রবিবার, ২০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:২৭ পি.এম
নওগাঁর মান্দায় ‘ব্যবসায়ীর গোডাউন ভাঙচুর করে মালামাল লুটপাটের অভিযোগ’ শিরোনামে বিভিন্ন অনলাইন ও পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন অভিযুক্ত দেলুয়াবাড়ি গ্রামের মো. আব্দুল মান্নানের স্ত্রী মোছা. সুমাইয়া।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ইউনিয়নের মান্দা উপজেলা শাখা কার্যালয়ে তিনি এই সংবাদ সম্মেলনটি আয়োজন করেন।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে দাবি করেন, গত ১৩ সেপ্টেম্বর দৈনিক সাতমাথাসহ একাধিক অনলাইন পোর্টাল ও পত্রিকায় প্রকাশিত ‘ব্যবসায়ীর গোডাউন ভাঙচুর করে মালামাল লুটপাটের অভিযোগ’ শিরোনামের খবরটি সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তিনি এই মিথ্যা সংবাদের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
লিখিত বক্তব্যে সুমাইয়া উল্লেখ করেন, দেলুয়াবাড়ি মৌজার আরএস ৩১৩ ও ১২৫/১ নম্বর খতিয়ানের ১১.৫০ শতক জমি নবিজা ওরফে রমিছা তার বাবার কাছ থেকে দলিলমূলে পেয়ে ভোগদখলে ছিলেন। পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৮ মে ৪৪৪৬ নম্বর দলিলের মাধ্যমে তার স্বামী মো. আব্দুল মান্নান জমিটি ক্রয় করেন। এরপর থেকে তিনি সেখানে ফসল উৎপাদনসহ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন।
সুমাইয়া আরও জানান, ২০২২ সালের শেষের দিকে চকমেদ গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে আমিনুল হক স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্রের সহায়তায় ওই জমিতে জোরপূর্বক মাটি ভরাট ও স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন। এ সময় আমিনুল হক দাবি করেন, তিনি খতিয়ানের প্রজা রশিকের ছেলে লেনিনের কাছ থেকে জমিটি কিনেছেন। তবে লেনিন ১৯৭৩ সালের ৩১ ডিসেম্বরের ১৫৩১৬ নম্বরের একটি ভুয়া ও অস্তিত্বহীন দলিলের মাধ্যমে জমিটি বিক্রির নাটক সাজিয়েছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি বলেন, এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ও থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করেও কোনো সুরাহা না পেয়ে মান্দা সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে ৫০/২০২৩ (স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা) নম্বরে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
সুমাইয়ার অভিযোগ, মামলার বিচারাধীন থাকা অবস্থায় প্রতিপক্ষ স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের সহায়তায় জমিটি জবরদখলের অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দিতে গণমাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সরবরাহ করে সংবাদ প্রকাশ করানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করে প্রকৃত সত্য ঘটনা গণমাধ্যমে তুলে ধরার জন্য উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক সিটি কর্তৃপক্ষ শীতের তুষারপাত মোকাবেলার জন্য অস্থায়ী তুষার পরিষ্কার কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি করেছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জরুরি তুষার পরিষ্কার কর্মীরা প্রতি ঘণ্টায় ৩০ ডলার পাবেন। প্রথম ৪০ ঘণ্টা কাজের পর তাদের পারিশ্রমিক বেড়ে ঘণ্টায় ৪৫ ডলার হবে। গত শীত মৌসুমে এই পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ১৯ দশমিক ১৪ ও ২৮ দশমিক ৭১ ডলার।
