ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চীনে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশ


চীনে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্রের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশ

অস্ট্রেলিয়া থেকে স্টিলথ প্রযুক্তির এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের স্পর্শকাতর যন্ত্রাংশের একটি চালান যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে চীনের হাতে চলে গেছে। এই ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় তদন্তে নেমেছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম পলিটিকো এই তথ্য প্রকাশ করে।

পলিটিকোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, চীনের কাছে যাওয়া ওই চালানে যুদ্ধবিমানের একটি ক্যানোপি বা স্বচ্ছ ছাদ রয়েছে, যা এটির স্টিলথ সিস্টেমের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। ক্যানোপি সাধারণ একটি ছাদ নয়, বরং এটি ককপিটের ওপর বসানো একটি গম্ভুজ সদৃশ আবরণ।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

মূলত, এই ক্যানোপির ওপর রাডার ফাঁকি দেওয়ার জন্য স্বচ্ছ পদার্থ ব্যবহার করা হয়। এফ-৩৫ রাডারে ধরা না পড়ার অন্যতম কারণ হলো এর ক্যানোপি। তবে, স্বচ্ছ পদার্থটি সময়ের সঙ্গে খারাপ হয়ে যেতে পারে, তাই এগুলো পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়।

জানা গেছে, চীনের কাছে চলে যাওয়া ক্যানোপিটি মধ্যস্থতাভোগী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হচ্ছিল। কিন্তু সেটি যুক্তরাষ্ট্রে না গিয়ে চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল হংকংয়ে চলে যায়।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বর্তমানে এগুলো কোথায় এবং কার কাছে আছে তা স্পষ্ট নয়। তবে তারা আশঙ্কা করছেন যে চীন এগুলো পেয়েছে।

এই ঘটনার পর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং কংগ্রেসের যৌথ তদন্ত গত জুনে শুরু হয়, যা এখনো চলছে। যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত নিজেদের ও মিত্রদের জন্য ১ হাজার ৩০০টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান আতঙ্ক, তিন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তা

যুক্তরাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা নিখোঁজ যন্ত্রাংশগুলো উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছে। পাশাপাশি, তদন্ত ও ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে কাজ করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগের ভিসায় আবারও বড় পরিবর্তন ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগের ভিসায় আবারও বড় পরিবর্তন ট্রাম্পের

যুক্তরাষ্ট্রে বিদেশি দক্ষ কর্মীদের জন্য এইচ-১বি ভিসার অধীনে ১ লাখ ডলারের অর্থ পরিশোধের শর্তকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও এক বছরের জন্য বাড়িয়েছেন। নতুন এই ঘোষণায় বিধিনিষেধটি ২০২৭ সালের ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। ১৮ সেপ্টেম্বর এ বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এইচ-১বি ভিসার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিশেষায়িত জ্ঞান এবং সাধারণত অন্তত স্নাতক পর্যায়ের যোগ্যতা প্রয়োজন এমন কাজে বিদেশি কর্মীদের সাময়িকভাবে নিয়োগের সুযোগ পায়। প্রযুক্তি সহ বিভিন্ন খাতে দক্ষ বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে এই ভিসা দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

প্রথমবারের মতো ট্রাম্প প্রশাসন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নতুন কিছু এইচ-১বি কর্মীর জন্য ১ লাখ ডলারের অর্থ পরিশোধের শর্ত কার্যকর করে। এর আগে এই ভিসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রচলিত ফি ছিল প্রায় ২ হাজার থেকে ৫ হাজার ডলারের মধ্যে। প্রশাসন দাবি করছে, এই পরিবর্তনের উদ্দেশ্য হলো এইচ-১বি কর্মসূচির অপব্যবহার প্রতিরোধ করা এবং মার্কিন কর্মীদের চাকরির সুযোগ সুরক্ষিত রাখা।

নতুন ঘোষণার আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে অবস্থানরত নির্দিষ্ট এইচ-১বি কর্মীদের জন্য নিয়োগকর্তাকে ১ লাখ ডলার পরিশোধ করতে হবে। সেই অর্থ পরিশোধের প্রমাণও রাখতে হবে। অর্থ পরিশোধ না করা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ সীমিত করার ব্যবস্থা নিতে পারে কর্তৃপক্ষ। তবে জাতীয় স্বার্থে কোনো কর্মীকে নিয়োগের প্রয়োজন হলে এবং এতে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বা কল্যাণের জন্য হুমকি নেই বলে মনে হলে ব্যতিক্রমের সুযোগ রাখা হয়েছে।

১ লাখ ডলারের অর্থ পরিশোধের বিধান নিয়ে আইনি লড়াইও চলছে। ম্যাসাচুসেটসের একটি ফেডারেল আদালত এর বাস্তবায়ন বাতিলের নির্দেশ দিয়েছিল। সরকার ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছে।

