বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:৩৯ পি.এম
জয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও শেষ মুহূর্তে স্বপ্নভঙ্গের আঘাত। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে নাটকীয় পরাজয়ের পরে হতাশা ও ক্ষোভের মধ্যে রয়েছে ইংল্যান্ডের শিবির। এই হতাশারই বহিঃপ্রকাশ দেখা গেল ম্যাচ শেষে, যেখানে ইংল্যান্ডের মিডফিল্ড তারকা জুড বেলিংহাম আর্জেন্টাইন তরুণ ডিফেন্ডার ভ্যালেন্টিন বারকোর সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ে জড়িয়ে পড়েন।
বুধবার আটলান্টার মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড দীর্ঘ সময় এগিয়ে ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ম্যাচের চিত্র পরিবর্তন করেন লিওনেল মেসি। তার দুটি নিখুঁত অ্যাসিস্ট থেকে মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে গোল করেন এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ। এর ফলে ২-১ ব্যবধানে জয় অর্জন করে আর্জেন্টিনা ফাইনালে জায়গা করে নেয়।
ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজতেই ইংল্যান্ডের খেলোয়াড়দের মধ্যে হতাশা উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। অন্য দিকে উল্লাসে মেতে ওঠেন আর্জেন্টাইন ফুটবলাররা। এই সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উদযাপনের এক পর্যায়ে বারকো ইংল্যান্ড শিবিরের দিকে কিছু মন্তব্য করেন। এর ফলে বেলিংহাম ক্ষুব্ধ হয়ে তার মাথায় চড় মারেন বলে ভিডিওতে দৃশ্যমান হয়। জবাবে বারকোও বেলিংহামকে ধাক্কা দেন। পরে দুই দলের খেলোয়াড়রা দ্রুত এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বেলিংহামের আচরণ নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা এবং সমালোচনা। টুর্নামেন্টজুড়ে ইংল্যান্ডের অন্যতম সেরা পারফরমার হিসেবে প্রশংসিত হওয়া এই মিডফিল্ডারের এমন আচরণ অনেকের কাছে অপ্রত্যাশিত মনে হয়েছে।
ম্যাচ শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বেলিংহাম জানান, আজকের দিনটি আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টের। আমরা শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেছি, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কাঙ্ক্ষিত ফল পাইনি।
এদিকে ইংল্যান্ডের বিদায়ের পর প্রধান কোচ টমাস টুখেলও সমালোচনার মুখে পড়েছেন। শেষ মুহূর্তে রক্ষণাত্মক কৌশল গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠলেও টুখেল জানান, দলের রক্ষণভাগকে আরও শক্তিশালী করতে সেই পরিবর্তন করেছিলেন।
ফাইনালের স্বপ্ন ভেঙে গেলেও টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ডের অভিযান এখানেই শেষ হয়নি। আগামী শনিবার তারা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে মুখোমুখি হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মিয়ানমারের উপকূলে জুনের শেষ সময়ে এবং জুলাইয়ের শুরুতে পৃথক দুটি বড় নৌকাডুবির ঘটনায় ৫০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।
জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) যৌথভাবে একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সম্প্রতি মিয়ানমারের উপকূলে ৫০০ জনের বেশি আরোহী বহনকারী দুটি নৌকাডুবির ঘটনা ঘটতে পারে—এমন প্রতিবেদনে তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নৌকা দুটি জুনের শেষ দিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। এসব নৌকায় মূলত দেশটির মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সদস্যরা ছিলেন।
এদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশের কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকেও যাত্রা করেছিলেন বলে জানা গেছে। কক্সবাজারে বর্তমানে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থী মানবেতর পরিবেশে বসবাস করছেন।
উন্নত জীবনের আশায় প্রতিবছরই বহু রোহিঙ্গা ঝুঁকি নিয়ে সাগরপথে যাত্রা করেন। এসব যাত্রায় তারা প্রায়ই মানবপাচারকারী চক্রের দ্বারা পরিচালিত জরাজীর্ণ নৌকা ব্যবহার করতে বাধ্য হন।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ২৫০ জন আরোহী বহনকারী একটি নৌকার সঙ্গে যাত্রা শুরুর কিছু সময় পরই যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
