বৃহস্পতিবার, ২২শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:৫৯ পি.এম
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত দুই দিনের প্রস্তুতি ম্যাচের প্রথম দিনে বিসিবি একাদশ দারুণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। বিসিবি একাদশ ৭ উইকেটে ৩৭১ রান সংগ্রহের মাধ্যমে ম্যাচের প্রথম দিনটি কাটিয়েছে, যেখানে সেঞ্চুরি করেছেন কালাম সিদ্দিকী, যিনি মাত্র ৬টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচের অভিজ্ঞতা নিয়ে মাঠে নেমেছিলেন।
কালাম সেঞ্চুরি করার পর ১৩৫ রানে থেমে যান। ১৮৪ বলের ইনিংসে তিনি ২০টি চার ও একটি ছয়ের মার দিয়ে রান সংগ্রহ করেন। জিশান আলমও সেঞ্চুরির খুব কাছে পৌঁছান, কিন্তু ১০০ বলের ইনিংসে ৮৬ রানে আউট হয়ে যান। অন্যদিকে, মোহাম্মদ রিজওয়ান ১০৬ বল খেলে ৫৯ রান সংগ্রহ করে ফিফটি পূর্ণ করেন।
বিসিবি একাদশের মধ্যে টেস্ট অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একমাত্র খেলোয়াড় জাকের আলী অনিক ৩০ রান করেন। কালামের সেঞ্চুরি, জিশান ও রিজওয়ানের হাফসেঞ্চুরি কেমার রোচ, জায়দেন সিলস, জোমেল ওয়ারিক্যান এবং রোস্টন চেজের মতো বোলারদের বিরুদ্ধে এসেছে।
দিনের সবচেয়ে বড় জুটি গঠন করেন কালাম ও রিজওয়ান। কালামকে আউট করে তাদের ৯৯ রানের জুটি ভাঙেন কেভিন উইকহ্যাম। শামিম পাটোয়ারি অপরাজিত রয়েছেন ৩৫ রানে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে জশুয়া বিশোপ ও কাভেম হজও মাঠে ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী মন্তব্য করেছেন যে, আওয়ামী লীগের সঙ্গে বিরোধী দল জামায়াতের সুসম্পর্কের স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, "পতিত ফ্যাসিস্ট ও জামায়াত মিলেমিশে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে।"
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ ধরনের অভিযোগকে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, "পতিত আওয়ামী লীগের সঙ্গে সুসম্পর্ক করেই ক্ষমতায় বসেছে বিএনপি।"
তিনি আরও মন্তব্য করেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণেই বিএনপি গণভোটের রায় মানতে নারাজ।
দেশের রাজনীতিতে বর্তমানে জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্ক একটি আলোচিত ইস্যু।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দুই দলের সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাজধানীর শান্তিনগর এলাকায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন আয়োজিত ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে একই অভিযোগ করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন, "পতিত ফ্যাসিস্ট ও গুপ্তদল মিলে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে নেমেছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব জানিয়েছেন, উজোবাজার এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের মধ্যে দুই ঘণ্টা গুলি বিনিময়ের পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুপুরে রাঙামাটি পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।
পুলিশ সুপার উল্লেখ করেন, ‘সাজেকের পর্যটকেরা উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে সড়ক অবরোধকারীরা তাদের বাধা দেয়। সড়ক ছেড়ে দিতে বলার পর তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর প্রথমে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে আটজন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য আহত হন। পরে সন্ত্রাসীরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর গুলি চালাতে শুরু করে।’
তিনি আরও জানান, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সশস্ত্র ব্যক্তিদের মধ্যে প্রায় দুই ঘণ্টা থেমে থেমে গোলাগুলি চলে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং ওই এলাকায় অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ) এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার গোয়েন্দা তথ্য রয়েছে।
তিনি জানান, ‘সাজেক থেকে ফেরা পর্যটকেরা নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছেছেন। পুরো ঘটনার তদন্ত শেষে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
আঞ্চলিক দুই রাজনৈতিক সংগঠনের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে আজ থেকে রাঙামাটির সাজেক সড়কে অনির্দিষ্টকালের অবরোধ চলছে। সাজেক গণঅধিকার রক্ষা কমিটি ও কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন এ অবরোধের ডাক দিয়েছে। এর ফলে সাজেকে বেড়াতে যাওয়া পর্যটকদের যাতায়াতে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে।
