ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে ‘মিস্টার ভেটো’ হবো: ট্রাম্প


মধ্যবর্তী নির্বাচনে হারলে ‘মিস্টার ভেটো’ হবো: ট্রাম্প

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মধ্যবর্তী নির্বাচনে যদি ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণে সক্ষম হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি যেকোনো আইন প্রণয়ন উদ্যোগে ভেটো প্রদান করবেন। সোমবার (২ নভেম্বর) প্রকাশিত একটি সাক্ষাৎকারে তিনি নিজেকে ‘মিস্টার ভেটো’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার বিষয়টি তুলে ধরেন।

নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমরা দারুণ ফল করব। তবে যদি আমরা জয়ী না হই, তাহলে আমি সবকিছুতে ভেটো দেব। একের পর এক ভেটো দিতে থাকব।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘আমার মনে হয়, একসময় আমি মিস্টার ভেটো হয়ে যাবো... এরপর কোনো একপর্যায়ে আমরা সম্ভবত সমঝোতায় পৌঁছাব।’

আরও পড়ুন: ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটে সাইবার হামলা, খাদ্যপণ্য ফেলে দিতে বাধ্য

যদিও জনমত জরিপে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তবুও রিপাবলিকানদের নির্বাচনী সম্ভাবনা সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

এছাড়া, তিনি প্রতিকূল জনমত জরিপগুলোকে ‘কারচুপিপূর্ণ’ হিসেবে অভিহিত করেন। ট্রাম্পের দাবি, জরিপ পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো প্রকৃত ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে না। তিনি তার নির্বাচনি সমাবেশগুলোতে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতিকে জনসমর্থনের প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরেন।

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেন, যদি ডেমোক্র্যাটরা কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করে এবং ২০২৮ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়, তাহলে দেশ ‘শেষ হয়ে যাবে’ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি দাবি করেন, ডেমোক্র্যাটদের পরিকল্পনায় রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধি করে ২৩ জন করা, সিনেটে ফিলিবাস্টার প্রথা বিলুপ্ত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধনীতে সুরক্ষিত অধিকারকে সীমিত করা।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রচারণা ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চাইল বাংলাদেশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে কমনওয়েলথের সমর্থন চাইল বাংলাদেশ

ভারতীয় উপমহাদেশের মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের জন্য কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর সম্মিলিত সমর্থন দাবি করেছেন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি সদস্য দেশগুলোকে শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা সহ বিভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, সোমবার (২ নভেম্বর) অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার রাজধানী সেন্ট জনসের আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব অ্যান্টিগুয়ায় ‘প্রি-সিএইচওজিএম’ কমনওয়েলথ পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকের রিট্রিট সেশনে তিনি এই আহ্বান জানান।

হুমায়ুন কবির তার বক্তব্যে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ড’ কার্যকর করার পাশাপাশি কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

তিনি উল্লেখ করেন যে, ক্রমবর্ধমান জটিল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু সহনশীলতা, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং উদীয়মান প্রযুক্তির দায়িত্বশীল ব্যবহারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে নতুন করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

উল্লেখ্য, ১ থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলমান কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে (সিএইচওজিএম) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিতে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বর্তমানে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডা সফর করছেন। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কেন ইরানের কেশম দ্বীপে বারবার হামলা চালায় ‍যুক্তরাষ্ট্র?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:০৯ পি.এম


কেন ইরানের কেশম দ্বীপে বারবার হামলা চালায় ‍যুক্তরাষ্ট্র?

যুক্তরাষ্ট্র আবারও হামলা চালিয়েছে ইরানের কেশম দ্বীপে। তেহরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের সূচনা হওয়ার পর থেকে এই ছোট দ্বীপটি বারবার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। কিন্তু কেন এই ভূখণ্ড মার্কিন সামরিক বাহিনীর জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ? কেন তারা এখানে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে? এর উত্তর ভূগোলের মধ্যে নিহিত।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্র দ্বীপটিতে হামলা চালিয়েছে প্রতিরক্ষামূলক পদক্ষেপ হিসেবে। তবে আমেরিকার সেনাদের জন্য ঠিক কি ধরনের হুমকি ছিল, সে সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই কেশম দ্বীপ মার্কিন বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে। চলমান যুদ্ধের পূর্বেও দ্বীপটিতে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন জানাচ্ছে, দ্বীপটির ভৌগোলিক অবস্থান, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের প্রভাব বিস্তারের প্রচেষ্টা এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে এর গুরুত্বের কারণে এটি বারবার হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, দ্বীপটিতে এর আগেও গোপনে হামলা চালানো হয়েছিল। তবে সেসব হামলার বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোরে কেশম দ্বীপে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

কেন বারবার হামলার লক্ষ্য কেশম দ্বীপ?

