শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৮ পি.এম
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে একটি ৩৩ কেজির বাঘাইড় মাছ। মাছটির বিক্রয় মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৭৯ হাজার ২০০ টাকা।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ জানান, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলে সেকেন হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
সম্রাট শাহজাহান শেখ সেকেন হালদারের বরাত দিয়ে জানান, সকালে সেকেন হালদার তাঁর দলের সাথে পদ্মায় মাছ ধরার উদ্দেশ্যে যান। নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জাল ফেলেও মাছের দেখা পাননি। পরে দুপুরের দিকে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জাল ফেললে বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছটি ধরা পড়ে। দৌলতদিয়া মৎস্য আড়তে নিয়ে ওজন মাপার পর মাছটির ওজন ৩৩ কেজি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ বলেন, মৎস্য আড়ত থেকে উন্মুক্ত নিলামে ২ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে মোট ৭২ হাজার ৬০০ টাকায় মাছটি ক্রয় করেন।
পরে ওই মাছের ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন এবং মুঠোফোনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ করেন। ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে ২ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে মোট ৭৯ হাজার ২০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করে দেন তিনি।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী বাঘাইড় একটি সংরক্ষিত ও মহাবিপন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী হিসেবে চিহ্নিত। এই মাছের শিকার, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী, এর জন্য সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
তবে আইনটির কোনো প্রয়োগ না থাকায় দৌলতদিয়ায় পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রকাশ্যে জেলেরা বাঘাইড়, পাঙ্গাশ, চিতল ও ড্রাই মাছ শিকার করে বিক্রি করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, "আমরা অনেকটা নিশ্চিত আইফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।"
এর আগে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ বিকেল ৩টার দিকে তুহিন নামের এক সন্দেহভাজন কিশোরকে আটক করেছে।
পবিবার সূত্রে জানা যায়, অপ্রতিম তার মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ওইদিন সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।
নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর অপ্রতীমের মরদেহ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে।
কুমিল্লার কোটবাড়ি থানার ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভুঁইয়া আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তের স্বার্থে তুহিন নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, বাসা থেকে বের হওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতীমের সাথে তুহিনকে দেখা যায়। তাদের মধ্যে হ্যান্ডশেক হয় এবং প্রায় ঘন্টাখানেক তারা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় ছিল। পরে তারা ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যান। নিখোঁজের দিন অপ্রতীমের সঙ্গে তুহিনের ম্যাসেজিংও হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে নিখোঁজ অপ্রতীমের মরদেহ পশ্চিম সানন্দা এলাকায় ম্যাজিক প্যারাডাইস সংলগ্ন স্থান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের জঙ্গলের মধ্যে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকালে দেখা যায়, তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
স্থানীয় এক প্রত্যক্ষদর্শী মো. আব্দুল কাদির জিলানী জানান, বাঁশ সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় অপ্রতীমকে দেখতে পান। তিনি বলেন, "আমরা এখানে কাজ করতে এসেছিলাম। কাজের মাঝে আমাদের বাঁশের প্রয়োজন হয়। তখন এই বাঁশ সংগ্রহের জন্য এই দিক দিয়ে গেলে আমার সঙ্গে থাকা ভাতিজা আমাকে বলে- কাকা এখানে একটা বাচ্চা পড়ে আছে। তখন আমি এখানে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পাই। এরপর আমরা ভয়ে কাজ ফেলে চলে যাই।"
তিনি আরও যোগ করেন, "কিছুক্ষণ পর আমরা শুনতে পাই- ম্যাডামের বাচ্চা পাওয়া যাচ্ছে না। তখন আমরা জানাই যে সেখানে একটা বাচ্চা দেখে এসেছি, সে এখনো সেখানেই পড়ে আছে। তখন সবাই আমাকে এখানে নিয়ে আসে। আমরা আনুমানিক বেলা ১১টার দিকে বাচ্চাটিকে দেখতে পাই।"
অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পশ্চিম সানন্দা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তবে শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ, কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং এ ঘটনায় কেউ জড়িত কি না- এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের পর বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
এর আগে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পেছনে একটি টিলা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ জানায়, নিখোঁজ হওয়ার পর অপ্রতীমের মুঠোফোনের সর্বশেষ অবস্থান কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন সামাজিক বনায়ন এলাকায় শনাক্ত হয়। ওই অবস্থানের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে শিশুটির মরদেহ দেখতে পায়। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
