বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০১:৪৭ পি.এম
সরকার আগামী দুই বছরের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে চায় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি উল্লেখ করেছেন, গত ১৭ বছরে ধ্বংস হয়ে যাওয়া স্বাস্থ্য খাতের পুনর্গঠনের লক্ষ্যে শিগগিরই উপজেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোকে ১৫১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রূপান্তরিত করা হবে। এই হাসপাতালে ডায়ালাইসিস, আইসিইউ এবং ফিজিওথেরাপি ইউনিট যুক্ত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব মেন্টাল হেলথের আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, মানসিক রোগীদের জন্য শয্যা ও চিকিৎসাসেবা বাড়ানোর উদ্দেশ্যে সরকার নতুন হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা করছে। তিনি মানসিক রোগ প্রতিরোধে চিকিৎসার পাশাপাশি ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্বারোপ করেন।
এছাড়া, স্বাস্থ্যমন্ত্রী আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পাবনা মানসিক হাসপাতাল থেকে সকল ধরনের বিনোদন কার্যক্রম সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা দেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ২০০৮ সালের সংস্করণ ‘বিওএটি’ (বেস্ট অব অলটাইম) পুরস্কার জিতে নিয়েছে, যা লিওনেল মেসিসহ ফুটবল ইতিহাসের একাধিক কিংবদন্তিকে পিছনে ফেলেছে। এই পুরস্কারটি ব্যালন ডি’অরের ইতিহাসের বিজয়ীদের মধ্যে সেরা সংস্করণ নির্বাচন করার জন্য উয়েফা এবং ফরাসি সাময়িকী ফ্রান্স ফুটবল দ্বারা চালু করা হয়েছে।
ব্যালন ডি’অরের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্য অনুসারে, ২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের খেলোয়াড় হিসেবে রোনালদোর ব্যালন ডি’অর জয়ের সংস্করণটি সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। এই অর্জনের মাধ্যমে পর্তুগিজ মহাতারকার ক্যারিয়ারে আরেকটি স্বীকৃতি যুক্ত হলো।
জনসাধারণের ভোটে অংশগ্রহণের জন্য ব্যালন ডি’অরের ওয়েবসাইটে প্রতিটি ভোটের জন্য এক ইউরো খরচ হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) এবং বুধবার (২৫ অক্টোবর) এর মধ্যবর্তী সময়ে ভোট গ্রহণ শেষ হয়।
২০১২ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী মেসি এই প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করেছেন। অন্যদিকে, রোনালদোর ২০১৭ সালের ব্যালন ডি’অরজয়ী সংস্করণটি তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে।
‘বেস্ট অব অল টাইম’ বা সর্বকালের সেরা শব্দবন্ধের সংক্ষিপ্ত রূপ ‘বিওএটি’। এই পুরস্কারের জন্য এমন ১০ জন ফুটবলারকে নির্বাচন করা হয়েছিল, যারা অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। তাদের মধ্য থেকে জনসাধারণের ভোটে বিজয়ী নির্ধারণ করে উয়েফা ও ফ্রান্স ফুটবল।
তালিকায় পাঁচবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো এবং আটবারের বিজয়ী লিওনেল মেসির পাশাপাশি আরও কয়েকজন কিংবদন্তি ছিলেন। তিনবার করে ব্যালন ডি’অর জেতা নেদারল্যান্ডসের মার্কো ফন বাস্তেন, ফ্রান্সের মিশেল প্লাতিনি এবং নেদারল্যান্ডসের ইয়োহান ক্রুইফও ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বিতায়।
এছাড়া, দুবার করে পুরস্কার জেতা ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিও, জার্মানির ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, ইংল্যান্ডের কেভিন কিগান, আর্জেন্টিনার আলফ্রেডো দি স্তেফানো এবং জার্মানির কার্ল-হাইঞ্জ রুমেনিগেও তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে দুর্দান্ত মৌসুম কাটিয়ে রোনালদো ক্যারিয়ারের প্রথম ব্যালন ডি’অর জিতেছিলেন। সেবার তিনি লিওনেল মেসি ও স্পেনের ফার্নান্দো তোরেসকে পেছনে ফেলেছিলেন।
এরপর তিনি আরও চারবার এই পুরস্কার জিতেছেন। ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০১৭ সালে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় হিসেবে ব্যালন ডি’অর অর্জন করেন তিনি।
অন্যদিকে, ‘বিওএটি’ ভোটে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে থেকে ২০২৭ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের দুটি টিকিট জেতার জন্য একজনকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল। ভোট দিতে খরচ হয়েছে এক ইউরো।
