সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:০২ পি.এম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে জমি দখলের অভিযোগ নিয়ে হাজির হয়েছেন ৮১ বছর বয়সী আসগারালি ভোহরা, যিনি মোদির বাল্যবন্ধু এবং স্কুল সহপাঠী।
গত ৮ সেপ্টেম্বর, মুম্বাইয়ের ভাইয়ান্ডার ইস্টের জমি নিয়ে চলমান বিরোধের সমাধানে হস্তক্ষেপ এবং কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা সিবিআইকে দিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
আসগারালি ভোহরা জানান, ১৯৮৯ সালে কেনা জমিটি ২০১১ সালে দখল হয়ে যায়। তিনি বলেন, "বছরের পর বছর বিভিন্ন সরকারি দপ্তর ও পুলিশের কাছে ঘুরেও কোনো সুরাহা পাননি।"
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানায়, গুজরাটের ভাদনগরের বিএন স্কুলে পড়ার সময় আসগারালি ভোহরা ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহপাঠী ছিলেন। সাক্ষাতের সময় ভোহরা বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের সমস্যার সমাধানের জন্য তিনি কয়েক বছর ধরে সরকারি দপ্তর ও পুলিশের কাছে ঘুরছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চান।
ভোহরার দাবি, ভাইয়ান্ডার ইস্টের নাভঘরে প্রায় ২ হাজার ৮১০ বর্গমিটার জমি নিয়ে এই বিরোধ। তিনি জানান, ১৯৮৯ সালে নিবন্ধিত চুক্তির মাধ্যমে তিনি ওই সম্পত্তি কিনেছিলেন।
এই ৮১ বছর বয়সী ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন, ২০১১ সালে ওই জমি দখল করে নেওয়া হয়। তিনি স্বয়ম বিল্ডার্স ও সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনসের নাম উল্লেখ করেছেন। ভোহরার অভিযোগ, জমিসংক্রান্ত নথিপত্র জাল করা হয়েছে এবং সম্পত্তির মূল মালিককেও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে জানানো হয়নি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরে জমিটি দুটি ভাগে ভাগ করা হয় এবং দুই নির্মাণ প্রতিষ্ঠানের নামে এর দখল দেখানো হয়। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর স্থানীয় প্রশাসনও বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। আগামী ১৬ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। ওই শুনানিতে স্বয়ম বিল্ডার্স ও সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনসের প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
এই বিরোধে বিজেপির বিধায়ক নরেন্দ্র মেহতার নামও জড়িয়েছে। ভোহরা দাবি করেছেন, নরেন্দ্র মেহতার সঙ্গে সেভেন ইলেভেন কনস্ট্রাকশনসের সম্পর্ক রয়েছে।
এনডিটিভি জানায়, জমি বিরোধের ঘটনায় ২০১৫ সালে পুলিশি মামলা করা হয়েছিল। ভোহরা জানান, মামলা করার পরও তিনি কোনো সমাধান পাননি এবং বিষয়টির সমাধানের আশায় রাজস্ব দপ্তর, পৌর প্রশাসন ও পুলিশ বিভাগের বিভিন্ন কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছেন।
দীর্ঘদিনের এই বিরোধের অবসানে প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ কাজে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন ভোহরা। তবে দুই সাবেক সহপাঠীর এই অপ্রত্যাশিত সাক্ষাৎ মীরা-ভাইয়ান্ডার এলাকার দীর্ঘদিনের জমি বিরোধটিকে আবারও আলোচনায় নিয়ে এসেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদনের সাথে সাথে কীটনাশকের ব্যবহারের পরিমাণ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ১৯৭২ সালে যেখানে মাত্র ৪ হাজার মেট্রিক টন কীটনাশক ব্যবহার করা হয়েছিল, ২০২২ সালে তা প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টনে পৌঁছেছে। এই বিপুল পরিমাণ কীটনাশক ব্যবহারের ফলে বাজারে হাজার হাজার প্লাস্টিক বোতল ও প্যাকেট ছড়িয়ে পড়ছে। এই বোতলগুলো সাধারণত বিষাক্ত এবং পুনঃব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায়, পরিবেশে মারাত্মক দূষণ সৃষ্টি করছে।
এই সমস্যার সমাধানের জন্য ইন্ডোফিল বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড একটি ব্যতিক্রমী কার্যক্রম শুরু করেছে, যার নাম ‘ইকো এগ্রো ডিপোজিট স্কিম’। এই স্কিমের আওতায় কৃষকরা ব্যবহৃত কীটনাশকের খালি বোতল ও প্যাকেট ফেরত দিলে নির্ধারিত অর্থ বা প্রণোদনা পাবেন। কোম্পানির প্রতিনিধিরা রিটেইলার ও ডিলার পয়েন্ট থেকে এসব বোতল সংগ্রহ করে পরিবেশবান্ধবভাবে ধ্বংসের জন্য Geocycle-এর কাছে হস্তান্তর করবেন। এর ফলে কৃষিজমি, রাস্তার পাশ, খাল-বিল কিংবা উন্মুক্ত স্থানে প্লাস্টিক বর্জ্য কমে আসবে।
কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রেজাউল করিমের উদ্যোগে এই কার্যক্রমে যুক্ত প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা হলেন ইন্ডোফিল বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড মোঃ শহিদুল আলম, ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ রেজাউল ইসলাম, ম্যানুফেকচারিং এন্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজার মোঃ হাফিজুর রহমান এবং সেলস এক্সিকিউটিভ কৃষিবিদ মোঃ গোলাম সরোয়ার। তাদের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং কৃষকদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর কাজ চলছে।
উদ্যোক্তাদের মতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কৃষকদের মধ্যে যদি খালি বোতল-প্যাকেট ফেরত দেওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে, তবে কৃষি বর্জ্যজনিত দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে। কৃষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে জানিয়েছেন, এটি তাদের আর্থিকভাবে উৎসাহিত করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা রাখতে সাহায্য করবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার পুকুরে ডুবে দুই স্কুলশিক্ষার্থীর মৃত্যু ঘটেছে।
এটি সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে পৌর শহরের বাটকেখালী এলাকায় ঘটে।
নিহত দুই শিশুর নাম হলো- বাটকেখালী এলাকার মীর সাদ্দাম হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ লাবিব হোসেন (১০) এবং হাবিবুর রহমানের মেয়ে উম্মে হাবিবা (১০)। উভয়ই সাতক্ষীরা মিশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।
স্থানীয় ও পরিবারের সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে স্কুলে যাওয়ার আগে তারা বাটকেখালী এলাকার একটি পুকুরে গোসল করতে নামে। অনেক সময় পার হয়ে গেলেও তারা ঘরে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে পুকুরপাড়ে শিশুদের জুতা দেখে পরিবারের লোকজনের মধ্যে সন্দেহ সৃষ্টি হয়।
পরে আশপাশের লোকজন দ্রুত পুকুরে নেমে তল্লাশি চালিয়ে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদুর রহমান জানান, পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি পুলিশ জানার পরে ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ডরমেটরি থেকে পিতল ও লোহার পাত চুরি করতে গিয়ে আটক হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ভ্যানচালক, যার নাম জসিম উদ্দিন (৩০)। তিনি আব্দালপুরের বাসিন্দা। প্রক্টরিয়াল বডি তাকে থানায় হস্তান্তর করেছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে আটক করেন। পরে তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে গেলে তিনি তার অপরাধ স্বীকার করেন।
জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডরমেটরি-২ থেকে দুই দিন আগে ৪-৫ কেজি পরিমাণ পিতল ও লোহার পাত চুরি হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এক ভ্যানচালক চুরি করা মালামাল নিয়ে যাচ্ছিল। তার গতিবিধি লক্ষ্য করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে নিরাপত্তা কর্মীরা তাকে আটক করেন। পরে তাকে প্রক্টরের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়।
এসময় চোর জসিম বলেন, "আমি খুব অভাবে আছি। ২৭০০ মতো পেয়েছি। বাড়িতে বউপুলার জন্য চালের বস্তা কিনেছি। কাল সমিতির কিস্তিও আছে। দুইটা মেয়ে সন্তানও আছে। পুলিশকে দিয়েন না, সংশোধনের সুযোগ দিন। আমাকে মেরে ফেলতে পারেন। পেটের জ্বালায় বাধ্য হয়েছি।"
প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান বলেন, "সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে আটক করা হয়েছে। সে স্বীকারোক্তি দিয়েছে। চোরকে পুলিশকে হস্তান্তর করা হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যানচালকদের তালিকা করে সবাইকে রেজিস্ট্রির আওতায় আসবে। কার্ড আর এক পোষাকে ভ্যান চালাবে। দ্রুত আটক করার জন্য নিরাপত্তার সেলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।"
ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রশীদ জানান, "আমাদের ফোর্স গিয়ে থানায় নিয়ে আসছে। চোরকে রিসিভ করেছি। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ায় আগানো হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ করে ঝাঁজালো গন্ধ ছড়িয়ে পড়ার কারণে ২১ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে উপজেলার তমরদ্দি জোড়খালী উচ্চ বিদ্যালয়ে এই ঘটনা ঘটেছে। এর আগে, ৭ সেপ্টেম্বর একই বিদ্যালয়ে ঝাঁজালো গন্ধের কারণে ২৭ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছিল।
বিদ্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল ১০টার দিকে পাঠদান শুরু হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর নবম শ্রেণির দুই ছাত্রী হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর অন্যান্য শ্রেণিকক্ষে ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় কয়েকজন অজ্ঞান হয়ে যায়। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। দুপুর ২টা পর্যন্ত সেখানে ২১ জন শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়েছে।
অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সুমাইয়া (১৪), রিহান (১২), সাকিব (১২), ছায়েম (১৩), আরক দেবী (১৪), আরাফাত হোসেন (১৪), লাইজু (১৩) ও ঐশী (১৩), ফরিদা আক্তারসহ (১৩) আরও অনেকে রয়েছে। তাদের সকলের বাড়ি তমরদ্দি জোড়খালী গ্রামে অবস্থিত।
হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের দায়িত্বরত উপসহকারী মেডিকেল কর্মকর্তা বিমান চন্দ্র আশ্চার্য জানিয়েছেন, দুপুর ২টা পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ২১ জন শিক্ষার্থীকে আনা হয়েছে এবং তাদের সবাইকে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে আসা একজন অভিভাবক ও হাসপাতালের একজন স্টাফও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জসীমউদ্দিন বলেন, প্রথমে কয়েকজন শিক্ষার্থী অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পরে আরও কয়েকজন অসুস্থ হলে তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা কেন অসুস্থ বা অজ্ঞান হয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।
হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. রবিউল ইসলাম নিলয় জানান, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের অবস্থা সংকটাপন্ন কিনা তা ১২ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণের পর বলা যাবে। অনেকের এখনো পুরোপুরি জ্ঞান ফেরেনি এবং তাদের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। রোগীর অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে শ্রেণিকক্ষে ঝাঁজালো গন্ধ থাকার বিষয়টি জানা গেছে। তবে এটি পরিবেশগত বা মানসিক কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন, সন্ধ্যার পর বিদ্যালয় এলাকায় বহিরাগতদের আনাগোনা ও আড্ডা বেড়ে যায়। এ সময় বিদ্যালয়ের আশপাশে মাদকসেবনসহ বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনা ঘটে। এতে বিদ্যালয়ের পরিবেশ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিদ্যালয় এলাকায় নিয়মিত নজরদারি ও টহল জোরদার করা হলে এ ধরনের ঘটনা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। কিন্তু এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
এদিকে, অসুস্থ শিক্ষার্থীদের দেখতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন। এ সময় হাসপাতালে স্বজন ও সাধারণ মানুষের ভিড় জমে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে হাসপাতাল এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ওসি কবির হোসেন বলেন, সংবাদ পাওয়ার পর আমি হাসপাতালে এসেছি। বিষয়টি বারবার কেন ঘটছে, তা চিকিৎসাবিষয়ক তদন্তের পাশাপাশি এখানে ফৌজদারি কোনো অপরাধ আছে কি না, সেটিও তদন্ত করে দেখা হবে।
তবে শ্রেণিকক্ষে কী ধরনের ঝাঁজালো গন্ধ ছড়িয়েছিল এবং এর উৎস কী, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একই বিদ্যালয়ে এক সপ্তাহের ব্যবধানে শিক্ষার্থীরা ফের অসুস্থ হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