ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ মিলবে বিসিক কার্যালয় থেকেই, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৫% সুদ


২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ মিলবে বিসিক কার্যালয় থেকেই, নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ৫% সুদ

বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) থেকে ক্ষুদ্র, কুটির ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তারা ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। এর মধ্যে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার জন্য কোনো জামানত প্রয়োজন হয় না। এই ঋণের সুদহারও তুলনামূলকভাবে কম।

বিসিকের এই ঋণ পেতে উদ্যোক্তাদের কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। দেশের ৬৪টি জেলায় অবস্থিত বিসিক কার্যালয়গুলোতে আবেদন করে যেকোনো সময় সরাসরি এই ঋণ নেওয়া সম্ভব।

বিসিকের যত ঋণ কর্মসূচি

আরও পড়ুন: সরকারি কর্মচারীদের ভাতা নির্ধারণে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

বর্তমানে বিসিকের তিন ধরনের ঋণ কার্যক্রম চালু রয়েছে। প্রথমত, প্রণোদনা প্যাকেজ ঋণ কর্মসূচি। করোনার পর ২০২০–২১ অর্থবছর থেকে ১০০ কোটি টাকা নিয়ে এই কর্মসূচি শুরু হয়। পরবর্তীতে এটি পুনঃ অর্থায়ন তহবিলে রূপান্তরিত হয়। গত জুন মাস পর্যন্ত এই তহবিলের পরিমাণ ২৭০ কোটি টাকা হয়েছে। এই তহবিল থেকে ৯ হাজার ২৯১ জন ঋণ পেয়েছেন।

উদ্যোক্তাদের জন্য ২০১৫–১৬ অর্থবছর থেকে নিজস্ব অর্থায়নে একটি ‘বিনীত’ (বিসিক নিজস্ব তহবিল) ঋণ কর্মসূচি চালু করা হয়। মাত্র ১৫ কোটি টাকা দিয়ে শুরু হওয়া এই তহবিলের পরিমাণ বর্তমানে ১৫০ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। গত জুন মাস পর্যন্ত ৮ হাজার ৮৭৩ জন এই তহবিল থেকে ঋণ পেয়েছেন।

প্রান্তিক পর্যায়ের মৌচাষিদের জন্য ২০১৯ সাল থেকে আলাদা একটি ঋণ কর্মসূচি বিসিক চালু করেছে। বর্তমানে এই তহবিলের আকার ৪ কোটি ৭৮ লাখ টাকা। মৌচাষিরা এখানে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে পারেন। এ পর্যন্ত ১ হাজার ৪৯৭ জনকে এই ঋণ প্রদান করেছে বিসিক।

বিসিকের কর্মকর্তারা জানান, সকল কর্মসূচির ক্ষেত্রে ঋণের সুদহার ও অন্যান্য প্রক্রিয়া একই রকম।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দাম বেড়ে গেল, বিনিয়োগকারীদের নজর ফেডারেল রিজার্ভের সিদ্ধান্তে

ঋণের পরিমাণ ও অনুমোদনের প্রক্রিয়া

উদ্যোক্তারা ৫০ হাজার টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারেন। বিসিকের কর্মকর্তারা জানান, শিগগিরই ঋণের এই সীমা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে, সব ঋণের অনুমোদন বিসিকের জেলা কার্যালয় দিতে পারে না। উদ্যোক্তাদের আবেদনের ভিত্তিতে বিসিক জেলা কার্যালয় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত ঋণ অনুমোদনের ক্ষমতা ভাগ করা রয়েছে। বিসিকের জেলা কার্যালয় সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ অনুমোদন করতে পারে। ৫ লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ অনুমোদন দেয় আঞ্চলিক কার্যালয়। আর ১০ লাখ টাকার বেশি (২০ লাখ টাকা পর্যন্ত) ঋণের অনুমোদন দেয় বিসিকের প্রধান কার্যালয়।

ঋণের শর্ত কী

আরও পড়ুন: কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদার সরকারের অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রধান লক্ষ্য: ড. তিতুমীর

বিসিকের কর্মকর্তারা জানান, দুই লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ সম্পূর্ণ জামানতমুক্ত। এই ক্ষেত্রে শুধু একজন জামিনদার (গ্যারান্টার) থাকলেই ঋণ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

