মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৬ পি.এম
বাংলাদেশ থেকে ওমানে বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল (ইভি বাইক) রপ্তানি, প্রযুক্তি বিনিময় এবং যৌথ বিনিয়োগের লক্ষ্যে বাংলাদেশের পিটন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড ও ওমানের মডার্ন স্টার বিজনেসেস এলএলসির (স্টার ড্রোনস) মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
এ সমঝোতা স্মারক সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ঢাকার নভোথিয়েটারে বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬-এর অনুষ্ঠানে সই করা হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সমঝোতা স্মারকে পিটন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ ইকবাল জাহেদী এবং স্টার ড্রোনসের পক্ষে প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদ আব্দুল গাফুর সাইফ উদ্দিন সই করেন।
চুক্তির আওতায় প্রাথমিকভাবে ওমানের ফুড ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম ‘বিজ’ (Bees)-এর ডেলিভারি বহরের জন্য বাংলাদেশ থেকে ইলেকট্রিক বাইক সংগ্রহ করা হবে। পরবর্তী ধাপে মধ্যপ্রাচ্যের বাজারের চাহিদা বিবেচনায় ওমানে একটি অ্যাসেম্বলি লাইন স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানায়, সমঝোতা অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে ইভি প্রযুক্তি ও প্রযুক্তিগত জ্ঞান ওমানে স্থানান্তরের পাশাপাশি দুই দেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে যৌথভাবে কাজ করা হবে। একই সঙ্গে রিভার্স ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নতুন প্রযুক্তি উন্নয়নের পরিকল্পনাও রয়েছে।
এ ছাড়া স্টার ড্রোনস তাদের ড্রোন ডেলিভারি প্রযুক্তির সঙ্গে বাংলাদেশি ইভি বাইকের সমন্বয় ঘটিয়ে একটি সমন্বিত ডেলিভারি নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা করেছে। চুক্তির আওতায় ওমান থেকে মূলধন ও ড্রোন প্রযুক্তি বাংলাদেশে এনে স্থানীয়ভাবে বিনিয়োগের কথাও বলা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন।
তিনি বলেন, "বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো একাডেমিয়া, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে উদ্ভাবনী মেলার আয়োজন করা হয়েছে। পিটন ইন্ডাস্ট্রিজ ও স্টার ড্রোনসের মধ্যকার এ সমঝোতা সেই উদ্যোগের বাস্তব ফল।"
তিনি আরও বলেন, "এই প্রযুক্তিগত সহযোগিতা জাতীয় অর্থনীতি ও দেশের উদীয়মান সবুজ প্রযুক্তি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।"
স্টার ড্রোনসের প্রতিনিধি জানান, বাংলাদেশি পণ্যের মান ও স্থানীয় উদ্ভাবনী সক্ষমতা তাদের আকৃষ্ট করেছে। এ উদ্যোগ শুধু ইভি বাইক কেনাবেচায় সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশি প্রযুক্তির বাজার সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশে ওমানের যৌথ বিনিয়োগের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এগিয়ে নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ওমান দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন ও মিনিস্টার প্লেনিপোটেনশিয়ারি ফাথিয়া বিনতে আহমেদ আল বালুশি।
এ ছাড়া সৌদি আরব-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি আশরাফুল হক চৌধুরী, পিটন ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের চেয়ারম্যান শামসুল আলম লিটন, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর আলী আজগর অপু এবং স্টার ড্রোনসের কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একসঙ্গে অনেক মানুষ বসে আড্ডা দিচ্ছেন, কিন্তু মশার কামড় খেতে হচ্ছে শুধুমাত্র একজনকেই—এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখা যায়। অনেকেই বিষয়টিকে কাকতালীয় মনে করেন, তবে এর পেছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। শরীরের কিছু বৈশিষ্ট্যের কারণে নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে মশা অন্যদের তুলনায় বেশি কামড়ায়।
আনন্দবাজারের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শরীর থেকে নিঃসৃত কার্বন ডাই-অক্সাইড, রক্তের গ্রুপ, ঘামের গন্ধ, শরীরের তাপমাত্রা, অতিরিক্ত মদ্যপান এবং ত্বকে থাকা কিছু ব্যাকটেরিয়ার কারণে মশা কিছু মানুষের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হতে পারে।
নিঃশ্বাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড
