ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বান্দরবানে বন্যায় ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজার ৫০০ পরিবার


বান্দরবানে বন্যায় ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত, ক্ষতিগ্রস্ত ১২ হাজার ৫০০ পরিবার

বান্দরবানের পার্বত্য জেলা বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে, কারণ এখানে টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ১২ হাজার ৫০০ পরিবার পানিবন্দি হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্রের মধ্যে বর্তমানে ৬৭টিতে ২ হাজার ৫৮২ জন আশ্রয় নিয়েছেন। দুর্যোগের কারণে লামা উপজেলায় পাহাড়ধসে মারা গেছেন ৫ জন এবং পানিতে ডুবে মারা গেছেন আরও ২ জন।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস এসব তথ্য প্রদান করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে জেলা প্রশাসক আরও জানান, ৬ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানে মোট ৫১৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ২ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। বর্তমানে বৃষ্টিপাত কমে আসায় নদীর পানিও কমতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকালের তথ্য অনুযায়ী, সাংগু নদীর পানি বিপৎসীমার ৫ দশমিক ৪৮ মিটার নিচে এবং মাতামুহুরী নদীর পানি ৩ দশমিক ৭১ মিটার নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এখনও সময় প্রয়োজন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এছাড়াও, সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চলমান দুর্যোগে জেলার বিভিন্ন স্থানে মোট ৪৭টি ভূমিধস ঘটেছে, যার মধ্যে ১১টি বড় আকারের। পাহাড়ধস এবং গাছ পড়ে ২১টি স্থানে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে, কিন্তু সড়ক ও জনপথ বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস এবং সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় সেগুলি সচল করা হয়েছে।

এ পর্যন্ত সড়ক ও জনপথ বিভাগের ৬১ কিলোমিটার এবং এলজিইডির ৯০ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ৪টি ব্রিজ ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার মধ্যে একটি সচল করা হয়েছে এবং বাকি তিনটির সংস্কার কাজ চলছে।

কৃষি খাতেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার ১০৪ হেক্টর কৃষিজমি ও বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬৮ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়েছে, যা প্রায় ৫ হাজার ৩২৩ জন কৃষকের ক্ষতি করেছে।

ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় থেকে ৪০০ টন চাল, ২০ লাখ টাকা এবং প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে আরও ২০ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। এ পর্যন্ত ৮ হাজার ৫৬০ ব্যাগ ত্রাণ, ৮৭৫ প্যাকেট শিশুখাদ্য এবং ৩ লাখ টাকা নগদ সহায়তা বিতরণ করা হয়েছে। বান্দরবান পৌরসভার উদ্যোগে প্রতিদিন দুবার করে প্রায় ৮০ হাজার ৫০০ জন দুর্গত মানুষকে রান্না করা খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে আরও ৩ হাজার ব্যাগ ত্রাণসামগ্রী মজুত রয়েছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

তিনি জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনসহ পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, আনসার, ফায়ার সার্ভিস, পৌরসভা, সড়ক ও জনপথ বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, রেড ক্রিসেন্ট, ব্র্যাক, গ্রাউস, ওয়ার্ল্ড ভিশনসহ বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অতিরিক্ত বিজিবি তাদের ক্যাম্পে ১৩০টির বেশি পরিবারকে আশ্রয় দিয়েছে এবং দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সহায়তা প্রদান করেছে।

পর্যটন পরিস্থিতি সম্পর্কে জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন, বন্যার সময় থানচিতে ১৬৭ জন এবং রুমায় ৩৭ জন পর্যটক আটকা পড়েছেন। সর্বশেষ ৪ জন পর্যটককে আমিয়াখুম থেকে বিজিবির সহায়তায় উদ্ধার করা হয়েছে। পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

আগামী পরিকল্পনার বিষয়ে জেলা প্রশাসক জানান, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষকে দ্রুত বাড়িতে ফেরানো হবে। প্রত্যাবর্তনের সময় তাদের অন্তত দুই দিনের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ১ হাজার ২০০ বান্ডিল ঢেউটিন এবং প্রতিটি পরিবারকে ৩ হাজার টাকা গৃহ মেরামত সহায়তা দেওয়ার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। একইসাথে বন্যা পরবর্তী পানিবাহিত রোগ প্রতিরোধে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বিতরণ এবং স্বাস্থ্যসেবা জোরদারের পরিকল্পনা গৃহীত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢাকায় পুলিশি বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৩ পি.এম