জুলাই মাসে প্রথম সার্কিট আপিল আদালত ফি কার্যকরের ওপর সরকারের স্থগিতাদেশ চাওয়ার আবেদনও প্রত্যাখ্যান করে। ফলে বিষয়টির চূড়ান্ত আইনি অবস্থান এখনো নির্ধারিত হয়নি।

এছাড়া, ট্রাম্প এইচ-১বি ভিসার আবেদন যাচাই আরও কঠোর করার নির্দেশনা দিয়েছেন। ১৮ সেপ্টেম্বর জারি করা নির্বাহী আদেশে পররাষ্ট্র, শ্রম ও স্বরাষ্ট্র দপ্তরকে আবেদন যাচাইয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য বিবেচনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে, কোনো প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের কর্মীদের ছাঁটাই করে একই ধরনের পদে এইচ-১বি কর্মী নিয়োগ করছে কি না, সেটিও বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। মজুরি, শিল্প পরিস্থিতি এবং নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, কিছু নিয়োগকর্তা ও বিদেশি কর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান কম মজুরির বিদেশি কর্মী দিয়ে মার্কিন কর্মীদের জায়গা পূরণ করছে। তবে এইচ-১বি কর্মসূচির ওপর নির্ভরশীল ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর বক্তব্য হলো, প্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা ও অন্যান্য খাতে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি পূরণে বিদেশি কর্মীদের প্রয়োজন রয়েছে।

হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ১ লাখ ডলারের অর্থ পরিশোধের শর্ত চালুর পর বড় তথ্যপ্রযুক্তি সেবা ও বিদেশি কর্মী সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর এইচ-১বি নিবন্ধন ৯২ শতাংশ কমে গেছে। হোয়াইট হাউসের হিসাব অনুযায়ী, এসব প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ২৪ হাজার ৯৪৬টি থেকে কমে ২ হাজার ৫৫টিতে নেমেছে।

তবে এই পরিসংখ্যান এবং নীতির প্রভাব নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, দক্ষ বিদেশি কর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে কর্মীর ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প প্রশাসন মনে করছে, এইচ-১বি কর্মসূচির অপব্যবহার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা প্রয়োজন।

ফলে, ১ লাখ ডলারের অর্থ পরিশোধের শর্ত ২০২৭ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হলেও এর চূড়ান্ত আইনি বৈধতা এখনো আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিউইয়র্কের আকাশে দুই গ্লাইডার বিমানের সংঘর্ষে এক পাইলটের প্রাণ গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


নিউইয়র্কের আকাশে দুই গ্লাইডার বিমানের সংঘর্ষে এক পাইলটের প্রাণ গেল

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের আপস্টেট অঞ্চলে আকাশে দুটি গ্লাইডার বিমানের সংঘর্ষের ফলে এক পাইলটের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সারাটোগা কাউন্টির এডিনবার্গ এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিউইয়র্ক স্টেট পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংঘর্ষের পর একটি গ্লাইডার বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হলেও অন্যটি দুর্গম বনাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২৬ মিনিটের দিকে এডিনবার্গের হুইলার রোডের কাছে উড়োজাহাজ দুটি সংঘর্ষের খবর কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়। এই এলাকা গ্রেট স্যাকানডাগা লেকের নিকটবর্তী এবং সারাটোগা স্প্রিংস থেকে প্রায় ২০ মাইল দূরে অবস্থিত।

সংঘর্ষের পর একটি গ্লাইডার প্লেটু স্কাই র‍্যাঞ্চ বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। ওই গ্লাইডারের পাইলট আহত হননি, তবে বিমানটির সামনের অংশ কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বিমানবন্দরের মালিক এলেইন ওয়েড সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস ইউনিয়নকে জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর পাইলট মানসিকভাবে বিচলিত হলেও শারীরিকভাবে নিরাপদ ছিলেন।

অন্য গ্লাইডারটি সংঘর্ষের পর একটি দুর্গম ও ঘন বনাঞ্চলে বিধ্বস্ত হয়। উদ্ধারকারী দলকে ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পেতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অভিযান চালাতে হয়।

বিকেল প্রায় ৪টা ৫৪ মিনিটে স্যান্ড লেক রোডের কাছের একটি প্রত্যন্ত এলাকায় গ্লাইডারটির ধ্বংসাবশেষের সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে পৌঁছে একমাত্র আরোহী পাইলটকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

নিহত পাইলটের পরিচয় এখনো প্রকাশ করা হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানোর পর পরিচয় প্রকাশ করা হবে।

উদ্ধার অভিযানে নিউইয়র্ক স্টেট পুলিশের বিমান ইউনিট, স্টেট ফরেস্ট রেঞ্জার, সারাটোগা কাউন্টি শেরিফের কার্যালয়সহ স্থানীয় বিভিন্ন জরুরি সেবাদানকারী সংস্থা অংশ নেয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য অনুযায়ী, নিরাপদে অবতরণ করা গ্লাইডারের পাইলটও পরে নিখোঁজ গ্লাইডারটির সন্ধানে আকাশে ফিরে গিয়েছিলেন।

