মঙ্গলবার, ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৩:০৭ পি.এম
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় সাবেক সংসদ সদস্য খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজুকে পুলিশ আটক করেছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে লালমাটিয়া মিনা বাজারের সামনে স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়।
আটক হওয়া খন্দকার মো. আজিজুল হক আরজু (৬৯) পাবনা জেলার আমিনপুর থানার নাটিয়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ২০১৪ সালে পাবনা-২ আসন থেকে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আটকের সময় ধস্তাধস্তির কারণে আজিজুল হক আরজু সামান্য আহত হন। হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় পুলিশি প্রহরায় তাকে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের (Yunnan Minzu University) তিন সদস্যের একটি শিক্ষক প্রতিনিধি দল আজ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-তে এক বছরের জন্য আগমন করেছে। চীনা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই সফরটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিকেএসপির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ প্রতিনিধি দলকে স্বাগত জানান।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেএসপিতে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইফ উল্লাহ এবং ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা একে অপরের সঙ্গে চীনা ভাষা শিক্ষা, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।
২০২৩ সালে চীনের ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বিকেএসপির সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়। এই সমঝোতার আওতায় বিকেএসপির প্রশিক্ষণার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে বিকেএসপির ১০ জন প্রশিক্ষণার্থী ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন।
চীনা ভাষা শিক্ষার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও যুগোপযোগী করার লক্ষ্যে বিকেএসপির কলেজ শাখার একটি শ্রেণিকক্ষকে আধুনিক ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব হিসেবে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর ফলে বিকেএসপির প্রশিক্ষণার্থীরা চীনা ভাষা শেখার পাশাপাশি ভবিষ্যতে চীনে উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে যোগাযোগ দক্ষতা বৃদ্ধির সুযোগ পাবেন।
বিকেএসপি ও ইউনান মিনজু বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সহযোগিতা দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে শিক্ষা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিনিময়কে আরও জোরদার করবে এবং বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তরুণ নাট্যকার ও পরিচালক মারুফ হোসেন সজীব আর আমাদের মাঝে নেই। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে হৃদযন্ত্রের সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার মৃত্যুর ফলে নাট্যাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
সজীবের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার সহকর্মী নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীরা। তারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার বাদ জোহর রাজধানীর উত্তরার ১২ নম্বর সেক্টর কবরস্থানে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।
নির্মাতা আশিকুর রহমান জানিয়েছেন, মারুফ হোসেন সজীব হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছিলেন। কিছুদিন আগে চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত আকস্মিকভাবে না ফেরার দেশে চলে গেলেন এই তরুণ নির্মাতা।
নাট্যাঙ্গনে সজীব ছিলেন এ সময়ের অন্যতম আলোচিত নির্মাতা। তিনি পরিচালনার পাশাপাশি নিজের নাটকের গল্পও নিজেই লিখতেন। গল্প, নির্মাণ ও নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে তিনি অল্প সময়ের মধ্যে দর্শকদের মধ্যে আলাদা পরিচিতি অর্জন করেছিলেন।
কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সজীব বিভিন্ন সময়ে বেশ কিছু সম্মাননাও লাভ করেছেন। তার নির্মিত উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘বিলোপ’, ‘বাবুই পাখির বাসা’, ‘রঙিন কাগজ’, ‘সিকিউরিটি গার্ল’, আঁধারি ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য’, ‘হাসি’, ‘বিকেল বেলার ছাদ’, ‘দুষ্ট মিষ্টি প্রেম’, ‘আদরের চাঁদ’, ‘জোড়া শালিকের ঘর’, ‘জলকৌড়ি’, ‘দু’জন দুজনার’, ‘বাবলার জাদুর বাক্স’, ‘খুশি’, ‘আজ আকাশে চাঁদ নেই’, ‘কথা বন্ধু’, ‘কাজল চোখের মেয়ে’, ‘আপনারা আমাকে শুনুন’, ‘আজকাল তুমি আমি’, ‘১০০ বিঘা ফুল বাগান’, ‘মুমতা’, ‘মেঘলা’ ও ‘নুসাইবা’।
অল্প বয়সেই নাটক লেখা ও নির্মাণে নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন মারুফ হোসেন সজীব। তার আকস্মিক মৃত্যুতে সহকর্মী নির্মাতা, অভিনয়শিল্পী ও নাট্যাঙ্গনের অন্যান্যরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাইগ্রেন নারী ও পুরুষ উভয়ের মধ্যে দেখা দিতে পারে। তবে, বয়ঃসন্ধির পর নারীদের মধ্যে এর প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। নারীদের মাইগ্রেনে আক্রান্ত হওয়ার হার পুরুষদের তুলনায় প্রায় দুই থেকে তিন গুণ বেশি।
এর একটি প্রধান কারণ হলো শরীরে হরমোনের ওঠানামা। বিশেষ করে, ইস্ট্রোজেনের মাত্রার পরিবর্তনের সঙ্গে নারীদের মাইগ্রেনের সম্পর্ক রয়েছে।
মাসিকের সময় কেন বাড়ে মাইগ্রেন?
