ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলে কৃষকদের নগদ টাকা


খালি কীটনাশকের বোতল ফেরত দিলে কৃষকদের নগদ টাকা

বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনের সাথে সাথে কীটনাশকের ব্যবহারের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৭২ সালে যেখানে মাত্র ৪ হাজার মেট্রিক টন কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছিল, ২০২২ সালে তা প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। এই বিপুল পরিমাণ কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বাজারে হাজার হাজার প্লাস্টিক বোতল ও প্যাকেট ছড়িয়ে পড়ছে। এই বোতলগুলো সাধারণত বিষাক্ত এবং পুনঃব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায়, পরিবেশে মারাত্মক দূষণ সৃষ্টি করছে।

এই সমস্যার সমাধানের জন্য ইন্ডোফিল বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড একটি ব্যতিক্রমী কার্যক্রম শুরু করেছে, যার নাম ‘ইকো এগ্রো ডিপোজিট স্কিম’। এই স্কিমের আওতায় কৃষকরা ব্যবহৃত কীটনাশকের খালি বোতল ও প্যাকেট ফেরত দিলে নির্ধারিত অর্থ বা প্রণোদনা পাবেন। কোম্পানির প্রতিনিধিরা রিটেইলার ও ডিলার পয়েন্ট থেকে এসব বোতল সংগ্রহ করে পরিবেশবান্ধবভাবে ধ্বংসের জন্য Geocycle-এর কাছে হস্তান্তর করবেন। এর ফলে কৃষিজমি, রাস্তার পাশ, খাল-বিল কিংবা উন্মুক্ত স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য কমে আসবে।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রেজাউল করিমের উদ্যোগে এই কার্যক্রমে যুক্ত প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হলেন ইন্ডোফিল বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড মোঃ শহিদুল আলম, ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ রেজাউল ইসলাম, ম্যানুফেকচারিং এন্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজার মোঃ হাফিজুর রহমান এবং সেলস এক্সিকিউটিভ কৃষিবিদ মোঃ গোলাম সরোয়ার। তাদের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর কাজ চলছে।

আরও পড়ুন: সৌরশক্তিচালিত সেচে কৃষি খাতে ব্যয় কমছে, উৎপাদন বাড়ছে

উদ্যোক্তাদের মতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের মধ্যে যদি খালি বোতল-প্যাকেট ফেরত দেওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে, তবে কৃষি বর্জ্যজনিত দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। কৃষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জানিয়েছেন, এটি তাদের আর্থিকভাবে উৎসাহিত করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরায় পুকুরে ডুবে দুই স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


সাতক্ষীরায় পুকুরে ডুবে দুই স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু

সাতক্ষীরার পুকুরে ডুবে দুই স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটেছে।

এটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে পৌর শহরের বাটকেখালী এলাকায় ঘটে।

নিহত দুই শিশুর নাম হলো- বাটকেখালী এলাকার মীর সাদ্দাম হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ লাবিব হোসেন (১০) এবং হাবিবুর রহমানের মেয়ে উম্মে হাবিবা (১০)। উভয়ই সাতক্ষীরা মিশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

স্থানীয় ও পরিবারের সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে স্কুলে যাওয়ার আগে তারা বাটকেখালী এলাকার একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। অনেক সময় পার হয়ে গেলেও তারা ঘরে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরপাড়ে শিশুদের জুতা দেখে পরিবারের লোকজনের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।

পরে আশপাশের লোকজন দ্রুত পুকুরে নেমে তল্লাশি চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানান, পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশ জানার পরে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইবিতে চুরি করতে গিয়ে ধরা, বলল ‘পেটের জ্বালায় বাধ্য হয়েছি’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


ইবিতে চুরি করতে গিয়ে ধরা, বলল ‘পেটের জ্বালায় বাধ্য হয়েছি’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডরমেটরি থেকে পিতল ও লোহার পাত চুরি করতে গিয়ে আটক হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ভ্যানচালক, যার নাম জসিম উদ্দিন (৩০)। তিনি আব্দালপুরের বাসিন্দা। প্রক্টরিয়াল বডি তাকে থানায় হস্তান্তর করেছে।

রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে আটক করেন। পরে তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে গেলে তিনি তার অপরাধ স্বীকার করেন।

জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমেটরি-২ থেকে দুই দিন আগে ৪-৫ কেজি পরিমাণ পিতল ও লোহার পাত চুরি হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এক ভ্যানচালক চুরি করা মালামাল নিয়ে যাচ্ছিল। তার গতিবিধি লক্ষ্য করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে আটক করেন। পরে তাকে প্রক্টরের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।

