বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৮:১১ পি.এম
বগুড়ার শাজাহানপুরে, কীটনাশক উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ইঞ্জিনিয়ার্স কোর্স সাইট এগ্রো-এর বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে আব্দুল আহাদের নামের এক খামারির প্রায় ২ হাজার হাঁস মারা যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সুষ্ঠু তদন্ত, ক্ষতিপূরণ এবং আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি নিয়ে অভিযুক্ত খামারি আব্দুল আহাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) এবং পুলিশ বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন যে, ইঞ্জিনিয়ার্স কোর্স সাইট এগ্রো কারখানা থেকে নির্গত বিষাক্ত বর্জ্য পাশের কৃষিজমি ও জলাশয়ে মিশে যায়। এরপর ওই জলাশয়ের পানি পান করার পর তার খামারের ৪ হাজার হাঁসের মধ্যে প্রায় ২ হাজার হাঁস মারা যায়। এই কারণে তার কয়েক লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি জানান তিনি।
শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা(ইউএনও) মো. তাইফুর রহমান জানিয়েছেন, আমি অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে, ইঞ্জিনিয়ার এগ্রোর ম্যানেজার মাসুম আলীর সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগটি অস্বীকার করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার শেখেরখীল মাছঘাট সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড একটি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট, প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা মূল্যের ট্রলিং জাল এবং ২ হাজার ১০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ জব্দ করেছে। এ সময় ১৩ জন জেলেকে আটক করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট বাঁশখালী শেখেরখীল মাছ ঘাটসংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে একটি অবৈধ আর্টিসানাল ট্রলিং বোট জব্দ করা হয়। পরে বোটটিতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা মূল্যের ৭টি ট্রলিং জাল, ২ হাজার ১০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ এবং ১৩ জন জেলেকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দ করা আর্টিসানাল ট্রলিং বোট, ট্রলিং জাল ও সামুদ্রিক মাছ সহ আটক জেলেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা বলেন, দেশের সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। মৎস্য সম্পদ রক্ষায় ভবিষ্যতের জন্যও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী অপহরণ মামলার প্রধান অভিযুক্ত একজন যুবক শিশির আহম্মেদ চঞ্চল (২২) কে র্যাব গ্রেফতার করেছে। এই অভিযানে অপহৃত স্কুলছাত্রীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত শিশির আহম্মেদ চঞ্চল কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মনতোলা জোড়গাছ এলাকার শহিদুল ইসলামের পুত্র। র্যাব-১৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিপ্লব কুমার গোস্বামী স্বাক্ষরিত একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি জানানো হয়। বুধবার রাতে নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার দুপতারা বাজার এলাকা থেকে শিশির আহম্মেদ চঞ্চলকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অপহৃত স্কুলছাত্রীটি উপজেলার শিবরাম আলহাজ্ব হোসেন স্মৃতি স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণীর ছাত্রী। স্কুলে যাওয়ার পথে শিশির আহম্মেদ চঞ্চল তার প্রতি প্রেম নিবেদনসহ নানা ভাবে প্রচণ্ড উত্যক্ত করতো। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শিশিরের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে তাদের পরিবারকে ঘটনা জানায়। এই ঘটনার পর ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্তের পিতা-মাতাকে জানালে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
গত ১৭ মে, এসএসসি পরীক্ষা শেষে বিদ্যালয়ে ফেরার পথে শিশির অন্যান্য সহযোগীদের সহায়তায় ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে অপহরণ করে অটোরিকশায় কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার মনতোলা জোড়গাছ এলাকার দিকে নিয়ে যায়। ঘটনার এক দিন পর, ১৯ মে, ভুক্তভোগীর পিতা বাদী হয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণ মামলা দায়ের করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধারের পাশাপাশি জড়িত আসামিদের গ্রেফতারে গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে র্যাব। এই প্রেক্ষিতে গত বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে সিপিসি-৩ র্যাব-১৩ গাইবান্ধা ক্যাম্প ও সিপিএসসি র্যাব-১১ নারায়নগঞ্জ ক্যাম্পের যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। ওই অভিযানে নারায়নগঞ্জের আড়াইহাজার উপজেলার দুপতারা বাজার এলাকা থেকে শিশির আহম্মেদ চঞ্চলকে গ্রেফতার করা হয় এবং একই সঙ্গে অপহৃত স্কুলছাত্রীটিকে উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য ভুক্তভোগী ও আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বিদ্যুতের কারণে সফিক মিয়া (৪২) নামে একজন ইলেক্ট্রিশিয়ানের মৃত্যু ঘটেছে। ঘটনাটি বুধবার রাত ১টার দিকে ঘটে আখাউড়া চেকপোস্ট এলাকার সড়কের পাশে। পরে স্থানীয়রা সফিক মিয়াকে উদ্ধার করে আখাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত সফিক মিয়া, কেন্দুয়াই গ্রামের মৃত আব্দুল মালেকের ছেলে, যিনি তার পরিবারের সঙ্গে বাস করতেন। পরিবারের অভিযোগ রয়েছে যে, বুধবার রাত ১টার দিকে হেলাল মিয়া ও জহির মিয়া নামক দুই ব্যক্তি সফিক মিয়াকে তার ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যান। এর পর পরই সফিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
নিহতের ভাগনে সোহাগ মিয়া বলেন, হেলাল মিয়া ও জহির মিয়া ভেকু দিয়ে বালু উত্তোলন করার সময় বিদ্যুতের মূল লাইনের তার ছিঁড়ে যায়। তখন তারা গভীর রাতে সফিক মিয়াকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে ওই ছেঁড়া তার মেরামতের জন্য নিয়ে যান। পরে আমরা জানতে পারি, সফিক বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়েছেন। এভাবে জেনে-শুনে তাকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
একই গ্রামের আতিকুল ইসলাম জানান, রাতে ফুটবল খেলা দেখতে গাজীর বাজারে ছিলেন। তখন হেলাল মিয়া ও জহির মিয়াকে মোটরসাইকেলে সফিক মিয়াকে পূর্ব দিকে নিয়ে যেতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর তাকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাবেদ উল ইসলাম জানিয়েছেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনা সম্পর্কে অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা এলাকা থেকে হত্যাকাণ্ড, ডাকাতি এবং ছিনতাইসহ বিভিন্ন ঘটনার জন্য দায়ী ১৬ মামলার পলাতক আসামি রুবেল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার দুপুরের সময় দত্তকুশা গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের আকবার আলীর সন্তান।
সলঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আছলাম আলী জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে রুবেল হোসেন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি আরও জানান, রুবেলের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগও বিদ্যমান। প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