দুর্ঘটনায় জড়িত দুটি গ্লাইডারের মধ্যে একটি ছিল শেম্প-হার্থ ভেনটাস-২বি এবং অন্যটি শ্লেইখার এএসডব্লিউ-২৪। এই তথ্য জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড নিশ্চিত করেছে।

গ্লাইডার সাধারণত ইঞ্জিনবিহীন উড়োজাহাজ হিসেবে পরিচিত। বায়ুর ঊর্ধ্বমুখী প্রবাহ ও অন্যান্য বায়ুগত শক্তি কাজে লাগিয়ে এসব উড়োজাহাজ আকাশে অবস্থান করে।

এখন পর্যন্ত জানা যায়নি, কেন দুটি গ্লাইডার আকাশে সংঘর্ষে জড়াল। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে জাতীয় পরিবহন নিরাপত্তা বোর্ড ও ফেডারেল বিমান চলাচল প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

নিউইয়র্ক স্টেট পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কেউ থাকলে তাদের ৫১৮-৪৫৭-৬৮১১ নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।

সূত্র: নিউইয়র্ক স্টেট পুলিশ, এবিসি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তের শূন্যরেখায় পড়ে থাকা শিশুর পরিচয় মিলেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৬ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তের শূন্যরেখায় পড়ে থাকা শিশুর পরিচয় মিলেছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় পড়ে থাকা অজ্ঞাত শিশুর পরিচয় পাওয়া গেছে। শিশুটির নাম মো. শাকিল (১৪)। সে দক্ষিণ ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আবুল বাসার, যিনি মালু মিয়া নামে পরিচিত, এর ছেলে।

পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, মানসিকভাবে অসুস্থ শাকিল গত শুক্রবার থেকে নিখোঁজ ছিল। পরবর্তী দিন শনিবার সন্ধ্যায় বিজিবি আব্দুল্লাহপুর সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়ার পাশে ভারতীয় অংশের লংকা মোড়া এলাকায় তার মরদেহ দেখতে পায়।

মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বৈঠকের পর আখাউড়া থানা পুলিশ শিশুটির মরদেহ গ্রহণ করে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।

এদিকে, শাকিল কীভাবে সীমান্তের শূন্যরেখায় গিয়েছিল এবং তার মৃত্যু কীভাবে ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম জানিয়েছেন, দুই দেশের বাহিনীর বৈঠকের পর মরদেহ গ্রহণ করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লে. কর্নেল জাব্বার আহমেদ জানিয়েছেন, কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোছা. সুমাইয়ার সংবাদ সম্মেলন: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও জমির মামলার তথ্য প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:২৭ পি.এম


মোছা. সুমাইয়ার সংবাদ সম্মেলন: প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও জমির মামলার তথ্য প্রদান

নওগাঁর মান্দায় ‘ব্যবসায়ীর গোডাউন ভাঙচুর করে মালামাল লুটপাটের অভিযোগ’ শিরোনামে বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অভিযুক্ত দেলুয়াবাড়ি গ্রামের মো. আব্দুল মান্নানের স্ত্রী মোছা. সুমাইয়া।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের মান্দা উপজেলা শাখা কার্যালয়ে তিনি এই সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর দৈনিক সাতমাথাসহ একাধিক অনলাইন পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ব্যবসায়ীর গোডাউন ভাঙচুর করে মালামাল লুটপাটের অভিযোগ’ শিরোনামের খবরটি সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি এই মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।

লিখিত বক্তব্যে সুমাইয়া উল্লেখ করেন, দেলুয়াবাড়ি মৌজার আরএস ৩১৩ ও ১২৫/১ নম্বর খতিয়ানের ১১.৫০ শতক জমি নবিজা ওরফে রমিছা তার বাবার কাছ থেকে দলিলমূলে পেয়ে ভোগদখলে ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৮ মে ৪৪৪৬ নম্বর দলিলের মাধ্যমে তার স্বামী মো. আব্দুল মান্নান জমিটি ক্রয় করেন। এরপর থেকে তিনি সেখানে ফসল উৎপাদনসহ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন।

সুমাইয়া আরও জানান, ২০২২ সালের শেষের দিকে চকমেদ গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আমিনুল হক স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের সহায়তায় ওই জমিতে জোরপূর্বক মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। এ সময় আমিনুল হক দাবি করেন, তিনি খতিয়ানের প্রজা রশিকের ছেলে লেনিনের কাছ থেকে জমিটি কিনেছেন। তবে লেনিন ১৯৭৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের ১৫৩১৬ নম্বরের একটি ভুয়া ও অস্তিত্বহীন দলিলের মাধ্যমে জমিটি বিক্রির নাটক সাজিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করেও কোনো সুরাহা না পেয়ে মান্দা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৫০/২০২৩ (স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) নম্বরে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

সুমাইয়ার অভিযোগ, মামলার বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষ স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় জমিটি জবরদখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দিতে গণমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে প্রকৃত সত্য ঘটনা গণমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%