ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটুয়াখালীতে শ্রমিক দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা


পটুয়াখালীতে শ্রমিক দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

পটুয়াখালী সদর উপজেলার রিপন কাজী নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত সাড়ে ১১টার সময়, উপজেলার মরিচবুনিয়া ইউনিয়নের গগনখা বাজারের নিকটবর্তী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত রিপন কাজী (৩৮) সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া ও আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী কালীবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তাঁর বাবার নাম মিজানুর রহমান কাজী। নিহত রিপন গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতির পদে কাজ করতেন।

নিহতের মা ও ভাই অভিযোগ করেছেন যে, রাজনৈতিক ও পারিবারিক বিরোধের কারণে রিপনের চাচাত ভাইদের দ্বারা ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে। তারা জানান, হামলাকারীদের সঙ্গে রিপনের বাবা, মিজানুর রহমান কাজী,ও উপস্থিত ছিলেন। ঘটনায় প্রত্যক্ষদর্শী এবং রিপনের চাচাত ভাই রাজীব কাজী বলেন, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে, সে ও রিপন গগনখা বাজার থেকে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে ফারুক মাস্টারের বাড়ির সামনে যখন পৌঁছান, তখন চাচাত ভাই রাসেল কাজী মোটরসাইকেল থামিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলতে আসেন। মামলার সময় হঠাৎ রাসেল, রিফাত (২৬), সোহাগ (৪২), রাহাত (২৯), এবং রিফাতের খালাত ভাই পলাশসহ মোট ৭-৮ জন ধারাল অস্ত্র নিয়ে রিপনের ওপর হামলা শুরু করে। হামলাকারীদের মাঝে রিপনের বাবা মিজানুর রহমানও ছিলেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

রাজীব জানান, প্রাণে বাঁচতে সে পাশের একটি খালে ঝাঁপ দিয়ে escapes করে। খালের অপর পারে উঠে চিৎকার করতে থাকে। এরপর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এসে রিপনকে উদ্ধার করে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের ছোট ভাই রাব্বী কাজী (২৭) অভিযোগ করে বলেন, তার বড় ভাই রিপন গөгөলশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতির পদে ছিলেন। অন্যদিকে চাচাত ভাই রিফাত কাজী একই ইউনিয়নের ছাত্রদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করতেন। দুই দলের মধ্যে স্থানীয় রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল।

এছাড়া, তাদের বাবা মিজানুর রহমান কাজী একাধিক বিয়ে করায় বাড়ির জমিজমা বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছিলেন। চাচাত ভাইয়েরা কম দামে জমি কেনার জন্য তাকে বিয়ে করতে উৎসাহিত করতেন। এর ফলে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এসব বিষয় নিয়েই দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ ছিল, এবং সেই বিরোধের ফল হিসেবে রিপনের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনাটির পর থেকে মিজানুর রহমান কাজী ও অন্যান্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা আত্মগোপনে চলে গেছেন। তাই তাদের কোনও বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে না। পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, মরদেহ উদ্ধার হয়েছে, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তও সম্পন্ন হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় জমিজমা বিরোধে জেলেকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২২ এম


কলাপাড়ায় জমিজমা বিরোধে জেলেকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমি সংক্রান্ত একটি বিরোধের ফলে মোহন তালুকদার (৪০) নামের একজন জেলেকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি বুধবার রাত ৮টার সময় সংঘটিত হয় উপজেলার বালিয়াতলী ইউনিয়নের লেমুপাড়া গ্রামে। আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মোহন তালুকদারকে উদ্ধার করে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

আহত মোহন তালুকদার জানান, প্রায় দুই বছর আগে তিনি লেমুপাড়া গ্রামের মিজানুর তালুকদারের কাছ থেকে মৌখিক চুক্তির মাধ্যমে প্রায় ৯০ শতাংশ জমি দুই লাখ টাকায় কেনার চুক্তি করেছিলেন। তিনি ওই সময় বায়না হিসেবে এক লাখ ২০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছিলেন। কিন্তু পরে মোহন জানতে পারেন, ঐ জমিটি সরকারি খাস জমি এবং বিক্রেতার নামে কোন রেকর্ডও নেই। এই ঘটনায় তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিষয়টি আদালতে গড়ালে মিজানুরের দাবি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট জমিটি খাস জমি হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।

এছাড়াও মোহনের আরও অভিযোগ, বুধবার রাতে তিনি পার্শ্ববর্তী খালে মাছ ধরার জন্য জাল ফেলে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির প্রবেশমুখে পৌঁছালে মিজানুর তালুকদার, রাসেল মাতুব্বর, সজিব তালুকদার, করিম মাতুব্বর ও মিজানুর হাওলাদার দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়। ফলে মোহন মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত পান। তবে অভিযুক্ত মিজানুর তালুকদার তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, “ঘটনার সময় আমি আদালতের কাজে পটুয়াখালী ছিলাম। রাত ৯টার দিকে বাড়িতে ফিরেছি। মোহনের সঙ্গে আমার কোনো মারামারির ঘটনা ঘটেনি। তবে জমি নিয়ে আমাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।” কলাপৰা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, “ঘটনার বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাথরঘাটায় তালাকপ্রাপ্ত নারীর সন্তান প্রসব, শিশুর পিতৃপরিচয় নিয়ে চাঞ্চল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৪ এম


পাথরঘাটায় তালাকপ্রাপ্ত নারীর সন্তান প্রসব, শিশুর পিতৃপরিচয় নিয়ে চাঞ্চল্য

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের বাকপ্রতিবন্ধী ও মানসিক ভারসাম্যহীন এক তালাকপ্রাপ্ত নারী একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এই শিশুর পিতৃপরিচয় নিয়ে এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্যের। পরিবারের সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি নিজ বাড়িতে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। পরিবারের দাবি, প্রায় আট বছর আগে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন এবং বাকপ্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। এ অবস্থার কারণে আড়াই বছর আগে তার স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাদের প্রায় ছয় বছরের সংসার ছিল। বিচ্ছেদের পর থেকেই মেয়েটি বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। ওই নারীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে কোথাও একা যেত না।

সে কথা বলতে পারে না, এবং নিজের মনের কথাও বোঝাতে পারে না। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি বুঝতে পারি সে সন্তানসম্ভবা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ের মুখের ভাষা নেই। সে কিছু বলতে পারে না। তাই শিশুটির বাবার পরিচয়ও জানা সম্ভব হচ্ছে না।’ ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। স্থানীয় বিএনপির সভাপতি মো. রাজ্জাক শেখ বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। যারাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

স্থানীয় বিএনপি নেতা জুলফিকার আলী বলেন, একজন অসহায় ও মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। প্রকৃত দোষীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ জালাল মিয়া বলেন, পরিবারটিকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। বিভিন্ন সময় তাদের চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগিতা করেছি। তবে মেয়েটি যে গর্ভবতী ছিল তা আমি বুঝতে পারিনি। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পাথরঘাটা থানার ওসি বলেন, এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে বাবার ১০ বিয়ের প্রতিবাদ করায় শ্রমিক দল নেতাকে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩০ এম


আমতলীতে বাবার ১০ বিয়ের প্রতিবাদ করায় শ্রমিক দল নেতাকে হত্যা

বরগুনার আমতলীর গুলিশাখালী ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সভাপতি রিপন কাজীকে (৩৫) তাঁর বাবার ১০ বিয়ের প্রতিবাদ করার কারণে হত্যা করা হয়েছে। বাবার নেতৃত্বে, মিজানুর ওরফে ভুট্টো কাজী, তাঁর চাচাতো ভাই রিফাত কাজী এবং বিভিন্ন সহযোগীরা মিলে রিপন কাজীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছেন। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ পটুয়াখালী সদর উপজেলার গগণখা এলাকায় ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনায় জড়িত বলে সন্দেহে মোস্তফা কাজী এবং ফিরোজ কাজী নামের দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহত রিপন কাজী ছিলেন আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রামের মো. মিজানুর ওরফে ভুট্টো কাজীর ছেলে। তিনি এ ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সভাপতি ছিলেন। জানা যায়, মিজানুর কাজী দশ বিয়ে করেছেন। এর ফলে বাবার সঙ্গে রিপন কাজীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের প্রভাবেই ছেলে রিপন কাজী গত দুই বছর আগে বাবাকে মারধর করেন, ফলে বাবা মিজানুর কাজীর পা ভেঙে যায়।

