বৃহস্পতিবার, ৯ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৯:৪৮ পি.এম
জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধের জন্য নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় এইচপিভি টিকার শতভাগ কাভারেজ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিভাগে অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি ‘ডিভিশনাল অ্যাডভোকেসি কর্মশালা’।
আজ বৃহস্পতিবার, রাজধানীর মহাখালীতে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) মিলনায়তনে এই কর্মশালাটি আয়োজন করে বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য), ঢাকা বিভাগ। ইউনিসেফের অর্থায়নে আয়োজিত এই কর্মশালার প্রধান লক্ষ্য ছিল এইচপিভি টিকাকে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে একীভূতকরণের প্রক্রিয়াকে আরও শক্তিশালী করা।
কর্মশালায় জানানো হয়, সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রাণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশে ১০ বছর বয়সী সকল কিশোরীকে নিয়মিত টিকাদান সেশনের মাধ্যমে এইচপিভি টিকা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, ২০২৩ সালে ঢাকা বিভাগে এবং ২০২৪ সালে অন্যান্য বিভাগে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ১০-১৪ বছর বয়সী কিশোরীদের এই টিকা প্রদান করা হয়েছিল। বর্তমানে থেকে ১০ বছর বয়সী (১০ বছর ০ দিন থেকে ১০ বছর ১১ মাস ২৯ দিন) সকল কিশোরী নিয়মিত টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে এই টিকাটি গ্রহণ করার সুযোগ পাবেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে, জেলা, উপজেলা ও পৌরসভা পর্যায়ে টিকাদান কর্মীরা নিজ নিজ ওয়ার্ডের ১০ বছর বয়সী কিশোরীদের চিহ্নিত করে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমেই ১ ডোজ এইচপিভি টিকার প্রদান নিশ্চিত করবেন। এছাড়া, ভ্যাক্স-ইপিআই অ্যাপের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে টিকা কার্ড ডাউনলোড এবং স্মার্ট হেলথ বিডি, ই-ট্র্যাকার অ্যাপের মাধ্যমে তথ্য হালনাগাদ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
টিকা অপচয় রোধে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোতে যদি দুজন বা তার বেশি কিশোরী উপস্থিত হন, তাহলে টিকা ভায়াল খোলার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
কর্মশালায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি, সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং ঢাকা বিভাগের সিভিল সার্জনগণসহ স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারী স্টেকহোল্ডাররা নিজ নিজ অবস্থান থেকে এইচপিভি টিকা কর্মসূচি সফল করার কৌশল প্রণয়ন ও তা উপস্থাপন করেন। কর্মশালায় চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব পালন করেন ঢাকা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. জাহাঙ্গীর আলম।
এছাড়া, উল্লেখ্য যে, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এই টিকাদান কার্যক্রমকে নিয়মিত ইপিআই কর্মসূচির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় তদারকি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকার ওপর সভায় গুরুত্বারোপ করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন যৌথভাবে ফুটবলের প্রতি একত্রে ভালোবাসা উদ্যাপনের জন্য একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। এই উপলক্ষে ৮ জুলাই, বাফুফে ভবনে আয়োজিত সেই অনুষ্ঠানে, পাকিস্তান হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়ালের কাছে ১ হাজার উন্নত মানের ‘মেড ইন পাকিস্তান’ ফুটবল আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেছেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে, পাকিস্তান হাইকমিশনার উল্লেখ করেন, পাকিস্তানের শিয়ালকোট বিশ্বব্যাপী প্রিমিয়াম কোয়ালিটির স্পোর্টস সামগ্রী ও ফুটবল তৈরির জন্য বিশেষভাবে প্রসিদ্ধ। শিয়ালকোট, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ এবং ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বলগুলো তৈরির গৌরব পেয়েছে। পাকিস্তানের ফুটবল উৎপাদন শিল্প, তার গুণগত মান ও আধুনিকতার জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত। হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন, এই বিশ্বমানের বলগুলো বাংলাদেশের তরুণদের ফুটবলের প্রতি উৎসাহ ও উদ্দীপনা বাড়িয়ে দিবে।
হাইকমিশনার এবং বাফুফে সভাপতি ক্রীড়া ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়েও বিশদ আলোচনা করেন। তাদের আলোচনা থেকে এটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে যে, খেলাধুলার মাধ্যমে দুই দেশের জনগণের মধ্যে, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যোগাযোগ আরও দৃঢ় হবে। আলোচনার সময় স্পোর্টস মেডিসিন, আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ, স্পোর্টস কমার্স, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের পারস্পরিক সফরের মতো বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে এসেছে।
এই বিশেষ অনুষ্ঠানের স্মৃতি স্মরণীয় করে রাখতে, বাফুফে অনূর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল দলের একটি প্রদর্শনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়। হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, নারী খেলোয়াড়দের অসাধারণ প্রতিভা এবং প্রতিশ্রুতির ভূয়সী প্রশংসা করেন।