দুই লাখ টাকার বেশি ঋণের ক্ষেত্রে ‘ইকুইটেবল মর্টগেজ ডিড’ এর মাধ্যমে উদ্যোক্তার নিজস্ব জমি বা বাড়ির কাগজপত্র বিসিক কার্যালয়ে বন্ধক রাখতে হবে। কোনো ব্যাংক বা তৃতীয় পক্ষের জটিলতা ছাড়াই এই কাজ বিনা খরচে বিসিক কার্যালয়ে সম্পন্ন হয়। ঋণ পরিশোধের পর উদ্যোক্তা তাদের কাগজপত্র ফেরত পাবেন।

বিসিকের কর্মকর্তারা জানান, জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২–এ বর্ণিত যেকোনো ধরনের শিল্প খাতের প্রতিষ্ঠান এই ঋণের জন্য আবেদন করতে পারে। তবে নতুন উদ্যোক্তা, নারী উদ্যোক্তা, বিসিক শিল্প নগরীর শিল্প প্লটের মালিক ও উদ্যোক্তা এবং রপ্তানিমুখী খাতগুলোকে ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

সুদের হার ও মেয়াদ

আরও পড়ুন: বাংলাদেশে অবকাঠামো ও শিল্প খাতে বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুর

বিসিকের ঋণ কর্মসূচিতে সুদের হার অত্যন্ত আকর্ষণীয় ও সুলভ। নারী উদ্যোক্তাদের জন্য মাত্র ৫ শতাংশ সুদহারে এই ঋণ প্রদান করা হয়। পুরুষ উদ্যোক্তাদের ক্ষেত্রে ঋণের সুদের হার ৬ শতাংশ। এক বছর থেকে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর মেয়াদে এই ঋণ পরিশোধের সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে সাধারণ ব্যাংকঋণের সুদহার ১৫ শতাংশ পর্যন্ত রয়েছে। অর্থাৎ, ব্যাংকঋণের তুলনায় অনেক কম সুদে বিসিক থেকে ঋণ গ্রহণ করতে পারেন উদ্যোক্তারা।

ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে উদ্যোক্তার ন্যূনতম ৩০ শতাংশ ইকুইটি এবং নারী উদ্যোক্তার ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ ইকুইটি নিশ্চিত করতে হবে। উদ্যোক্তার বিনিয়োগকৃত জমি, কারখানা ঘর, যন্ত্রপাতি ও সংশ্লিষ্ট আনুষঙ্গিক স্থায়ী বিনিয়োগ ইকুইটি হিসেবে গণ্য করা যাবে। একক অথবা অংশীদারি মালিকানা উভয় ক্ষেত্রেই ঋণ গ্রহণের সুযোগ রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোবটই বানাচ্ছে রোবট, তবে মানব সভ্যতা বড় বিপর্যয়ের মুখে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


রোবটই বানাচ্ছে রোবট, তবে মানব সভ্যতা বড় বিপর্যয়ের মুখে?

বর্তমানে রোবট শুধুমাত্র মানুষের জন্য কাজ করছে না, বরং তারা অন্য রোবট তৈরির প্রক্রিয়াতেও অংশগ্রহণ করছে। চীনে একটি অত্যাধুনিক কারখানা চালু হয়েছে, যেখানে রোবট ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির সাহায্যে হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করা হচ্ছে। এই কারখানার উৎপাদন ক্ষমতা প্রতি ১০ মিনিটে একটি করে শিল্পকারখানায় ব্যবহারের উপযোগী হিউম্যানয়েড রোবট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

চীনের রোবট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউবিটেক রোবোটিকস গুয়াংশি ঝুয়াং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের লিউঝৌ শহরে এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠা করেছে। ১৪ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই কারখানায় বছরে ১০ হাজার হিউম্যানয়েড রোবট উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

এখানে ইউবিটেকের ‘ওয়াকার এস’ ও ‘ক্রুজর’ সিরিজের শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহারের উপযোগী হিউম্যানয়েড রোবট তৈরি করা হচ্ছে। উৎপাদন ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো রোবট তৈরির বিভিন্ন ধাপে রোবটের ব্যবহার।

কারখানার সম্পূর্ণ উৎপাদন ব্যবস্থা একটি ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যা ইউবিটেক ‘স্মার্ট ব্রেইন’ বলে অভিহিত করছে। এই ব্যবস্থা উৎপাদনের বিভিন্ন ধাপের সমন্বয়, যন্ত্রাংশ পরিবহন এবং তৈরি হওয়া রোবটের মান যাচাইয়ে সহায়তা করছে।

