ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর এনসিপির নেতাকে বহিষ্কার


ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর এনসিপির নেতাকে বহিষ্কার

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ইয়াবাসহ গ্রেফতার হওয়ার পর শাকিল খান(২৬) নামের জাতীয় নাগরিক পার্টির(এনসিপি) একজন নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সোমবার(২০ জুলাই) বিকালে সংগঠনটির জেলা এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক(দপ্তর) রাশেদুল ইসলাম জুয়েল স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি জানানো হয়।

শাকিল খান সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা এনসিপির আহ্বায়ক খাদেমুল ইসলাম খুদি এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব চৌধুরী রাহাত ইবনে শহীদের যৌথ সিদ্ধান্তে শাকিল খানকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা শাখার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদসহ দলের সকল ধরনের দায়িত্ব এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়েছে যে, শাকিল খানের বিরুদ্ধে দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণ এবং অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। তার কর্মকাণ্ড দলের নীতি, আদর্শ ও ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ন করেছে। এই কারণে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বসাধারণকে তার সঙ্গে দলের নামে কোনো ধরনের সাংগঠনিক যোগাযোগ না রাখার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

এর আগে রবিবার(১৯ জুলাই) দিবাগত রাতে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের ধর্মপুর বাজার এলাকা থেকে শাকিল খানকে আট পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সুন্দরগঞ্জ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুর্যোগের ঝুঁকিতে বরিশাল, নেই পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:১৯ পি.এম


দুর্যোগের ঝুঁকিতে বরিশাল, নেই পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক

প্রাকৃতিক দুর্যোগ মানেই দেশের দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জন্য আজীবন হাহাকার এবং বেঁচে থাকার আদিম সংগ্রাম। বন্যা কিংবা জলোচ্ছ্বাস ঘটলে দক্ষিণের এই জনপদে বারবার শুধু দুর্যোগের নাম বদলায়, কিন্তু সাধারণ মানুষের নিয়তি কখনও বদলায় না।

প্রতি বছর জোয়ারের পানি ও বন্যার করাল গ্রাসে হাজার হাজার ঘরবাড়ি লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়, কৃষকের ফসলের মাঠ তলিয়ে যায়। অভিযোগ উঠে, সংকটকালীন সময়ে সুপেয় পানি এবং খাদ্যাভাব মেটাতে যখন স্থানীয় অসহায় মানুষগুলো আশ্রয়কেন্দ্রে ছোটেন, সেখানেও তাদের অবকাঠামোগত নানা সংকট ও চরম ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়।

মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে, উপকূলের এসব মানুষের শেষ ভরসা হয়ে দাঁড়ায় সাইক্লোন শেল্টার বা আশ্রয়কেন্দ্রগুলো। কিন্তু বাস্তবে সেখানেও কোনো স্বস্তি নেই। বিশেষ করে এর মধ্যে কিছু আশ্রয়কেন্দ্রের ভবন জরাজীর্ণ এবং ব্যবহারের অনুপযোগী; আবার কোথাও আলো-বাতাসhীন দমবন্ধ পরিবেশ। এতে বিশেষ করে নারী, শিশু এবং বৃদ্ধদের জন্য পরিস্থিতি আরও কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে।

বরিশাল সদর উপজেলার টুঙ্গিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. রফিকুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঝড়-বন্যা আসলেই আমরা আতঙ্কিত থাকি। আশ্রয়কেন্দ্রে গেলে দেখা যায় পানির কল নষ্ট, বাথরুম ব্যবহারের উপায় নেই। সেখানে আলোর অভাব এবং বাতাসের অভাব! আমাদের খোঁজ নেয়ার কেউ নেই।’

চরবাড়িয়ার লামছরি গ্রামের বাসিন্দা আবদুর রহমান বলেন, ‘বন্যার পানিতে ঘরের চুলা ডুবে যাচ্ছে। সাইক্লোন শেল্টার আমাদের কাছে নেই। বাধ্য হয়েই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে গলা পর্যন্ত পানিতে দিন কাটাতে হয়।’

শায়েস্তাবাদের বাসিন্দা মোসাম্মৎ মরিয়ম বেগম বলেন, ‘ত্রাণের বিষয় सुनছি কিন্তু আমরা চরের মানুষ সময়মতো কিছুই পাই না। আশ্রয়কেন্দ্র বাড়ি থেকে কয়েক মাইল দূরে। মহিলাদের জন্য কোনো আলাদা নিরাপত্তা নেই। আমরা খুব কষ্টে দিন কাটাচ্ছি।’

দুর্যোগের আগাম বার্তা পৌঁছানো এবং উদ্ধার কাজে উপকূলের সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হলো ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচি (সিপিপি)। দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য মতে, বরিশাল বিভাগে মোট ৩৩ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োজিত রয়েছে তবে বরিশাল জেলা বৈষম্যের শিকার। এখানকার নদীবেষ্টিত ৫টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের সুরক্ষার জন্য সিপিপির নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবক সংখ্যা শুনলে চোখ কপালে ওঠার মতো।