ঢাকায় পুলিশি বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৯ জন

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও তুরাগ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যাত্রাবাড়ী ও তুরাগ থানার পুলিশ।

যাত্রাবাড়ী থানা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৩ জুলাই) যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ অত্র থানার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকার মধ্যে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ৯ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন ওয়াশিম (৪০), মো. পারভেজ হোসেন (২০), মো. সাইফুল ইসলাম (৩৪), আশেক মাহমুদ (২৬), দ্বীপ ইসলাম (২৫), মো. রোকন ব্যাপারী (৩০), হাবিবুর রহমান (৪৫), মো. তানজিলম (২৮) ও রাহাত (২৭)।

অপরদিকে, তুরাগ থানা সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১৩ জুলাই) তুরাগ থানা পুলিশ অত্র থানার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ অভিযানের মাধ্যমে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে ছিলেন হৃদয় (২১), আদিল মাহমুদ শাকিল, মো. ইমরান (৩০), হযরত আলী (২৮), মো. রিফাত আলী (১৯), মো. মামুন (৪৫), মো. নাজমুল হক সাগর (২২), মো. হাবিবুর রহমান (২৫), মো. নিজামুল ইসলাম (২২) এবং মো. রাজন (২১)।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত অপরাধী এবং নিয়মিত ও পরোয়ানাভুক্ত মামলার আসামিরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মাঝ নদীতে আটকা ফেরি, যাত্রী সংখ্যা ২ শতাধিক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৯ পি.এম


মাঝ নদীতে আটকা ফেরি, যাত্রী সংখ্যা ২ শতাধিক

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাট-নলচিরা ঘাটে চলাচলকারী ফেরি ‘মহানন্দা’ মেঘনা নদীর মাঝ চরে আটকা পড়েছে।

এতে যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। চেয়ারম্যান ঘাট থেকে নলচিরা ঘাট যাওয়ার পথে মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকালে ৮টার দিকে ফেরিটি মেঘনা নদীর মাঝে ডুবে থাকা চরে আটকা পড়ে বলে জানিয়েছেন ফেরিটির মাস্টার মো. করিম।

তিনি জানান, এ সময় ফেরিটিতে দুই শতাধিক যাত্রী ও পণ্যবাহী ১৬টি যানবাহন রয়েছে। নদীতে নাব্যতা সংকট এবং ফেরি সময়মতো না ছাড়ার কারণে এমন পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। তারা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন। বাধ্য হয়ে কেউ কেউ কাঠের নৌকায় করে গন্তব্যের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তবে নারী, শিশু, বয়স্ক ও রোগীদের ভোগান্তির শেষ নেই।

যাত্রীরা জানান, দ্রুত নদী ড্রেজিং করে নাব্যতা সংকট দূর করা না হলে বর্ষার পর এ ধরনের পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। ফেরির মাস্টার মো. করিম জানান, ঘাটে নাব্যতা সংকটসহ নানা কারণে ফেরি ছাড়তে প্রায় ১০ মিনিট দেরি হয়েছে। সকালে ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে ভাটার শেষ সময়ে ফেরি ছাড়ার পর এ সমস্যায় পড়তে হয়েছে। দুপুরে জোয়ার এলে ফেরিটি ভাসমান হলে ছেড়ে দেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিয়ে এড়াতে মাথা ন্যাড়া করলেন তরুণী, ভিডিও ভাইরাল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


বিয়ে এড়াতে মাথা ন্যাড়া করলেন তরুণী, ভিডিও ভাইরাল

বিয়ের চাপ নিয়ে চাপ প্রথা নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার সমাজে একটি বয়সের পর অনেক তরুণীকে বিয়ের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে চাপের মুখে পড়তে হয়। এমনই একটি ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে যেখানে এক তরুণী মাথা ন্যাড়া করতে দেখা গেছে।

তবে ভিডিওটির সঠিকতা বা এর পেছনের কারণ সম্পর্কে এখনো কোন চূড়ান্ত তথ্য জানা যায়নি।

ভাইরাল ভিডিওটিতে দেখা যায়, লাল রঙের পোশাক পরিহিত এক তরুণী শান্তভাবে বসে আছেন। একজন নাপিত তার মাথার চুল ছাঁটছেন। পুরো সময় জুড়ে তরুণীর মুখে একটি সদালাপী হাসি ছিল। কোলের ওপর একটি সাদা কাপড়ের উপর কাটা চুলগুচ্ছ পড়তে দেখা গেছে। ভিডিওতে লেখা ছিল, "মা আমার বিয়ে ঠিক করেছিলেন"।

