মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:০২ পি.এম
পোষা বিড়াল ঘরের সদস্য হিসেবে বিবেচিত হয়। কিন্তু এই আদরের প্রাণীটি যখন নির্দিষ্ট স্থানের বাইরে প্রস্রাব করে, তখন সমস্যা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে সোফা, গালিচা বা ঘরের কোনো কোণে প্রস্রাব করার পর প্রথমে তা টের না পাওয়া গেলেও পরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে।
অনেক সময় নিয়মিত ঘর পরিষ্কার করার পরও সেই গন্ধ পুরোপুরি দূর হয় না। এতে বাড়ির মানুষ অভ্যস্ত হয়ে গেলেও অতিথিদের জন্য বিষয়টি বেশ অস্বস্তিকর হয়ে উঠতে পারে।
তবে কিছু সহজ উপায়ে পোষা বিড়ালের প্রস্রাবের দুর্গন্ধ কমানো সম্ভব।
এনজাইমযুক্ত গন্ধনাশক ব্যবহার করতে পারেন।
বিড়ালের প্রস্রাবের গন্ধ দূর করতে এনজাইমযুক্ত গন্ধনাশক (Enzyme Based Cat Litter Deodorizer) ব্যবহার করা যেতে পারে। এই গন্ধনাশকে থাকা বিশেষ ধরনের উৎসেচক বিড়ালের মূত্রে থাকা প্রোটিন ও ইউরিক অ্যাসিড ভেঙে দিতে সাহায্য করে। ফলে দুর্গন্ধও কমে যায়।
বিড়াল সাধারণত যে স্থানে প্রস্রাব করে, সেখানে এটি ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। এর নিজস্ব গন্ধ খুব তীব্র নয়, তাই বিড়ালেরও সাধারণত অস্বস্তি হওয়ার কথা নয়।
সোফা বা গালিচায় প্রস্রাব করলে
অনেক সময় বিড়াল সোফা কিংবা গালিচায় প্রস্রাব করে। এমন পরিস্থিতিতে পানির সঙ্গে সাদা ভিনিগার মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে স্প্রে করা যেতে পারে।
এরপর ভেজা জায়গায় বেকিং সোডা ছড়িয়ে দেওয়া যেতে পারে। এটি দুর্গন্ধ কমাতে সাহায্য করে। বিড়ালের প্রস্রাবের জায়গাতেও বেকিং সোডা ব্যবহার করা যেতে পারে।
লিটার বাক্স বা প্রস্রাবের স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করুন।
বিড়ালের লিটার বাক্স বা প্রস্রাবের স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি। বিশেষ করে বর্ষাকালে ঘরের পরিবেশ স্যাঁতসেঁতে থাকায় দুর্গন্ধ আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে।
তাহলে প্রয়োজন হলে বিড়ালের প্রস্রাব ও মলত্যাগের স্থান দিনে দুবার পরিষ্কার করা যেতে পারে। এতে ঘরে দুর্গন্ধ জমে থাকার সুযোগ কমবে।
গন্ধ দূর করতে নিয়মিত পরিষ্কারই গুরুত্বপূর্ণ।
পোষা বিড়াল থাকলে শুধু ঘর পরিষ্কার করলেই হবে না, বিড়াল যেখানে নিয়মিত প্রস্রাব করে সেই স্থানগুলোর দিকেও নজর দিতে হবে। দ্রুত স্থানটি পরিষ্কার করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী গন্ধ কমানোর উপকরণ ব্যবহার করলে ঘরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়া অনেকটাই কমানো সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুয়েতের কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ থেকে আসা এক যাত্রীর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করেছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল-৫-এ তল্লাশি চালানোর সময় তাকে আটক করা হয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম আরব টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আটক যাত্রীর কাছ থেকে ৪ কেজি ৭৫০ গ্রাম গাঁজা, ৩১৯ দশমিক ৩ গ্রাম মেথঅ্যামফিটামিন এবং ৬ হাজার ২১১টি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
মাদক জব্দের পর আটক ব্যক্তিকে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় মাদক নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে, এমনটি জানায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
কুয়েত সরকারের মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান রয়েছে। বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন প্রবেশপথে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত তল্লাশি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এর আগে মাদক-সংক্রান্ত অভিযোগে কুয়েতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে।
