ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পাথরঘাটায় তালাকপ্রাপ্ত নারীর সন্তান প্রসব, শিশুর পিতৃপরিচয় নিয়ে চাঞ্চল্য


পাথরঘাটায় তালাকপ্রাপ্ত নারীর সন্তান প্রসব, শিশুর পিতৃপরিচয় নিয়ে চাঞ্চল্য

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কালমেঘা ইউনিয়নের বাকপ্রতিবন্ধী ও মানসিক ভারসাম্যহীন এক তালাকপ্রাপ্ত নারী একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এই শিশুর পিতৃপরিচয় নিয়ে এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্যের। পরিবারের সূত্রে জানা যায়, বুধবার (১ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তিনি নিজ বাড়িতে একটি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। পরিবারের দাবি, প্রায় আট বছর আগে মেয়েটি মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন এবং বাকপ্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। এ অবস্থার কারণে আড়াই বছর আগে তার স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তাদের প্রায় ছয় বছরের সংসার ছিল। বিচ্ছেদের পর থেকেই মেয়েটি বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। ওই নারীর বাবা বলেন, ‘আমার মেয়ে কোথাও একা যেত না।

সে কথা বলতে পারে না, এবং নিজের মনের কথাও বোঝাতে পারে না। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি বুঝতে পারি সে সন্তানসম্ভবা।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমার মেয়ের মুখের ভাষা নেই। সে কিছু বলতে পারে না। তাই শিশুটির বাবার পরিচয়ও জানা সম্ভব হচ্ছে না।’ ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা ওই বাড়িতে গিয়েছিলেন। স্থানীয় বিএনপির সভাপতি মো. রাজ্জাক শেখ বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। যারাই এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকুক, তাদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

স্থানীয় বিএনপি নেতা জুলফিকার আলী বলেন, একজন অসহায় ও মানসিক ভারসাম্যহীন নারীর সঙ্গে এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। প্রকৃত দোষীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। স্থানীয় বাসিন্দা ও সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ জালাল মিয়া বলেন, পরিবারটিকে দীর্ঘদিন ধরে চিনি। বিভিন্ন সময় তাদের চিকিৎসা ও আর্থিক সহযোগিতা করেছি। তবে মেয়েটি যে গর্ভবতী ছিল তা আমি বুঝতে পারিনি। এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। পাথরঘাটা থানার ওসি বলেন, এ ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আমতলীতে বাবার ১০ বিয়ের প্রতিবাদ করায় শ্রমিক দল নেতাকে হত্যা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩০ এম


আমতলীতে বাবার ১০ বিয়ের প্রতিবাদ করায় শ্রমিক দল নেতাকে হত্যা

বরগুনার আমতলীর গুলিশাখালী ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সভাপতি রিপন কাজীকে (৩৫) তাঁর বাবার ১০ বিয়ের প্রতিবাদ করার কারণে হত্যা করা হয়েছে। বাবার নেতৃত্বে, মিজানুর ওরফে ভুট্টো কাজী, তাঁর চাচাতো ভাই রিফাত কাজী এবং বিভিন্ন সহযোগীরা মিলে রিপন কাজীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছেন। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ পটুয়াখালী সদর উপজেলার গগণখা এলাকায় ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে এই নৃশংস ঘটনাটি ঘটেছে। ঘটনায় জড়িত বলে সন্দেহে মোস্তফা কাজী এবং ফিরোজ কাজী নামের দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহত রিপন কাজী ছিলেন আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের কালিবাড়ী গ্রামের মো. মিজানুর ওরফে ভুট্টো কাজীর ছেলে। তিনি এ ইউনিয়নের শ্রমিক দলের সভাপতি ছিলেন। জানা যায়, মিজানুর কাজী দশ বিয়ে করেছেন। এর ফলে বাবার সঙ্গে রিপন কাজীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের প্রভাবেই ছেলে রিপন কাজী গত দুই বছর আগে বাবাকে মারধর করেন, ফলে বাবা মিজানুর কাজীর পা ভেঙে যায়।

এরপর থেকেই প্রতিশোধের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। বাবা নিজেই ছেলের হত্যার পরিকল্পনা করেন। ঘটনার এই পটভূমির মধ্যে, শেখ হাসিনার পতনের পর চাচাতো ভাই রিফাত কাজীর সঙ্গে রিপন কাজীর মধ্যে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। দুইজনের মধ্যে চরম বিরোধের কারণে এই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। নিহতের ভাই সাব্বির কাজী অভিযোগ করেছেন যে, বাবার নেতৃত্বে রিপন কাজীর হত্যার পরিকল্পনা তৈরি হয়। মঙ্গলবার রাত সোয়া ১১টার দিকে রিপন এবং তার চাচাতো ভাই রাজিব কাজী বাজারঘোনা এলাকা থেকে মোটরসাইকেলে গ্রামের বাড়ি কালিবাড়ী যাচ্ছিলেন। ঠিক এই সময় পটুয়াখালী সদর উপজেলার গগণখা এলাকায় ফারুক ডাক্তারের বাড়ির সামনে তাদের গতিরোধ করে ১৫-২০ জনের একটি দল, যাদের মধ্যে ছিল বাবার দল। তারা রিপন কাজীকে ধারাল অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত করে। খবর পেয়ে আমতলী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মিজানুর কাজীর মোবাইল ফোন উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকেই বাবাসহ সন্ত্রাসীরা পলাতক হয়ে যায়। স্থানীয়রা সন্দেহভাজন মোস্তফা কাজী ও ফিরোজ কাজীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশ তাদের পটুয়াখালী সদর থানায় হস্তান্তর করেছে। সেখানেও তাদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান ওসি মো. মনিরুজ্জামান।