সিপিপির তথ্য অনুযায়ী, বরিশাল বিভাগে মোট সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক রয়েছেন ৩২ হাজার ৭০০ জন। এর মধ্যে ভোলা জেলায় ১৩ হাজার ৮৬০ জন, পটুয়াখালীতে ৮ হাজার ৭০০ জন, বরগুনায় ৮ হাজার ৪৪০ জন এবং পিরোজপুরে ১ হাজার ৭০০ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন। কিন্তু বরিশাল জেলার ৫টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলার জন্য সিপিপির তালিকাভুক্ত কর্মী সংখ্যা মাত্র ৬০ জন! জেলাভিত্তিক এই বিশাল বৈষম্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে মারাত্মক হুমকির মুখে ফেলেছে।

লোকবল সংকটের বিষয়ে সিপিপি বরিশাল জেলার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. সোহাগ হোসেন জানিয়েছেন, ‘বরিশাল জেলা সদর এলাকায় বর্তমানে তালিকাভুক্ত স্বেচ্ছাসেবক সংখ্যা ৬০ জন। নদীবেষ্টিত ৫টি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলার বিশাল জনসংখ্যার তুলনায় এই সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য। আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি এবং নতুন করে স্বেচ্ছাসেবক নিবন্ধনের প্রক্রিয়া জোরদার করার চেষ্টা করছি, যাতে দ্রুত এই শূন্যতা পূরণ করা যায়।’

তবে মাঠপর্যায়ের এমন সংকটস্বত্ত্বেও প্রশাসনের দাবি, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারি প্রস্তুতিতে কোনো ঘাটতি নেই। বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা রনজিত কুমার সরকার বলেন, ‘যেকোনো দুর্যোগ ও জরুরি সংকট মোকাবিলায় সরকারের পর্যাপ্ত খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ মজুত রয়েছে। বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল করা হচ্ছে, যাতে দুর্যোগকালীন সময়ে সাধারণ মানুষ কষ্ট না পায়।’

বিভাগীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে আশ্বস্ত করে বরিশালের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মো. সোহরাব হোসেন জানান, ‘দুর্যোগ মোকাবিলায় সমগ্র বরিশাল বিভাগে সাড়ে তিন হাজার সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি আপদকালীন পরিস্থিতি সামাল দিতে ৪৭০ মেট্রিক টন ত্রাণ সামগ্রী মজুত রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবক সংখ্যার যে তারতম্য রয়েছে, তা সমন্বয় করে যেখানে লোকবল কম, সেখানে পার্শ্ববর্তী ইউনিটের মাধ্যমে উদ্ধার কাজ পরিচালনার গাইডলাইন রয়েছে। আমরা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২৭ দিন আটকে রেখে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৪ পি.এম


২৭ দিন আটকে রেখে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই আটক

খাগড়াছড়ির রামগড়ে ১৩ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কিশোরীর দুলাভাইকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে খাগড়াছড়ির আমলি আদালত এই নির্দেশ দেন। এর আগে রোববার (১৯ জুলাই) রাতে রামগড় থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সাকিবুল ইসলাম রাজু (২৯)। তিনি রামগড় উপজেলার ১ নম্বর রামগড় ইউনিয়নের লামকুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় বোনের স্বামী। পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জুন সকাল পৌনে ৮টার সময় রামগড় গণিয়াতুল উলুম ফাজিল মাদরাসার সামনে থেকে ওই ছাত্রী নিখোঁজ হয়ে যায়। সেদিন সে বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরা হওয়া সঠিক কারণে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। পরে তার মা রামগড় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার ২৭ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রোববার রামগড়ের সোনাইপুল বাজার এলাকা থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়। উদ্ধার করার পর কিশোরী অভিযোগ করে, তার ভগ্নীপতি প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে মাদরাসার সামনে থেকে তাকে ঢাকার উত্তরায় নিয়ে যান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত মোবাইল ফোনসহ ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগের সকল মাধ্যম বন্ধ রাখেন। দীর্ঘ চেষ্টার পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে যমুনা নদী রক্ষা বাঁধের ধস, যানবাহন চলাচল বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


টাঙ্গাইলে যমুনা নদী রক্ষা বাঁধের ধস, যানবাহন চলাচল বন্ধ

যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে তীব্র স্রোতের ফলস্বরূপ টাঙ্গাইল-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ কারণে নদী রক্ষা বাঁধ, বসতবাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিতে রয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) বিকাল থেকে গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া যমুনা নদীর ২৫ মিটার অংশে ভাঙন শুরু হয়, যার ফলে ওই সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

