বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৬:৩০ পি.এম
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের ধারাবাহিকতা নিয়ে আলোচনা চললেও, ব্যক্তিগত অর্জনে উজ্জ্বল হয়ে উঠেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। আইসিসির ওয়ানডে অলরাউন্ডারদের র্যাঙ্কিংয়ে তিনি তৃতীয় স্থানে অবস্থান করছেন। ব্যাটিং এবং বোলিং—দুই ক্ষেত্রেই কার্যকর ভূমিকা রাখার জন্য তিনি এই র্যাঙ্কিংয়ে নিজের স্থান ধরে রেখেছেন।
আইসিসির অক্টোবর ২০২৬-এর র্যাঙ্কিং অনুযায়ী, মিরাজ ২৬০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। তার উপরে অবস্থান করছেন আফগানিস্তানের আজমতউল্লাহ ওমরজাই এবং জিম্বাবুয়ের সিকান্দার রাজা।
বাংলাদেশের ওয়ানডে দলের জন্য মিরাজের গুরুত্ব শুধুমাত্র একজন স্পিনার হিসেবে নয়, বরং ব্যাট হাতেও দলের প্রয়োজনে অবদান রাখার ক্ষেত্রে। মাঝের ওভারে প্রতিপক্ষের রান আটকে রাখা, গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নেওয়া এবং ব্যাটিংয়ে প্রয়োজনীয় রান যোগ করার সক্ষমতা তাকে একজন কার্যকর অলরাউন্ডার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
২০২৬ সালের মার্চে পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশের ২-১ ব্যবধানে জয় লাভে মিরাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ওই সিরিজে তিনি তিন ম্যাচে পাঁচটি উইকেট নিয়ে বল হাতে নিজের কার্যকারিতা প্রমাণ করেন। এরপর আইসিসির র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করেন বাংলাদেশের অধিনায়ক।
বাংলাদেশের ক্রিকেটে অলরাউন্ডারদের ভূমিকা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। মিরাজের মতো একজন ক্রিকেটারের বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ তিনে থাকা দলটির জন্য ইতিবাচক খবর। এখন তার লক্ষ্য হবে এই অবস্থান ধরে রাখা এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আরও ধারাবাহিক পারফরম্যান্স প্রদর্শন করা।
আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেটের অলরাউন্ডার র্যাঙ্কিং
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের আসামে বাঙালি মুসলমানদের ১ হাজার ১০০ টিরও বেশি বাড়িঘর এবং ১০টির অধিক মসজিদ ধ্বংস করার ঘটনায় বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমীর মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, ভারতের আসাম ও উত্তরপ্রদেশসহ বিভিন্ন স্থানে মুসলমানদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ব্যাপক মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটাচ্ছে ভারত। তিনি বলেন, "মুসলমানদের বাড়িঘর ও মসজিদ ভেঙ্গে দিয়ে ভারত চরম মানবাধিকার লংঘন করছে।" গত এক দশকে প্রায় ১৯ হাজার পরিবারকে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, ২০২২ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে সংগঠিত রাষ্ট্রীয় অপরাধ পর্যালোচনা করে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক ৩ সদস্যের একটি প্যানেল রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের যথেষ্ট সত্যতার প্রমাণ পেয়েছে। গত ৩১ মার্চ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে আসাম ও উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীরা জাতিগত নির্মূলে ক্ষেত্র প্রস্তুত করেছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ভারতকে মুসলিম শূন্য করে হিন্দু রাষ্ট্র পরিণত করার লক্ষ্যে ভারতে অবস্থিত মুসলিম ঐতিহ্যগুলো বিনষ্ট করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে হিন্দুত্ববাদী বিজেপি সরকার।
মাওলানা হাবিবুল্লাহ মিয়াজী বলেন, "১৯৯২ সালে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে সারা বিশ্বে নিন্দিত হয়েছে।" আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিবাদকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে ভারত সংখ্যালঘুদের উপর দমন চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, পরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর হস্তক্ষেপের জন্য ভারত সরকারকে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।