এ ঘটনার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পটুয়াখালী সদর থানায় নিহতের মাতা আমেনা বেগম বাদী হয়ে মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। নিহতের লাশ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী রাজিব কাজী বলেন, “আমি আর রিপন কাজী রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাজারঘোনা থেকে বাড়ি যাচ্ছিলাম। পথিমধ্যে গগণখা নামক এলাকায় পৌঁছালে রাসেল কাজী চাচাতো ভাই রিপনকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে।” এতে তাদের মোটরসাইকেল ঘটনা স্থলে পড়ে যায়। রাজিব দৌড়ে পালিয়ে গেলেও রিপন কাজীকে ১৫-২০ জন মিলে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত রিপন কাজীর ছোট ভাই সাব্বির কাজী বলেন, “বাবা মিজানুর কাজী ১০টি বিয়ে করেছেন।

ভাই রিপন প্রতিবাদ করায় বাবার নেতৃত্বে ও চাচাতো ভাই রিফাত কাজীসহ সহযোগীরা রিপনকে হত্যা করেছে।” মাতা আমেনা বেগম কান্নার সঙ্গে বলেন, “যারা আমার ছেলেকে হত্যা করেছে তাদের কঠোর বিচার চাই। স্বামীর বিয়েতে বাধা দেওয়ায় আমার সন্তানকে হত্যা হতে হলো।” আমতলী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জালাল উদ্দীন ফকির বলেন, “রিপন কাজী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি ছিলেন। তাঁকে হত্যা করা হবে তা আমাদের কল্পনাতেও ছিল না।” এদিকে, আমতলী থানার ওসি মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, “স্থানীয় জনতা দুইজনকে আটক করে থানায় সোপর্দ করেছে। তাদের পটুয়াখালী থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। গত রাতে ঘটনার সময় থেকে একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে, যা মিজানুর কাজীর।” পটুয়াখালী সদর থানার ওসি বলেন, “দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় রাখা হয়েছে এবং মামলার প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনার সঙ্গে যাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালতলীতে গাছ কাটতে গিয়ে চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩২ এম


তালতলীতে গাছ কাটতে গিয়ে চাপা পড়ে শ্রমিকের মৃত্যু

বরগুনার তালতলী উপজেলায় গাছ কাটার সময় এক শ্রমিক গাছের নিচে চাপা পড়ে মারা গেছেন।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরের দিকে তালতলী উপজেলার ছোটবগী ইউনিয়নের জাকির তবক নামক এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিহত শ্রমিকের নাম মো. রুবেল (৪০)। তিনি উপজেলার নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের চামুপাড়া এলাকার জুলমাত খানের ছেলে।

জানা যায়, ছোটবগী ইউনিয়নের জাকির তবক এলাকায় মো. রুবেলসহ কয়েকজন শ্রমিক মিলে গাছ কাটার কাজ করছিলেন। এ সময় প্রথমে একটি গাছের উপরের ডাল কাটার পর, ডালগুলো একটি পুকুরে পড়ে যায়। পরে ওই কাটা ডালগুলো টেনে তুলতে রুবেল পুকুরে নেমেছিলেন। আশংকাজনকভাবে, পুকুরের পাড়ে থাকা অর্ধেক কাটা গাছটি হঠাৎ পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। এই ঘটনার ফলে রুবেল গাছের নিচে চাপা পড়ে যান এবং গাছের মাথায় থাকা কাটা ডালের অংশ তার পেটে ঢুকে পড়ে।

এ ঘটনার পর অন্য শ্রমিক ও স্থানীয়রা রুবেলকে উদ্ধার করে তালতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রুবেলকে মৃত ঘোষণা করেন।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, গাছ কাটতে গিয়ে অসাবধানতার কারণে মো. রুবেল নামে একজন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই। ঘটনার পর থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ২২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৩৭ এম


রাজধানীতে বিশেষ অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ২২

 

রাজধানীর মিরপুর মডেল থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ডিএমপির মিরপুর মডেল থানা পুলিশ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন— মো. রেন্টু খান (৪৫), মো. মাফুজ (২০), মো. শাকিল (২০), মো. মোরশেদুল ইসলাম (২৩), মো. আলী (২৭), মো. সুমন (৩২), মো. সাহেদী (২০), মো. সাদিকুল আমিন (২১), সালাউদ্দিন আহমেদ শিহাব (১৯), মো. রিপন আপন (১৮), মো. আরিফ হোসেন (২৯), মো. হিরন (২১), আমিনুল ইসলাম (৩০), আসিফ গাজী (১৯), মেহেদী হাসান তানভীর (২০), মো. শিমুল মোল্লা (৩৩), মো. শুকুর আলী (৩৪), মো. আল আমিন (১৯), মো. সাজ্জাদ (২৫), মো. রাফি (২২), মো. আশিকুজ্জামান (২২) ও মো. মাসুদুর রহমান।