এদিকে, বাংলাদেশ থেকে আসা বিমানে এত বড় মাদকের চালান কীভাবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও স্ক্যানিং ব্যবস্থা পেরিয়ে গেল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
কুয়েতপ্রবাসী বাংলাদেশি সুমন চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও তল্লাশি প্রক্রিয়া পেরিয়ে এত বড় চালান দেশের বাইরে যাওয়ার ঘটনা উদ্বেগজনক। তিনি বলেন, "এ ঘটনায় কোনো কর্মকর্তা বা চক্র জড়িত কি না, তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।"
ঘটনাটি নিয়ে বাংলাদেশ ও কুয়েতের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত আরও তদন্ত বা বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে ভারত ও জাপানের মধ্যে ব্যবধান অত্যন্ত বড়। যেখানে ভারত বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে, সেখানে জাপান ৪১তম। তবে বৃষ্টির কারণে পাঁচ ওভারে নেমে আসা ম্যাচে শুরুতেই সেই ব্যবধান ভুলিয়ে দেয় স্বাগতিক জাপান। মাত্র ১৪ রানের মধ্যে ভারতের তিন ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে ঐতিহাসিক ম্যাচে তারা বড় চাপ তৈরি করে।
সানোর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মাঠে বৃষ্টি ও ভেজা আউটফিল্ডের কারণে নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন ঘণ্টা পর ম্যাচটি শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত দুই দলের ইনিংসই পাঁচ ওভারে সীমাবদ্ধ করা হয়। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন ভারতের অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার।
এটি ভারত ও জাপানের পুরুষ দলের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। এশিয়ান গেমসের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আয়োজিত একমাত্র টি-টোয়েন্টিটি হচ্ছে ‘সুজুকি কাপ’ এর অধীনে।
মাত্র ৩০ বলের ইনিংস হওয়ায় শুরু থেকেই দ্রুত রান তোলার তাগিদ ছিল ভারতের ব্যাটসম্যানদের। কিন্তু প্রথম ওভারেই সেই পরিকল্পনায় ধাক্কা দেয় জাপান। চার্লি হারা-হিনজের ওভারের শেষ বলে বড় শট খেলতে গিয়ে শোমা সুগায়া-স্লেটারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অভিষেক শর্মা। প্রথম বলেই কোনো রান না করে আউট হন ভারতের ওপেনার।
২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটি অভিষেকের প্রথম বলে শূন্য রানে ফেরার পঞ্চম ঘটনা। এক বছরে পাঁচবার প্রথম বলে ডাক মেরে তিনি এখন রুয়ান্ডার কেভিন ইরাকোজে ও জিম্বাবুয়ের রিচার্ড এনগারাভার পাশে।
অভিষেকের বিদায়ের পরও চাপ কাটেনি ভারতের। দ্বিতীয় ওভারে ইব্রাহিম তাকাহাশির বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ডিপ মিডউইকেটে বেঞ্জামিন ইতো-ডেভিসের হাতে ক্যাচ দেন সঞ্জু স্যামসন। ৭ বলে ৯ রান করেন তিনি।
তৃতীয় ওভারেও উইকেট হারায় ভারত। বেঞ্জামিন ইতো-ডেভিসের অফ স্পিনে ইনসাইড-আউট শট খেলতে গিয়ে অতিরিক্ত কভারে মাকোতো তানিয়ামার হাতে ক্যাচ দেন ঈশান কিষান। ৬ বলে ৩ রান করে ফেরেন তিনি। ফলে ২.৪ ওভারেই মাত্র ১৪ রানে ৩ উইকেট হারায় ভারত।
চতুর্থ উইকেটে অধিনায়ক শ্রেয়াস আইয়ার কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। ১২ বলে একটি চারসহ ১৬ রান করেন তিনি। তবে ইনিংসের শেষ ওভারে আইয়ারও আউট হয়ে গেলে ৫ ওভারে ৪ উইকেটে ৩২ রানেই থামে ভারতের ইনিংস।
ভারতের হয়ে তিলক ভার্মা ৩ বলে ১ এবং শিবম দুবে ১ বলে কোনো রান না করে অপরাজিত থাকেন। অতিরিক্ত থেকে আসে ৩ রান।
জাপানের বোলারদের মধ্যে চার্লি হারা-হিনজে ২ ওভারে ১৭ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। ইব্রাহিম তাকাহাশি ২ ওভারে ১৩ রান দিয়ে একটি এবং বেঞ্জামিন ইতো-ডেভিস ১ ওভারে মাত্র ২ রান দিয়ে একটি উইকেট শিকার করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে ভারত শ্রীলঙ্কাকে একেবারে পাত্তা দেয়নি। নারী ক্রিকেটে হারমানপ্রিত কৌরের নেতৃত্বে ভারত ১৪৭ রানের বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে আবারও চ্যাম্পিয়ন হলো। এশিয়া কাপের ফাইনালের পর এই জয় তাদের জন্য একটি নতুন সাফল্য।