মাসিক শুরুর আগে শরীরে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা দ্রুত কমে যায়। যেসব নারী এই হরমোনের পরিবর্তনের প্রতি বেশি সংবেদনশীল, তাদের জন্য এ সময় মাইগ্রেনের আক্রমণ শুরু হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়।
মাসিকের সঙ্গে সম্পর্কিত মাইগ্রেন সাধারণত মাসিক শুরুর কয়েক দিন আগে থেকে শুরু হতে পারে। অনেক নারীর ক্ষেত্রে মাসিকের প্রথম কয়েক দিনেও এই সমস্যা দেখা দেয়।
বয়ঃসন্ধির পর বাড়ে পার্থক্য
শিশু বয়সে ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে মাইগ্রেনের হার প্রায় সমান থাকে। কিন্তু বয়ঃসন্ধির পর মেয়েদের মধ্যে মাইগ্রেনের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
এ সময় থেকেই মাসিক চক্র ও শরীরের হরমোনের পরিবর্তনের সঙ্গে মাইগ্রেনের সম্পর্ক আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
গর্ভাবস্থায় কমতে পারে
গর্ভাবস্থায় অনেক নারীর মাইগ্রেনের সমস্যা কমে যেতে পারে। এর একটি কারণ হলো এ সময় ইস্ট্রোজেনের মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি ও স্থিতিশীল থাকে।
তবে, মেনোপজের আগের সময়, অর্থাৎ পেরিমেনোপজে, পরিস্থিতি আবার বদলে যেতে পারে। এ সময় হরমোনের মাত্রা দ্রুত ওঠানামা করায় কারও কারও মাইগ্রেন আরও ঘন ঘন বা তীব্র হতে পারে।
মেনোপজের পর অনেক নারীর মাইগ্রেনের সমস্যা কমে আসে। তবে, সবার ক্ষেত্রে একই অভিজ্ঞতা হয় না।
শুধু হরমোনই দায়ী নয়
নারীদের মাইগ্রেন বেশি হওয়ার পেছনে হরমোন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও এটিই একমাত্র কারণ নয়। বংশগত প্রবণতা, ঘুমের অনিয়ম, মানসিক চাপ, খাবার বাদ দেওয়া, শরীরে পানির ঘাটতি এবং আবহাওয়ার পরিবর্তনসহ বিভিন্ন বিষয় মাইগ্রেনের আক্রমণ বাড়িয়ে দিতে পারে।
তাহলে, একজন নারীর মাইগ্রেনের কারণ বা আক্রমণের সূত্র অন্যজনের চেয়ে আলাদা হতে পারে।
নারীদের মাইগ্রেন বেশি হওয়ার কারণ কী?
