ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

২৭ দিন আটকে রেখে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই আটক


২৭ দিন আটকে রেখে শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই আটক

খাগড়াছড়ির রামগড়ে ১৩ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে কিশোরীর দুলাভাইকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) সকালে খাগড়াছড়ির আমলি আদালত এই নির্দেশ দেন। এর আগে রোববার (১৯ জুলাই) রাতে রামগড় থানার পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম সাকিবুল ইসলাম রাজু (২৯)। তিনি রামগড় উপজেলার ১ নম্বর রামগড় ইউনিয়নের লামকুপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং ভুক্তভোগী কিশোরীর বড় বোনের স্বামী। পরিবারের সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ জুন সকাল পৌনে ৮টার সময় রামগড় গণিয়াতুল উলুম ফাজিল মাদরাসার সামনে থেকে ওই ছাত্রী নিখোঁজ হয়ে যায়। সেদিন সে বাড়ি থেকে মাদরাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় বাড়িতে না ফেরা হওয়া সঠিক কারণে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। পরে তার মা রামগড় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। ঘটনার ২৭ দিন পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রোববার রামগড়ের সোনাইপুল বাজার এলাকা থেকে ওই কিশোরীকে উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়। উদ্ধার করার পর কিশোরী অভিযোগ করে, তার ভগ্নীপতি প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে কৌশলে মাদরাসার সামনে থেকে তাকে ঢাকার উত্তরায় নিয়ে যান। সেখানে একটি ভাড়া বাসায় আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। রামগড় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজির আলম বলেন, ঘটনার পর অভিযুক্ত মোবাইল ফোনসহ ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগের সকল মাধ্যম বন্ধ রাখেন। দীর্ঘ চেষ্টার পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলে যমুনা নদী রক্ষা বাঁধের ধস, যানবাহন চলাচল বন্ধ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৭ পি.এম


টাঙ্গাইলে যমুনা নদী রক্ষা বাঁধের ধস, যানবাহন চলাচল বন্ধ

যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে তীব্র স্রোতের ফলস্বরূপ টাঙ্গাইল-তারাকান্দি আঞ্চলিক মহাসড়কের শাখারিয়া এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ কারণে নদী রক্ষা বাঁধ, বসতবাড়ি এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঝুঁকিতে রয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) বিকাল থেকে গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়া যমুনা নদীর ২৫ মিটার অংশে ভাঙন শুরু হয়, যার ফলে ওই সড়কে সকল ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

এরপর যানবাহনগুলো বিভিন্ন জায়গা দিয়ে চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে যাতে হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন। তবে, জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধের চেষ্টা চলছে।

সরেজমিনে শাখারিয়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ভাঙন সমস্যায় জর্জরিত এলাকায় জিও ব্যাগ ফেলতে ব্যস্ত শ্রমিকরা। তারা নদীর প্রবল স্রোতের সাথে লড়াই করে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। এ সময় নদীর স্রোত কমাতে সড়কের পাশে গাছের বড় বড় ডালপালা ও গুঁড়ি নদীতে ফেলা হচ্ছে। ولكن স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি একটি সাময়িক উদ্যোগ মাত্র। স্থায়ী নদী তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ না হলে প্রতিবছর একি সংকটের মুখোমুখি হতে হবে।

ভাঙনের কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় হাজার হাজার মানুষ সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন। যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, অ্যাম্বুলেন্সসহ সব ধরনের যানবাহন বিকল্প সড়ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছে। অনেককে প্রায় ১০ কিলোমিটার অতিরিক্ত পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে, ফলে সময় নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বেড়ে যাচ্ছে পরিবহন ব্যয় ও জনভোগান্তি।

স্থানীয় বাসিন্দা আরাফাত রহমান জানিয়েছেন, কয়েকদিন ধরে যমুনার তীব্র স্রোত ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করেছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন অংশ বিলীন হচ্ছে। দ্রুত টেকসই ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভাঙন আরো বিস্তৃত হয়ে মহাসড়ক গ্রাস করতে পারে, যা ঢাকা-টাঙ্গাইল-তারাকান্দি-ভূঞাপুর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মাসখানেক ধরে নদীর ভাঙন দেখা দিয়েছে। যদি প্রথম থেকেই ভাঙনরোধে ব্যবস্থা নেয়া হতো, তাহলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। সড়কটি ভেঙে গেলে যোগাযোগ বন্ধসহ হাজারও পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

স্থানীয় শিক্ষিকা ময়না মনে করেন, কার্যকর নদী শাসনের ব্যবস্থা না হলে ভবিষ্যতে যমুনা নদীর প্রবাহে বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এছাড়া, একটি স্থায়ী বাধের ব্যবস্থা হলে সড়ক এবং নদীপাড়ের মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আল আমিন জানান, এই সড়কটি ভেঙ্গে গেলে টাঙ্গাইলের উত্তর এলাকার ২০ থেকে ২৫টি গ্রাম তলিয়ে যাবে। এতে করে লাখ লাখ লোক পানিবন্দি হয়ে পড়বে। যত দ্রুত সম্ভব এই বাঁধ রক্ষা করতে হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাঈন উদ্দীন বলেন, ভাঙনরোধের জন্য জিওব্যাগ ফেলার কাজ চলমান রয়েছে। তিনি জানান, আপাতত তাৎক্ষণিকভাবে জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করা হচ্ছে। আগামী শুষ্ক মৌসুমে স্থায়ী বাঁধের প্রয়োজনীয় জায়গাগুলো সংস্কার করা হবে। আর এটা করলে এই সড়কটি সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবে।

এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুস সালাম পিন্টু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিঘি রক্ষায় সিসিক মাঠে নামল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:২৯ পি.এম


দিঘি রক্ষায় সিসিক মাঠে নামল

অবশেষে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) মাঠে নেমেছে পুকুর, দিঘি ও জলাশয় রক্ষার লক্ষ্যে।

দক্ষিণ সুরমার খোজারখলা পুকুর উদ্ধার ও সংস্কার কাজ দ্বারা শুরু হয়েছে এই কার্যক্রম। সোমবার সকালে সিসিকের প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, দক্ষিণ সুরমার খোজারখলায় রেললাইন সংলগ্ন দুটি পুকুর রয়েছে। একসময়ে এই দুটি পুকুর মিলিয়ে একটি বিশাল পুকুর ছিল। স্থানীয়রা পুকুরের মাঝ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করে পুকুরটিকে দ্বিখণ্ডিত করেছেন। এর মধ্যে একটি পুকুরের অস্তিত্ব দৃশ্যমান থাকলেও সংস্কারের অভাবের কারণে ঝোপঝাড়ে অন্যটি বিলীন হয়ে গেছে।

সোমবার সকাল থেকে সিসিক পুকুরটিতে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। আধুনিক উইড হারভেস্টও মেশিন (উভয়চর যন্ত্র) ব্যবহার করে পুকুর থেকে ময়লা আবর্জনা, ঝোঁপঝাড় ও কচুরিপানা পরিষ্কার করা শুরু হয়েছে।

সিসিক সূত্র জানায়, শুধুমাত্র পুকুরটি উদ্ধার নয়, এর রক্ষা এবং দৃষ্টিনন্দন করার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। পুকুরটিকে ঘিরে একটি নিরাপদ ও নান্দনিক পরিবেশ গড়ে তোলার পরিকল্পনা তৈরি হয়েছে। সিসিকের প্রশাসক বলেন, উদ্ধারের পর পুকুরের চারপাশে হাঁটার ব্যবস্থাও করা হবে। এলাকাবাসী এখানে নিরাপদে চলাচল করতে এবং সময় কাটাতে পারবেন। এছাড়া এটি একটি ছোট্ট বিনোদন ও বিশ্রামের স্থানে পরিণত করা হবে।

সিসিক প্রশাসক আবদুল কাইয়ূম চৌধুরী আরও জানান, নগরীর জলাধারগুলো সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের জন্য ধারাবাহিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ- এই তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দিয়েই কাজ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মরদেহ টয়লেটে মিলল, আর্জেন্টিনাভক্ত লাল্টুর পরাজয়ের শোকে প্রাণ গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৫ পি.এম


মরদেহ টয়লেটে মিলল, আর্জেন্টিনাভক্ত লাল্টুর পরাজয়ের শোকে প্রাণ গেল

ফুটবল বিশ্বকাপের মেগা ফাইনালে স্পেনের কাছে পরাজয় সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন লাল্টু হোসেন (৩৫), যিনি এক আর্জেন্টিনার সমর্থক।

এটি ঘটেছে সোমবার (২০ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার রসুলপুর পশ্চিমপাড়া এলাকায়, তাঁর নিজ বাসায়।

মৃত লাল্টু হোসেন ওই এলাকার ফজলু হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা বলেছেন, লাল্টু হোসেন ছিলেন আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের একনিষ্ঠ এবং অনুরাগী সমর্থক। রোববার (১৯ জুলাই) রাতে ফাইনাল ম্যাচের সময় তিনি স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনা ১-০ গোলে পরাজয়ে বড় পর্দায় খেলা দেখে কোন কথা না বলে বাড়ি ফিরে যান। পরে টয়লেটে গিয়ে লাল্টুকে অচেতন অবস্থায় দেখে তার স্ত্রী। তারপর, পরিবারের সদস্যরা দ্রুত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রতিবেশী মো. রবি বলেছেন, আমরা একসঙ্গে খেলা দেখছিলাম। আর্জেন্টিনা গোল খাওয়ার পর লাল্টুকে খুব ভেঙে পড়তে দেখলাম। এমনকি তাকে কাঁদতেও দেখেছি। পরে কখন যে সে বাড়ি চলে গেছে, বুঝতে পারিনি। কিছুক্ষণ পরে শুনি সে মারা গেছে।

গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে সাতক্ষীরা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুদুর রহমান বলেছেন, পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ না থাকার কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৭:৩৯ পি.এম


পটুয়াখালীতে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে, ধ্বংস করা হয়েছে

পটুয়াখালী, ২০ জুলাই, ২০২৬ : বাউফল উপজেলার মৎস্য বিভাগ অভিযান চালিয়ে ১৫০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে। পরবর্তীতে এসব জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

আজ সোমবার বিকেল ৪টার দিকে বাউফল উপজেলা মৎস্য অফিসের প্রধান ফটকের সামনে জব্দকৃত জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বর্ষাপ্লাবিত ধানক্ষেত, বিল ও খালে পরিচালিত অভিযানের অংশ হিসেবে এসব নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়। ১৫০টি জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ডিএফও) তপন মজুমদার, বাউফল উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা এম. এম. পারভেজ এবং নৌপুলিশের সদস্যরা।

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ও জলজ জীবের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য হল মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং প্রাকৃতিক জলাশয়ে মাছের অবাধ বিচরণ ও প্রজনন নিশ্চিত করা, যার জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%