দ্বীপটির ভৌগোলিক অবস্থানই এর প্রধান কারণ। কেশম দ্বীপ হরমুজ প্রণালির মুখে অবস্থিত, যা পারস্য উপসাগর ও ওমান উপসাগরের সংযোগস্থল। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথের মাধ্যমে যুদ্ধের আগে প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল পরিবহন করা হতো।

বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের একটি বড় অংশ এই প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। ফলে এখানে জাহাজ চলাচল বাধাগ্রস্ত হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ও দামে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানাচ্ছে, কেশম দ্বীপে ইরানের একটি বড় ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনা, নৌঘাঁটি এবং গুরুত্বপূর্ণ উপকূলীয় সামরিক অবকাঠামো রয়েছে। এসব স্থাপনার মাধ্যমে ইরান হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজের ওপর নজরদারি এবং সামরিক প্রভাব বিস্তারের সক্ষমতা অর্জন করেছে।

গত জুলাই মাসেও যুক্তরাষ্ট্র কেশম দ্বীপে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছিল। সে সময় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) দাবি করেছিল, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কমান্ড সেন্টার, ড্রোন স্থাপনা, উপকূলীয় নজরদারি ব্যবস্থা এবং সামুদ্রিক সামরিক সক্ষমতা।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, ওই অভিযানে দ্বীপে তিনজন নিহত হয়েছিল। এছাড়া যুদ্ধের বিভিন্ন পর্যায়ে দ্বীপটির আশপাশের সামরিক ও নৌ-অবকাঠামোও হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়েছে।

হরমুজে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লড়াই

কেশম দ্বীপকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতার আরেকটি বড় কারণ হলো হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা প্রতিহত করা। ইরান এই নৌপথকে নিজেদের কৌশলগত চাপ তৈরির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা এবং জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার ঘটনা নিয়ে ওয়াশিংটনের উদ্বেগ রয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক হামলাগুলো ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়ার সক্ষমতা কমানোর পাশাপাশি মার্কিন সামরিক সম্পদকে নিরাপদ রাখার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, কেশম দ্বীপের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে পারলে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নজরদারি ও সামরিক তৎপরতা ব্যাহত করা সম্ভব হতে পারে। তবে এ ধরনের হামলা সংঘাত আরও বাড়িয়ে দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।

কূটনৈতিক আলোচনার মধ্যেও হামলা

কেশম দ্বীপে নতুন হামলার ঘটনা ঘটেছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধের অবসান নিয়ে আলোচনা চলছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরানের সঙ্গে একটি চুক্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও আলোচনায় অগ্রগতির কথা জানিয়েছেন।

তবে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সতর্ক করে বলেছেন, সামরিক হুমকির কাছে ইরান আত্মসমর্পণ করবে না। নতুন করে বড় ধরনের হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ সার পাচারের চেষ্টা, ডিলার ও চালকের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১০ পি.এম


চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবৈধ সার পাচারের চেষ্টা, ডিলার ও চালকের কারাদণ্ড

চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহারাজপুরে অবৈধ সার পাচারের চেষ্টার অভিযোগে বিসিআইসি সার ডিলার এবং এক নসিমন চালককে আটক করে কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযানের সময় ৮০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয়।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) রাত ২টার দিকে সদর উপজেলার মহারাজপুর মেলার মোড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইকরামুল হক নাহিদের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালিত হয়।

এখন জানা যাচ্ছে, রাতের অন্ধকারে সার পাচারের অভিযোগে বিসিআইসি সার ডিলার মেসার্স নিরাপদ এন্টারপ্রাইজের মালিক গোলাম শাহনেওয়াজ এবং নসিমন চালক মো. মতিনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় ৮০ বস্তা ডিএপি সার উদ্ধার করা হয়।

পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সুনাইন বিন জামানের প্রসিকিউশনের ভিত্তিতে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে আসামিরা স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেন। আদালত গোলাম শাহনেওয়াজকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে। অপরদিকে, নসিমন চালক মো. মতিনকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

অভিযানে জব্দ করা ৮০ বস্তা ডিএপি সার সরকারের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এসব সার সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে বিক্রয়লব্ধ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার জন্য উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. পারভেজ আলীর জিম্মায় রাখা হয়েছে।

এছাড়াও, ডিলার গোলাম শাহনেওয়াজের বিসিআইসি ডিলারশিপ বাতিলের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সরকার: শামা ওবায়েদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:১১ পি.এম


নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়াতে চায় সরকার: শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম উল্লেখ করেছেন যে, সরকার জ্বালানি খাতে আমদানি নির্ভরতা ও দুর্নীতি থেকে মুক্ত হয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

মঙ্গলবার (০৩ নভেম্বর) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভ কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় সংলাপে তিনি এই তথ্য জানান। অনুষ্ঠানে জ্বালানি খাতে ঋণের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানোর কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।

শামা ওবায়েদ সৌরবিদ্যুতের প্রসারে আইন প্রণয়ন, সরকারি স্থাপনায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার এবং জলবায়ু কূটনীতিতে আলাদা উইং গঠনের বিষয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমদানি নির্ভর ব্যবস্থায় জ্বালানি খাতে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। বর্তমান সরকার দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি সংকট সমাধানে এবং সৌরবিদ্যুতের প্রসারে কাজ করছে।

এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় আইন মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত হয়েছে এবং এটি সংসদে বিল আকারে উপস্থাপিত হবে বলেও তিনি জানান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিবেশমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাংলাদেশের ন্যায্য দাবি আদায়ে আন্তর্জাতিক পরিসরে আরও সক্রিয় হতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন যে, আসন্ন কপ সম্মেলনের প্রেক্ষিতে পরিবেশ ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবারই প্রথম একসঙ্গে কাজ করছে। তবে পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা একটি বড় বাধা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%