ঢাকা বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৫ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের তিন নেতা গ্রেফতার, কার্যক্রম নিষিদ্ধ


মোহাম্মদপুরে আওয়ামী লীগের তিন নেতা গ্রেফতার, কার্যক্রম নিষিদ্ধ

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. জুয়েল রানা এই তথ্য প্রকাশ করেন।

গ্রেফতারকৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর মেয়র আবুল কালাম আজাদ, একই উপজেলার আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোখলেসুর রহমান এবং আটঘরিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম।

আরও পড়ুন: অস্ত্রপচারের ধকল সত্ত্বেও জামায়াত আমিরের দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ

পুলিশ কর্মকর্তা জুয়েল রানা জানান, সোমবার বিকেল চারটার দিকে মোহাম্মদপুরের একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তারা তিনজন দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ রেখে ঢাকায় দলীয় কার্যক্রম ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনার উদ্দেশ্যে ফ্ল্যাটটিতে অবস্থান করছিলেন।

পুলিশ জানায়, তিনজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের অস্থিতিশীলতার জন্য সীমান্তের ওপার থেকে আসছে টাকা : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:২৯ পি.এম


দেশের অস্থিতিশীলতার জন্য সীমান্তের ওপার থেকে আসছে টাকা : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে কলকারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। গোয়েন্দাদের কাছে রয়েছে স্পষ্ট তথ্য যে, পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারীরা সেখানে অর্থ পাঠাচ্ছে। একটি গোষ্ঠী দেশের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কাজ করছে, যারা নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন টিকিট বিক্রির চেষ্টা করেছিল; এই দুই পক্ষ একত্রিত হয়েছে। একজন সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিচ্ছে, অন্যজন এখানে বসে অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা মাঠে (হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ) আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এখন সময় এসেছে বাংলাদেশের জনগণের সচেতন হওয়ার। আমাদের সচেতন হতে হবে, যাতে কেউ বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে; বাংলাদেশের অর্থনীতি এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেটিকে যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে।’

রাজপথে বিশৃঙ্খলাকারীদের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা বিএনপি সরকারের অধীনে দেশে স্থিতিশীলতা আনতে ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করছি। দেশি-বিদেশি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করে বন্ধ কলকারখানাগুলো চালু ও বিনিয়োগের আহ্বান জানাচ্ছি, যাতে বেকার শ্রমিকদের কর্মসংস্থান হয় এবং উৎপাদিত পণ্য বিদেশে যেতে পারে। কিন্তু একটি বিশেষ দল আরও কয়েকটি দলের সহযোগিতায় রাজপথে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। তারা সরকারের জনবান্ধব কার্যক্রমগুলোকে বাধাগ্রস্ত করতে চাইছে। যারা জনগণের ক্ষতি করে, তারা জনগণের বন্ধু হতে পারে না।’

একাত্তর ও চব্বিশের প্রসঙ্গ টেনে তারেক রহমান বলেন, ‘২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার পালিয়ে যাওয়ার আগে শত শত ছাত্র ও নিরীহ মানুষকে হত্যা করে গিয়েছিল। বিএনপি একুশ, একাত্তর ও চব্বিশকে ধারণ করে বলেই শহীদ পরিবার ও আহত জুলাই যোদ্ধাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। গতকাল (সোমবার) সেই শহীদদের স্মরণে আমরা ঢাকার ওসমানী উদ্যানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করেছি। যারা মুখে চব্বিশকে ধারণ করার কথা বলে, সেই রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। অর্থাৎ ১৯৭১ সালে তারা যেভাবে জনগণকে ধোঁকা দিয়েছে, ঠিক একইভাবে চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের ক্ষেত্রেও তারা ধোঁকা দিয়েছে। তাদের মুখে এক কথা, আর কর্মে আরেক প্রতিফলন।’

ষড়যন্ত্র রুখতে ঐক্যের ডাক দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘অতীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময়েও যখনই তারা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের কাজে হাত দিয়েছিলেন, তখনই দেশি-বিদেশি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্র করে গতিরোধ করার চেষ্টা করেছে। সেই কুচক্রী মহল আবার সজাগ হয়ে দেশের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। তাই উন্নয়নের গতি ধরে রাখতে জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক সব শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

জনসভায় সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শ্রমিক ভাইয়েরা যাতে বেকার না থাকেন, সেজন্য সরকার গঠনের সাত মাসের মধ্যে সারা দেশে ৬টি বন্ধ মিল-কারখানা উদ্যোক্তাদের মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪৬টি বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া সারা দেশের প্রায় ৩৮ থেকে ৩৯ হাজার আখচাষির জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সরকার গঠনের সাত দিনের মাথায় ১৩ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে এবং এ বছরই ৪০ লাখ কৃষককে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।’

