বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৫৯ পি.এম
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার একটি লবণ কারখানায় আগুন লেগেছে, যার ফলে ১০ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শ্রমিকদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বোয়ালখালী উপজেলার পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় কনফিডেন্স লবণ কারখানায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দগ্ধ শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন—বোয়ালখালী এলাকার দিদারুল আলম (৩২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), নূর নবী (২৫), পাশের রাঙ্গুনিয়ার উজ্জ্বল দাশ (৫৩), সদরঘাটের মোহাম্মদ লিটন (২৮), লোহাগাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৪), রাউজানের জাহিদুল আলম (৪২), পটিয়ার মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহামুদুল হক (৪৫) এবং চন্দনাইশের সেলিম উদ্দিন (৩০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যখন শ্রমিকরা কাজ করছিলেন, তখন হঠাৎ বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের উৎপত্তি ঘটে। এই ঘটনায় কারখানায় কর্মরত ১০ শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার সাংবাদিকদের জানান, দগ্ধ ১০ শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে। আহতদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের দগ্ধের মাত্রা বেশি হওয়ায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাটে বন্যার পানি দু'দিন আগে নেমে গেছে। তবে নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে এখনো বালুর স্তর পড়ে রয়েছে। কোথাও ছয়-সাত ইঞ্চি, কোথাও এক থেকে দুই ফুট পর্যন্ত বালু জমে উর্বর কৃষিজমি ঢেকে ফেলেছে। এর ফলে আমনসহ মৌসুমি ফসল আবাদ নিয়ে কৃষকরা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। অনেক কৃষক আশঙ্কা করছেন, যদি দ্রুত বালু অপসারণ করা না হয়, তবে এসব জমি বছরের পর বছর অনাবাদি অবস্থায় পড়ে থাকতে পারে।
কৃষকরা বলছেন, বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না পেরে তারা নতুন করে বালুর অভিশাপে পড়েছেন। জমিতে বালুর স্তর জমে থাকার কারণে চাষাবাদ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কিন্তু এক বিঘা জমি থেকে বালু সরাতে প্রয়োজনীয় টাকার পরিমাণ ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা, যা অধিকাংশ কৃষক বহন করতে অক্ষম। এর ফলে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ উদ্ভূত হয়েছে।
বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে নদীভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিস্তার তীব্র স্রোতে নদীতীরের বিস্তীর্ণ এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী কালমাটি গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বারের আট বিঘা আবাদি জমির মধ্যে বন্যায় পানিতে দুই বিঘা জমি তলিয়ে যায়। পানি সরে যাওয়ার পর তিনি দেখতে পান, ওই দুই বিঘা জমির ওপর প্রায় এক ফুট বালুর স্তর জমে রয়েছে। হতাশ কণ্ঠে তিনি মন্তব্য করেন, জমির ওপর থেকে বালু সরালে তবেই কোনো ফসল ভালো হবে। কিন্তু এত টাকা দিয়ে বালু সরানোর সামর্থ্য তাদের নেই। তিনি আরও বলেন, হয়তো আগামীতে বড় বন্যা হলে কিছু বালু সরে যাবে, কারণ নদীর পানির সাথে বিপুল পরিমাণ বালু জমিতে এসে পড়ে। এই বালুময় জমিতে কোনো ফসল ভালো হয় না এবং এতে কৃষকের ভয়াবহ ক্ষতি হতে পারে।
একই গ্রামের কৃষক আনছার আলী বলেন, তাঁর দশ বিঘা জমির মধ্যে এক বিঘা এখন বালুর নিচে চাপা পড়েছে। তিনি জানান, ‘বড় ধরনের বন্যা হলে হয়তো কিছু বালু সরে যাবে। তা না হলে কয়েক বছর জমি অনাবাদি রাখতে হবে। এক বিঘা জমির বালু সরাতে কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লাগবে। এই টাকা কোথায় পাব?’