এছাড়া, ‘ক্রুজর ওয়াই১’ ও ‘ক্রুজর এস২’ মডেলের হিউম্যানয়েড রোবট উপকরণ খালাস, সেগুলো স্তূপ করে রাখা, উৎপাদন লাইনে পৌঁছে দেওয়া এবং কারখানার ভেতরে পরিবহনের মতো কাজ করছে।

চূড়ান্ত অ্যাসেম্বলিতে রোবোটিক বাহু, চালকবিহীন লজিস্টিক যান, শক্তি-সহায়ক ম্যানিপুলেটর ও স্বয়ংক্রিয় ওয়ার্কটেবল ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে একই উৎপাদন লাইনে একাধিক ধরনের রোবট তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে।

কারখানা থেকে বের হওয়ার আগে প্রতিটি রোবটকে চার ঘণ্টার বেশি সময় ধরে পরীক্ষা করা হয়। যান্ত্রিক ও কার্যকরী সক্ষমতা যাচাইয়ের পাশাপাশি ৩৬০ ডিগ্রি ভিজ্যুয়াল পরিদর্শনের মাধ্যমে রোবটের বাহ্যিক মান পরীক্ষা করা হয়।

রোবট সংরক্ষণের জন্যও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা রয়েছে। ইউবিটেকের দাবি, মাত্র ৬৫ বর্গমিটার জায়গায় তাদের স্বয়ংক্রিয় গুদামে ১১২টি হিউম্যানয়েড রোবট রাখা সম্ভব। স্বয়ংক্রিয় গাইডেড ভেহিকল এবং চালকবিহীন ফর্কলিফটসহ বিভিন্ন যন্ত্র উৎপাদন, পরীক্ষণ ও সংরক্ষণ এলাকার মধ্যে রোবট ও যন্ত্রাংশ পরিবহন করে।

এদিকে, চীনে শিল্প রোবটের উৎপাদনও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাইয়ে চীনে ৯৮ হাজার ৬৭৭টি শিল্প রোবট উৎপাদিত হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩০ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।

চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে দেশটিতে শিল্প রোবট উৎপাদন হয়েছে ৬ লাখ ৩৫ হাজার ৫৬টি, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

বিশ্লেষকদের মতে, লিউঝৌয়ের নতুন কারখানাটি রোবট প্রযুক্তিকে গবেষণাগার থেকে বাস্তব শিল্প উৎপাদনের আরও বড় পরিসরে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে চীনের অগ্রগতির একটি উদাহরণ।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্যাটি লিভার থাকলে দুধ-চা খাওয়া যাবে? জেনে নিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৫ পি.এম


ফ্যাটি লিভার থাকলে দুধ-চা খাওয়া যাবে? জেনে নিন

সকালের শুরুতে এক কাপ চা না হলে অনেকের দিন যেন জমে না। আবার কাজের ফাঁকে বা দিনের শেষে এক কাপ দুধ-চায়ে চুমুক দেওয়াও অনেকের জন্য একটি নিয়মিত অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু যাদের লিভারে চর্বি জমেছে, তারা কি নিশ্চিন্তে দুধ-চা খেতে পারেন?

চিকিৎসকদের মতে, গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার থাকলে দুধ ও চিনি দিয়ে তৈরি চা নিয়মিত খাওয়া স্বাস্থ্যকর নয়। তবে এর মানে এই নয় যে চা একেবারেই বাদ দিতে হবে। চা তৈরির পদ্ধতি এবং এতে ব্যবহৃত উপকরণগুলি বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার কী?

লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার প্রাথমিক পর্যায়কে গ্রেড-১ ফ্যাটি লিভার বলা হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে মৃদু মাত্রার চর্বিযুক্ত লিভার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

যদি এই পর্যায়ে সচেতনতা বজায় রাখা যায়, তাহলে পরবর্তী সময়ে লিভারে আরও বেশি চর্বি জমা এবং লিভার সিরোসিসের মতো জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

দুধ-চা কি লিভারের জন্য ক্ষতিকর?

চা-পাতা ফুটলে এতে থাকা এক ধরনের উপকারী উপাদান পানিতে মিশে যায়। এই উপাদান শরীরে ক্ষতিকর পদার্থ দূর করতে এবং লিভারের প্রদাহ কমাতে সহায়তা করতে পারে। দুধ ছাড়া চা বা লিকার চায়ে এই উপাদান তুলনামূলকভাবে বেশি পাওয়া যায়।

সমস্যার মূল কারণ হলো চিনি। বিশেষ করে সাদা চিনি শরীরে ভেঙে গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজে পরিণত হয়। অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ লিভারে চর্বি হিসেবে জমা হতে পারে। ফলে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে চায়ে দুধ মেশানো যে লিভারের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর, তা নয়। কম চর্বিযুক্ত দুধ ব্যবহার করে এবং চিনি বাদ দিয়ে চা পান করলে সেটি তুলনামূলকভাবে স্বাস্থ্যকর হতে পারে।

কোন দুধ বেশি ক্ষতিকর?