এরপর থেকেই প্রতিশোধের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। বাবা নিজেই ছেলের হত্যার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার এই পটভূমির মধ্যে, শেখ হাসিনার পতনের পর চাচাতো ভাই রিফাত কাজীর সঙ্গে রিপন কাজীর মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। দুইজনের মধ্যে চরম বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। নিহতের ভাই সাব্বির কাজী অভিযোগ করেছেন যে, বাবার নেতৃত্বে রিপন কাজীর হত্যার পরিকল্পনা তৈরি হয়। মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে রিপন এবং তার চাচাতো ভাই রাজিব কাজী বাজারঘোনা এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে গ্রামের বাড়ি কালিবাড়ী যাচ্ছিলেন। ঠিক এই সময় পটুয়াখালী সদর উপজেলার গগণখা এলাকায় ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে তাদের গতিরোধ করে ১৫-২০ জনের একটি দল, যাদের মধ্যে ছিল বাবার দল। তারা রিপন কাজীকে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মিজানুর কাজীর মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকেই বাবাসহ সন্ত্রাসীরা পলাতক হয়ে যায়। স্থানীয়রা সন্দেহভাজন মোস্তফা কাজী ও ফিরোজ কাজীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশ তাদের পটুয়াখালী সদর থানায় হস্তান্তর করেছে। সেখানেও তাদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ওসি মো. মনিরুজ্জামান।

এ ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পটুয়াখালী সদর থানায় নিহতের মাতা আমেনা বেগম বাদী হয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নিহতের লাশ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী রাজিব কাজী বলেন, “আমি আর রিপন কাজী রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাজারঘোনা থেকে বাড়ি যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে গগণখা নামক এলাকায় পৌঁছালে রাসেল কাজী চাচাতো ভাই রিপনকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।” এতে তাদের মোটরসাইকেল ঘটনা স্থলে পড়ে যায়। রাজিব দৌড়ে পালিয়ে গেলেও রিপন কাজীকে ১৫-২০ জন মিলে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রিপন কাজীর ছোট ভাই সাব্বির কাজী বলেন, “বাবা মিজানুর কাজী ১০টি বিয়ে করেছেন।

ভাই রিপন প্রতিবাদ করায় বাবার নেতৃত্বে ও চাচাতো ভাই রিফাত কাজীসহ সহযোগীরা রিপনকে হত্যা করেছে।” মাতা আমেনা বেগম কান্নার সঙ্গে বলেন, “যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তাদের কঠোর বিচার চাই। স্বামীর বিয়েতে বাধা দেওয়ায় আমার সন্তানকে হত্যা হতে হলো।” আমতলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জালাল উদ্দীন ফকির বলেন, “রিপন কাজী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ছিলেন। তাঁকে হত্যা করা হবে তা আমাদের কল্পনাতেও ছিল না।” এদিকে, আমতলী থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, “স্থানীয় জনতা দুইজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। তাদের পটুয়াখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। গত রাতে ঘটনার সময় থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে, যা মিজানুর কাজীর।” পটুয়াখালী সদর থানার ওসি বলেন, “দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় রাখা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে যাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালতলীতে গাছ কাটতে গিয়ে চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩২ এম


তালতলীতে গাছ কাটতে গিয়ে চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

বরগুনার তালতলী উপজেলায় গাছ কাটার সময় এক শ্রমিক গাছের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরের দিকে তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের জাকির তবক নামক এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত শ্রমিকের নাম মো. রুবেল (৪০)। তিনি উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চামুপাড়া এলাকার জুলমাত খানের ছেলে।

জানা যায়, ছোটবগী ইউনিয়নের জাকির তবক এলাকায় মো. রুবেলসহ কয়েকজন শ্রমিক মিলে গাছ কাটার কাজ করছিলেন। এ সময় প্রথমে একটি গাছের উপরের ডাল কাটার পর, ডালগুলো একটি পুকুরে পড়ে যায়। পরে ওই কাটা ডালগুলো টেনে তুলতে রুবেল পুকুরে নেমেছিলেন। আশংকাজনকভাবে, পুকুরের পাড়ে থাকা অর্ধেক কাটা গাছটি হঠাৎ পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। এই ঘটনার ফলে রুবেল গাছের নিচে চাপা পড়ে যান এবং গাছের মাথায় থাকা কাটা ডালের অংশ তার পেটে ঢুকে পড়ে।

এ ঘটনার পর অন্য শ্রমিক ও স্থানীয়রা রুবেলকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুবেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, গাছ কাটতে গিয়ে অসাবধানতার কারণে মো. রুবেল নামে একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। ঘটনার পর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%