটেবল মর্টগেজ ডিড’ এর মাধ্যমে উদ্যোক্তার নিজস্ব জমি বা বাড়ির কাগজপত্র বিসিক কার্যালয়ে বন্ধক রাখতে হবে। কোনো ব্যাংক বা তৃতীয় পক্ষের জটিলতা ছাড়াই এই কাজ বিনা খরচে বিসিক কার্যালয়ে সম্পন্ন হয়। ঋণ পরিশোধের পর উদ্যোক্তা তাদের কাগজপত্র ফেরত পাবেন।
বিসিকের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২–এ বর্ণিত যেকোনো ধরনের শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠান এই ঋণের জন্য আবেদন করতে পারে। তবে নতুন উদ্যোক্তা, নারী উদ্যোক্তা, বিসিক শিল্প নগরীর শিল্প প্লটের মালিক ও উদ্যোক্তা এবং রপ্তানিমুখী খাতগুলোকে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
সুদের হার ও মেয়াদ
বিসিকের ঋণ কর্মসূচিতে সুদের হার অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও সুলভ। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য মাত্র ৫ শতাংশ সুদহারে এই ঋণ প্রদান করা হয়। পুরুষ উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ঋণের সুদের হার ৬ শতাংশ। এক বছর থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর মেয়াদে এই ঋণ পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে সাধারণ ব্যাংকঋণের সুদহার ১৫ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে। অর্থাৎ, ব্যাংকঋণের তুলনায় অনেক কম সুদে বিসিক থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারেন উদ্যোক্তারা।
ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ ইকুইটি এবং নারী উদ্যোক্তার ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ ইকুইটি নিশ্চিত করতে হবে। উদ্যোক্তার বিনিয়োগকৃত জমি, কারখানা ঘর, যন্ত্রপাতি ও সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক স্থায়ী বিনিয়োগ ইকুইটি হিসেবে গণ্য করা যাবে। একক অথবা অংশীদারি মালিকানা উভয় ক্ষেত্রেই ঋণ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বর্তমানে রোবট শুধুমাত্র মানুষের জন্য কাজ করছে না, বরং তারা অন্য রোবট তৈরির প্রক্রিয়াতেও অংশগ্রহণ করছে। চীনে একটি অত্যাধুনিক কারখানা চালু হয়েছে, যেখানে রোবট ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির সাহায্যে হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করা হচ্ছে। এই কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা প্রতি ১০ মিনিটে একটি করে শিল্পকারখানায় ব্যবহারের উপযোগী হিউম্যানয়েড রোবট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
চীনের রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউবিটেক রোবোটিকস গুয়াংশি ঝুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের লিউঝৌ শহরে এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করেছে। ১৪ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই কারখানায় বছরে ১০ হাজার হিউম্যানয়েড রোবট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
এখানে ইউবিটেকের ‘ওয়াকার এস’ ও ‘ক্রুজর’ সিরিজের শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহারের উপযোগী হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করা হচ্ছে। উৎপাদন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো রোবট তৈরির বিভিন্ন ধাপে রোবটের ব্যবহার।
কারখানার সম্পূর্ণ উৎপাদন ব্যবস্থা একটি ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা ইউবিটেক ‘স্মার্ট ব্রেইন’ বলে অভিহিত করছে। এই ব্যবস্থা উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপের সমন্বয়, যন্ত্রাংশ পরিবহন এবং তৈরি হওয়া রোবটের মান যাচাইয়ে সহায়তা করছে।
এছাড়া, ‘ক্রুজর ওয়াই১’ ও ‘ক্রুজর এস২’ মডেলের হিউম্যানয়েড রোবট উপকরণ খালাস, সেগুলো স্তূপ করে রাখা, উৎপাদন লাইনে পৌঁছে দেওয়া এবং কারখানার ভেতরে পরিবহনের মতো কাজ করছে।
চূড়ান্ত অ্যাসেম্বলিতে রোবোটিক বাহু, চালকবিহীন লজিস্টিক যান, শক্তি-সহায়ক ম্যানিপুলেটর ও স্বয়ংক্রিয় ওয়ার্কটেবল ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে একই উৎপাদন লাইনে একাধিক ধরনের রোবট তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।
কারখানা থেকে বের হওয়ার আগে প্রতিটি রোবটকে চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পরীক্ষা করা হয়। যান্ত্রিক ও কার্যকরী সক্ষমতা যাচাইয়ের পাশাপাশি ৩৬০ ডিগ্রি ভিজ্যুয়াল পরিদর্শনের মাধ্যমে রোবটের বাহ্যিক মান পরীক্ষা করা হয়।