এসময় চোর জসিম বলেন, "আমি খুব অভাবে আছি। ২৭০০ মতো পেয়েছি। বাড়িতে বউপুলার জন্য চালের বস্তা কিনেছি। কাল সমিতির কিস্তিও আছে। দুইটা মেয়ে সন্তানও আছে। পুলিশকে দিয়েন না, সংশোধনের সুযোগ দিন। আমাকে মেরে ফেলতে পারেন। পেটের জ্বালায় বাধ্য হয়েছি।"

প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, "সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে আটক করা হয়েছে। সে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। চোরকে পুলিশকে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যানচালকদের তালিকা করে সবাইকে রেজিস্ট্রির আওতায় আসবে। কার্ড আর এক পোষাকে ভ্যান চালাবে। দ্রুত আটক করার জন্য নিরাপত্তার সেলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।"

ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, "আমাদের ফোর্স গিয়ে থানায় নিয়ে আসছে। চোরকে রিসিভ করেছি। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় আগানো হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধে ২১ শিক্ষার্থী অসুস্থ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৭ পি.এম


হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধে ২১ শিক্ষার্থী অসুস্থ

নোয়াখালীর হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ করে ঝাঁজালো গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার কারণে ২১ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। এর আগে, ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধের কারণে ২৭ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছিল।

বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে পাঠদান শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর নবম শ্রেণির দুই ছাত্রী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর অন্যান্য শ্রেণিকক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর ২টা পর্যন্ত সেখানে ২১ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে।

অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুমাইয়া (১৪), রিহান (১২), সাকিব (১২), ছায়েম (১৩), আরক দেবী (১৪), আরাফাত হোসেন (১৪), লাইজু (১৩) ও ঐশী (১৩), ফরিদা আক্তারসহ (১৩) আরও অনেকে রয়েছে। তাদের সকলের বাড়ি তমরদ্দি জোড়খালী গ্রামে অবস্থিত।

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত উপসহকারী মেডিকেল কর্মকর্তা বিমান চন্দ্র আশ্চার্য জানিয়েছেন, দুপুর ২টা পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ২১ জন শিক্ষার্থীকে আনা হয়েছে এবং তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আসা একজন অভিভাবক ও হাসপাতালের একজন স্টাফও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা কেন অসুস্থ বা অজ্ঞান হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলাম নিলয় জানান, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অবস্থা সংকটাপন্ন কিনা তা ১২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পর বলা যাবে। অনেকের এখনো পুরোপুরি জ্ঞান ফেরেনি এবং তাদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। রোগীর অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ থাকার বিষয়টি জানা গেছে। তবে এটি পরিবেশগত বা মানসিক কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, সন্ধ্যার পর বিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা ও আড্ডা বেড়ে যায়। এ সময় বিদ্যালয়ের আশপাশে মাদকসেবনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনা ঘটে। এতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিদ্যালয় এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও টহল জোরদার করা হলে এ ধরনের ঘটনা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।

এদিকে, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দেখতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজন ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাসপাতাল এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ওসি কবির হোসেন বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর আমি হাসপাতালে এসেছি। বিষয়টি বারবার কেন ঘটছে, তা চিকিৎসাবিষয়ক তদন্তের পাশাপাশি এখানে ফৌজদারি কোনো অপরাধ আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে।

তবে শ্রেণিকক্ষে কী ধরনের ঝাঁজালো গন্ধ ছড়িয়েছিল এবং এর উৎস কী, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একই বিদ্যালয়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে শিক্ষার্থীরা ফের অসুস্থ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গ্রেপ্তারের পর হাতকড়াসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ পি.এম


গ্রেপ্তারের পর হাতকড়াসহ পালালেন আওয়ামী লীগ নেতা রেনু মিয়া

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছেন রেনু মিয়া নামক একজন আওয়ামী লীগ নেতা।

এটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার ছয়সূতি ইউনিয়নের মাধবদী এলাকায় ঘটে।

রেনু মিয়া ইল্লাত মিয়ার ছেলে এবং তিনি ছয়সূতি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।

তথ্য অনুযায়ী, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার অভিযোগে কুলিয়ারচর থানায় একটি মামলার আসামি রেনু মিয়া। মামলার পর থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়ে রেনু মিয়াকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের খবর পাওয়ার পর স্থানীয় লোকজন সেখানে জড়ো হন। তবে এ সময় কোনো ধরনের হট্টগোলের ঘটনা ঘটেনি। মানুষের ভিড়ের সুযোগ নিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় রেনু মিয়া কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে যান।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ইউএনও) কাজী আরিফ উদ্দিন বলেন, "ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%