বৃহস্পতিবার, ৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১১:২৩ পি.এম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বাংলাদেশে উৎপাদিত কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্যের গুণগত মান, আধুনিক উৎপাদন সক্ষমতা এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারণের সম্ভাবনার ব্যাপারে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ‘কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬’ পরিদর্শনকালে দেশের শীর্ষস্থানীয় কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার প্রতিষ্ঠান রিমার্ক-হারল্যানের প্যাভিলিয়ন ঘুরে দেখেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি)-এর হল নং-৪-এ তিন দিনব্যাপী কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়। প্রদর্শনীর সহযোগী হিসেবে রয়েছে রিমার্ক-হারল্যান গ্রুপ। এবারের আয়োজনে বিশ্বের ১৬টি দেশের ৫৮টি কোম্পানি ও ১৩২টি ব্র্যান্ড অংশগ্রহণ করছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিমার্কের প্যাভিলিয়ন পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশে উৎপাদিত রিমার্কের বিভিন্ন গ্লোবাল ব্র্যান্ডের কসমেটিকস ও স্কিনকেয়ার পণ্য ঘুরে দেখেন এবং প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন সক্ষমতার প্রশংসা করেন।
রিমার্কের প্যাভিলিয়নের ভিন্নধর্মী উপস্থাপনা, পণ্যের বৈচিত্র্য এবং আধুনিক উৎপাদন সক্ষমতা দেখে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিষ্ঠানের গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম (আরঅ্যান্ডডি), আধুনিক প্যাকেজিং, প্রিন্টিং, ইনগ্রিডিয়েন্টস বা কাঁচামালের ব্যবহার, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ, পণ্যের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং বাজার চাহিদা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজ নেন।
শামা ওবায়েদ ইসলাম মন্তব্য করেন, "বাংলাদেশে কসমেটিকস উৎপাদনের সক্ষমতা বেড়েছে। আমরা আশা করছি, রিমার্কের দেখানো পথে বাংলাদেশ কসমেটিকস খাতে আমদানিনির্ভর দেশ থেকে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে পারবে।" তিনি আরও বলেন, "দেশে এখন আন্তর্জাতিক মানের কসমেটিকস ও পার্সোনাল কেয়ার পণ্য উৎপাদনের সক্ষমতা তৈরি হচ্ছে। স্থানীয় শিল্পের উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে এ খাত দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, রিমার্ক-হারল্যানের পরিচালক (ফার্মা) সুকান্ত দাস, হারল্যান স্টোরের হেড অব মার্কেটিং মো. হাবিবুল্লাহ হাবিব, রিমার্ক-হারল্যানের সিনিয়র অপারেটিভ ডিরেক্টর মিজানুর রহমানসহ প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
রিমার্ক-হারল্যানের পরিচালক (ফার্মা) সুকান্ত দাস জানান, "বাংলাদেশের কসমেটিকস ও পার্সোনাল কেয়ার শিল্প এখন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এ শিল্পকে শুধু দেশীয় বাজারকেন্দ্রিক না রেখে আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবে গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬ দেশের কসমেটিকস শিল্পের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এবং সম্ভাব্য অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগের নতুন সুযোগ তৈরি করেছে। এ ধরনের আয়োজন বাংলাদেশের উৎপাদন সক্ষমতা ও রপ্তানি সম্ভাবনাকে বিশ্ববাজারে তুলে ধরতে সহায়ক হবে।"
রিমার্ক-হারল্যান সূত্রে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটি ২০২৪ সালের নভেম্বরে বাংলাদেশের কসমেটিকস খাতে ‘গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (জিএমপি)’ সার্টিফিকেশন অর্জন করে। বর্তমানে রিমার্কের আধুনিক উৎপাদন কার্যক্রম cGMP, ISO ও Halal মানদণ্ড অনুসরণ করে পরিচালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশে উৎপাদিত রিমার্কের বিভিন্ন গ্লোবাল ব্র্যান্ডের পণ্য বর্তমানে দেশের বাজারের পাশাপাশি ভারত, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বাজারে সম্প্রসারিত হচ্ছে। ভারতের উত্তর প্রদেশ ও বিহারেও লিলি, নিওর ও সিওডিলসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্য বাজারজাত শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ভারতের অন্যান্য রাজ্যেও এসব পণ্যের বাজার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
আয়োজকরা জানিয়েছেন, কসমেটিকা ঢাকা ২০২৬ শুধু পণ্য প্রদর্শনের আয়োজন নয়; এটি বাংলাদেশের প্রসাধনী ও ব্যক্তিগত পরিচর্যা শিল্পের জন্য আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক যোগাযোগ, জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তি পরিচিতি এবং শিল্পসংযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।
