প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
আগামী ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম নগরীতে তিনটি মেগা প্রকল্প উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন। এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে বঙ্গোপসাগর উপকূলে নির্মিত পতেঙ্গা-ফৌজদারহাট আউটার রিং রোড, কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে নির্মিত কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড এবং ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নয়টি র্যাম্প। এই তিনটি প্রকল্প চালু হলে যানজট এবং মানুষের ভোগান্তি কমবে। বন্দরের সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ হ্রাস পাবে এবং যাতায়াতে সময় সাশ্রয় হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এতে নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটি বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।
যানজট নিরসন এবং বন্দরের ওপর চাপ কমানোর জন্য লালখান বাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার দীর্ঘ শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই উড়ালসড়ক চালু হলেও, ওঠানামার র্যাম্পগুলো চালু না হওয়ায় নগরবাসী পুরোপুরি সুফল পাচ্ছেন না।
তবে, আগামী ডিসেম্বরে এক্সপ্রেসওয়েটির নয়টি র্যাম্পই চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর মধ্যে আটটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। আগ্রাবাদে অবস্থিত বাকি র্যাম্পটির নির্মাণকাজ আগামী নভেম্বরের মধ্যে শেষ হবে।
শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শিমুল জানান, কাজ শেষ করার জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, দিনরাত কাজ চলছে। আগ্রাবাদের র্যাম্পটির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে এবং দ্রুতই কাজ শেষ হবে।
সব র্যাম্প একসঙ্গে চালু হলে যানজট কমার পাশাপাশি নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এতে বন্দরের সড়কের ওপর যানবাহনের চাপও কমবে। প্রকল্প পরিচালক মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, নয়টি র্যাম্পের মধ্যে আটটির কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি একটির কাজ চলছে।
বন্দর ও নগরীর ওপর চাপ কমাতে, শহরের পশ্চিম পাশে বঙ্গোপসাগরের উপকূল ঘেঁষে পতেঙ্গা থেকে ফৌজদারহাট পর্যন্ত আউটার রিং রোড নির্মাণ করা হয়েছে। ১৫ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই প্রকল্পে ব্যয় হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকা।
অন্যদিকে, নগরীর পূর্ব প্রান্তে জলাবদ্ধতা এবং যানজট নিরসনের লক্ষ্যে কর্ণফুলী নদীর তীরঘেঁষে কালুরঘাট-চাক্তাই রিং রোড নির্মাণ করা হয়েছে। প্রায় দুই হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সাড়ে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়ককে ঘিরে নতুন পর্যটনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সড়কটি চালু হলে যাতায়াতে সময় কমার পাশাপাশি নগরীর যোগাযোগ ব্যবস্থায় সুবিধা বাড়বে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন জানান, আগামী ডিসেম্বরেই প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসবেন। এ সময় তিনি শহীদ ওয়াসিম আকরাম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, চাক্তাই-কালুরঘাট রিং রোড এবং ফৌজদারহাট-পতেঙ্গা রিং রোড উদ্বোধন করবেন। ডিসেম্বরের প্রথম অথবা দ্বিতীয় সপ্তাহে উদ্বোধন হতে পারে।
এদিকে, নগরবাসীর সুবিধার জন্য এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের বিদ্যমান নয়টি র্যাম্পের পাশাপাশি নতুন করে আরও তিনটি র্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন