ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মালদ্বীপে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা


মালদ্বীপে বাংলাদেশিদের কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা

মালদ্বীপে বাংলাদেশিদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বৃদ্ধি করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।

বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিউনিন রাশীদের সঙ্গে এক সাক্ষাতে তিনি এই আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে তারা দুদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এ সময় পর্যটন, মানবসম্পদ ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর গুরুত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির মালদ্বীপে বাংলাদেশি জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে অনুরোধ করেন।

উভয়পক্ষ বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে তাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি বলগেট ডুবির ঘটনা ঘটেছে,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:২৮ পি.এম


নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি বলগেট ডুবির ঘটনা ঘটেছে,

নোয়াখালীর হাতিয়ায় একটি বলগেট ডুবির ঘটনা ঘটেছে, যা লবণবোঝাই ছিল এবং এর ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এই ঘটনায় সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও মো. সাবের (৬৫) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হাতিয়া ও সন্দ্বীপের মাঝামাঝি ভাসান চরের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের জাহাজ চ্যানেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো. সাবের চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার আবু আলীর ছেলে। এই বৃদ্ধ ডুবে যাওয়া বলগেটের বার্বুচি ছিলেন।

চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্গো ট্রলার শ্রমিক ইউনিয়নের অর্থ সম্পাদক আব্দুল কাদের জানান, ‘বুধবার ভোর ৪টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে লবণবোঝাই ‘এমভি তানিম’ হাতিয়ার উদ্দেশে রওনা দেয়। কিন্তু হাতিয়া-সন্দ্বীপের মাঝামাঝি রোহিঙ্গা চরের পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের জাহাজ চ্যানেলে পৌঁছালে বলগেটটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ফলে বলগেটটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডুবে যায়।

পরে কাছাকাছি থাকা মাছ ধরার ট্রলার তাদের সাহায্যে বলগেটে থাকা আট মাঝি-মাল্লাকে উদ্ধার করে তীরে আনতে সক্ষম হয়। তবে সাগরের উত্তাল অবস্থার কারণে দুর্ঘটনাকবলিত বলগেটটি সম্পূর্ণরূপে তলিয়ে যায়। দুপুরের দিকে বার্বুচি মো. সাবেরকে চট্টগ্রামে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে নলচিরা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ ফয়সাল বলেন, ‘দুর্ঘটনার বিষয়টি তাদের জানানো হয়নি। তবে তারা খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনমনে ক্ষো/ভ, পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইছে পল্লী বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৬:৪১ পি.এম


জনমনে ক্ষো/ভ, পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইছে পল্লী বিদ্যুৎ লোডশেডিংয়ে

গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় ধরে চলা লোডশেডিংয়ের প্রেক্ষিতে, বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা এবং ভাঙচুরের তথ্য তুলে ধরে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে একটি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।

বুধবার (১২ আগস্ট) এ সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিটি পুলিশের মহাপরিদর্শক-আইজিপির কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। পল্লী বিদ্যুতের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমের কাছে চিঠিটি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চত করেছেন।

পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশনের চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, জ্বালানি সংকট ও তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার সাথে সঙ্গতি রাখছে না। তাই বিদ্যুতের সরবরাহ কমে গেছে। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যৎ সমিতির আওতাধীন গ্রাম অঞ্চলে অতিরিক্ত লোডশেডিং হচ্ছে, যার ফলে এসব এলাকায় 'জনরোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে'।

নিরাপত্তার কারণে কিছু এলাকায় বিদ্যুতের উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে হামলার শিকার হওয়ার চিত্রও চিঠিটি তুলে ধরেছে।

গত কয়েক দিনে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সম্মিলিত গড় চাহিদা ছিল ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াটের মতো। কিন্তু এর বিপরীতে গড়ে মাত্র ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে, যা চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর ফলে, কিছু কিছু এলাকায় দিনে ৮ ঘণ্টা, ১০ ঘণ্টা এমনকি ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে লোডশেডিংয়ের কারণে সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে পল্লী বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে হামলা এবং ভাঙচুর ঘটাচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতা এবং আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। তাই, প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে আইজিপিকে।

চলমান বিদ্যুৎ সংকটের জন্য গ্যাসের ঘাটতি অন্যতম কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, বলছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সেই দিন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে তিনি বলেন যে, পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়া গেলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম হবে না।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন যে, বঙ্গোপসাগরের বৈরী পরিস্থিতির কারণে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নতুন এলএনজি খালাস করা সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে, দুর্ঘটনার পর এক্সেলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনালও এখনও পুরো সক্ষমতায় চালানোর সুবিধা পাচ্ছে না।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, এক্সেলারেট টার্মিনাল থেকে এখনো ফুল ক্যাপাসিটির কাজ করা যাচ্ছে না। দেশি উৎপাদন রাতারাতি বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়, এটি একটা পরিস্থিতি যা আমরা সবাই জানি। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যাপার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্রে প্রচণ্ড সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার প্রাদুর্ভাব, ক্ষতির সম্মুখীন বড় বড় সুপারশপ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:০৫ পি.এম


যুক্তরাষ্ট্রে প্রচণ্ড সালমোনেলা ব্যাকটেরিয়ার প্রাদুর্ভাব, ক্ষতির সম্মুখীন বড় বড় সুপারশপ

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য বাজারে মারাত্মক ‘সালমোনেলা’ ব্যাকটেরিয়ার প্রাদুর্ভাবের কারণে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এই সংকট মোকাবিলার জন্য টার্গেট, ওয়ালমার্ট এবং হোল ফুডসের মতো দেশের শীর্ষ সুপারশপগুলো বাধ্য হয়েছে নিজেদের তাক থেকে বিপুল পরিমাণ খাদ্যপণ্য সরিয়ে নিতে।

মেক্সিকান হ্যালাপ্যানিও কাঁচামরিচ থেকে ছড়িয়ে পড়া এই সংক্রামক ব্যাকটেরিয়ার জন্য শত শত ক্রেতা অসুস্থ হয়ে পড়ার পরে এসব সুপারস্টোরগুলো বড় ধরনের আর্থিক ও ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

মার্কিন গণমাধ্যম ফক্স ১১ রবিবার (৯ আগস্ট) তাদের এক প্রতিবেদনে এই তথ্যটি জানায়।

মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) জানিয়েছে, মেক্সিকোর সিনালোয়ায় উৎপাদিত এবং সরবরাহকৃত এই কাঁচামরিচ থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় প্রধান তিন সুপারশপ ছাড়াও হানাফোর্ড, ক্রোগার ও ট্রেডার জো’সের মতো বিখ্যাত রিটেইল চেইনগুলোও নজিরবিহীন লোকসান ও সংকটে পড়েছে। প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ‘টেলর ফ্রেশ ফুডস’ বাজার থেকে বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াজাত পণ্য স্বেচ্ছায় প্রত্যাহার করার পরে এই খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোতে কেনাবেচায় বড় ধাক্কা লাগে।

এফডিএর তথ্যানুযায়ী, মেক্সিকোর সিনালোয়ায় উৎপাদিত এবং ‘কোস্ট সিট্রাস ডিস্ট্রিবিউটরস’ কর্তৃক সরবরাহকৃত কাঁচামরিচের সঙ্গে অন্তত ২৭টি অঙ্গরাজ্যে তিন শতাধিক সালমোনেলা সংক্রমণের সম্পর্ক পাওয়া গেছে। তবে নতুন করে প্রত্যাহার করা পণ্যগুলোর সঙ্গে সরাসরি কেউ অসুস্থ হওয়ার তথ্য এখনও টেলর ফ্রেশ ফুডসের কাছে পৌঁছায়নি।

প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তুলে নেওয়া এসব পণ্যের ‘মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ’ হিসেবে ২০২৬ সালের ১৬ আগস্ট বা তার আগের সময় উল্লেখ করা রয়েছে। এই পণ্যগুলো অ্যালাবামা, ফ্লোরিডা, ইলিনয়, টেক্সাস, নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া সহ যুক্তরাষ্ট্রের ২৫টি অঙ্গরাজ্যের বিতরণ কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। ফলে বড় বড় সুপারমার্কেটগুলোকে বড় ধরনের ব্যবসায়িক ক্ষতি সামাল দিতে হচ্ছে।

স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ক্রেতাদের এসব পণ্য না খেয়ে অবিলম্বে ফেলে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে। ক্রেতারা পণ্যগুলো ক্রয়কৃত দোকানে ফেরত দিয়ে সম্পূর্ণ অর্থ ফেরত নিতে পারবেন। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কোম্পানির কাস্টমার কেয়ার নম্বর ৮৫৫-৪৫৫-০০৯৮-এ যোগাযোগের সুবিধা রাখা হয়েছে।

এফডিএর সাম্প্রতিক পর্যালোচনা অনুযায়ী, ১৯ জুন থেকে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের দুই ডজনেরও বেশি রাজ্যে ৩৪৫টি সালমোনেলা সংক্রমণ রেকর্ড করা হয়েছে, যার বড় অংশই ঘটেছিল কলোরাডো ও মিনেসোটায়। আক্রান্তের পর এ পর্যন্ত ৩৬ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা সালমোনেলায় আক্রান্ত ১৯১ জনের সাক্ষাৎকার নিয়ে দেখেছেন, তাদের মধ্যে ১৭৭ জনই (৯৩ শতাংশ) অসুস্থ হওয়ার আগে কোনো না কোনো মেক্সিকান রেস্তোরাঁয় খাবার খেয়েছিলেন। আক্রান্তদের তালিকায় চিপোটলে ও কডোবার মতো জনপ্রিয় ফুড চেইনের নাম উঠে এসেছে। তবে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ায় বর্তমানে সেসব স্থানে খাবার খাওয়াকে ঝুঁকিমুক্ত বলে নিশ্চিত করেছে এফডিএ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের আ/গু/ন লাগানোর অভিযোগ স্থানীয় অধিবাসীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৭:২৫ পি.এম


