মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১৪ পি.এম
পোশাক উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান আড়ং জনবল নিয়োগের জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
পদের নাম: নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার
বিভাগ: আইটি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: প্রার্থীদের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং অথবা সংশ্লিষ্ট অন্য কোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি থাকতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতা: প্রার্থীদের নেটওয়ার্ক ও পাওয়ার হার্ডওয়্যারের জীবনচক্র এবং অপসারণ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা থাকতে হবে।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৪ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: উল্লেখ নেই
কর্মস্থল: ঢাকা
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি, উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য ও জীবন বিমা এবং প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী অন্যান্য সুবিধা প্রদান করা হবে।
আবেদনের নিয়ম: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় দলের জার্সিতে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচের জন্য শুরু হয়েছে কাউন্টডাউন। আগামী ৬ অক্টোবর বেনিনের বিরুদ্ধে ম্যাচের মাধ্যমে আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষবারের মতো মাঠে নামার পরিকল্পনা রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের। এই বিদায়ী ম্যাচকে স্মরণীয় করে তোলার জন্য মেসির জার্সিতে থাকবে বিশেষ নকশা।
নিজের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করে মেসি বিদায়ী ম্যাচের জার্সির প্রথম ঝলক তুলে ধরেছেন। পোস্টের ক্যাপশনে তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘শেষ ম্যাচ… আজীবনের জার্সি।’
আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী আকাশি রঙের ভিত্তিতে তৈরি করা হয়েছে জার্সিটি। তবে এবারের ডিজাইনে কিছু ভিন্নতা রয়েছে। জার্সির মাঝ বরাবর একটি সাদা উল্লম্ব স্ট্রাইপ থাকবে। পাশাপাশি, জার্সির নকশায় সোনালি রঙের ছোঁয়া যোগ করা হয়েছে।
পেছনের অংশেও বিশেষ আয়োজন রয়েছে। সেখানে সোনালি রঙে মেসির নাম ও জার্সি নম্বর লেখা হবে। এছাড়া, উঁচু-নিচু নকশার মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হবে আর্জেন্টিনার প্রতীকী ‘সান অব মে’।
মেসির বিদায়ী ম্যাচকে কেন্দ্র করে জার্সিতে এমন বিশেষ নকশা যুক্ত করার উদ্দেশ্য হলো জাতীয় দলের হয়ে তার দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের স্মৃতি সংরক্ষণ করা।
আগামী ৬ অক্টোবর বুয়েনস এইরেসের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বেনিনের বিরুদ্ধে প্রীতি ম্যাচ খেলবে আর্জেন্টিনা। আন্তর্জাতিক বিরতির সময় নিজেদের মাঠে মোট তিনটি ম্যাচ খেলবে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
৩০ সেপ্টেম্বর কর্দোবায় বলিভিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে আর্জেন্টিনার এই পর্ব। এরপর ৩ অক্টোবর মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে বুরকিনা ফাসোর মুখোমুখি হবে তারা। তবে তিন ম্যাচের মধ্যে শুধুমাত্র বেনিনের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচটিতেই মেসির মাঠে নামার পরিকল্পনা রয়েছে।
২০০৫ সালে আর্জেন্টিনার জার্সিতে অভিষেকের পর দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন মেসি। এই সময়ে তিনি বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শিরোপা অর্জন করেছেন। এবার সেই আকাশি-সাদা জার্সিতেই শেষবারের মতো মাঠে নামার অপেক্ষায় আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁর বদলগাছীতে সরকারি অর্পিত (ভিপি) জমির দখল নিয়ে সংঘর্ষের ফলে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় তৈরি হওয়া হত্যা মামলায় বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। মামলায় ১৫ জন আসামির মধ্যে রাসেল রানা নামে স্থানীয় এক সাংবাদিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হলেও বাদী নিজেই তাকে চেনেন না বলে জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় জেলা ও উপজেলাজুড়ে কর্মরত সংবাদকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বদলগাছী উপজেলার বালুভরা ইউনিয়নের বারাতৈল গ্রামের খোর্দ্দ ভূবন মৌজায় অবস্থিত প্রায় ১৪ বিঘা সরকারি ভিপি জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এতদিন ধরে ওই জমিতে লিজ নিয়ে ফসল ফলিয়ে আসছিলেন স্থানীয় কয়েকজন কৃষক। চলতি বছর নিহত মাসুদ রানা, তার বাবা আফজাল হোসেন ও ভাই রিফাত হোসেন উক্ত জমি লিজের জন্য আবেদন করেন। তবে এ বছর প্রশাসন কোনো পক্ষকেই লিজ প্রদান করেনি।