রোবট সংরক্ষণের জন্যও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা রয়েছে। ইউবিটেকের দাবি, মাত্র ৬৫ বর্গমিটার জায়গায় তাদের স্বয়ংক্রিয় গুদামে ১১২টি হিউম্যানয়েড রোবট রাখা সম্ভব। স্বয়ংক্রিয় গাইডেড ভেহিকল এবং চালকবিহীন ফর্কলিফটসহ বিভিন্ন যন্ত্র উৎপাদন, পরীক্ষণ ও সংরক্ষণ এলাকার মধ্যে রোবট ও যন্ত্রাংশ পরিবহন করে।
এদিকে, চীনে শিল্প রোবটের উৎপাদনও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে চীনে ৯৮ হাজার ৬৭৭টি শিল্প রোবট উৎপাদিত হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।
চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশটিতে শিল্প রোবট উৎপাদন হয়েছে ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬টি, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।
বিশ্লেষকদের মতে, লিউঝৌয়ের নতুন কারখানাটি রোবট প্রযুক্তিকে গবেষণাগার থেকে বাস্তব শিল্প উৎপাদনের আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে চীনের অগ্রগতির একটি উদাহরণ।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সকালের শুরুতে এক কাপ চা না হলে অনেকের দিন যেন জমে না। আবার কাজের ফাঁকে বা দিনের শেষে এক কাপ দুধ-চায়ে চুমুক দেওয়াও অনেকের জন্য একটি নিয়মিত অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু যাদের লিভারে চর্বি জমেছে, তারা কি নিশ্চিন্তে দুধ-চা খেতে পারেন?
চিকিৎসকদের মতে, গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার থাকলে দুধ ও চিনি দিয়ে তৈরি চা নিয়মিত খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। তবে এর মানে এই নয় যে চা একেবারেই বাদ দিতে হবে। চা তৈরির পদ্ধতি এবং এতে ব্যবহৃত উপকরণগুলি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার কী?
লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার প্রাথমিক পর্যায়কে গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার বলা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে মৃদু মাত্রার চর্বিযুক্ত লিভার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
যদি এই পর্যায়ে সচেতনতা বজায় রাখা যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে লিভারে আরও বেশি চর্বি জমা এবং লিভার সিরোসিসের মতো জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
দুধ-চা কি লিভারের জন্য ক্ষতিকর?
চা-পাতা ফুটলে এতে থাকা এক ধরনের উপকারী উপাদান পানিতে মিশে যায়। এই উপাদান শরীরে ক্ষতিকর পদার্থ দূর করতে এবং লিভারের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে। দুধ ছাড়া চা বা লিকার চায়ে এই উপাদান তুলনামূলকভাবে বেশি পাওয়া যায়।
সমস্যার মূল কারণ হলো চিনি। বিশেষ করে সাদা চিনি শরীরে ভেঙে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে পরিণত হয়। অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ লিভারে চর্বি হিসেবে জমা হতে পারে। ফলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকে।
তবে চায়ে দুধ মেশানো যে লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তা নয়। কম চর্বিযুক্ত দুধ ব্যবহার করে এবং চিনি বাদ দিয়ে চা পান করলে সেটি তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর হতে পারে।
কোন দুধ বেশি ক্ষতিকর?
চায়ে যদি বেশি চর্বিযুক্ত ঘন দুধ বা কনডেন্সড মিল্ক ব্যবহার করা হয়, তাহলে লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়া আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
যদি এর সঙ্গে বেশি পরিমাণে চিনি যোগ করা হয়, তাহলে চা আরও ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। তাই ফ্যাটি লিভার থাকলে দুধ ও চিনি দুটোই বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলা উচিত।
কীভাবে খাবেন দুধ-চা?
ফ্যাটি লিভার থাকলে চা খাওয়ার অভ্যাস পুরোপুরি বাদ না দিয়ে তৈরির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যাটি লিভার থাকলে চায়ের সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি ও বেশি চর্বিযুক্ত দুধ একসঙ্গে ব্যবহার করাই মূলত সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই চা পুরোপুরি বাদ না দিয়ে এর উপকরণ ও তৈরির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনাই হতে পারে ভালো উপায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