তিন দিনের এ আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীতে শিল্পসংশ্লিষ্টদের পাশাপাশি সৌন্দর্যপ্রেমী, মেকআপ শিল্পী, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ দর্শনার্থীদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আয়োজকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মার্কিন ডলারের দরপতন এবং ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার কমে যাওয়ার কারণে বিশ্ববাজারে সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে, আরেকটি মূল্যবান ধাতু রুপার দামও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।
প্রতিবেদনে এই তথ্যটি উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটে (জিএমটি) স্পট মার্কেটে সোনার দাম প্রতি আউন্সে ১ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪৪০ দশমিক ৮৭ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে মার্কিন গোল্ড ফিউচার ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৪ হাজার ৪৮৭ দশমিক ৭০ ডলারে লেনদেন হয়েছে।
ইউবিএসের বিশ্লেষক জিওভানি স্তাউনোভো মন্তব্য করেন, তুলনামূলক দুর্বল ডলারের কারণে এবং মার্কিন সুদের হার কিছুটা কমে যাওয়ায় স্বর্ণের বাজারে আশার সঞ্চার ঘটেছে। ফেডারেল রিজার্ভের পক্ষ থেকে কোনও সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা না দেওয়ায়, সেপ্টেম্বর মাসে সুদের হার নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে স্বর্ণের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
ক্রিস্টোফার ওয়ালার বলেন, যদি আসন্ন তথ্য থেকে মুদ্রাস্ফীতির চাপ কমে আসার বিষয়টি নিশ্চিত হয়, তবে তিনি যুক্তি দেবেন যে মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী নীতি নির্ধারণী বৈঠকে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার পক্ষে।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ১ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬৬ দশমিক ০২ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া, প্ল্যাটিনামের দাম ১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৭৭৭ দশমিক ৩৫ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩৬৭ দশমিক ৯৪ ডলারে পৌঁছেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে তখন দিনের নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছিল। স্পিকার টেবিলের নথিপত্র দেখে তারকাচিহ্নিত প্রশ্নটি উত্থাপনের জন্য সাংসদের নাম ধরে ডাকলেন। কিন্তু নির্ধারিত আসনে কাউকে না পেয়ে কিছুটা কৌতুক মেশানো কণ্ঠে বলে উঠলেন, ‘জিএম তো নেই!’ স্পিকারের এমন প্রতিক্রিয়া ও মুচকি হাসিতে এক মুহূর্তের জন্য গমগম করে উঠল পুরো সংসদ কক্ষ। উপস্থিত অন্য সাংসদরা হেসে উঠলেন।
বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের চতুর্থ দিনের বৈঠকে এই ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য জি এম নজরুল ইসলাম (গাজী নজরুল ইসলাম) অনুপস্থিত থাকায় সংসদ কক্ষে উত্থাপিত হতে পারেনি তার নির্ধারিত লিখিত প্রশ্নটি।
অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছিলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। প্রশ্নোত্তর পর্বে জি এম নজরুল ইসলামের ডাক পড়লে তিনি অনুপস্থিত থাকায় স্পিকার রসিকতা করে মন্তব্যটি করেন। স্পিকার জানান, সংসদ সদস্য কক্ষে উপস্থিত না থাকায় নিয়ম অনুযায়ী তার প্রশ্নটি সংসদে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব হিসেবে উত্থাপিত বলে গণ্য হচ্ছে না।
সাংবাদিকদের হাতে আসা প্রশ্নোত্তরের লিখিত কপি থেকে জানা যায়, সংসদ সদস্য জি এম নজরুলের লিখিত প্রশ্নটি ছিল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে। প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছিল—দেশে বর্তমানে শ্রম আদালতের সংখ্যা কত, এগুলো কোথায় অবস্থিত এবং বিচারাধীন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে।
সংসদ সদস্যের অনুপস্থিতির কারণে মন্ত্রী উত্তরটি মৌখিকভাবে পাঠ করার সুযোগ না পেলেও কপির তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, বর্তমানে দেশে একটি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল এবং ১৪টি শ্রম আদালতসহ মোট ১৫টি আদালত কার্যকর রয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, বরিশাল, নারায়ণগঞ্জ, কুমিল্লা, গাজীপুর ও ময়মনসিংহে ছড়িয়ে রয়েছে এই বিচারিক কাঠামো।