পাকিস্তানের এই বিশেষ উপহারের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে, বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল বলেন, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে ফুটবলের প্রসার এবং তরুণ ফুটবলারদের ফুটবল চর্চায় এই বলগুলো দ্রুত সারা দেশে বিতরণ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাদাঘাট বাজারে ৮টি মুরগি বিক্রি করার পর ৩৫০ টাকা খাজনা দিতে না পারায় এক ক্ষুদ্র বিক্রেতার ওপর অভিযুক্ত ইজারাদারের লোকজন মারধর করেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল বেলা বাদাঘাট বাজারে এই ঘটনাটি ঘটে।
ভুক্তভোগী আবুল কালাম (৬৫) বলেন, তিনি উত্তর বড়দল ইউনিয়নের পুরানঘাট গ্রামের বাসিন্দা।
তিনি অভিযোগ করেন যে, তিনি বাড়ি থেকে ৮টি মুরগি বিক্রির উদ্দেশ্যে বাদাঘাট বাজারে নিয়ে আসেন। মুরগিগুলো মোট ২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করার পর বাজারের ইজারাদারের পরিচয়ে থাকা ময়না শিকদার এবং শফিক মিয়া তার কাছে ৩৫০ টাকা ইজারা দাবি করেন। আবুল কালাম যখন এত টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন, তখন তারা তাকে মারধর করেন এবং জোরপূর্বক ৩৫০ টাকা আদায় করে নেন।
এই ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাজারে উপস্থিত লোকজন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এরপর স্থানীয় একজন সংবাদকর্মী ফেসবুকে বিষয়টি পোস্ট করলে, এটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা ও সমালোচনার শুরু হয়।
বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মন্তব্য করেছেন যে, বিষয়টি তিনি শুনেছেন এবং বাজারের ইজারার সঙ্গে তিনি জড়িত নন। এখন বাজারের ইজারার দায়িত্বে রয়েছেন সভাপতি নজরুল শিকদার এবং চাঁন মিয়া মাস্টার। তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানিয়েছেন।
বাজারের ইজারাদারের দায়িত্বে থাকা চাঁন মিয়া মাস্টার জানিয়েছেন, তিনি ঘটনার সময় বাজারে উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টি শুনেছেন এবং ফেসবুকে লেখার আগে তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে সাথে সাথে সমাধানের চেষ্টা করতেন। তবে, তিনি বিষয়টির সমাধানের উদ্যোগ নিচ্ছেন বলেও জানিয়েছেন।
এই বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান মানিক বলেছেন, বাদাঘাট বাজারে তহশিলদার খাস আদায় করছেন। মুরগি বিক্রেতাকে মারধর করে টাকা আদায়ের অভিযোগটির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল ফাঁসের ঘটনা তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মাহবুবা আইরিনের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২০২৫ এর ফলাফল গত ৮ জুলাই চূড়ান্ত করা হয়। ফলাফল ওয়েবপোর্টালে আপলোড করতে প্রয়োজনীয় লিংক তৈরির জন্য অধিদপ্তরের সহকারী মেইনটেনেন্স ইঞ্জিনিয়ার মো. মেহতাব কায়েসকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এতে আরও বলা হয় যে, ফলাফল যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রকাশের আগে তা ওয়েবপোর্টালে আপলোড না করার জন্য তাকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু ৯ জুলাই সকাল ১০টায় ঢাকা বিভাগের ৯টি জেলার ফলাফল ওই লিংকসমূহে আপলোড করা হয়। এ লিংকগুলো অল্প সময়ে সচল থাকায় সাধারণ ব্যবহারকারীরা সেখানে থেকে ফলাফল ডাউনলোড করে এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করে।
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের ঘটনার তদন্তের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কমিটির সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধিদপ্তরের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল।
কমিটির অপর দুজন হলেন সদস্য অধিদপ্তরের উপবৃত্তি বিভাগের শিক্ষা অফিসার জিয়াউল কবির সুমন এবং সদস্যসচিব প্রশাসন-২-এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ রোখসানা হায়দার।
জানা গেছে, প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশের কথা ছিল বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই)। কিন্তু কারিগরি ত্রুটির কারণে এই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। তবে ফেসবুক এবং অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলের খণ্ডিত অংশ ছড়িয়ে পড়েছে।
অনেক শিক্ষক এবং অভিভাবক এই ফলাফল শেয়ার করে নিজের ছাত্র-ছাত্রী কিংবা সন্তানদের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন। কিন্তু, এই ফল সঠিক নাকি ভুয়া, তা নিয়ে অস্পষ্টতা দেখা দিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে হবিগঞ্জে আলোচনা সভা, কবিতা আবৃত্তি ও নজরুল সঙ্গীত অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টায় হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে স্থানীয় সুরবিতানে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলো।
এই আলোচনা সভাটি হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের সভাপতি তাহমিনা বেগম গিনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং সাধারণ সম্পাদক এম এ ওয়াহিদ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মঈনুল হক।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হবিগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার গোলাম মোস্তফা রফিক এবং জেলা কালচারার অফিসার অসীত বরন দাশ গুপ্ত।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন হবিগঞ্জ সরকারি বৃন্দাবন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ইলিয়াস বখত চৌধুরী জালাল, বিশিষ্ট সাহিত্যিক এবং কবি জাহানারা আফসর, সিনিয়র সাংবাদিক মনসুর উদ্দিন আহমেদ ইকবাল, বিশিষ্ট শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. জমির আলী সহ আরো অনেকেই। পরবর্তীতে কবিতা আবৃত্তি ও নজরুল সঙ্গীতে শিল্পীরা সংগীত পরিবেশন করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