মিরপুর মডেল থানা সূত্রে জানানো হয়েছে, বুধবার (১ জুলাই) বিশেষ অভিযান চালিয়ে অত্র থানাধীন বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় মিরপুর মডেল থানা পুলিশ ২২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন ৬ মাসে জমা দিতে চান বিএসইসি চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৪১ এম


তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন ৬ মাসে জমা দিতে চান বিএসইসি চেয়ারম্যান

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেছেন, তালিকাভুক্ত কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় তিন মাসের পরিবর্তে ছয় মাসে নেওয়ার কথা।

তিনি জানিয়েছেন, পুঁজিবাজারে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের প্রসঙ্গেও আলোচনা করেছেন। একইসাথে, তালিকাভুক্তকরণের প্রক্রিয়াকে আরও সহজ এবং দ্রুত করার পাশাপাশি খরচ কমানোর বিষয়টিও গুরুত্বারোপ করেছেন। এছাড়া, তদারকিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারসহ পুঁজিবাজার উন্নয়নে বেশ কিছু পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন।

রাজধানীর নিকুঞ্জে বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) টাওয়ারে বক্তব্য রাখার সময়, বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলছিলেন। তিনি ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) এর আয়োজনে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

গুরুত্বপূর্ণ ভাবে গত ৪ জুন বিএসইसीর দায়িত্ব নেওয়া মাসুদ খান প্রত্যেক প্রান্তিকে তালিকাভুক্ত কোম্পানির অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশের বিষয়ে বলেছেন, “আমিও এই পেইনের মধ্যে দিয়ে এসেছি। এই পেইন আমি বুঝি। তাই তিন মাস পর রিপোর্টিং চাইব না। এটাকে ছয় মাসে নিয়ে যাব, পরে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী সময়ে হবে।”

তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক মানে উন্নিত হয়ে শুধুমাত্র বছর শেষে একটি বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হবে। বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানিকে তিন মাস পরপর অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হয়।

তিনি আর্থিক প্রতিবেদন মূল্যায়নে কমিশনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) টুলস ব্যবহারের বিষয়ে দুটি দিক তুলে ধরেছেন। এই ব্যবস্থার ফলে আইপিও (প্রাথমিক গণ প্রস্তাব) প্রক্রিয়ার আবেদন দ্রুত শেষ করা সহজ হবে বলেও তিনি মনে করেন।

এ সময় বিএসইসি চেয়ারম্যান বলেছেন, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণে যে যার কাজ করবে।

“রোড শো করার কাজটি নিয়ন্ত্রক সংস্থার না। বাজার তদারকি করাও নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ না। আমাদের কাজ হলো নীতিমালা তৈরি ও সহজতর করা, আমরা তা করব।”

তিনি স্টক এক্সচেঞ্জের স্টাফদের সন্ত্রাস প্রতিহতের জন্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বও উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ হলো সমস্যার সমাধান করা। আমি করপোরেট খাত থেকে এসেছি।

বর্তমান আইপিও প্রক্রিয়ার অকার্যকরিতার কথা তুলে ধরে বিএসইসি চেয়ারম্যান জানান, “এটাতে আইপিও হতে পারেন না। আমরা তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়া আরো সহজ করব।”

তিনি আরও বলেন, খরচ বেশি হওয়ার কারণে অনেকেই বাজারে তালিকাভুক্ত হতে আসছেন না। বাজেটের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী পুঁজিবাজারের শেয়ার লেনদেনের নিষ্পত্তি সময় ‘টি প্লাস শূন্যতে’ নামিয়ে আনার কথা বললেও কিছু সমস্যা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বিএসইসি চেয়ারম্যান উল্লেখ করেছেন।

অনুষ্ঠানে ডিবিএ সভাপতি সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, অতীতে রোডশো’র নামে বিএসইসি কর্মকর্তারা ‘জোর করে টাকা নিয়ে বিদেশে খরচ করছে’।

“রোড শো করা নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ না। এটি স্টক এক্সচেঞ্জেরও কাজ না।”

এছাড়া, তিনি সিসিবিএল প্রতিষ্ঠায় ৩০০ কোটি টাকা খরচের পরিকল্পনার সমালোচনা করেছেন।

ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ব্যাংক ও সম্পদ ব্যবস্থাপকদের তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন মডেল করার প্রস্তাব দিয়েছেন।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব পাবলিকলি লিস্টেড কোম্পানিজের সভাপতি রিয়াদ মাহমুদ উল্লেখ করেছেন, তালিকাভুক্ত কোম্পানির এজিএম করার আগে ‘টাকা দিতে হয়’।

এই বিষয়ে বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান বলেন, “আগে যখন স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে এজিএম হতো তখন অনেকেই নানাভাবে কোম্পানিকে চাপে রাখতেন।”

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%