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি এবং স্যানিটেশন কমিশনার গ্রেগরি অ্যান্ডারসন নতুন এই উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন। কর্মীদের প্রস্তুত রাখতে, তুষারপাত শুরু হওয়ার আগেই শরৎকাল থেকে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু করা হচ্ছে।
৩০ নভেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন করা কর্মীরা ডিসেম্বরে চার ঘণ্টার বেতনসহ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। কাজের পর দ্রুত পারিশ্রমিক দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিটি প্রশাসনের লক্ষ্য, কাজ শেষ হওয়ার দুই সপ্তাহের মধ্যে কর্মীদের পারিশ্রমিক প্রদান করা।
গত শীতে রেকর্ডসংখ্যক ৭ হাজার ৮০০-এর বেশি নিউইয়র্কবাসী এই অস্থায়ী কর্মসূচিতে যুক্ত হয়েছিলেন। তীব্র তুষারপাত ও তুষারঝড়ের পর স্যানিটেশন কর্মীদের সঙ্গে তারা ১ লাখ ৩৫ হাজার পথচারী পারাপারের স্থান, ৩৪ হাজার বাসস্টপ এবং ২৯ হাজার অগ্নিনির্বাপক জলাধারের আশপাশ পরিষ্কারে কাজ করেন।
তুষার পরিষ্কার কর্মীদের দায়িত্ব শুধু রাস্তা থেকে তুষার সরানো নয়। ভারী তুষারপাতের পর বাসস্টপ, পথচারী পারাপারের স্থান, অগ্নিনির্বাপক জলাধার এবং মানুষের চলাচলের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দ্রুত পরিষ্কার করাও তাদের কর্তব্য। বিশেষ করে অগ্নিনির্বাপক জলাধার পরিষ্কার রাখা জরুরি, যাতে আগুন লাগলে দমকলকর্মীরা সহজে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।
এবার কর্মীদের দ্রুত কাজে নামানোর জন্য নিবন্ধন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে অনেক সময় তুষারপাত শুরু হওয়ার পর কর্মী সংগ্রহ করা হতো। এবার তুষারপাতের অনেক আগেই নিবন্ধন শেষ করা হবে। নিবন্ধনের প্রক্রিয়াও সহজ করা হয়েছে।
জরুরি তুষার পরিষ্কার কর্মী হতে আবেদনকারীর বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে বৈধভাবে কাজের অনুমতি থাকতে হবে এবং প্রচণ্ড ঠান্ডা ও তুষারের মধ্যে শারীরিকভাবে কঠিন কাজ করার সক্ষমতা থাকতে হবে।
গত শীতের তীব্র আবহাওয়ার সময় এই কর্মসূচির গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়। ফেব্রুয়ারির বড় তুষারঝড়ের সময় জরুরি ভিত্তিতে বিপুলসংখ্যক তুষার পরিষ্কার কর্মী কাজে নামানো হয়েছিল এবং তাদের পারিশ্রমিক ঘণ্টায় ৩০ ডলারে বাড়ানো হয়েছিল। এবার সেই হার শীত মৌসুমের নিয়মিত পারিশ্রমিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসনের লক্ষ্য হলো, আগেভাগে পর্যাপ্ত কর্মী প্রস্তুত রাখা, যাতে তুষারঝড়ের পর গুরুত্বপূর্ণ জনসাধারণের চলাচলের জায়গাগুলো দ্রুত পরিষ্কার করা যায় এবং শহরের জরুরি পরিষেবা সচল রাখা সম্ভব হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে একটি ভাসমান বাড়ি বিক্রির জন্য বাজারে আনা হয়েছে। বাড়িটির দাম ১৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি মিশন ক্রিক এলাকায় ওরাকল পার্কের নিকটে অবস্থিত ২০টি ভাসমান বাড়ির মধ্যে একটি। সাধারণত, স্থানীয় পরিবারগুলো এসব বাড়ি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ব্যবহার করে থাকে, তাই প্রকাশ্য বাজারে এর বিক্রি একটি বিরল ঘটনা।
বাড়িটির মালিক টাইসন গ্রাহাম। তিনি ২০০২ সালে মাত্র ২ লাখ ২৫ হাজার ডলারে হাউসবোটটি ক্রয় করেছিলেন। তখন এটি ছিল ৪০ ফুটের একটি নৌযান, যার সঙ্গে ৪০ ফুটের নোঙর করার জায়গাও ছিল। বাড়িটির আয়তন তখন ৩০০ বর্গফুটেরও কম ছিল, যদিও সামনে ও পেছনে দুটি ডেক ছিল।