দক্ষিণ লেবাননে ইসরাইলের আ/গু/ন লাগানোর অভিযোগ স্থানীয় অধিবাসীদের

স্থানীয় বাসিন্দা ও দমকলকর্মীদের মতে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে দক্ষিণ লেবাননে দাবানল সৃষ্টি করছে। তাদের অভিযোগ, ইসরাইলের বোমা হামলা ও ড্রোন হামলার ফলস্বরূপ বনাঞ্চল পুড়ে যাচ্ছে। আজ বুধবার (১২ আগস্ট) দ্য গার্ডিয়ানের একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো জানাচ্ছে, দীর্ঘকাল ধরেই ইসরাইল লেবাননের প্রাকৃতিক পরিবেশকে লক্ষ্যবস্তু করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর দাবানল সেই দীর্ঘমেয়াদি কৌশলেরই একটি অংশ।

গত মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দক্ষিণ লেবননের খিয়ামের বাইরে একটি বনাঞ্চলে ইসরাইলি বাহিনী ফ্লেয়ার নিক্ষেপ করার পর সেখানকার পরিবেশে আগুন লেগে যায়। দমকলকর্মীরা যখন আগুন নিভানোর চেষ্টা করছিলেন, তখন কাছাকাছি এলাকায় আবারও ড্রোন হামলা চালায় ইসরাইল। নিরাপত্তার কারণে দমকলকর্মীদের ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

নাবাতিয়েহ অঞ্চলের বেসামরিক প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান হুসেইন ফাকিহ এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এখন আমাদের বেশিরভাগ অভিযানই আগুন নিভানোর জন্য হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিশাল পরিমাণ বনাঞ্চল পুড়ে গেছে। যদিও সঠিক পরিসংখ্যান নেই, তবে ফ্রন্টলাইনের কাছাকাছি অবস্থিত অঞ্চলের প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ জমি আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গত ১৭ জুন হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি হয়ে গেলেও ইসরাইলি হামলার ঘটনা থামছে না। প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও দক্ষিণ লেবাননে প্রায় প্রতিদিনই আগুন ও দাবানলের ঘটনা ঘটছে, বিশেষত জলপাইবাগান ও কৃষিজমিতে এসব আগুন লাগছে।

দমকলকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবকদের পোস্ট করা ভিডিও এবং আনুষ্ঠানিক বক্তব্যেও দাবানলের ব্যাপারে প্রতীকী তথ্য দেখা যায়। দাবানলের বিষয়ে ইসরাইলের সামরিক বাহিনীর বক্তব্য জানতে চাওয়া হলেও তারা কোনো এক ধরনের জবাব দেয়নি।

ফাকিহ বলেন, যুদ্ধবিরতির পরপরই তারা এসব কার্যক্রম শুরু করেছে। প্রতিদিন অগ্নিসংযোগকারী বোমা ব্যবহার করছে। ছোট ড্রোন এসে দাহ্য পদার্থ নিক্ষেপ করে। বনাঞ্চলে সাদা ফসফরাসের গোলা নিক্ষেপ করা হয়। দিনের বেলায় আলোকসৃষ্টিকারী ফ্লেয়ারও নিক্ষেপ করা হয়, যা গাছপালায় আগুন লাগাতে সাহায্য করে।

দক্ষিণ লেবাননের অন্যান্য অঞ্চলের দমকলকর্মী ও বাসিন্দারাও একই ধরনের অভিযোগ করেছেন। শুক্রবার কাফারচৌবা এবং জেজিন ও পশ্চিম বেকা উপত্যকার মধ্যবর্তী দুটি ঘন বনাঞ্চলে ইসরাইলি গোলাবারুদ ব্যবহার করে বড় ধরনের দাবানল সৃষ্টি হয়েছে।

কাফারচৌবার বেসামরিক প্রতিরক্ষা কেন্দ্রের প্রধান সামির হারদান জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে একটি ড্রোন বনাঞ্চলে গোলাবারুদ ফেললে সেখানে আগুন ধরে যায়। শনিবার আগুন নিভানোর পর রোববার আবারও আরেকটি ড্রোন সেখানে আগুন লাগায়।

দমকলকর্মীদের কার্যক্রম পরিচালনার আগে লেবাননের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করা প্রয়োজন হয়। সেনাবাহিনী সেই অনুরোধটি ইসরাইলি বাহিনী ও সংঘাত এড়ানোর সমন্বয়কারী দলের কাছে পাঠায়। তবে আগুন নেভানোর জন্য মাত্র দুটি স্থানে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। অন্যান্য এলাকাগুলিতে আগুন জ্বললেও সেখানে যেতে দেওয়া হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%