কালীগঞ্জের ভোটমারী ইউনিয়নের শৈলমারী গ্রামের কৃষক রহমত আলী বলেন, তাঁর ৮ বিঘা জমি পানির নিচে ছিল। এর মধ্যে তিন বিঘার জমিতে এখন বালুর স্তর জমে গেছে। তিনি জানান, শুধু তাঁর নয়, প্রায় সব কৃষকের জমির একই পরিস্থিতি।
একই এলাকার কৃষক ওসমান গনি বলেন, তিনি দুই বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছেন, যা পানিতে তলিয়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন জমিতে পলি জমে রয়েছে। হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, তারা অনেক কষ্ট করে চাষাবাদ করছেন। কিছুদিন আগে বন্যায় তাঁর ৩ বিঘা জমির আমন ধান নষ্ট হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় রোপণ করা চারা এক সপ্তাহের ব্যবধানে বন্যার পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। এখন চারা কেনার টাকাও নেই। চারা রোপণ না করলে পরিবার কীভাবে বাঁচবে, তিনি জানেন না।
কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, সাধারণ বন্যার সময় নদীর পানির সঙ্গে উর্বর পলি জমে আসে, যা জমির উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। তবে যদি নদীর তীররক্ষা বাঁধ ভেঙে যায় অথবা প্রবল স্রোতের কারণে পানি প্রবেশ করে, তাহলে সেখানে পলির চেয়ে মোটা বালুর পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। ফলে উর্বর মাটির ওপর বালুর স্তর জমে কৃষিজমি দীর্ঘ সময়ের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. সাইখুল আরিফিন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি চলছে। তিনি কৃষকদের উঁচু জমিতে রাখা আমনের ক্ষেত থেকে চারা তুলে পুনরায় রোপণের পরামর্শ দিয়েছেন।
রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর রংপুর অঞ্চলের কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্রসহ বিভিন্ন নদ-নদীর তীরবর্তী এলাকায় বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে বালুর স্তর জমে। তিনি আরও জানিয়েছেন, পরবর্তী বন্যায় কিছু জমি থেকে বালু স্বাভাবিকভাবেই সরে যাবে। তবে অনেক জমিতে বছরের দীর্ঘ সময় ধরে বালু রয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা যায়।
কৃষকেরা দাবি করছেন, শুধুমাত্র ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করলেই হবে না। দ্রুত বালু অপসারণে সরকারি সহায়তা, পুনর্বাসন কর্মসূচি এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা না দিলে নদীতীরবর্তী এলাকার হাজারো পরিবার দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়বেন এমনটাই জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় নাবিকদের বহনকারী জাহাজ চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারত সরকার।
দেশটির সরকার নির্দেশ দিয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত, দেশটির কোনও নাবিককে হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করবে- এমন কোনও বাণিজ্যিক জাহাজে নিয়োগ না দিতে হবে। জাহাজের মালিক ও পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বুধবার গভীর রাতে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ভারতের ডিরেক্টরেট জেনারেল অব শিপিং (ডিজিএস) জানিয়েছে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, “পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করবে- এমন কোনও জাহাজে ভারতীয় নাবিকদের নিয়োগ দেওয়া যাবে না।”
সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সম্প্রতি হরমুজ প্রণালী এবং এর আশপাশে বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে একাধিক ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই হামলায় অন্তত দু’জন ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন।
নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার কারণে ভারত সরকার নাবিকদের জীবন রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
এখনও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় হাজারো ভারতীয় নাবিক অবস্থান করছেন। ভারতের নাবিক সংগঠন ফরওয়ার্ড সিমেনস ইউনিয়ন অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বর্তমানে হরমুজ প্রণালীর পশ্চিমাঞ্চলে প্রায় ১৫ হাজার ভারতীয় নাবিক বিভিন্ন জাহাজে অবস্থান করছেন। চলমান উত্তেজনার কারণে তাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।