এই বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, "এ ব্যাপারে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এর আগে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে বের হয়ে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে গিয়ে নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। পরে তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
তার মা ড. নাহিদা বেগম ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, "আমার ছেলেকে আমি বিকেল ৩টা থেকে খুঁজে পাচ্ছি না। ওর নাম অপ্রতীম। বয়স ১৩, ক্লাস সেভেনে পড়ে। হারানোর সময় ছবিতে দেওয়া পাঞ্জাবিটি তার পরনে ছিল। আমার আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে গিয়ে আর ফিরে আসেনি। আপনারা যে যেখান থেকে পারেন সহায়তা করেন। আপনাদের কাছে হাত জোড় করছি আমার ছেলেকে বাঁচান। থানায় জানিয়েছি। নম্বর ট্র্যাক করে পাওয়া যায়নি। সম্ভবত ফোন ওর সঙ্গে নেই। ফেসবুক আইডি যে ফোনে সেটা বাসায় রেখে গেছে।"
এ ঘটনায় তার বাবা কেএম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন।
এদিকে, অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মিরপুরে একই সময়ে (মিনিটের ব্যবধানে) দুইটি যাত্রীবাহী বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর মিরপুর-১১ নম্বর ও মিরপুর-১ নম্বরে পৃথকভাবে দুই বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
সবশেষ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে মিরপুর-১ নম্বর মোড়ে অভিযাত পরিবহনের একটি বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, আগুন দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল।
এ ঘটনার একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বাসটির পেছনের দিকে আগুন জ্বলছিল। বাইরে থেকে কিছু লোক পানি ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিল। তবে, ফায়ার সার্ভিসের কাছে এই বাসে আগুন লাগার কোনো তথ্য নেই।
মিরপুর থানার ওসি হাফিজ বলেন, কে বা কারা একটি বাসে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেটি পোড়েনি। এ বিষয়ে আমাদের তদন্ত চলছে।
এর আগে মিরপুর-১১ নম্বরে একটি যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। সন্ধ্যা ৭টা ১৩ মিনিটে মিরপুর-১১ নম্বরের জমজম টাওয়ারের পাশে শিকড় পরিবহনের ওই বাসে আগুন লাগার খবর ফায়ার সার্ভিস পায়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আইন ও ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী একটি ডিভোর্সী নারীকে বিয়ে করার কারণে শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার রতন সরদারের (৪৫) জন্য কাল একটি কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। কোনো অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ার পরও তথাকথিত সালিশ বৈঠকে তাকে সাড়ে ৫ লাখ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। মাতব্বররা শুধু জরিমানা করেই থেমে থাকেনি; রামদা, ছেনদা ও লোহার রড হাতে নিয়ে তার বাড়ি ঘেরাও করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার কারণে রাতের আঁধারে নদী পার হয়ে গ্রাম ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন এই ভুক্তভোগী।
এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে জাজিরা উপজেলার মনাই ছৈয়াল কান্দি গ্রামে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রতন সরদারের বন্ধু রুবেল শিকদারের সাথে তার স্ত্রী রুবিনা আক্তারের মধ্যে পারিবারিক কলহ চলছিল। এর ফলস্বরূপ, ২০২৫ সালের অক্টোবরে রুবেল আনুষ্ঠানিকভাবে তার স্ত্রী রুবিনাকে ডিভোর্স দেন। বিচ্ছেদের প্রায় ১০ মাস পরে রুবিনাকে বিয়ে করেন রতন সরদার। রতনের প্রথম স্ত্রী হোসনে আরা বেগমেরও এই বিয়েতে পূর্ণ সম্মতি ছিল। তবে রুবেল ও এলাকার কিছু প্রভাবশালী মহল এই বৈধ ও আইনি বিয়ে মেনে নিতে পারেনি।
গত ৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় মাতব্বররা মনাই ছৈয়াল কান্দি গ্রামে একটি সালিশ বৈঠক (ক্যাঙ্গারু কোর্ট) আয়োজন করে। প্রায় পাঁচশ মানুষের উপস্থিতিতে বিচার বসানো হলেও রতন বা রুবিনার বিরুদ্ধে কোনো পরকীয়া বা অনৈতিক কাজের প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি কেউ। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া সত্ত্বেও জুরি ভোটের অজুহাতে জোরপূর্বক রতনকে সাড়ে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং সূর্য ওঠার আগেই গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে একটি 'আপোষনামা' জোর করে তৈরি করা হয়। নথির হিসাব অনুযায়ী, নগদ ১০ হাজার টাকা ও বন্দকি জমির ১ লাখ টাকা কেটে নেওয়ার পরও প্রভাবশালী সমাজপতিরা শান্ত হয়নি। বাকি টাকা আদায়ের জন্য একের পর এক কিস্তির তারিখ বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
অত্যাচারের মাত্রা এখানেই শেষ হয়নি। সালিশের পর রামদা ও লোহার রড নিয়ে রতনের বসতবাড়িতে হামলা ও তাণ্ডব চালানোর চেষ্টা করে প্রভাবশালীরা। উপায় না পেয়ে নিজের জীবন বাঁচাতে রাতের আঁধারে নদী পার হয়ে আত্মগোপনে যান রতন।
রতনের প্রথম স্ত্রী হোসনে আরা বেগম জানান, রতনের সাথে তার সম্মতিতেই এই বিয়ে হয়েছে। দ্বিতীয় স্ত্রী রুবিনা আক্তার বলেন, "আগের স্বামীর অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আইনি উপায়েই বিচ্ছেদ হয়েছিল। কোনো পরকীয়া নয়, পরিবারের সম্মতিতে স্বেচ্ছায় রতনকে বিয়ে করেছি।"
এদিকে সালিশ বৈঠকে জরিমানার বিষয়টি স্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সমাজপতিরা। তবে তারা কোন আইনের ভিত্তিতে এমন সিদ্ধান্ত ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।
এ বিষয়ে প্রাণভয়ে পালিয়ে বেড়ানো রতন সরদার জাজিরা থানায় ৪ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহাম্মদ জানান, "আমরা একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা মিললে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