সড়ক অবরোধের খবর পাওয়ার পর প্রশাসন সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করে। এরপর আজ সকাল ৮টার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তায় প্রায় তিন হাজার পর্যটক খাগড়াছড়ির উদ্দেশে রওনা হন। তবে পর্যটকবাহী গাড়িগুলো বেলা ১১টার দিকে উজোবাজার এলাকায় পৌঁছালে অবরোধকারীদের বাধার মুখে পড়ে।
পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যারিকেড সরিয়ে পর্যটকদের খাগড়াছড়ির দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় সশস্ত্র ব্যক্তিদের সঙ্গে গোলাগুলি হয়। অবশেষে সাজেক থেকে ফেরা পর্যটকেরা নিরাপদে খাগড়াছড়ি পৌঁছান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মদিনার মসজিদে নববীতে ইতিকাফের জন্য অস্থায়ী তাঁবুর পরিবর্তে স্থায়ী ব্যবস্থা চালুর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। সংবাদমাধ্যম দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন জানাচ্ছে যে, এখন থেকে ইতিকাফকারীদের জন্য তাঁবু স্থাপনের পরিবর্তে স্থায়ী কক্ষের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, মসজিদে নববীর নির্মাণকাজে নিয়োজিত শ্রমিকেরা জানিয়েছেন যে, ইতিকাফের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে সেখানে নতুন অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। স্থায়ী ব্যবস্থা চালু হলে প্রতিবছর ইতিকাফের জন্য তাঁবু স্থাপন ও সরিয়ে নেওয়ার প্রয়োজন হবে না।
মসজিদে নববীর একটি অংশ ঘিরে নির্মাণকাজের জন্য সাদা রঙের নিরাপত্তাবেষ্টনী দেওয়া হয়েছে। সেখানে কাজ চলার বিষয়টি উল্লেখ করে সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্মাণ এলাকায় উঁচু ক্রেন এবং শীতাতপনিয়ন্ত্রণ যন্ত্র স্থাপনের কাজও দেখা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে, নতুন এই ব্যবস্থার মাধ্যমে মসজিদে নববীতে ইতিকাফের প্রচলিত পদ্ধতি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্য রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরা।
তবে স্থায়ী কক্ষের চূড়ান্ত নকশা, ধারণক্ষমতা এবং ব্যবস্থাটি কবে থেকে পুরোপুরি চালু হবে, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত জানানো হয়নি। সূত্র: দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাঙামাটির সাজেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র ইউপিডিএফের গোলাগুলির মধ্যে আটকে পড়া ৩ হাজার পর্যটক উদ্ধার করা হয়েছে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহায়তায়।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রাঙামাটি জেলার সাজেকের গঙ্গারাম বাজার এলাকায় ইউপিডিএফ স্থানীয় জনগণকে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সড়ক অবরোধ করে এবং পর্যটক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর গুলি চালায়।
এ ঘটনার কারণে সাজেক-বাঘাইহাট সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, ফলে সাজেকে ভ্রমণরত প্রায় তিন হাজার পর্যটক আটকা পড়ে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আটকে পড়া পর্যটকদের নিরাপদে খাগড়াছড়িতে পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে।
পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম চলাকালে সকাল আনুমানিক ১০টায় গঙ্গারাম বাজার এলাকায় অবরোধকারীরা সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে, যা পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচল বন্ধ করে দেয়।
এ সময়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল দল পর্যটকদের নিরাপদে যাতায়াত নিশ্চিত করার জন্য অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে।
আলোচনার সময়, সকাল আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে ইউপিডিএফের প্ররোচনায় অবরোধকারীরা আকস্মিকভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে শুরু করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লাঠিচার্জের মাধ্যমে অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করে এবং পুনরায় পর্যটকবাহী যানবাহনের চলাচলের ব্যবস্থা করে।
এরপর সকাল আনুমানিক ১১টায় ইউপিডিএফের সশস্ত্র সদস্যরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও পর্যটকদের লক্ষ্য করে আনুমানিক ৩০-৪০ রাউন্ড গুলি চালায় বলে প্রাথমিকভাবে জানা যায়।
এ সময় সেনাবাহিনীর টহল দল আত্মরক্ষা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে পাল্টা গুলিবর্ষণ করলে সশস্ত্র ব্যক্তিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
সেনাবাহিনী ও পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অবরুদ্ধ পর্যটকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয় এবং এ ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