সংগঠনটি পরিস্থিতির প্রতি নিবিড় নজর রাখার পাশাপাশি প্রয়োজনে নাবিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ভারত বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ নাবিক সরবরাহকারী দেশ। সরকারি তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে ৩ লাখের বেশি ভারতীয় নাবিক বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক জাহাজে কর্মরত রয়েছেন। সংখ্যার দিক থেকে ভারত বৈশ্বিকভাবে তৃতীয় বৃহত্তম নাবিক সরবরাহকারী দেশ হিসেবে পরিচিত।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতীয় নাবিকদের হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকারী জাহাজে নিয়োগ স্থগিতের সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক শিপিং শিল্পে তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ বিশ্ববাণিজ্যের একটি বড় অংশ এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে রফতানি হওয়া তেল ও গ্যাসের উল্লেখযোগ্য অংশ এই প্রণালী দিয়েই পরিবাহিত হয়। সূত্র: সিএনএন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল এবং পাহাড়ধসের কারণে দেশের সাত জেলায় অন্তত ৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও ৪০ জন আহত হয়েছেন। বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮০৫ জনে পৌঁছেছে। ৫২ হাজার ৪৯৩টি পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকাল ৩টা পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বন্যাকবলিত জেলাগুলো হল— খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ। এসব জেলার ৫৭টি উপজেলা এবং ৮টি পৌরসভা বন্যা ও অতিবৃষ্টির প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী কক্সবাজারে সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। জেলাটিতে ৩২ জন মারা গেছেন। নিহতদের মধ্যে ১৯ জন স্থানীয় বাসিন্দা এবং ১৩ জন রোহিঙ্গা রয়েছেন। চট্টগ্রামে ১৫ জন, বান্দরবানে সাত জন, রাঙামাটিতে তিন জন এবং মৌলভীবাজারে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
আহত ৪০ জনের মধ্যে কক্সবাজারে ২৫ জন, চট্টগ্রামে ১২ জন, বান্দরবানে দুই জন এবং খাগড়াছড়িতে একজন রয়েছেন। কক্সবাজারে এখনও একজন নিখোঁজ রয়েছেন, যার কথা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য সাত জেলায় মোট ৮৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে ৮৪৯ জন আশ্রয় নিয়েছেন। চট্টগ্রামে ১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৯৫ জন, বান্দরবানে ৬৭টি কেন্দ্রে ১৫০ জন, মৌলভীবাজারে ছয়টি কেন্দ্রে ২৪৯ জন এবং রাঙামাটির একটি কেন্দ্রে ৫৫ জন আশ্রয় নিয়েছেন। তবে খাগড়াছড়িতে কোনও আশ্রয়কেন্দ্রে মানুষ অবস্থান করছেন না বলে সরকারি হিসাবে জানানো হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬টি উপজেলায় আংশিক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, যেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ও মৃত্যুর হার উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে।
দুর্গত মানুষদের সহায়তার জন্য ৮৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে, যেখানে বর্তমানে ৮৪৯ জন গৃহহীন মানুষ অবস্থান করছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে দুর্গত সাতটি জেলাসহ সারা দেশে এ পর্যন্ত ৫ কোটি ১৫ লাখ টাকা নগদ অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়াও ৯ হাজার ৫০ মেট্রিক টন চাল এবং ৪ হাজার ২০০ বান্ডিল ঢেউ টিনসহ গৃহ নির্মাণ মঞ্জুরির জন্য ১ কোটি ২৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
একই সাথে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলায় প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে বিশেষ আর্থিক সহায়তা (প্রতি জেলায় ২০ লাখ টাকা করে) দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার শাজাহানপুরে, কীটনাশক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স কোর্স সাইট এগ্রো-এর বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে আব্দুল আহাদের নামের এক খামারির প্রায় ২ হাজার হাঁস মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সুষ্ঠু তদন্ত, ক্ষতিপূরণ এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি নিয়ে অভিযুক্ত খামারি আব্দুল আহাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) এবং পুলিশ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন যে, ইঞ্জিনিয়ার্স কোর্স সাইট এগ্রো কারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত বর্জ্য পাশের কৃষিজমি ও জলাশয়ে মিশে যায়। এরপর ওই জলাশয়ের পানি পান করার পর তার খামারের ৪ হাজার হাঁসের মধ্যে প্রায় ২ হাজার হাঁস মারা যায়। এই কারণে তার কয়েক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি জানান তিনি।
শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. তাইফুর রহমান জানিয়েছেন, আমি অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, ইঞ্জিনিয়ার এগ্রোর ম্যানেজার মাসুম আলীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি অস্বীকার করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