তিনি আরও জানান, সেচ ও পানির সংকট নিরসনে আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে, যার মধ্যে গেল আট মাসে ৮০০ কিলোমিটার খনন সম্পন্ন হয়েছে। পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের পাশাপাশি দ্রুততম সময়ে পদ্মা ও তিস্তা ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে। এছাড়া প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ৫০ থেকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা, পরিবেশ রক্ষায় ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ, মেয়েদের অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা ও উপবৃত্তি প্রদান এবং নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে ফ্যামিলি কার্ড চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৩ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


১৩ লাখ কৃষকের ঋণ মওকুফ করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, নির্বাচনের পূর্বে তিনি ঘোষণা করেছিলেন যে, বিএনপি সরকার গঠন করলে কৃষক ভাইদের যাদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ রয়েছে, সেই ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে। সরকার গঠনের সাত দিনের মধ্যে তারা তাদের প্রতিশ্রুতি পালন করেছে। বাংলাদেশের ১৩ লাখ কৃষক ভাইদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি লোন সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে (হাজী মুহম্মদ মুহসীন সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠ) অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জনসভায় উপস্থিত আখচাষিদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সমগ্র বাংলাদেশে প্রায় ৩৮ থেকে ৩৯ হাজারের মতো আখচাষি ভাইদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে একটি প্রণোদনা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে আগামী মৌসুমে আখ চাষের জন্য তাদের কষ্ট কিছুটা কম হয়। কারণ বিএনপি বিশ্বাস করে, এই দেশের কৃষক বাঁচলে এবং কৃষি বাঁচলে তাহলেই দেশ বেঁচে থাকবে।’

কৃষকদের সহায়তায় ‘ফার্মারস কার্ড’ বা কৃষক কার্ড চালুর ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘ক্ষুদ্র, মাঝারি, প্রান্তিক, ভূমিহীন ও বড় কৃষকদের তালিকা তৈরির কাজ ইতিমধ্যে চলছে। আগামী কিছু দিনের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন হবে। এ বছরেই সমগ্র বাংলাদেশে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ৪০ লাখ ভূমিহীন, প্রান্তিক এবং ক্ষুদ্র কৃষক ভাইয়ের কাছে কৃষি কার্ড পৌঁছে দেয়া হবে। যদি কোনো কৃষক ভাই বছরে দুটো বা তিনটি ফসল উৎপাদন করেন, তাহলে আমরা সরকারের পক্ষ থেকে কৃষক কার্ডের মাধ্যমে অন্তত একটি ফসলের সার, বীজ ও কীটনাশক যতটুকু সম্ভব পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা করব, যাতে তার কষ্ট কিছুটা লাঘব হয়।’

কৃষক কার্ডের অন্যান্য সুবিধার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই কৃষক কার্ডের মাধ্যমে চাষিরা যেমন ক্ষেতের ফসলের বীমা করতে পারবেন, তেমনি সহজেই ব্যাংকঋণও গ্রহণ করতে পারবেন। শুধু তা-ই নয়, এই কার্ডের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে জানা যাবে আগামীকাল বৃষ্টি হবে কি হবে না। ফলে কৃষক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন তিনি বীজ বপন করবেন নাকি সার দেবেন। এরকম প্রায় ১০টি সুবিধা থাকবে সেই কৃষক কার্ডে।’

সেচ সুবিধা ও খাল খনন কর্মসূচির বিষয়ে সরকারপ্রধান বলেন, ‘কৃষক ভাইয়েরা যাতে সঠিকভাবে সেচ সুবিধা পান এবং গ্রামের মা-বোনদের যাতে দূর থেকে কষ্ট করে পানি আনতে না হয়, সেজন্য সারা দেশে আমরা আবার খাল খনন এবং নদী সংস্কার কর্মসূচি শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে আমরা ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করব। এর মধ্যে গেল আট মাসে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন হয়েছে। এছাড়া পানির সমস্যা দূর করতে উত্তরাঞ্চলে তিস্তা এবং রাজশাহীতে পদ্মা নদীতে আমরা দুটো ব্যারেজ তৈরি করব। বাংলাদেশের মানুষের পানির হিস্যা আদায় করার জন্য যতদূর যেতে হয় আমরা যাব এবং দ্রুততম সময়ের মধ্যে পদ্মা ও তিস্তা ব্যারেজের কাজ শুরু ও শেষ করব।’