সাম্প্রতিক সময়ে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অরের অনুষ্ঠানে বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন হ্যারি কেইন। গত সোমবার (২৬ অক্টোবর) লন্ডনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বায়ার্ন মিউনিখ ও ইংল্যান্ডের এই তারকার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় যুব দিবসের উপলক্ষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক একগুচ্ছ কর্মসূচির ঘোষণা করেছেন। তিনি জানান, ৫৫টি প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে একটি জব ফেয়ার অনুষ্ঠিত হবে। এই ফেয়ারে ৫ হাজার জনের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং অন্তত ১০০ জনকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরি প্রদান করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সচিবালয়ে জাতীয় যুব দিবসের আয়োজন সংক্রান্ত একটি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।
আমিনুল হক উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আগামী ১ নভেম্বর জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে সারা দেশে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে। ১০ জন সফল আত্মকর্মী এবং ৪ জন উদ্যোক্তাকে জাতীয় যুব পুরস্কার-২০২৬ প্রদান করা হবে বলেও তিনি জানান।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ৫৫টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে জব ফেয়ারের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে ৫ হাজার জনের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং অন্তত ১শ জনকে তাৎক্ষণিক চাকরি প্রদান করা হবে। গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় এবার রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে জাতীয় যুব মেলা অনুষ্ঠিত হবে না। তবে, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় যুব মেলা অনুষ্ঠিত হবে।
নভেম্বরে অনুষ্ঠিত সাফ ফুটবল শিরোপার খরা কাটিয়ে উঠবে বাংলাদেশ বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন। সাফের টিকিটের দাম নিয়ে সভায় আলোচনা শেষে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
ঢাকা সিটি করপোরেশনের মধ্যে মাঠ খালি করে ফুটসাল গ্রাউন্ড তৈরির প্রক্রিয়া চলছে এবং বর্তমানে মাঠ শনাক্ত করা হচ্ছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এক বছরের মধ্যে মাঠের খরা কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হবে ঢাকা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আগামী ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম নগরীতে তিনটি মেগা প্রকল্প উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বঙ্গোপসাগর উপকূলে নির্মিত পতেঙ্গা-ফৌজদারহাট আউটার রিং রোড, কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে নির্মিত কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড এবং ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নয়টি র্যাম্প। এই তিনটি প্রকল্প চালু হলে যানজট এবং মানুষের ভোগান্তি কমবে। বন্দরের সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ হ্রাস পাবে এবং যাতায়াতে সময় সাশ্রয় হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এতে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
যানজট নিরসন এবং বন্দরের ওপর চাপ কমানোর জন্য লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই উড়ালসড়ক চালু হলেও, ওঠানামার র্যাম্পগুলো চালু না হওয়ায় নগরবাসী পুরোপুরি সুফল পাচ্ছেন না।
তবে, আগামী ডিসেম্বরে এক্সপ্রেসওয়েটির নয়টি র্যাম্পই চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আটটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। আগ্রাবাদে অবস্থিত বাকি র্যাম্পটির নির্মাণকাজ আগামী নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।
শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিমুল জানান, কাজ শেষ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, দিনরাত কাজ চলছে। আগ্রাবাদের র্যাম্পটির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে এবং দ্রুতই কাজ শেষ হবে।
সব র্যাম্প একসঙ্গে চালু হলে যানজট কমার পাশাপাশি নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বন্দরের সড়কের ওপর যানবাহনের চাপও কমবে। প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, নয়টি র্যাম্পের মধ্যে আটটির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি একটির কাজ চলছে।
বন্দর ও নগরীর ওপর চাপ কমাতে, শহরের পশ্চিম পাশে বঙ্গোপসাগরের উপকূল ঘেঁষে পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত আউটার রিং রোড নির্মাণ করা হয়েছে। ১৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।