চায়ে যদি বেশি চর্বিযুক্ত ঘন দুধ বা কনডেন্সড মিল্ক ব্যবহার করা হয়, তাহলে লিভারে চর্বি জমার প্রক্রিয়া আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।

যদি এর সঙ্গে বেশি পরিমাণে চিনি যোগ করা হয়, তাহলে চা আরও ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। তাই ফ্যাটি লিভার থাকলে দুধ ও চিনি দুটোই বেশি পরিমাণে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলা উচিত।

কীভাবে খাবেন দুধ-চা?

ফ্যাটি লিভার থাকলে চা খাওয়ার অভ্যাস পুরোপুরি বাদ না দিয়ে তৈরির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফ্যাটি লিভার থাকলে চায়ের সঙ্গে অতিরিক্ত চিনি ও বেশি চর্বিযুক্ত দুধ একসঙ্গে ব্যবহার করাই মূলত সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই চা পুরোপুরি বাদ না দিয়ে এর উপকরণ ও তৈরির পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনাই হতে পারে ভালো উপায়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে নতুন নিয়োগ, এসএসসি পাসে আবেদন শুরু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে নতুন নিয়োগ, এসএসসি পাসে আবেদন শুরু

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। ১৯ জনকে ৯টি পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে ২০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় এবং ১৯ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। আবেদন শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এসএসসি পাসের চাকরি প্রার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন।

এক নজরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

পদের বিবরণ

আবেদন করার নিয়ম ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

আবেদন শুরু: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সকাল ১০টা

আবেদনের শেষ তারিখ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ রাত ১২ পর্যন্ত

আবেদন পদ্ধতি: অনলাইনে

চাকরির ধরন: অস্থায়ী

প্রার্থীর ধরন: নারী - পুরুষ

কর্মস্থল: চট্টগ্রাম

বয়স: ১৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে ১ - ২ নং পদের জন্য সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর এবং ৩ - ৬ ও ৮ ও ৯ নং পদের জন্য সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। ৭ নং পদের জন্য বিভাগীয় প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স শিথিলযোগ্য। বয়স প্রমাণের জন্য কোনো প্রকার এফিডেভিট গ্রহণযোগ্য হবে না।

আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে ও বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। আবেদনপত্রের সঙ্গে ৩০০-৩০০ সাইজের ছবি এবং ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পরে এবং অসম্পূর্ণ আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না।

আবেদন ফি: অনলাইনের মাধ্যমে ১-৭ নং পদের জন্য ২০০ টাকা এবং ৮ ও ৯ নং পদের জন্য ১৫০ টাকা জমা দিতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সার ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ, ৬৪ জেলায় কৃষকরা পাবে শতভাগ বরাদ্দ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৬ পি.এম


সার ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ, ৬৪ জেলায় কৃষকরা পাবে শতভাগ বরাদ্দ

কৃষকের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়ে সার ব্যবস্থাপনায় নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার। এর আওতায় অক্টোবর মাসের জন্য দেশের ৬৪ জেলার চাহিদার বিপরীতে সারের শতভাগ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। একইসঙ্গে রবি ও বোরো মৌসুমের চাহিদা বিবেচনায় আগাম আমদানি, মজুত, পরিবহন ও মাঠপর্যায়ে মনিটরিংয়ের সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সার ব্যবস্থাপনা ও মনিটরিং অধিশাখার ১৪ সেপ্টেম্বরের বরাদ্দপত্র ও সংযুক্ত সারণি থেকে এই তথ্য পাওয়া গেছে।