স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে ৫০ বেড থেকে ১৫০ বেডের হাসপাতালে উন্নীত করা হবে। সেখানে শিশু এবং মা-বোনদের জন্য আলাদা বেড ও কিডনি রোগীদের ডায়ালিসিসের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া গেল জুনের বাজেটে কিডনি রোগীদের ডায়ালিসিসের ওষুধ এবং হার্টের চিকিৎসার সরঞ্জামের ওপর ট্যাক্স কমিয়ে দেয়া হয়েছে। ফলে চিকিৎসার খরচ অর্ধেকে নেমে এসেছে।’

কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও নারীদের স্বাবলম্বী করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘শ্রমিক ভাইয়েরা যাতে বেকার না থাকেন, সেজন্য সরকার গঠনের পর সাত মাসে সারা দেশে বন্ধ থাকা ৬টি মিল-কারখানা বিভিন্ন উদ্যোক্তার মাধ্যমে চালু করা হয়েছে। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে আরও ৪৬টি বন্ধ কলকারখানা চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পাশাপাশি মা-বোনদের শিক্ষা অনার্স পর্যন্ত বিনামূল্যে করা এবং ভালো ফলাফলকারীদের উপবৃত্তি দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আর মা-বোনদের অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করতে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতি মাসে আর্থিক সহযোগিতা পৌঁছে দেয়া হবে। এছাড়া পরিবেশ রক্ষায় আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করবে সরকার।’

দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে গোয়েন্দাদের পরিষ্কার তথ্য আছে, পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচার সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ সরবরাহ করছে এবং দেশে ভ্রান্তি ছড়ানো একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে কলকারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ ও রাজপথে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করছে। দেশের উন্নয়নের গতি এবং মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে যাতে কেউ বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেজন্য জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভেপিংয়ের কারণে কণ্ঠস্বরে বদল, ভক্তদের সতর্কবার্তা দিলেন সেলেনা গোমেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩০ পি.এম


ভেপিংয়ের কারণে কণ্ঠস্বরে বদল, ভক্তদের সতর্কবার্তা দিলেন সেলেনা গোমেজ

মার্কিন সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী সেলেনা গোমেজের কণ্ঠস্বরের জাদুতে মুগ্ধ হয়েছেন কোটি ভক্ত। আজ সেই কণ্ঠস্বর নিয়ে তিনি আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। সেলেনা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত ভেপিংয়ের অভ্যাসের কারণে তার কণ্ঠস্বর পরিবর্তিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে ভক্তদের জন্য সতর্কবার্তা প্রদান করেছেন।

সম্প্রতি একটি ভিডিওতে সেলেনা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত নিকোটিন ভেপ করার ফলে তার গলার স্বর আগের মতো নেই। তিনি এও স্বীকার করেছেন যে, নিকোটিনের আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন।

সেলেনা নতুন করে ভেপিং শুরু করার কথা ভাবছেন এমন ব্যক্তিদের এই অভ্যাস থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। তার এই বক্তব্যের পর নেটদুনিয়ায় নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। সুশীল সমাজে ভেপিংয়ের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে।

অতীতে সেলেনা দীর্ঘদিন ধরে লুপাস নামের একটি জটিল অটোইমিউন রোগের সঙ্গে লড়াই করেছেন এবং এখনও করছেন। ২০১৭ সালে এই রোগের জটিলতায় তার কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হয়েছিল। এর ফলে তিনি দীর্ঘ সময় শারীরিক নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন। তবে ভেপিংয়ের কারণে কণ্ঠস্বর পরিবর্তনের সঙ্গে লুপাসের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।

এমন পরিস্থিতিতে ভক্তদের সতর্ক করে সেলেনা জানিয়েছেন, নিকোটিনের আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা সহজ নয়। তাই নতুন করে এই অভ্যাসে জড়ানোর আগে সতর্ক হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিচার ব্যবস্থায় যারা থাকে তাদেরকেও আওয়ামী লীগ কিনে ফেলে: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৮:৩১ পি.এম


বিচার ব্যবস্থায় যারা থাকে তাদেরকেও আওয়ামী লীগ কিনে ফেলে: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ মন্তব্য করেছেন যে, বিচার ব্যবস্থায় যারা অবস্থান করে, আওয়ামী লীগ তাদেরকেও কিনে ফেলে।