সহজভাবে বলা যায়, নারীদের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে হরমোনের মাত্রায় বারবার পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে মাসিক, গর্ভাবস্থা এবং মেনোপজের সময় ইস্ট্রোজেনসহ বিভিন্ন হরমোনের পরিবর্তন মাইগ্রেনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত।
তবে, শুধু হরমোনের পরিবর্তন নয়, ঘুম, খাবার, মানসিক চাপ, পানিশূন্যতা ও আবহাওয়ার মতো বিষয়ও মাইগ্রেনের আক্রমণকে উসকে দিতে পারে। তাই, মাইগ্রেনের সমস্যা থাকলে নিজের কোন বিষয়গুলোতে আক্রমণ বাড়ে, তা খেয়াল রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি পয়েন্টই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পয়েন্ট টেবিলের চার নম্বরে অবস্থানরত বাংলাদেশের জন্য ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চারটি টেস্ট ম্যাচ তাই বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।
ঘরের মাঠের সুবিধা কাজে লাগানোর লক্ষ্যে, আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিতব্য দুই টেস্টের একটি চট্টগ্রামের পরিবর্তে সিলেটে আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে, ভেন্যু সম্পর্কে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ইংল্যান্ড সিরিজের ভেন্যু নিয়ে বিসিবির একজন কর্মকর্তা বলেন, "সিলেটে খেলা হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো, তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।"
মিরপুরে বাংলাদেশের সাফল্য থাকলেও, চট্টগ্রাম সাম্প্রতিক সময়ে সেই আস্থা অর্জন করতে পারছে না। অতিরিক্ত ফ্ল্যাট উইকেট এবং মাঠের অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিসিবির উদ্বেগ রয়েছে। আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের জন্যও টেস্টের ভেন্যু হিসেবে মিরপুর ও সিলেটকে বিবেচনা করা হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির একজন কর্মকর্তা জানান, "চট্টগ্রামে আমরা টেস্ট খেলতে চাই না, কারণ সেখানকার উইকেট বড্ড ফ্ল্যাট।"
বিসিবির এই অবস্থান থেকে বোঝা যায় যে, বাংলাদেশের উঠতি পেস আক্রমণও চট্টগ্রামের উইকেটে সুবিধা পাচ্ছে না। ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন সিরিজগুলোতে এমন উইকেটের প্রয়োজন যেখানে পেস এবং স্পিনের মধ্যে ভারসাম্য থাকবে।
ফলাফলকেন্দ্রিক টেস্ট ক্রিকেটে নির্দিষ্ট ভেন্যুর গুরুত্ব নিয়ে আগেই মন্তব্য করেছেন ভারতের সাবেক স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন। তিনি ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়ের পর লিখেছিলেন, "বাংলাদেশের দুর্দান্ত জয়! এটি নির্দিষ্ট টেস্ট সেন্টারের গুরুত্ব আবার প্রমাণ করল।"
চট্টগ্রামের মাঠে বাংলাদেশের পরিসংখ্যানও খুব একটা সন্তোষজনক নয়। এই ভেন্যুতে ২৬ টেস্ট খেলে বাংলাদেশ মাত্র তিনটিতে জিতেছে, ১৬টিতে হারিয়েছে এবং সাতটি ড্র করেছে। অর্থাৎ, ঘরের মাঠ হলেও চট্টগ্রাম বাংলাদেশের জন্য খুব একটা ফলপ্রসূ ভেন্যু হয়ে উঠতে পারেনি।
অন্যদিকে, চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিপক্ষে চমক দেখিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০২১ সালে ম্যাচের পঞ্চম দিনে স্পিনারদের সহায়তা থাকা সত্ত্বেও, কাইল মেয়ার্সের দুর্দান্ত দ্বিশতকে ভর করে ৩৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ম্যাচ জিতে নিয়েছিল ক্যারিবীয়রা।
অন্যদিকে, সিলেটে বাংলাদেশের রেকর্ড তুলনামূলকভাবে ভালো। ছয় টেস্ট খেলে টাইগাররা তিনটিতে জয় অর্জন করেছে। বিশেষ করে ২০২৩ সালে নিউজিল্যান্ড এবং ২০২৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে সিলেটের জয় বাংলাদেশের টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের দৌড়ে থাকতে প্রতিটি পয়েন্টই এখন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। তাই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও বাস্তবতার চাপে চট্টগ্রামকে পিছনে রেখে ঢাকা ও সিলেটকে টেস্টের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার দিকে এগোচ্ছে বিসিবি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