এরপর যানবাহনগুলো বিভিন্ন জায়গা দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে যাতে হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন। তবে, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধের চেষ্টা চলছে।

সরেজমিনে শাখারিয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভাঙন সমস্যায় জর্জরিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। তারা নদীর প্রবল স্রোতের সাথে লড়াই করে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। এ সময় নদীর স্রোত কমাতে সড়কের পাশে গাছের বড় বড় ডালপালা ও গুঁড়ি নদীতে ফেলা হচ্ছে। ولكن স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি সাময়িক উদ্যোগ মাত্র। স্থায়ী নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ না হলে প্রতিবছর একি সংকটের মুখোমুখি হতে হবে।

ভাঙনের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় হাজার হাজার মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন। যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ সব ধরনের যানবাহন বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। অনেককে প্রায় ১০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে, ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বেড়ে যাচ্ছে পরিবহন ব্যয় ও জনভোগান্তি।

স্থানীয় বাসিন্দা আরাফাত রহমান জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে যমুনার তীব্র স্রোত ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন অংশ বিলীন হচ্ছে। দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙন আরো বিস্তৃত হয়ে মহাসড়ক গ্রাস করতে পারে, যা ঢাকা-টাঙ্গাইল-তারাকান্দি-ভূঞাপুর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাসখানেক ধরে নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। যদি প্রথম থেকেই ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেয়া হতো, তাহলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। সড়কটি ভেঙে গেলে যোগাযোগ বন্ধসহ হাজারও পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

স্থানীয় শিক্ষিকা ময়না মনে করেন, কার্যকর নদী শাসনের ব্যবস্থা না হলে ভবিষ্যতে যমুনা নদীর প্রবাহে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এছাড়া, একটি স্থায়ী বাধের ব্যবস্থা হলে সড়ক এবং নদীপাড়ের মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন জানান, এই সড়কটি ভেঙ্গে গেলে টাঙ্গাইলের উত্তর এলাকার ২০ থেকে ২৫টি গ্রাম তলিয়ে যাবে। এতে করে লাখ লাখ লোক পানিবন্দি হয়ে পড়বে। যত দ্রুত সম্ভব এই বাঁধ রক্ষা করতে হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈন উদ্দীন বলেন, ভাঙনরোধের জন্য জিওব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে। তিনি জানান, আপাতত তাৎক্ষণিকভাবে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা হচ্ছে। আগামী শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী বাঁধের প্রয়োজনীয় জায়গাগুলো সংস্কার করা হবে। আর এটা করলে এই সড়কটি সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিঘি রক্ষায় সিসিক মাঠে নামল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


দিঘি রক্ষায় সিসিক মাঠে নামল

অবশেষে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) মাঠে নেমেছে পুকুর, দিঘি ও জলাশয় রক্ষার লক্ষ্যে।

দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা পুকুর উদ্ধার ও সংস্কার কাজ দ্বারা শুরু হয়েছে এই কার্যক্রম। সোমবার সকালে সিসিকের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, দক্ষিণ সুরমার খোজারখলায় রেললাইন সংলগ্ন দুটি পুকুর রয়েছে। একসময়ে এই দুটি পুকুর মিলিয়ে একটি বিশাল পুকুর ছিল। স্থানীয়রা পুকুরের মাঝ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে পুকুরটিকে দ্বিখণ্ডিত করেছেন। এর মধ্যে একটি পুকুরের অস্তিত্ব দৃশ্যমান থাকলেও সংস্কারের অভাবের কারণে ঝোপঝাড়ে অন্যটি বিলীন হয়ে গেছে।

সোমবার সকাল থেকে সিসিক পুকুরটিতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। আধুনিক উইড হারভেস্টও মেশিন (উভয়চর যন্ত্র) ব্যবহার করে পুকুর থেকে ময়লা আবর্জনা, ঝোঁপঝাড় ও কচুরিপানা পরিষ্কার করা শুরু হয়েছে।

সিসিক সূত্র জানায়, শুধুমাত্র পুকুরটি উদ্ধার নয়, এর রক্ষা এবং দৃষ্টিনন্দন করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। পুকুরটিকে ঘিরে একটি নিরাপদ ও নান্দনিক পরিবেশ গড়ে তোলার পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। সিসিকের প্রশাসক বলেন, উদ্ধারের পর পুকুরের চারপাশে হাঁটার ব্যবস্থাও করা হবে। এলাকাবাসী এখানে নিরাপদে চলাচল করতে এবং সময় কাটাতে পারবেন। এছাড়া এটি একটি ছোট্ট বিনোদন ও বিশ্রামের স্থানে পরিণত করা হবে।

সিসিক প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী আরও জানান, নগরীর জলাধারগুলো সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের জন্য ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ- এই তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েই কাজ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%