সম্প্রতি দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে দেড়শ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক মসজিদ উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে মোদী প্রশাসন। ১৯৭৭ সাল থেকে মসজিদটি সরকারি গ্যাজেটভুক্ত ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে গণ্য হচ্ছে। নয়া দিল্লির মিউনিসিপাল কাউন্সিলের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার তালিকায় থাকা ঐতিহাসিক রেসকোর্স মসজিদটি গত ১৯ অক্টোবর ছয় দিনের মধ্যে খালি করার নোটিশ পেয়েছে। ৭ অক্টোবর থেকে মসজিদের বিদ্যুৎ ও পানির লাইন বিচ্ছিন্ন করায় মুসল্লিদের নামাজ আদায়সহ দৈনন্দিন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেয়ায় ভারতের সংখ্যালঘু মুসলমানরা রাষ্ট্রীয় সুরক্ষা ও নাগরিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। আমীর হাবিবুল্লাহ মিয়াজী ভারতের মুসলিমদের অস্তিত্ব রক্ষায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তিনি বলেন, "অন্যথায় জুলুমের পরিণতিতে ভারত একদিন ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়ে যাবে।" তিনি আশাবাদী যে, সেদিন বেশি দূরে নয়, ভারতে আবার মজলুম মুসলমানদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) নতুন নিবন্ধন ও লাইসেন্স ব্যবস্থা চালু করছে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে। নতুন বিধিমালার অধীনে, নির্ধারিত ১৬ ক্যাটাগরির খাদ্য ব্যবসার প্রথমবার নিবন্ধন করতে কোনো ফি প্রদান করতে হবে না। তবে বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য উৎপাদন ও বিপণনের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ব্যবসার ক্ষেত্রে লাইসেন্স গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ বুধবার (২১ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গত ১৬ জুলাই ‘নিরাপদ খাদ্য (রেজিস্ট্রেশন ও লাইসেন্স) প্রবিধানমালা, ২০২৬’ সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। এই বিধিমালার আওতায় আগামী ১ নভেম্বর থেকে সংশ্লিষ্ট খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করতে হবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পথের ধারের ভ্রাম্যমাণ খাবারের দোকান, ছোট রেস্তোরাঁ, বেকারি, ফলের রসের দোকান, পেস্ট্রি শপ এবং ক্যাটারিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য ব্যবসাকে নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে।
এছাড়া, প্যাকেটজাত খাবার উৎপাদনকারী, মিষ্টির দোকান, দুগ্ধজাত পণ্য প্রস্তুতকারী এবং কাঁচা ও তাজা খাবার ছাড়া অন্যান্য খাদ্যপণ্যের আমদানিকারকদেরও নিবন্ধন নিতে হবে। রাস্তার পাশে পিঠা, পুরি ও পেঁয়াজুর মতো খাবার বিক্রি করেন—এমন ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রেও এ বিধান প্রযোজ্য হবে।
বিধিমালার আওতায় নির্ধারিত ১৬ শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা ও খাদ্য স্থাপনার ক্ষেত্রে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত কিছু বিশেষায়িত খাদ্যপণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি ও বিপণনের জন্য লাইসেন্স নেওয়া হবে।
শিশুদের ফর্মুলা দুধ এবং বয়স্ক বা নির্দিষ্ট রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য তৈরি বিশেষ খাদ্যপণ্যসহ কয়েকটি শ্রেণির ব্যবসাকে বাধ্যতামূলক লাইসেন্সের আওতায় আনা হয়েছে।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে স্বাস্থ্য সহায়ক ও সম্পূরক খাদ্য, বিশেষ পথ্য, চিকিৎসাসংক্রান্ত বিশেষ পথ্য, প্রোবায়োটিক ও প্রিবায়োটিক খাদ্য এবং নিউট্রাসিউটিক্যালজাতীয় পণ্যের উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, মজুত, আমদানি ও বিপণন।
এছাড়া, জিনগতভাবে পরিবর্তিত খাদ্য, জৈব খাদ্য, কিরণসম্পাতপ্রাপ্ত খাদ্য, অভিনব খাদ্য, পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য এবং স্বাস্থ্য সহায়ক বা রোগের ঝুঁকি কমানোর দাবি-সংবলিত পণ্যের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী নিবন্ধন ও লাইসেন্স নিতে হবে।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিধিমালার তফসিল-১০-এ নির্ধারিত ফি পরিশোধ এবং সংশ্লিষ্ট শর্ত পূরণ করে আবেদন করতে হবে। বিশেষায়িত খাদ্যপণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের প্রিমিসেস লাইসেন্সের ফি প্রতিষ্ঠানের আয়তনের ভিত্তিতে নির্ধারণ করা হবে।
১০০ বর্গমিটার বা তার কম আয়তনের প্রতিষ্ঠানের জন্য লাইসেন্স ফি ১০ হাজার টাকা। অন্যদিকে, ১০ হাজার বর্গমিটারের বেশি আয়তনের প্রতিষ্ঠানের নতুন লাইসেন্স নিতে ফি দিতে হবে ৬০ হাজার টাকা।
নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে তিন বছর। মেয়াদ শেষ হলে তা নবায়ন করতে হবে।
নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি খাদ্যপণ্যের প্যাকেটে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করতে হবে। এর ফলে ভোক্তারা পণ্যের প্যাকেট দেখে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন সম্পর্কে জানতে পারবেন। পাশাপাশি কোনো অভিযোগ থাকলে নিবন্ধন নম্বর উল্লেখ করেও অভিযোগ জানানো যাবে।
প্রাথমিক পর্যায়ে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট জেলা কার্যালয় থেকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে। তবে ধাপে ধাপে শতভাগ অনলাইন আবেদন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, নিবন্ধন বা লাইসেন্স নেওয়া বাধ্যতামূলক হওয়া সত্ত্বেও তা ছাড়া খাদ্য ব্যবসা পরিচালনা করা নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের প্রস্তুতি নিতে খাদ্য ব্যবসায়ী ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুই বছরেরও বেশি আগে জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ইংল্যান্ডের জেমস অ্যান্ডারসন এখনো ঘরোয়া ক্রিকেটে সক্রিয় রয়েছেন। সদ্য শেষ হওয়া কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ দুইয়ে তিনি ল্যাঙ্কাশায়ারকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১১ ম্যাচে এই পেসার ১৭.৬৮ গড় নিয়ে ৫০ উইকেট সংগ্রহ করেছেন।
অ্যান্ডারসনের এই অসাধারণ পারফরম্যান্স সত্ত্বেও ল্যাঙ্কাশায়ার মৌসুমটি তাদের ইতিহাসে সবচেয়ে বাজে অবস্থানে শেষ করেছে। তারা গ্লুচেস্টারশায়ারের তুলনায় এক ধাপ উপরে অবস্থান করছে। দলটি আগামী মৌসুমের জন্য অ্যান্ডারসনকে ধরে রাখতে আগ্রহী নয়।
ক্রিকইনফোর রিপোর্ট অনুযায়ী, ল্যাঙ্কাশায়ারের শীর্ষ কর্মকর্তারা চলতি সপ্তাহে অ্যান্ডারসনকে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাকে আগামী মৌসুমের জন্য নতুন চুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হবে না। এই বিষয়ে ক্লাবটির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে অ্যান্ডারসন কি ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন, নাকি অন্য কোনো কাউন্টি দলের হয়ে খেলার চেষ্টা করবেন, তা এখন প্রশ্নের মুখে।
অ্যান্ডারসন যদি অবসর গ্রহণ করেন, তবে তার ঘরোয়া ক্রিকেটের শেষটাও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর মতো হবে। জাতীয় দলের হয়ে আরও খেলার ইচ্ছা তার ছিল। রব কি, ব্রেন্ডন ম্যাককালাম ও বেন স্টোকসের অনুরোধে তিনি অবসরে যান। এই পেসার ২০২৪ সালের গ্রীষ্মে লর্ডসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে নিজের শেষ টেস্ট ম্যাচটি খেলেন।
টেস্টে ২৬.৪৫ গড় নিয়ে ৭০৪টি টেস্ট উইকেট নিয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করেন এই কিংবদন্তি পেসার। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তার উইকেট সংখ্যা ১১৯৩টি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে বিসিবি একাদশ দারুণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। বিসিবি একাদশ ৭ উইকেটে ৩৭১ রান সংগ্রহের মাধ্যমে ম্যাচের প্রথম দিনটি কাটিয়েছে, যেখানে সেঞ্চুরি করেছেন কালাম সিদ্দিকী, যিনি মাত্র ৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন।
কালাম সেঞ্চুরি করার পর ১৩৫ রানে থেমে যান। ১৮৪ বলের ইনিংসে তিনি ২০টি চার ও একটি ছয়ের মার দিয়ে রান সংগ্রহ করেন। জিশান আলমও সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছান, কিন্তু ১০০ বলের ইনিংসে ৮৬ রানে আউট হয়ে যান। অন্যদিকে, মোহাম্মদ রিজওয়ান ১০৬ বল খেলে ৫৯ রান সংগ্রহ করে ফিফটি পূর্ণ করেন।
বিসিবি একাদশের মধ্যে টেস্ট অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একমাত্র খেলোয়াড় জাকের আলী অনিক ৩০ রান করেন। কালামের সেঞ্চুরি, জিশান ও রিজওয়ানের হাফসেঞ্চুরি কেমার রোচ, জায়দেন সিলস, জোমেল ওয়ারিক্যান এবং রোস্টন চেজের মতো বোলারদের বিরুদ্ধে এসেছে।
দিনের সবচেয়ে বড় জুটি গঠন করেন কালাম ও রিজওয়ান। কালামকে আউট করে তাদের ৯৯ রানের জুটি ভাঙেন কেভিন উইকহ্যাম। শামিম পাটোয়ারি অপরাজিত রয়েছেন ৩৫ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জশুয়া বিশোপ ও কাভেম হজও মাঠে ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