অন্যদিকে, নগরীর পূর্ব প্রান্তে জলাবদ্ধতা এবং যানজট নিরসনের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ককে ঘিরে নতুন পর্যটনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সড়কটি চালু হলে যাতায়াতে সময় কমার পাশাপাশি নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় সুবিধা বাড়বে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জানান, আগামী ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসবেন। এ সময় তিনি শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চাক্তাই-কালুরঘাট রিং রোড এবং ফৌজদারহাট-পতেঙ্গা রিং রোড উদ্বোধন করবেন। ডিসেম্বরের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে উদ্বোধন হতে পারে।
এদিকে, নগরবাসীর সুবিধার জন্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিদ্যমান নয়টি র্যাম্পের পাশাপাশি নতুন করে আরও তিনটি র্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
একই বিসিএস ব্যাচের অন্যান্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা পদোন্নতি পেলেও, শিক্ষা ক্যাডারে বহু কর্মকর্তা বছরের পর বছর ধরে প্রভাষক পদে আটকে রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তারা। দীর্ঘ সময়ের পদোন্নতি জট এবং আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসনের দাবিতে গত ২৫ অক্টোবর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) প্রাঙ্গণে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন ৩৬তম, ৩৭তম ও ৩৮তম বিসিএসের শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তারা।
কর্মসূচির মাধ্যমে তারা দ্রুত পদোন্নতির সরকারি আদেশ জারি, বকেয়া আর্থিক সুবিধা প্রদান এবং পদস্বল্পতা নিরসনে অতিরিক্ত পদ সৃষ্টির মতো বিভিন্ন দাবি জানান। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের দাবি, অন্য ক্যাডারের ৩৭তম বিসিএসের কর্মকর্তারা ২০২৪ সালে এবং ৩৮তম বিসিএসের কর্মকর্তারা ২০২৬ সালে ষষ্ঠ গ্রেডে পদোন্নতি পেয়েছেন। কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারের ৩৭তম বিসিএসের অনেক কর্মকর্তা এখনও নবম গ্রেডের প্রভাষক পদে কর্মরত রয়েছেন। ফলে একই বিসিএস ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে পদমর্যাদা, আর্থিক সুবিধা ও পেশাগত অগ্রগতিতে বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে বলে তাদের মনে হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ, শিক্ষা ক্যাডারে প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির সংকট দীর্ঘদিনের। ২০২৫ সালে এক দফায় ১ হাজার ৮৭০ জন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়া হলেও পরবর্তী সময়ে যোগ্য অনেক কর্মকর্তার পদোন্নতি নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ৩৭তম বিসিএসের পদোন্নতি নিয়ে গত ১৬, ১৭ ও ২১ সেপ্টেম্বর বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির (ডিপিসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে সভার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পরেও পদোন্নতির সরকারি আদেশ বা জিও জারি হয়নি বলে তাদের দাবি।
ডিপিসির সুপারিশের ভিত্তিতে যোগ্য কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতি এবং প্রযোজ্য বিধিমালা অনুযায়ী জ্যেষ্ঠতা ও আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের ভাষ্য, শিক্ষা ক্যাডারে অনুমোদিত পদের তুলনায় উচ্চতর পদের সংখ্যা কম থাকায় পদোন্নতির ক্ষেত্রে জট সৃষ্টি হচ্ছে। মাউশির তথ্য অনুযায়ী, প্রভাষক পদ রয়েছে ৯ হাজার ৭৮২টি, কিন্তু সহকারী অধ্যাপক পদ রয়েছে ৪ হাজার ৪৫১টি।
এই সংকটের সমাধানে সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ে ২ হাজার ৮২৩টি সুপারনিউমারারি বা অতিরিক্ত পদ সৃষ্টির প্রস্তাব রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তাদের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪ জানুয়ারি এ-সংক্রান্ত কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে প্রস্তাবটির অনুমোদন ও বাস্তবায়নের বিষয়ে চূড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
চার দফা দাবি
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— ডিপিসির সুপারিশের আলোকে ৩৭তম বিসিএসসহ যোগ্য কর্মকর্তাদের দ্রুত পদোন্নতির আদেশ জারি, বকেয়া আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত করা, সুপারনিউমারারি (অতিরিক্ত) পদ সৃষ্টি ও বাস্তবায়ন এবং নিয়মিত পদোন্নতির সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ।
কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, পদোন্নতি জট দীর্ঘায়িত হলে শিক্ষা ক্যাডারে পেশাগত হতাশা ও বৈষম্য আরও বাড়বে। তাদের মতে, পদস্বল্পতা নিরসন এবং নিয়মিত পদোন্নতির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে এ সংকটের দীর্ঘমেয়াদি সমাধান সম্ভব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