গ্রাহাম, যিনি শিকাগোর বাসিন্দা, নিজের শ্রম এবং পরিকল্পনার মাধ্যমে বাড়িটির ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করেন। দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে তিনি ছোট নৌযানটিকে প্রায় ১ হাজার ৯০০ বর্গফুটের একটি আবাসিক বাড়িতে রূপান্তরিত করেন। বর্তমানে বাড়িটিতে তিনটি শয়নকক্ষ এবং তিনটি বাথরুম রয়েছে।
হাউসবোটটি তৈরির সময় গ্রাহামের পরিকল্পনায় দুটি আলাদা আবাসিক ইউনিট রাখার ব্যবস্থা ছিল। তিনি ওপরের তলাটি আলাদা ভাড়ার ইউনিট হিসেবে এবং নিচের তলাটি নিজের জন্য রাখার পরিকল্পনা করেছিলেন। পরবর্তীতে, ওপরের তলার আলাদা ইউনিটটি পরিবর্তন করে একটি বড় মূল শয়নকক্ষে পরিণত করা হয়, যেখানে একটি বাথরুম এবং বড় পোশাক রাখার কক্ষ রয়েছে। ফলে বর্তমানে পুরো বাড়িটি একটি বড় আবাসিক ইউনিট হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
মিশন ক্রিক এলাকায় ভাসমান বাড়িগুলোর মধ্যে প্রকাশ্য বাজারে বিক্রির ঘটনা খুবই কম। গ্রাহামের তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত মাত্র তিনটি হাউসবোট প্রকাশ্য বাজারে বিক্রির জন্য উঠেছে। তার বাড়িটিও সেই বিরল তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে এর দাম ১৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার।
তবে, বাড়িটি কিনতে হলে শুধুমাত্র বিক্রয়মূল্য পরিশোধ করলেই হবে না। মালিককে প্রতি মাসে নোঙর করার জায়গার জন্য অতিরিক্ত খরচও করতে হবে। গ্রাহামের দাবি, এই খরচ সান ফ্রান্সিসকো শহরের অধিকাংশ আবাসন মালিক সমিতির মাসিক ফি অপেক্ষা কম।
পানির ওপর ভাসমান হলেও, গ্রাহাম জানিয়েছেন যে বাড়িটিতে স্থলভাগের বাড়ির মতোই স্বাভাবিকভাবে বসবাস করা যায়। তার মতে, পানির ওপর থাকার কারণে বাড়িটিতে আলাদা কোনো বিশেষ ব্যবস্থা বা নিয়মের প্রয়োজন হয় না। তবে প্রবল বাতাসে বাড়িটি দুলতে শুরু করলে তখনই বোঝা যায়, এটি পানির ওপর ভাসমান।
এই বাড়ির সঙ্গে গ্রাহামের অনেক স্মৃতিও জড়িয়ে আছে। তিনি নৌকায় করে ফেরি ভবনের কৃষকের বাজারে যাওয়া এবং চ্যানেল স্ট্রিট এলাকার মানুষের সঙ্গে কাটানো সময় মিস করবেন বলে জানিয়েছেন।
গ্রাহাম প্রায় ২৫ বছর ধরে এই এলাকায় বসবাস করছেন। বর্তমানে তার বাড়ি সানোমা কাউন্টিতে। শহরের জীবন থেকে দূরে গিয়ে অবসর জীবনের পরবর্তী সময় কাটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
গ্রাহাম নিজের সিদ্ধান্তের কারণও জানিয়েছেন। তিনি কখনো বিয়ে করেননি এবং তার কোনো সন্তানও নেই, যে ভবিষ্যতে বাড়িটির দায়িত্ব নিতে পারে। কয়েক বছর আগে অবসর নেওয়ার পর, এখন জীবনের পরবর্তী অধ্যায়ে যাওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে হাউসবোটটি বিক্রি করছেন তিনি।
সূত্র: সিবিএস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের জন্য ১৫ সদস্যের একটি দল ঘোষণা করেছে। এই দলে ভালো পারফর্মেন্সের জন্য ফিরেছেন তাওহীদ হৃদয় এবং জাকির আলি অনিক।
প্রধান নির্বাচক জানিয়েছেন, ‘এ’ দলের পারফর্ম্যান্সের ভিত্তিতে তাওহীদ হৃদয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন। ভবিষ্যতের পরিকল্পনায় থাকা ক্রিকেটার অনিককে স্কোয়াডে দ্বিতীয় উইকেটকিপার হিসেবে রাখা হয়েছে।
তিনি মন্তব্য করেন, "জাকির আলী অনিক আমাদের প্রিভিয়াস চয়েজ ছিলেন। ফর্মের কারণে বাদ পড়েছিলেন। এরপর তার কাছ থেকে যে আশা করেছিলাম, সেটি তিনি খুব ভালোভাবে পূরণ করেছেন এবং তার ফর্ম ফিরে পেয়েছেন। তাকে দেখে বেশ ভালো মনে হচ্ছে।"
এ বিষয়ে হাবিবুল বাশার বলেন, "নাহিদ রানাকে আমরা বেস্ট পসিবল সুযোগটা দিতে চাই, যাতে তিনি সবগুলো ম্যাচ খেলতে পারেন। তবে তাকে আমরা এই টেস্টে খেলাতে পারছি না। তাসকিন আহমেদকেও আমরা বিশ্রাম দিয়েছি। অবশ্যই তাকেও আমরা প্রায়োরিটাইজ করছি আমাদের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচগুলোর দিকে; তাই চাওয়া হচ্ছে, যেন তাকে ওই ম্যাচগুলোতে পুরোপুরিভাবে পাওয়া যায়।"