অধিবেশনের সাধারণ রুটিনকাজের মধ্যে হঠাৎ এই অনভিপ্রেত ঘটনা কিছুটা সময় হাল্কা পরিবেশ এনে দেয় সংসদ কক্ষে। বৈঠক শেষে সংসদ সদস্যের উপস্থিত না থাকার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিদেশে বাস্তুচ্যুত হয়ে থাকা নাগরিকদের ‘নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে’ ফিরিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেও মিয়ানমার রোহিঙ্গা মুসলিম জনগণের স্বতন্ত্র জাতিগত পরিচয় পুনরায় অস্বীকার করেছে। মালয়েশিয়া থেকে প্রায় দেড় হাজার মানুষকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর প্রস্তুতির মধ্যে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাদের পুরনো অনড় অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে।
মিয়ানমারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, বাংলাদেশ এবং সহযোগী দেশগুলোর সহায়তায় যাচাইকৃত বাস্তুচ্যুতদের স্বেচ্ছায় ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে তারা প্রস্তুত রয়েছে। তবে তারা একইসাথে জোর দিয়ে দাবি করে, 'রোহিঙ্গা' নামে কোনো জাতিগত সত্তার অস্তিত্ব ঐতিহাসিকভাবে মিয়ানমারে কখনো ছিল না। এ ছাড়া, বিভিন্ন দেশে পালিত 'রোহিঙ্গা গণহত্যা স্মরণ দিবস'-এর তীব্র নিন্দা জানায় জান্তা সরকারের পররাষ্ট্র দপ্তর।
এই অবস্থায় প্রত্যাবাসিতদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, যেখানে মূল পরিচয়ই অস্বীকৃত, সেখানে ফেরত পাঠানো হলে রোহিঙ্গারা নতুন করে নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হতে পারেন।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, রোহিঙ্গাদের ‘স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও টেকসই’ প্রত্যাবাসনের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ বর্তমানে মিয়ানমারে অনুপস্থিত। মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি ফাদজিলও আশ্বস্ত করেছেন, জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে এমন কোনো পরিস্থিতিতে কাউকে জোর করে ফেরত পাঠানো হবে না।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বর্বর দমন-পীড়নের পর লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে যান। বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গা অবস্থান করছেন, যা বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম শরণার্থী শিবির হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘদিনের আলোচনার পরও এই বিশাল জনগণের নিরাপদ প্রত্যাবাসন এখনও ঝুলে রয়েছে। অন্যদিকে, মালয়েশিয়াতেও প্রায় ১ লাখ ২৬ হাজার রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে বসবাস করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মালয়েশিয়া বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বা এমইভি সুবিধা সীমিত করেছে। দক্ষিণ এশিয়া এবং আফ্রিকার বেশ কিছু উন্নয়নশীল দেশের নাগরিকদের মধ্যে বাংলাদেশও রয়েছে, যারা এ সুবিধার আওতার বাইরে পড়েছে। এর ফলে, বাংলাদেশ থেকে ভিজিট ভিসায় মালয়েশিয়ায় যাওয়ার জন্য এক বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য সাধারণত সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা প্রযোজ্য হবে। মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ সেসব দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে, যাদের জন্য মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা সুবিধা বাতিল করে সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা প্রবর্তন করা হয়েছে।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের এক ঘোষণায় জানানো হয়েছে, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে Multiple Entry Visa (MEV) আর ঢালাওভাবে সব দেশের নাগরিকদের জন্য প্রদান করা হবে না।
নতুন ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট কিছু ভ্রমণ উদ্দেশ্যে মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা প্রদান করা হবে। এসব উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে ব্যবসা, চিকিৎসা, ফ্লাই অ্যান্ড ক্রুজ এবং ওয়েডিং ট্যুরিজম।
তবে উল্লেখ্য যে, মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের এই নতুন ঘোষণা ভিজিট ভিসা বা সামাজিক ভ্রমণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এটির সঙ্গে মালয়েশিয়ায় কর্মরত বাংলাদেশি বা অন্যান্য বিদেশি কর্মীদের ওয়ার্ক পারমিট কিংবা কর্মসংক্রান্ত ভিসার সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই নীতির বিষয়টি জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