জাপানের নিশিনে টস জিতে ভারত প্রথমে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। ভারত ২০ ওভারে ২১৬ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়ে। শ্রীলঙ্কা এর জবাবে মাত্র ৬৯ রানে অলআউট হয়ে যায়।
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারতের এটি সবচেয়ে বড় জয়। ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ১৪২ রানের জয় ছিল তাদের সর্বোচ্চ ব্যবধানের জয়। আট বছরের বেশি সময় পর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই রেকর্ড নতুন করে লিখল ভারত।
এশিয়ান গেমসে এটি ভারতের প্রথম স্বর্ণপদক। ২০২৩ সালের হাংজু এশিয়ান গেমসে নারী ক্রিকেটে ভারত স্বর্ণ জিতেছিল।
টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শ্রীলঙ্কার বোলারদের ওপর চড়াও হন শেফালি ভার্মা ও স্মৃতি মান্ধানা। উদ্বোধনী জুটিতে তারা মাত্র ১০ ওভারে ৯৯ রান যোগ করেন।
এই জুটির সুবাদে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে প্রথম জুটি হিসেবে ৪ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন মান্ধানা ও শেফালি। ইনিংস শেষে তাদের জুটি থেকে মোট ৪ হাজার ৮০ রান এসেছে।
শেফালি ২৯ বলে ৪৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে তার ব্যাট থেকে আসে ৩টি চার ও ৩টি ছক্কা। এই ইনিংসের মাধ্যমে ২০২৬ সালে তার রান দাঁড়ায় ৮৬৩। তিনি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের নতুন রেকর্ড গড়েন।
শেফালি পেছনে ফেলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অধিনায়ক লরা উলভার্টকে, যিনি চলতি বছরে ৮২৪ রান করেছেন। ৮০০ রান নিয়ে এরপর রয়েছেন হংকংয়ের নাতাশা মাইলস।
শেফালি ফেরার পরও ভারতীয় ইনিংসের গতি কমতে দেননি মান্ধানা। আউট হওয়ার আগে ৫ চার ও ৭ ছক্কায় ৪৫ বলে ৭৯ রান করেন বাঁহাতি ওপেনার।
এই ইনিংসের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রথম নারী ক্রিকেটার হিসেবে ১১ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন মান্ধানা।
শেষদিকে ঝড় তোলেন রিচা ঘোষ। তিনি ভারতি ফুলমালির সঙ্গে চতুর্থ উইকেটে মাত্র ১৯ বলে ৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েন। রিচা ২২ বলে ৪৯ রানে অপরাজিত থাকেন, তার ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছক্কা।
২১৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শ্রীলঙ্কা শুরু থেকেই চাপে ছিল। পাওয়ার প্লেতে দুই উইকেট হারানোর পর সপ্তম ওভার থেকে তাদের ব্যাটিং পুরোপুরি ভেঙে পড়ে।
একপর্যায়ে ২ উইকেটে ৪৩ রান থেকে শ্রীলঙ্কা মাত্র ৫২ রানে ৭ উইকেট হারায়। এরপর তারা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি এবং শেষ পর্যন্ত ৬৯ রানে অলআউট হয়।
অধিনায়ক চামারি আতাপাত্তু ২১ বলে ২৯ রান করে দলের সর্বোচ্চ স্কোরার হন। এছাড়া কৌশানি নুথিয়াঙ্গানা ১৪ ও কাভিশা দিলহারি ১১ রান করেন। অন্য কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
বল হাতেও দুর্দান্ত ছিলেন শেফালি। তিনি ২ ওভারে মাত্র ৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। ভারতের হয়ে সবচেয়ে সফল বোলার ছিলেন দিপ্তি শর্মা, যিনি ৪ ওভারে এক মেডেনসহ মাত্র ৬ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। শ্রেয়াঙ্কা পাতিল ও শ্রী চারানির শিকার ২টি করে উইকেট।
ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের মাধ্যমে ভারত শ্রীলঙ্কাকে উড়িয়ে এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটে টানা দ্বিতীয়বারের মতো স্বর্ণপদক নিশ্চিত করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পোশাক উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান আড়ং জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার
বিভাগ: আইটি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীদের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীদের নেটওয়ার্ক ও পাওয়ার হার্ডওয়্যারের জীবনচক্র এবং অপসারণ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৪ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