সরকারি হিসাবে, আগামী অক্টোবর মাসে ৬৪ জেলার টিএসপি সারের চাহিদা ৭০ হাজার ৫২ মেট্রিক টন, ডিএপি ১ লাখ ৫০ হাজার ৯১০ মেট্রিক টন এবং এমওপি ৯৩ হাজার ৬৫৪ মেট্রিক টন। তিন ধরনের নন-ইউরিয়া সারের মোট চাহিদা ৩ লাখ ১৪ হাজার ৬১৬ মেট্রিক টন এবং এই পরিমাণ বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এর মধ্যে টিএসপির সম্পূর্ণ ৭০ হাজার ৫২ মেট্রিক টনই বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) থেকে বরাদ্দ করা হয়েছে। ডিএপির ১ লাখ ৫০ হাজার ৯১০ মেট্রিক টনের মধ্যে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ১ হাজার এবং বিএডিসি ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯১০ মেট্রিক টন বরাদ্দ করেছে। এমওপির ৯৩ হাজার ৬৫৪ মেট্রিক টনের সমপরিমাণ বরাদ্দও জেলাভিত্তিকভাবে প্রদান করা হয়েছে।

বরাদ্দ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো কেন্দ্রীয়ভাবে একক পরিমাণ নির্ধারণ না করে জেলা ও মাঠপর্যায়ের চাহিদা বিবেচনা করে আলাদা আলাদা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলাভিত্তিক বরাদ্দের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, কৃষি উৎপাদনের চাহিদা ও জেলার প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সার বরাদ্দ করা হয়েছে। টিএসপি সারের ক্ষেত্রে ঢাকায় ৭৪০ মেট্রিক টন, নারায়ণগঞ্জে ৮৪০ মেট্রিক টন, মুন্সীগঞ্জে ৮৯৬ মেট্রিক টন, মানিকগঞ্জে ১ হাজার ৬৮৪ মেট্রিক টন, নরসিংদীতে ১ হাজার ৪৮৭ মেট্রিক টন, টাঙ্গাইলে ১ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন, ময়মনসিংহে ১ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন এবং কুষ্টিয়ায় ১ হাজার ৮৮২ মেট্রিক টন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া টিএসপি সারের তুলনামূলক বেশি চাহিদার জেলাগুলোর মধ্যে বগুড়া, রাজশাহী, পাবনা, নাটোর, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ ও রংপুরসহ বিভিন্ন জেলায় চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের কৃষিনির্ভর জেলাগুলোতে কৃষি উৎপাদনের প্রয়োজন বিবেচনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। ডিএপি সারের ক্ষেত্রেও জেলাভিত্তিক চাহিদা অনুসারে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি) ও বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) মাধ্যমে সার সরবরাহের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তথ্যানুযায়ী, প্রতিটি জেলার মোট চাহিদার বিপরীতে বিসিআইসি ও বিএডিসির বরাদ্দ মিলিয়ে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পূরণের ব্যবস্থা দেখা যায়। বগুড়ায় ৪ হাজার ৫৪০ মেট্রিক টন, পাবনায় ২ হাজার ৪৮৩ মেট্রিক টন, নওগাঁয় ২ হাজার ২৬৯ মেট্রিক টন, নাটোরে ১ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন, রাজশাহীতে ৩ হাজার ৩৬০ মেট্রিক টন এবং ময়মনসিংহে ১ হাজার ৯৩০ মেট্রিক টন এমওপি সার বরাদ্দ করা হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নথিতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মাসভিত্তিক চাহিদার তথ্যও তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, জুলাই থেকে পরবর্তী মাসগুলোতে ইউরিয়া ও নন-ইউরিয়া সারের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে পর্যায়ক্রমে সরবরাহ ও মজুতের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে নিরাপত্তা মজুত হিসেবে ইউরিয়া ৫ লাখ মেট্রিক টন, টিএসপি ৪ লাখ, ডিএপি ৫ লাখ এবং এমওপি ৩ লাখ মেট্রিক টন রাখার লক্ষ্যমাত্রা উল্লেখ করা হয়েছে।

অর্থাৎ ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ থেকে শুরু করে পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, সাতক্ষীরা, কুষ্টিয়া, বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা এবং পার্বত্য তিন জেলাসহ কোনো জেলাকেই কেন্দ্রীয় বরাদ্দের বাইরে রাখা হয়নি। ৬৪ জেলার প্রত্যেকটির চাহিদা পৃথকভাবে বিবেচনায় নিয়ে বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।

জেলাওয়ারি বরাদ্দে কৃষিপ্রধান জেলাগুলোর জন্য তুলনামূলক বড় পরিমাণ সার বরাদ্দের চিত্রও পাওয়া যায়। যেমন- টিএসপির ক্ষেত্রে ময়মনসিংহ, নরসিংদী, কুমিল্লা, রাজশাহী, পাবনা, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ার মতো জেলাগুলোতে স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