ভিডিওটি দেখে অনেকেই মনে করছেন, পরিবারের নির্ধারিত বিয়ে ঠেকাতেই তরুণী এ ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবে ভিডিওতে বা পোস্টে তিনি কোথাও স্পষ্ট করে উল্লেখ করেননি যে বিয়ে এড়ানোর উদ্দেশ্যে মাথা কামিয়েছেন।

তাছাড়া তরুণীর পরিচয়, তিনি কোন অঞ্চলের বাসিন্দা অথবা ঘটনার পর তার পরিবারের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভিডিওটি 'কীর্তনা.মেনন' নামে একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশ করা হয়েছে এবং এটি ইতোমধ্যে প্রায় আড়াই কোটি বার দেখা হয়েছে। ভিডিওটিতে প্রায় চার লাখ লাইক এবং ছয় হাজারেরও বেশি মন্তব্য জমা পড়েছে।

মন্তব্যগুলোতে কেউ তরুণীর সাহসের প্রশংসা করেছেন এবং একে নারীর স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এটি আদৌ বিয়ে ঠেকানোর ঘটনা কি না। তাদের মতে, ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে ধর্মীয় মানত বা আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথার চুল উৎসর্গ করার প্রচলন রয়েছে। ফলে ভিডিওর সঙ্গে বিয়ের বিষয়টি কতটা সম্পর্কিত, তা নিশ্চিত হওয়ার মতো পর্যাপ্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি।

উল্লেখ্য, ভাইরাল ভিডিওটির দাবি স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তাই বিয়ে ঠেকানোর উদ্দেশ্যেই তরুণী মাথা ন্যাড়া করেছেন, এমন দাবি নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তেজগাঁও বিভাগের অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৫ পি.এম


তেজগাঁও বিভাগের অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছে ৪৩ জন

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিমের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী এই তথ্য জানান।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন, মো. হাসান (২৭), মো. সাইদুর রহমান সজিব (২১), মো. হাবিবুর রহমান লিয়ন (২১), মোছা. শাপলা আক্তার (৩০), মো. আরাফাত, মো. বেলাল হোসেন বেপারী (২৬), মো. জামিল শিকদার (৩০), ইয়াসিন আরাফাত (২৪), মো. রুবেল (৩৩), মো. লুৎফর রহমান (৩৬), সালমান (২৪), মো. রাশেদুল হাসান (৩৭), মো. রাসেল (২৫), মো. আসাদুল ইসলাম (২২), ইব্রাহিম ওরফে সৌরভ (২৫), মো. সাইদুল ইসলাম (২২), মো. সালমান (২১), মো. জনি ওরফে মুরগী জনি, মো. জাহিদ হাসান (২১), মো. মাহিম (২০), মো. মাহাবুব আলম (৪৫), মো. সেলিম মিয়া (৩০), মো. ইউসুফ (২২), মো. আমজাদ (৩০), মো. রুহুল আমিন (২১), সুমন (২৭), স্বাপন (২৫), মো. সুলেমান (৪৮), মো. ইমন (২০), মো. দেলোয়ার হোসেন হৃদয় (২২), মো. সিরাজুল ইসলাম (৪৮), তাফহীমুল তছলিম হিমেল (২৪), সাদিয়া আরফিন (২৪), মো. ইয়াছিন (৩০), মোসা. রোজিনা ওরফে রোজি ওরফে সালেহা (৪১), মো. সোহাগ আহম্মদ (২২), সেলিম মিয়া (২৮), আল আমিন (৩৪), মো. আরিফ (২৮), মো. শুভ (১৮), মো. রিপন (২৬), মো. হৃদয় হোসেন ওরফে ইয়াছিন (১৮) এবং মো. সাইফুল ইসলাম।

তেজগাঁও বিভাগের বরাত দিয়ে নিয়াজ মেহেদী বলেন, রোববার (১২ জুলাই) বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এসব ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে তেজগাঁও থানা থেকে ২ জন, শেরেবাংলা নগর থানার ১০ জন, মোহাম্মদপুর থানার ১৯ জন, আদাবর থানার ৩ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ৩ জন এবং হাতিরঝিল থানার ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%