শরীর থেকে নিঃসৃত কার্বন ডাই-অক্সাইড মশাকে আকৃষ্ট করে। মশার শুঁড়ে থাকা বিশেষ ধরনের অনুভূতিশক্তিসম্পন্ন অংশ প্রায় ১০০ ফুট দূরত্ব থেকে নিঃশ্বাসের মাধ্যমে বের হওয়া কার্বন ডাই-অক্সাইড শনাক্ত করতে সক্ষম।
যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন বা দ্রুত হাঁটেন, তাদের নিঃশ্বাসের গতি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। ফলে শরীর থেকে বেশি কার্বন ডাই-অক্সাইড বের হয়। এতে এডিস এবং ম্যালেরিয়ার মশা তাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হতে পারে।
রক্তের গ্রুপ
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ‘ও’ পজেটিভ এবং ‘ও’ নেগেটিভ রক্তের গ্রুপের মানুষের প্রতি মশা তুলনামূলকভাবে বেশি কামড়ায়। এরপর রয়েছে ‘বি’ রক্তের গ্রুপের মানুষ।
তবে মশা কীভাবে রক্তের গ্রুপের পার্থক্য বুঝতে পারে, তা নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। নির্দিষ্ট রক্তের গ্রুপের মানুষের ত্বক থেকে বিশেষ ধরনের রাসায়নিক সংকেত বের হয়, যা মশা সহজেই শনাক্ত করতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
ঘামের গন্ধ
মানুষের ঘামে ল্যাকটিক অ্যাসিড, ইউরিক অ্যাসিড এবং অ্যামোনিয়ার মতো বিভিন্ন উপাদান থাকে। যারা বেশি ঘামেন, তাদের শরীর থেকে এসব উপাদানও বেশি পরিমাণে বের হয়। ফলে তাদের প্রতি মশার আকর্ষণ বৃদ্ধি পেতে পারে।
শরীরের বেশি তাপমাত্রা
মশার শরীরে থাকা বিশেষ অনুভূতিশক্তি শরীরের তাপমাত্রার সামান্য পরিবর্তনও শনাক্ত করতে পারে। বিশেষ করে যারা বেশি ব্যায়াম করেন বা জ্বরে আক্রান্ত, তাদের শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকতে পারে। এ কারণে মশা তাদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হতে পারে।
অতিরিক্ত মদ্যপান
অতিরিক্ত মদ্যপান করলেও মশার কামড় বৃদ্ধি পেতে পারে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। শরীরে অ্যালকোহল প্রবেশ করলে রক্তনালি প্রসারিত হয় এবং ত্বকে রক্তপ্রবাহ বাড়ে। একই সঙ্গে ঘামের মাধ্যমে ইথানল বের হয়, যা মশা শনাক্ত করতে পারে। এছাড়া অতিরিক্ত মদ্যপানে শরীরের তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পেতে পারে, যা মশাকে আকৃষ্ট করে।
ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া
মানুষের ত্বকে বিভিন্ন ধরনের অণুজীব বা ব্যাকটেরিয়া বিদ্যমান। ত্বকে থাকা কিছু বিশেষ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়ার কারণে ম্যালেরিয়া ও এডিস মশা কিছু মানুষের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হতে পারে। ফলে অন্যদের তুলনায় তাদের মশার কামড়ের সংখ্যা বেশি হতে পারে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নীলফামারীর সৈয়দপুরে এক তরুণীর ছবি অশ্লীলভাবে এডিট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীও রয়েছেন।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এর আগে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সৈয়দপুর শহরের সাহেবপাড়া লিচু বাগান এলাকার একটি বাসা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন কামাল হোসেনের ছোট ছেলে সুজন মিয়া (২৫), মেজো ছেলে শাকির রানা (৩০) এবং শাকির রানার স্ত্রী মাহিমা ইসলাম শাম্মী (২৫)।
মামলার এজাহার ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সূত্রে জানা যায়, সুজন মিয়া ওই তরুণীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। একপর্যায়ে বিভিন্নভাবে প্ররোচিত করে গোপনে তাকে বিয়ে করেন তিনি।
পরে তরুণীর পরিবার এই বিষয়টি জানতে পারে। এ নিয়ে পারিবারিকভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। এর অংশ হিসেবে সুজনের পরিবারের সদস্যরা তরুণীকে দেখতে তাদের বাড়িতে যান এবং তার ছবি তুলে নিয়ে আসেন।
অভিযোগ রয়েছে, পরে ওই ছবি অশ্লীলভাবে এডিট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন আসামিরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা সালাম রেজা বাদী হয়ে সৈয়দপুর থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