অন্যদিকে, প্রায় ২৮০ জন আরোহী নিয়ে যাত্রা করা আরেকটি নৌকা গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের আয়েয়ারওয়াদি উপকূলে ডুবে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আইওএম ও ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ঘটনা এবং হতাহতের সংখ্যা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও সম্ভাব্য এই ব্যাপক প্রাণহানিতে তারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
ইউএনএইচসিআরের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর উত্তর ভারত মহাসাগরে বিপজ্জনক সমুদ্রযাত্রার সময় ৬ হাজার ৫০০ জনের বেশি রোহিঙ্গার মধ্যে প্রায় ৯০০ জন নিখোঁজ বা নিহত হয়েছেন।
জাতিসংঘের এই দুই সংস্থা বলেছে, সর্বশেষ এই মর্মান্তিক ঘটনাগুলো দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত, বাস্তুচ্যুতি এবং রোহিঙ্গাদের জন্য টেকসই সমাধানের অভাবের ভয়াবহ প্রভাবকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে।
একই সঙ্গে বহু বছর ধরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য বাংলাদেশের উদারতার প্রশংসা করেছে সংস্থাগুলো। তবে তারা জোর দিয়ে বলেছে, শরণার্থী ও তাদের আশ্রয়দানকারী স্থানীয় জনগণের জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ধারাবাহিক সহায়তা প্রয়োজন। পাশাপাশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতি সৃষ্টির মূল কারণগুলো দূর করতে আরও কার্যকর উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গভীর সমুদ্রে ইঞ্জিন বিকল হয়ে দুই দিন ধরে চলমান থাকা একটি ফিশিং বোট থেকে ১৯ জন জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এই তথ্য প্রদান করে।
কোস্টগার্ড জানায়, গত ৮ জুলাই হাতিয়া থেকে ‘এফবি মা-২’ নামক ফিশিংবোটটি ১৯ জন জেলেকে নিয়ে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর সমুদ্রে যায়। পরে ১৩ জুলাই বোটটির ইঞ্জিন ভেঙে যাওয়ার কারণে এটি গভীর সমুদ্রে ভাসমান হয়ে পড়ে। মোবাইল নেটওয়ার্কের বাইরে থাকায় জেলেরা কারো সাথে যোগাযোগ করতে পারেননি। দুই দিন পর, বুধবার সকাল ১০টার দিকে ওই বোটটি মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় আসার পর একজন জেলে কোস্টগার্ডকে তথ্য জানান। বিষয়টি জানার পর, কোস্টগার্ড স্টেশন ভাসানচর এবং অপারেশন ‘সুরক্ষা’-তে নিয়োজিত জাহাজ বিসিজিএস কুতুবদিয়া যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। তারা চট্টগ্রামের নরম্যান্স পয়েন্টের পশ্চিমে গভীর সমুদ্র এলাকা থেকে বিকল হওয়া ফিশিং বোটসহ ১৯ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে।
বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন উক্ত উদ্ধারকাজ সম্পর্কে জানান, উদ্ধারের পর জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় খাবারও সরবরাহ করা হয়েছে। পাশাপাশি ফিশিং বোটসহ তাদের মালিকপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়াও চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি ফুটবল খেলার প্রতি তার যে গভীর অনুরাগ রয়েছে, সেটি তার ফেসবুক পোস্ট থেকেই জানা যায়। তিনি ভীষণভাবে আর্জেন্টিনার সমর্থক। এই আর্জেন্টিনার একনিষ্ঠ সমর্থক সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, তার প্রিয় দল যদি কাপ জিতে, তবে তিনি আবার বিয়ে করবেন।
আটলান্টায় অনুষ্ঠিত আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচের দিন তিনি এই ঘোষণা দেন। ম্যাচ চলাকালীন সময়ে, পরীমণি নিজস্ব ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস প্রকাশ করেন।
সেই স্ট্যাটাসের ক্যাপশনে তিনি লেখেন, 'আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করবো ফাইনাল।' তিনি স্ট্যাটাসের শেষে বেশ কয়েকটি ইমোজি যুক্ত করেছেন।
মুহূর্তেই তার পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পায়। মিনিট বিশেকের মধ্যে পোস্টটিতে ৪২ হাজারের বেশি প্রতিক্রিয়া এবং প্রায় তিন হাজার শেয়ার দেখা যায়। তবে মন্তব্যের ঘরটি বন্ধ রেখেছেন এই নায়িকা।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, ব্যক্তিগত জীবনে পরীমণি একাধিক বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে এর আগে অনেকবার আলোচনায় এসেছেন। ক্যারিয়ারের শুরুতে ২০১০ সালে কাজিন ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ের খবর উঠে আসে। পরে ২০১২ সালে ফুটবলার ফেরদৌস কবীর সৌরভের সঙ্গে বিয়ের ছবি প্রকাশিত হয়। এরপর তামিম হাসান নামের একজন সাংবাদিকের সঙ্গে তার বিয়ের কথা শোনা যায়।