অভিজ্ঞতা বাড়ানোর লক্ষ্যে স্কোয়াডে না থাকলেও তরুণ দুই পেসার ইকবাল হোসেন ঈমন ও মুশফিক হাসানকে ট্রাভেলিং রিজার্ভ হিসেবে দলের সঙ্গে রাখা হবে। তাদের সঙ্গে ভ্রমণ করবেন স্পিনার নাইম হাসান।
এর আগে, আফগানদের বিপক্ষে দেশের মাটিতে দুই টেস্ট খেলে বাংলাদেশ একটি ম্যাচে ৫৪৬ রানের বড় জয় পেলেও প্রথমটিতে ২২৪ রানে হেরেছিল। এবার আমিরাতের মাটিতে টেস্ট জিতে ২-১ এগিয়ে যাওয়াটাই টাইগারদের মূল লক্ষ্য।
সাদা পোষাকের ক্রিকেটে বাংলাদেশের টেস্ট দল নিজেদের সেরা সময় পার করছে। প্রথমবারের মতো তারা টেস্ট র্যাংকিংয়ের ৬ নম্বরে অবস্থান করছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের হিসেব করলে পরিসংখ্যান আরও ভালো। টাইগারদের অবস্থান সেরা চারে।
সামনেই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বেশ কয়েকটি ম্যাচ অপেক্ষা করছে নাজমুল শন্তর দলের জন্য। মর্যাদার টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলার সম্ভাবনা উকি দিচ্ছে। ফলে আফগানিস্তান টেস্টটি টাইগারদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে আগামী ৯ অক্টোবর শুরু হবে এই টেস্ট।
বাংলাদেশের টেস্ট স্কোয়াড: নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, সাদমান ইসলাম, সৌম্য সরকার, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, তাওহিদ হৃদয়, জাকির আলী অনিক, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন এবং শরিফুল ইসলাম।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় ট্রাক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষের ফলে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. রাশেদুজ্জামান নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন, যার মধ্যে তার সাত বছর বয়সী শিশুকন্যা রুমাইসা জামানও রয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলার হাপানিয়া এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মো. রাশেদুজ্জামান নওগাঁ সওজ অধিদপ্তরের মহাদেবপুর-পত্নীতলা সাব-ডিভিশনে উপসহকারী প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি মহাদেবপুর উপজেলায় স্ত্রী ও সন্তানসহ বসবাস করতেন।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, শনিবার রাতে রাশেদুজ্জামান তার স্ত্রী ও কন্যাসন্তানকে নিয়ে নওগাঁ শহর থেকে সিএনজিযোগে মহাদেবপুরের দিকে যাচ্ছিলেন। হাপানিয়া এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাকের সঙ্গে সিএনজিটির মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে সিএনজিটি সম্পূর্ণ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই প্রকৌশলী রাশেদুজ্জামান মারা যান। এ সময় তার সাত বছরের শিশুকন্যা রুমাইসা গুরুতর আহত হয়। সিএনজিতে থাকা অন্যান্য যাত্রীরাও আহত হন।
নওগাঁ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল মনসুর আহমেদ এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শহর থেকে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে। এটি সড়ক বিভাগের জন্য একটি বড় ক্ষতি। দুর্ঘটনায় রাশেদুজ্জামানের স্ত্রী শঙ্কামুক্ত থাকলেও তার ৭ বছরের শিশুকন্যা গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, পুলিশ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে গেছে। চালক ও ঘাতক ট্রাকটি আটকের চেষ্টা চলছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