সৈয়দপুর থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা জানান, তরুণীর অশ্লীল ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে সাইবার সুরক্ষা আইনের ১৯(ক)/২৫/২৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলাটির নম্বর ৭। সোমবার দুপুরে গ্রেপ্তার তিন আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলমান হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির আওতায় গত পাঁচ মাসে সারাদেশে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ জন শিশু টিকা গ্রহণ করেছে, যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ বেশি।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, চলতি বছরের মার্চ মাসের শেষের দিকে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে সরকার দ্রুততার সঙ্গে ৫ এপ্রিল প্রথম দফায় দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু করে। দ্বিতীয় দফায় ১২ এপ্রিল থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৪টি সিটি করপোরেশনে (ঢাকা দক্ষিণ, ঢাকা উত্তর, বরিশাল ও ময়মনসিংহ) এবং সর্বশেষ তৃতীয় দফায় ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে একযোগে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়, যা এখনও চলমান রয়েছে।
তবে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এখনও বিদ্যমান থাকায় আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে হাম প্রতিরোধে সরকার আবারও নতুন করে ব্যাপকভাবে টিকা ক্যাম্পেইন শুরু করতে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, প্রথমে এই কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে শিশুদের টিকা গ্রহণের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১০৯ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সরকারের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১ কোটি ৮০ লাখ ১৫ হাজার ৬৪ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া। কিন্তু ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেখা গেছে, সারাদেশে ১ কোটি ৯৭ লাখ ৭১ হাজার ৭২০ জন শিশুকে টিকা দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে হাম-রুবেলার টিকার সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বরিশাল বিভাগে ১১ লাখ ১০ হাজার ৬৯৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৮ লাখ ৪১ হাজার ৯২৪ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৯ লাখ ১৯ হাজার ৯১৩ জন, খুলনা বিভাগে ১৬ লাখ ৯৫ হাজার ৭৭৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৯১৬ জন, রাজশাহী বিভাগে ২২ লাখ ১৩ হাজার ১৯৭ জন, রংপুর বিভাগে ২০ লাখ ৭৩ হাজার ৪৮৮ জন ও সিলেট বিভাগে ১৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮০৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া সিটি করপোরেশন এলাকায় বরিশাল সিটি করপোরেশনে ৪৪ হাজার ১১৯ জন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ৩ লাখ ৩৬ হাজার ৮৭০ জন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে ৪৮ হাজার ৬৪৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৮৮ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ৪ লাখ ১৮ হাজার ৯৭২ জন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ২ লাখ ৬ হাজার ৯২৭ জন, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে ৮৩ হাজার ৬৯৭ জন, খুলনা সিটি করপোরেশনে ৯৬ হাজার ৭৯২ জন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনে ৬২ হাজার ৩০৫ জন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনে ৬৩ হাজার ৫৯ জন, রংপুর সিটি করপোরেশনে ৮২ হাজার ২৫৩ জন ও সিলেট সিটি করপোরেশন এলাকায় ৭২ হাজার ৩৪৯ জন শিশু হাম-রুবেলার টিকা নিয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. জাহিদ রায়হান বলেন, শিশুদের টিকা দেওয়া একটি চলমান প্রক্রিয়া। তবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে সারাদেশে ব্যাপকভাবে শিশুদের হামের টিকা দেওয়ার যে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে, এটি সরকারের বাড়তি তৎপরতা।
তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে, যাতে কোনো শিশু টিকা গ্রহণ থেকে বাদ না পড়ে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজুকে পুলিশ আটক করেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে লালমাটিয়া মিনা বাজারের সামনে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজু (৬৯) পাবনা জেলার আমিনপুর থানার নাটিয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ২০১৪ সালে পাবনা-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আটকের সময় ধস্তাধস্তির কারণে আজিজুল হক আরজু সামান্য আহত হন। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় পুলিশি প্রহরায় তাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