বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৩৫ পি.এম
রাজধানীর পূর্ব রামপুরায় এক দীর্ঘ সময় ধরে বিশুদ্ধ পানির সংকট চলমান রয়েছে। এই সংকটের কারণে একদিকে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে, অন্যদিকে এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। ভঙ্গুর ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে এবং জলাবদ্ধতার ফলে পানিও দূষিত হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতার ফলস্বরূপ বছরের পর বছর ধরে সমস্যার সমাধান সম্ভব হয়নি।
রাজধানীর পূর্ব রামপুরার পুরাতন পুলিশ ফাঁড়ি গলিতে প্রতিদিনের সকালে, সাধারণ মানুষ বিশুদ্ধ পানির সন্ধানে বের হচ্ছেন। কেউ বোতল, কেউ বালতি কিংবা ড্রাম নিয়ে ছুটে যাচ্ছেন এলাকার একটি পাম্পে। রান্না, গৃহস্থালির প্রায় সকল কাজের জন্য বর্তমানে তাদের ভরসা হচ্ছে এই পাম্পের পানি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওয়াসা কর্তৃক সরবরাহিত পানিতে দুর্গন্ধ ও ঘোলাভাব রয়েছে। ফলে, সেই পানি ব্যবহার করে অনেকেই বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় ভুগছেন। এলাকার এক বাসিন্দা জানান, লাইনে আসা পানি গাদাগাদা ও দুর্গন্ধযুক্ত। এই পানি পান করার ফলে নানা ধরনের অসুখের সৃষ্টি হচ্ছে, এমনকি শরীরেও সমস্যা দেখা দিচ্ছে।
সংকটের জন্য ভঙ্গুর ড্রেনেজ ব্যবস্থাকেও দায়ী করছেন স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টিতে রাস্তা, দোকান এবং বাসাবাড়ি পানিতে তলিয়ে যায়। এ সময় নোংরা ড্রেনের পানি খাবার পানির সঙ্গে মিশে যায়। এক বাসিন্দা জানান, অল্প বৃষ্টিতেই এলাকায় পানি জমে যায়, কারণ রাস্তা ও অভ্যন্তরীণ ড্রেনেজ ব্যবস্থা খুবই খারাপ। পানি জমে গেলে, ময়লা পানির মধ্যে লাইনের অংশ ডুবে যায়।
আরেক বাসিন্দার মত, ড্রেন ও সুয়ারেজ লাইনের সমস্যা সমাধান না হওয়ায় বৃষ্টি হলেই সেখানে পানি জমে থাকে। নিয়মিত পানির বিল এবং ট্যাক্স প্রদান করলেও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা পাচ্ছেন না এমন অভিযোগ এলাকাবাসীর। তারা জানান, সমস্যার কথা জানালে এক সংস্থার দায়ভার অন্য সংস্থা উপর চাপানো হয়।
এক বাসিন্দা বলেন, সুয়ারেজ লাইন সঠিক করা সবচেয়ে জরুরি। এ বিষয়ে তারা ওয়াসা ও সিটি করপোরেশন উভয়েই অভিযোগ করেছেন। কিন্তু সিটি করপোরেশন ওয়াসাকে দোষারোপ করে এবং ওয়াসা সিটি করপোরেশনকে দোষারোপ করে।
তবে, সিটি করপোরেশনের কোনো গাফিলতির কারণে পানি সরবরাহে সমস্যা হলে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান। তিনি জানান, যদি ড্রেনের পানি ওয়াসার পাইপে প্রবাহিত হয়ে যায়, তবে ধরে নিতে হবে পানির পাইপে কোথাও ফেটে গেছে, যা মেরামতের কাজ ওয়াসার। একইভাবে, সিটি করপোরেশনের কোনো কর্মকাণ্ডের কারণে সমস্যা হলে তা সমাধানও তারা করবেন।
এদিকে, অবৈধ সংযোগের কারণে সুয়ারেজ লাইনে ময়লা মিশছে জানিয়ে ওয়াসা জানিয়েছে, সমন্বিতভাবে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে। ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম জানান, রাতের অন্ধকারে বিভিন্ন কৌশলে পানির পাইপে অবৈধ সংযোগ দেওয়া হয়। যার ফলস্বরূপ, দূষিত পানি সরবরাহ লাইনে প্রবাহিত হচ্ছে। ভবিষ্যতে জনগণকে সম্পৃক্ত করে সমন্বিতভাবে এ সমস্যার সমাধানে কাজ করা হবে।
পূর্ব রামপুরার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা এই দুর্ভোগের দ্রুত সমাপ্তি চান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও শেষ মুহূর্তে স্বপ্নভঙ্গের আঘাত। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে নাটকীয় পরাজয়ের পরে হতাশা ও ক্ষোভের মধ্যে রয়েছে ইংল্যান্ডের শিবির। এই হতাশারই বহিঃপ্রকাশ দেখা গেল ম্যাচ শেষে, যেখানে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ড তারকা জুড বেলিংহাম আর্জেন্টাইন তরুণ ডিফেন্ডার ভ্যালেন্টিন বারকোর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন।
বুধবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড দীর্ঘ সময় এগিয়ে ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র পরিবর্তন করেন লিওনেল মেসি। তার দুটি নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। এর ফলে ২-১ ব্যবধানে জয় অর্জন করে আর্জেন্টিনা ফাইনালে জায়গা করে নেয়।
ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের মধ্যে হতাশা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। অন্য দিকে উল্লাসে মেতে ওঠেন আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। এই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উদযাপনের এক পর্যায়ে বারকো ইংল্যান্ড শিবিরের দিকে কিছু মন্তব্য করেন। এর ফলে বেলিংহাম ক্ষুব্ধ হয়ে তার মাথায় চড় মারেন বলে ভিডিওতে দৃশ্যমান হয়। জবাবে বারকোও বেলিংহামকে ধাক্কা দেন। পরে দুই দলের খেলোয়াড়রা দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বেলিংহামের আচরণ নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনা। টুর্নামেন্টজুড়ে ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা পারফরমার হিসেবে প্রশংসিত হওয়া এই মিডফিল্ডারের এমন আচরণ অনেকের কাছে অপ্রত্যাশিত মনে হয়েছে।
ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বেলিংহাম জানান, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছি, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কাঙ্ক্ষিত ফল পাইনি।
এদিকে ইংল্যান্ডের বিদায়ের পর প্রধান কোচ টমাস টুখেলও সমালোচনার মুখে পড়েছেন। শেষ মুহূর্তে রক্ষণাত্মক কৌশল গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠলেও টুখেল জানান, দলের রক্ষণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে সেই পরিবর্তন করেছিলেন।
ফাইনালের স্বপ্ন ভেঙে গেলেও টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের অভিযান এখানেই শেষ হয়নি। আগামী শনিবার তারা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের উপকূলে জুনের শেষ সময়ে এবং জুলাইয়ের শুরুতে পৃথক দুটি বড় নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) যৌথভাবে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি মিয়ানমারের উপকূলে ৫০০ জনের বেশি আরোহী বহনকারী দুটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটতে পারে—এমন প্রতিবেদনে তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নৌকা দুটি জুনের শেষ দিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এসব নৌকায় মূলত দেশটির মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা ছিলেন।
এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকেও যাত্রা করেছিলেন বলে জানা গেছে। কক্সবাজারে বর্তমানে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী মানবেতর পরিবেশে বসবাস করছেন।
উন্নত জীবনের আশায় প্রতিবছরই বহু রোহিঙ্গা ঝুঁকি নিয়ে সাগরপথে যাত্রা করেন। এসব যাত্রায় তারা প্রায়ই মানবপাচারকারী চক্রের দ্বারা পরিচালিত জরাজীর্ণ নৌকা ব্যবহার করতে বাধ্য হন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ২৫০ জন আরোহী বহনকারী একটি নৌকার সঙ্গে যাত্রা শুরুর কিছু সময় পরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
অন্যদিকে, প্রায় ২৮০ জন আরোহী নিয়ে যাত্রা করা আরেকটি নৌকা গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের আয়েয়ারওয়াদি উপকূলে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইওএম ও ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ঘটনা এবং হতাহতের সংখ্যা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও সম্ভাব্য এই ব্যাপক প্রাণহানিতে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর উত্তর ভারত মহাসাগরে বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রার সময় ৬ হাজার ৫০০ জনের বেশি রোহিঙ্গার মধ্যে প্রায় ৯০০ জন নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের এই দুই সংস্থা বলেছে, সর্বশেষ এই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি এবং রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সমাধানের অভাবের ভয়াবহ প্রভাবকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