পরবর্তীতে, ২০২০ সালে নির্মাতা কামরুজ্জামান রনিকে বিয়ে করলেও সেটি বেশিদিন টেকেনি। সর্বশেষ, ২০২১ সালে অভিনেতা শরিফুল রাজকে বিয়ে করে তিনি ব্যাপক আলোচনায় আসেন। এই দম্পতির সংসারে শাহীম মুহাম্মদ পুণ্য নামের একটি পুত্রসন্তানও রয়েছে। তবে বিভিন্ন সমস্যার কারণে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাজের সঙ্গে পরীমণির আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রায় সাত বছর ধরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) কোটি টাকার প্রিন্টিং প্রেসের মেশিন অচল হয়ে পড়ে আছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ছাপার কাজ বর্তমানে বাইরে থেকে করাতে হচ্ছে। এতে প্রতিবছর অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি গোপনীয় নথির নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
এদিকে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কার্যক্রম প্রায় বন্ধ থাকলেও সেখানে কর্মরত তিন কর্মকর্তা ও দুই কর্মচারী নিয়মিত বেতন-ভাতা পাচ্ছেন। তবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন প্রিন্টিং মেশিন ও কাগজ কাটার মেশিন কেনার প্রকল্প বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ অফিসের সাময়িক সনদ, নম্বরপত্র, টেবুলেশন শিট, পরীক্ষার খাতা, শিক্ষার্থীদের টাকা জমার রসিদ, সনদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডার, ডায়েরি, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার, পরিবহন দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক ও একাডেমিক শাখার ছাপার কাজ এই প্রিন্টিং প্রেসের আওতায় পড়ে।
মেশিনটি অচল থাকায় এসব কাজ এখন বাইরের ছাপাখানার মাধ্যমে সম্পন্ন করা হচ্ছে। প্রকৌশল দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ সরকার বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রায় ৭০ লাখ টাকা মূল্যের একটি প্রিন্টিং মেশিন দেয়। ২০০৫ সালের বন্যায় প্রিন্টিং প্রেসে পানি ঢুকে মেশিনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে দীর্ঘকাল ব্যবহৃত না হওয়ায়, বিশেষ করে করোনা মহামারির সময়, মেশিনটি পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে।
এরপর থেকে নতুন মেশিন কেনার উদ্যোগ চললেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমান প্রিন্টিং প্রেসের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মফিজুল ইসলাম আরটিভিকে জানান, নতুন মেশিন কেনার জন্য আবেদন করা হয়েছে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে মেশিনের মূল্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করেছি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাপার কাজ বাইরে থেকে করতে হচ্ছে। এতে বছরে প্রায় ১২ থেকে ১৩ লাখ টাকা ব্যয় হচ্ছে।
প্রকল্প পরিচালক ড. মো. নওয়াব আলী আরটিভিকে জানান, প্রথমে ৫৪ লাখ টাকার বাজেট থাকলেও তিন দফা দরপত্র আহ্বান করেও মেশিন কেনা সম্ভব হয়নি। পরে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে অর্থ সমন্বয় করে ১ কোটি ৫৫ লাখ টাকার নতুন বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রস্তাবটি ইউজিসির সুপারিশ পেয়েছে এবং বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে। অনুমোদন পেলেই নতুন করে দরপত্র আহ্বান করা হবে। সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আমাদের একটি অনলাইন সভা হয়েছে। তারা বিষয়টিকে ইতিবাচকভাবে দেখেছে।
এদিকে প্রেস প্রশাসকের মতে, পুরোনো মেশিনটি মেরামত করলে তা আবারও ব্যবহার উপযোগী করা সম্ভব। অন্যদিকে প্রকৌশল দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, নতুন মেশিন কেনা হলে পুরোনোটি মেরামত করে উভয় মেশিন চালু রাখা যাবে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাপার কাজের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