তিনি বলেন, "আওয়ামী লীগ যে ইতিহাস সৃষ্টি করে গেছে, সেই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি আমরা হতে দেব না।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "তাদের প্রতিমন্ত্রীর যে ৫০০ বাড়ি, তাদের নেতার ছেলে ইহুদি বিয়ে করে আমেরিকাতে কয়েকটি বিশাল প্রাসাদ গড়ে তুলেছে।" স্পিকার বলেন, "এদের যে কি ধন-সম্পত্তি কল্পনা করতে পারবেন না। আসলে এগুলো হলো চোর। চুরি করে আর লুটপাট করে নিয়ে গেছে।"

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) লালমোহন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সংবর্ধনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই সংবর্ধনার আয়োজন করে লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি।

হাফিজ উদ্দিন বলেন, "এদের (আওয়ামী লীগ নেতা) টাকার এত শক্তি, এদেরকে শাস্তি দেয়াও খুব মুশকিল। সবকিছু তারা কিনে ফেলে। বিচার ব্যবস্থায় যারা থাকে তাদেরকেও কিনে ফেলে।" তিনি উল্লেখ করেন, "তাদের বিরুদ্ধে মামলাও শক্তভাবে করা হয় না। বিদেশের সরকারগুলোও ভাবে যে, হাজার হাজার কোটি টাকা আমার দেশে আনছে, আমার দেশে বিনিয়োগ করতেছে, আমার দেশে মিল-ফ্যাক্টরি করছে, ওরাও চুপ করে বসে থাকে।"

স্পিকার বলেন, "বিশ্বব্যবস্থায় নানা অনৈতিক কাজকর্ম হয়, সেগুলোতে প্রথম সারিতে আছে এই বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের নেতারা। তারা যে বিশাল লুটপাট করে গেছে, রাজার হালে এরা বিদেশে আছে।" তিনি বলেন, "ভারতে প্রসাদের মধ্যে থাকে, আমেরিকাতেও বড় বড় প্রাসাদ আছে। কানাডার বেগমপাড়া এলাকায় শত শত বাড়ি আছে আওয়ামী লীগের এমপিদের।"

তিনি ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের সংশোধনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, "ইতোমধ্যেই দেখেছেন ঢাকায় একজন মহিলা এমপির নাম উঠে এসেছে, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে একটা হাসপাতাল দখল করার জন্য।" তিনি উল্লেখ করেন, "তাকে প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছেন গতকালকে বা পরশুদিন সাদেক হোসেন খোকার ছেলে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, তিনিও পদত্যাগ করেছেন।"

স্পিকার বলেন, "ইশরাক হোসেন কাজটা ভালোই করেছেন।" তবে তিনি বলেন, "তবে তার হাতে অস্ত্র নেয়াটা ঠিক হয় নাই, এটা মানায় না।" তিনি বলেন, "সরকারের প্রতিমন্ত্রী, তার সাথে তো বডিগার্ড আছে, পুলিশ বাহিনী যদি দুর্বল হয় দলীয় কর্মী বাহিনী যেতে পারে। কিন্তু একজন নেতা, মন্ত্রী পর্যায়ের, তাদের হাতে অস্ত্র আইনি হোক কি বেআইনি হোক, এটা শোভা পায় না।"

স্পিকার বলেন, "আমাদের জন্য এই গত ১৫-১৬ বছর ছিল এক মসীদৃপ্ত কলঙ্কময় অধ্যায়।" তিনি বলেন, "এরকম লুটপাট পৃথিবীর কোনো দেশে রাজনৈতিক নেতারা করতে পারে নাই, যেটা আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা এবং তার এই সন্ত্রাসী এমপিগুলো গত ১৫ বছরে করে গিয়েছে।"

তিনি বলেন, "তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেড় বছর ছিল, বিএনপি সরকারেরও তো প্রায় এক বছর হচ্ছে, এখন পর্যন্ত কারও তো বাড়িটাড়ি উঠে নাই কোনো জায়গায়।" তিনি বলেন, "বিদেশে যাওয়ার সুযোগ পায় নাই, লুটপাট করার সুযোগ পায় নাই, মাঝখান থেকে অন্যায় করলে মন্ত্রিত্ব, এমপিত্ব চলে যাচ্ছে। সুতরাং আমরা ন্যায়বিচারের একটা দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করতে চাই।"

সভায় বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম বাবুলসহ স্থানীয় নেতারা।

সভায় শুরুতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সম্পাদক স্পিকারকে ধানের শীষ প্রতীকের সোনার স্মারক দেন।

এছাড়া ইউনিয়ন পৌর বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে স্পিকারে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। সভায় দরিদ্রদের মধ্যে সরকারি সহায়তার চেক বিতরণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১০ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৩
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫০
মাগরিব ০৫:২৭
ইশা ০৬:৩৯
সূর্যোদয় : ০৫:৫৮ সূর্যাস্ত : ০৫:২৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%