একই সঙ্গে বহু বছর ধরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেছে সংস্থাগুলো। তবে তারা জোর দিয়ে বলেছে, শরণার্থী ও তাদের আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক সহায়তা প্রয়োজন। পাশাপাশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি সৃষ্টির মূল কারণগুলো দূর করতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে দুই দিন ধরে চলমান থাকা একটি ফিশিং বোট থেকে ১৯ জন জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এই তথ্য প্রদান করে।
কোস্টগার্ড জানায়, গত ৮ জুলাই হাতিয়া থেকে ‘এফবি মা-২’ নামক ফিশিংবোটটি ১৯ জন জেলেকে নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায়। পরে ১৩ জুলাই বোটটির ইঞ্জিন ভেঙে যাওয়ার কারণে এটি গভীর সমুদ্রে ভাসমান হয়ে পড়ে। মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকায় জেলেরা কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি। দুই দিন পর, বুধবার সকাল ১০টার দিকে ওই বোটটি মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আসার পর একজন জেলে কোস্টগার্ডকে তথ্য জানান। বিষয়টি জানার পর, কোস্টগার্ড স্টেশন ভাসানচর এবং অপারেশন ‘সুরক্ষা’-তে নিয়োজিত জাহাজ বিসিজিএস কুতুবদিয়া যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। তারা চট্টগ্রামের নরম্যান্স পয়েন্টের পশ্চিমে গভীর সমুদ্র এলাকা থেকে বিকল হওয়া ফিশিং বোটসহ ১৯ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে।
বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন উক্ত উদ্ধারকাজ সম্পর্কে জানান, উদ্ধারের পর জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় খাবারও সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি ফিশিং বোটসহ তাদের মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি ফুটবল খেলার প্রতি তার যে গভীর অনুরাগ রয়েছে, সেটি তার ফেসবুক পোস্ট থেকেই জানা যায়। তিনি ভীষণভাবে আর্জেন্টিনার সমর্থক। এই আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, তার প্রিয় দল যদি কাপ জিতে, তবে তিনি আবার বিয়ে করবেন।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচের দিন তিনি এই ঘোষণা দেন। ম্যাচ চলাকালীন সময়ে, পরীমণি নিজস্ব ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস প্রকাশ করেন।
সেই স্ট্যাটাসের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, 'আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করবো ফাইনাল।' তিনি স্ট্যাটাসের শেষে বেশ কয়েকটি ইমোজি যুক্ত করেছেন।
মুহূর্তেই তার পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পায়। মিনিট বিশেকের মধ্যে পোস্টটিতে ৪২ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া এবং প্রায় তিন হাজার শেয়ার দেখা যায়। তবে মন্তব্যের ঘরটি বন্ধ রেখেছেন এই নায়িকা।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ব্যক্তিগত জীবনে পরীমণি একাধিক বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে এর আগে অনেকবার আলোচনায় এসেছেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে ২০১০ সালে কাজিন ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ের খবর উঠে আসে। পরে ২০১২ সালে ফুটবলার ফেরদৌস কবীর সৌরভের সঙ্গে বিয়ের ছবি প্রকাশিত হয়। এরপর তামিম হাসান নামের একজন সাংবাদিকের সঙ্গে তার বিয়ের কথা শোনা যায়।
পরবর্তীতে, ২০২০ সালে নির্মাতা কামরুজ্জামান রনিকে বিয়ে করলেও সেটি বেশিদিন টেকেনি। সর্বশেষ, ২০২১ সালে অভিনেতা শরিফুল রাজকে বিয়ে করে তিনি ব্যাপক আলোচনায় আসেন। এই দম্পতির সংসারে শাহীম মুহাম্মদ পুণ্য নামের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। তবে বিভিন্ন সমস্যার কারণে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাজের সঙ্গে পরীমণির আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