এমওপির ক্ষেত্রে বগুড়া, রাজশাহী, পাবনা, নওগাঁ, নাটোর ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন কৃষিপ্রধান জেলায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বরাদ্দ রয়েছে। এর মধ্যে বগুড়ায় ৪ হাজার ৫৪০ মেট্রিক টন, রাজশাহীতে ৩ হাজার ৯৬০ মেট্রিক টন এবং নাটোরে ১ হাজার ৯০০ মেট্রিক টন এমওপি বরাদ্দের তথ্য পাওয়া গেছে।

ডিএপির ক্ষেত্রেও বড় কৃষি এলাকার চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিএডিসি ও বিসিআইসির বরাদ্দ মিলিয়ে জেলার মোট চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

শুধু জেলাভিত্তিক বরাদ্দ নয়, কৃষকের প্রয়োজনের সময় সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার আমদানি ও মজুতের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে। সরকারি হিসাবে রবি ও বোরো মৌসুমে সারের মোট চাহিদা ৩৫ লাখ ৮৭ হাজার মেট্রিক টন। এর বিপরীতে প্রস্তুত সরবরাহ রয়েছে ৫১ লাখ ৭১ হাজার মেট্রিক টন, যা চাহিদার তুলনায় প্রায় ১৫ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টন বেশি।

গত ৯ সেপ্টেম্বর সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কৃষি খাতের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে মোট ১ লাখ ১০ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে বেলারুশ থেকে ৩০ হাজার টন এমওপি, মরক্কো থেকে ৪০ হাজার টন ডিএপি এবং সৌদি আরব থেকে ৪০ হাজার টন ইউরিয়া রয়েছে।

এর আগে আগস্টেও বিভিন্ন উৎস থেকে মোট ৩ লাখ ৬৫ হাজার মেট্রিক টন সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদিত হয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া ৪ লাখ ১৮ হাজার টন, টিএসপি ৩ লাখ ৪৩ হাজার টন, ডিএপি ৩ লাখ ২ হাজার টন এবং এমওপি ১ লাখ ৭৮ হাজার ৯০০ টন মজুত ছিল। একই সময়ে পরিবহনের পথে ছিল টিএসপি ১ লাখ ২৮ হাজার ২০০ টন, ডিএপি ১ লাখ ১৪ হাজার ৬০০ টন এবং এমওপি ১ লাখ ৮৯ হাজার ৪০০ টন।

নতুন ব্যবস্থায় বরাদ্দ দেওয়ার পাশাপাশি সার বিতরণ ও সরবরাহের মাঠপর্যায়ের মনিটরিং জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ৬৪ জেলায় সার মনিটরিং সেল গঠনের উদ্যোগের কথাও সরকারি তথ্যের বরাতে জানানো হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দপত্রে বলা হয়েছে, বরাদ্দকৃত সার বিধি অনুযায়ী ডিলারদের মধ্যে উপজেলার বরাদ্দের সমহারে উপ-বরাদ্দ দিতে হবে। একইসঙ্গে পূর্ববর্তী মাসে বেসরকারি খাতে বরাদ্দ করা সারের এলসিভিত্তিক উত্তোলন ও অনুত্তোলনের তথ্য সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। ডিলারদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে টাকা জমা দিয়ে সার উত্তোলন এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকের কাছে বিক্রি নিশ্চিত করার নির্দেশনাও রয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিটিজেন চার্টারেও নন-ইউরিয়া সারের নিয়মিত মাসিক বরাদ্দ পরবর্তী মাসের জন্য প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম বলেন, সার ব্যবস্থাপনায় বর্তমান সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হচ্ছে চাহিদাভিত্তিক পরিকল্পনা ও আগাম প্রস্তুতি। শুধু সার আমদানি বা মজুত করাই নয়, কোন এলাকায় কতটুকু সার প্রয়োজন, কখন প্রয়োজন এবং কীভাবে তা কৃষকের কাছে পৌঁছানো হবে— এসব বিষয় সমন্বিতভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। একইসঙ্গে মাঠপর্যায়ে সার সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে মনিটরিং করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম খান বলেন, কৃষকের প্রয়োজনের সময় সার নিশ্চিত করতে সরকার শুরু থেকেই আগাম ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। মাঠপর্যায়ের প্রকৃত চাহিদা নিরূপণ করে জেলাভিত্তিক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। অক্টোবর মাসের জন্য টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের চাহিদার বিপরীতে শতভাগ বরাদ্দ নিশ্চিত করা হয়েছে। ফলে চলতি মৌসুমে সার নিয়ে কৃষকের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%