লিজ না পেলেও পুরোনো অভ্যাসে একপক্ষ জমিতে ফসল আবাদ করতে গেলে তা নষ্ট করার অভিযোগ ওঠে। এর জেরে গত ১০ সেপ্টেম্বর সকালে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০-১২ জন আহত হন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত মাসুদ রানাকে (৩৫) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
মাসুদ রানার মৃত্যুর পর ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে তার ছোট ভাই রিফাত হোসেন বাদী হয়ে বদলগাছী থানায় ১৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। এই মামলায় ১৫ নম্বর আসামি করা হয় দৈনিক ‘টাইমস টুডে’র নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি রাসেল রানাকে।
তবে মামলার বাদী রিফাত হোসেনের বক্তব্যে উন্মোচিত হয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। বাদী স্পষ্ট জানান, তিনি ১৫ নম্বর আসামিকে চেনেন না। সংঘর্ষের ঘটনা স্মরণ করে তিনি বলেন, "আমার সামনেই আমার ভাইকে রাজা, জাহাঙ্গীর, কুদ্দুস ও ফটিক নামে চারজন মিলে মারধর করেছে। আমি সাংবাদিক রাসেল রানাকে চিনিই না।"
মামলায় এই সাংবাদিকের নাম কীভাবে এলো জানতে চাইলে তিনি জানান, মামলা করার সময় তাদের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার চাচা উপস্থিত ছিলেন। তবে কে এই নাম দিয়েছে, তা তার জানা নেই।
সাংবাদিক রাসেল রানার দাবি, সংঘর্ষের সময় তিনি ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে নিজ বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। তিনি বলেন, "বালুভরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল এমরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় সংবাদ প্রকাশ করায় প্রতিহিংসাবশত চেয়ারম্যানের নির্দেশে তাকেই এই হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।"
তবে এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত বালুভরা ইউপি চেয়ারম্যান আল এমরান। তিনি জানান, জমি সংক্রান্ত মারামারির বিষয়ে অবগত থাকলেও কে কাকে আসামি করেছে তা তিনি জানেন না। এমনকি বাদীর সঙ্গে থানায় যাওয়ার বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেন।
বিষয়টি নিয়ে বদলগাছী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রুহুল আমিন জানান, সংঘর্ষে মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
তদন্তের বিষয়ে ওসি আরও জানান, মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত চলাকালে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই সাংবাদিকের কোনো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ সংশ্লিষ্টতা পাওয়া না গেলে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) থেকে তার নাম বাদ দেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইটে ১০০টিরও বেশি সোনার বার পাওয়া গেছে।
বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৫ ফ্লাইটে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় অভিযান পরিচালনা করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর সোনার বারগুলো জব্দ করেছে।
বিপুল পরিমাণ সোনার উদ্ধার হওয়ায় বিমানবন্দরে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং তল্লাশি ও অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র জানায়, জব্দকৃত সোনার পরিমাণ, ওজন এবং আনুমানিক মূল্য নির্ধারণের কাজ চলছে। একইসঙ্গে চালানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ ঘটনায় বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অপারেশনের পর স্বামী স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে দুই মাসের সন্তানকে নিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন। সন্তানকে কাছে না পেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্ত্রী। মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে শিশুটিও কাঁদতে থাকে। পরে হাসপাতাল থেকে খবর পেয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে তার বাবার মাধ্যমেই মায়ের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছে দিরাই থানা পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মায়ের কাছে শিশুটিকে নিয়ে পৌঁছান বাবা মো. নিপুন মিয়া (৩০)। এর আগে ভোরে হাসপাতালের পুরাতন ভবনের চতুর্থ তলার ৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে শিশুটিকে নিয়ে বাড়ি চলে যান তিনি। পরে দুপুরে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দুর্গম ভাটিয়াগাঁও গ্রাম থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করেন দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম।
নিপুন মিয়ার বাড়ি দিরাই উপজেলার জগদল ইউনিয়নের ভাটিয়াগাঁও গ্রামে। প্রায় ১২ বছর আগে হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বানর এলাকার মোছা. বিনা বেগমের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। তাদের চার সন্তান রয়েছে। বড় মেয়ের বয়স ৮ বছর, দ্বিতীয় সন্তান ছেলের বয়স ৬ বছর, তৃতীয় সন্তান মেয়ের বয়স ৫ বছর। তারা বাড়িতে দাদা ও চাচা-চাচির কাছে রয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে বিনা বেগমের পিত্তনালীতে পাথর ধরা পড়ে। ২০ দিন আগে তাকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আটদিন আগে অস্ত্রোপচার করে পিত্তনালীর পাথর অপসারণ করা হয়। চিকিৎসার খরচ স্বামীর দেওয়ার কথা থাকলেও দিনমজুর জামাতার পাশে দাঁড়াতে বিনার মা মিনারা বেগম দেড় লাখ টাকার জমি বিক্রি করেন।
ওই টাকা নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। বিনার অভিযোগ, তার স্বামী শাশুড়ির জমি বিক্রির টাকা নিজের কাছে রাখতে চেয়েছিলেন। এ নিয়ে কলহের জেরে অসুস্থ স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখেই দুই মাসের শিশু মো. আতিকুলকে নিয়ে বাড়ি চলে যান নিপুন মিয়া।
সন্তান ও স্বামীকে হাসপাতালে না পেয়ে বিষয়টি হাসপাতালের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশকে জানান বিনা বেগম। পরে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সোমবার ভোর ৫টার দিকে শিশু আতিকুলকে নিয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন নিপুন মিয়া ও তার মা রাজিয়া বেগম।
পরে বিষয়টি দিরাই থানা পুলিশকে জানানো হয়। ওসি মো. আমিনুল ইসলাম দুর্গম ভাটিয়াগাঁও গ্রামে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে নিপুন মিয়াকে বুঝিয়ে তার মাধ্যমেই শিশুটিকে আবার মায়ের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।
বিনা বেগম বলেন, ২০ দিন ধরে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। চিকিৎসার জন্য তার মা দেড় লাখ টাকার জমি বিক্রি করেছেন। আট দিন আগে তার অস্ত্রোপচার হয়েছে, এতে ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। স্বামী ওই টাকা নিজের কাছে রাখতে চাওয়ায় তাদের মধ্যে বিরোধ হয়। এর জেরে স্বামী তাকে না জানিয়ে ভোরে দুধের শিশুকে নিয়ে বাড়ি চলে যান। সন্তানকে কাছে না পেয়ে বুকে দুধ জমে ব্যথা শুরু হয় তার।
তিনি আরও জানান, তার স্বামী দিনমজুর। প্রায়ই তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য ও মারধর করেন। এরপরও স্বামী-সন্তানের কথা ভেবে তিনি সংসার করে আসছেন।
নিপুন মিয়া বলেন, স্ত্রীর সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। মাথা গরম থাকায় ছেলেকে নিয়ে বাড়িতে চলে এসেছিলেন। ওসি বাড়িতে যাওয়ার পর আবার ছেলেকে নিয়ে তার মায়ের কাছে যাচ্ছেন।
দিরাই থানার ওসি মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, স্বামী-স্ত্রীর কলহের জেরে অসুস্থ স্ত্রীকে হাসপাতালে রেখে দুই মাসের শিশুকে নিয়ে বাড়ি চলে গিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। হাসপাতাল থেকে খবর পাওয়ার পর তার বাড়ি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে বাবাকে বুঝিয়ে আবার মায়ের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ওসি বলেন, এত ছোট শিশু মাকে ছাড়া থাকতে পারে না। হাসপাতাল থেকেও জানানো হয়েছিল, সন্তান কাছে না থাকায় মা কষ্ট পাচ্ছেন। খবর পাওয়ার পর দ্রুত নৌকায় করে দুর্গম এলাকায় গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