বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:১০ পি.এম
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আগামী সপ্তাহে নির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র সফর বাতিল করেছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এক বিবৃতিতে সফর বাতিলের খবর নিশ্চিত করে। খবরটি দেওয়া হয়েছে টাইমস অব ইসরাইলের মাধ্যমে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের শেষকৃত্যানুষ্ঠান পিছিয়ে যাওয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্র সফরে তিনি যাচ্ছেন না।
ইসরাইলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর আগামী শনিবার যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া এবং সেখানে মঙ্গলবার পর্যন্ত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দেয়ার পরিকল্পনা ছিল।
নেতানিয়াহুর দফতর জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষের দিকে তিনি অন্য একটি সফরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারেন। সফরটি পিছিয়ে দেবার কারণ হিসেবে প্রয়াত সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহামের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া ওই সময় পর্যন্ত স্থগিত থাকার কথা উল্লেখ করেছে নেতানিয়াহুর কার্যালয়।
সফর বাতিলের এক দিন আগে ইসরাইলের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, সফরকালে নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তবে সে বৈঠকটি হবে কি না, তা তখনও নিশ্চিত হয়নি।
হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা অ্যাক্সিওসকে নিশ্চিত করেছেন যে, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর মধ্যে বৈঠকের কোনো সূচি নির্ধারিত ছিল না।
ইসরাইলের কট্টর সমর্থক এবং ইরানের সমালোচক গ্রাহাম গত সপ্তাহে আকস্মিক অসুস্থতার পর মৃত্যুবরণ করেন। নেতানিয়াহু এই কট্টরপন্থি মার্কিন সিনেটরকে তার একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল জোটের শক্তিশালী সমর্থক বলে অভিহিত করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) অধীনে ২০২১ সালের সার্কুলারের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চাকরি স্থায়ীকরণ এবং বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে মানববন্ধন আয়োজন করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেবিচক কার্যালয়ের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এখানে ২০২১ সালের সার্কুলারের মাধ্যমে যোগদানকারী সকল স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।
মানববন্ধনের সময় বেবিচক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলেন, যোগদানের চার বছরেরও বেশি সময় চলে গেছে, কিন্তু ২০২১ সালের সার্কুলারের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের চাকরি স্থায়ীকরণে এখনো কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি। এই কারণে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে অনিশ্চয়তা এবং হতাশা সৃষ্টি হয়েছে।
তাহলে, তারা চলতি জুলাই মাসের মধ্যে ২০২১ সালের সার্কুলারের আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর চাকরি স্থায়ীকরণ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে তারা চাকরি স্থায়ীকরণের পাশাপাশি নিয়মিত বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি (ইনক্রিমেন্ট) নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সব কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বানও জানিয়েছেন।
আয়োজকরা দাবি করছেন, দীর্ঘকাল ধরেই দায়িত্ব পালনের পরেও চাকরি স্থায়ীকরণ না হওয়ায় কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পেশাগত ও আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাই দ্রুত তাদের যৌক্তিক দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় পালিত হয়েছে আরও আটটি শিশুর মৃত্যু। একই সময়ে নতুন করে ১৯৭ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং ৯৭৪ জনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছে তিনজন। এছাড়া খুলনা বিভাগে দুজন এবং সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগে একজন করে আরও তিনজন মারা গেছেন। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৭৯ জনের মৃত্যু হলো।
বিজ্ঞপ্তি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে মোট ১৪ হাজার ১০৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এ সময়ে মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ১৩৮ জনের শরীরে রোগটির উপসর্গ পাওয়া গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, আক্রান্ত ও উপসর্গ থাকা রোগীদের একটি বড় অংশকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৯৭ হাজার ৯১৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে এরইমধ্যে ৯৪ হাজার ২৭৫ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, শিশু স্বাস্থ্যের জন্য হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ব্যাধি। যেসব শিশুর নিয়মিত টিকা নেওয়া হয়নি, তারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকে। প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আক্রান্তদের দ্রুত আইসোলেশন এবং টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রয়াত কুখ্যাত শিশু যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইনের ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে গোপন সম্পর্ক ছিল বলে বহুদিন ধরে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। অবশেষে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বিষয়টি সত্য বলে স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, এপস্টেনের ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর শীর্ষ মহলের সঙ্গে গভীর যোগাযোগ ছিল।
বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন ক্রীড়া ভাষ্যকার, কৌতুক অভিনেতা, অভিনেতা এবং সাবেক টেলিভিশন উপস্থাপক জো রোগানের এক সাক্ষাৎকারে অংশ নেন ভ্যান্স। ওই সাক্ষাৎকারে তিনি অন্যান্য অনেক বিষয় সম্পর্কে আলাপ করেন এবং বিশেষভাবে বহুল আলোচিত এপস্টেইনকে নিয়েও খোলামেলা কথা তুলে ধরেন।
জেডি ভ্যান্স তার কথায় বলেন, ‘মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সর্বোচ্চ পর্যায়ে তার যে যোগাযোগ ছিল, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এছাড়া ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর শীর্ষ মহলের সঙ্গেও অব্যাহত যোগাযোগ ছিল।’
এছাড়া, ভ্যান্স কথার প্রেক্ষিতে নিজেকে ‘এপস্টাইন ষড়যন্ত্র তত্ত্বের অন্যতম আদি প্রবক্তাদের একজন’ হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এ মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন তত্ত্ব পর্যালোচনা করার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন।
রোগান যখন এপস্টাইনের ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সাথে সম্পর্কের বিষয়ে প্রচলিত জল্পনার কথা উত্থাপন করেন, তখন ভ্যান্স বলেন, ‘হ্যাঁ, মোসাদ বা সিআইএ, অথবা অন্য কোনো ডিপ স্টেটের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল।’
ভাইস প্রেসিডেন্ট আরও উল্লেখ করেন, ‘যতটুকু আমি জানি, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে এপস্টেইনের কিছু অংশের সম্পর্ক ছিল, যারা রাজনৈতিকভাবে মধ্য-বামপন্থী হিসেবে পরিচিত।’
তিনি বলেন, ‘এপস্টাইনের সম্পর্ক ডানপন্থীদের তুলনায় ইসরাইলের মধ্য-বামপন্থী মহলের সঙ্গে অনেক গভীর ছিল।’
এ মন্তব্যগুলো প্রকাশ পেলো ঠিক তখনই, যখন ট্রাম্প প্রশাসনের এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি প্রকাশের প্রক্রিয়া নিয়ে জনসাধারণের মনে বিভিন্ন প্রশ্ন ও সমালোচনার স্রোত চলছিল।
ভ্যান্স নাম প্রকাশ করে বলেন, এপস্টাইন-সংক্রান্ত নথি নিয়ে প্রশাসনের যোগাযোগ কৌশলে ত্রুটি ছিল। তিনি এর জন্য যোগাযোগজনিত সমস্যাকে এবং তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল প্যাম বন্ডির ‘অতিরঞ্জিত দাবি’কে দায়ী করেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা বিষয়টি সঠিকভাবে সামলাতে পারিনি, বিশেষ করে জনসাধারণের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে। আমার মনে হয়, শুরুতেই আমাদের সবকিছু প্রকাশ করে দেওয়া উচিত ছিল। যত দ্রুত সম্ভব কাজটি করা উচিত ছিল।’
তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এতে কোনো অসৎ উদ্দেশ্য বা তথ্য গোপনের চেষ্টা ছিল না। নথি প্রকাশের সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়ে তিনি ২০০৮ সালের বিতর্কিত সমঝোতা চুক্তিকে তদন্তের ‘মূল পাপ’ বলে বর্ণনা করেছেন।
এছাড়াও, সাক্ষাৎকারে ভ্যান্স এপস্টেইনের সঙ্গে বিলিয়নিয়ার লেস ওয়েক্সনারের দীর্ঘ সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন। তার মতে, এপস্টেইন প্রভাব খাটানোর উদ্দেশ্যে কিছু সন্দেহজনক কর-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল।
তাছাড়া সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্ল্যাকমেইল করার কাল্পনিক ধারণাটি নাকচ করে দিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের দাবি ‘উদ্ভট’।
নিউইয়র্ক মহানগরে বেড়ে ওঠা জেফরি এপস্টেইন ছিলেন একজন ইহুদি ফাইন্যান্সার বা অর্থলগ্নিকারী ও ব্যবসায়ী। তবে ব্যবসায়ী পরিচয়ের আড়ালে তিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পাচার ও যৌন নিপীড়নের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন।
অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের জন্য পাচার ও নিপীড়নের অভিযোগে ২০১৯ সালে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। কিন্তু ওই বছরের ১০ আগস্ট, নিউইয়র্কের একটি কারাগারে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রথমে জানানো হয়।
কিন্তু পরে অনেকে একে হত্যা বলেও সন্দেহ করেন। ২০২৪-২০২৫ সালের মধ্যে তার মামলা সম্পর্কিত হাজার হাজার পৃষ্ঠার নথি প্রকাশিত হয়। পরে চলতি বছর মার্কিন বিচার বিভাগ আরো নথি প্রকাশ করে।
এই নথিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, ব্রিটিশ যুবরাজ প্রিন্স অ্যান্ড্রু এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিল গেটসের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে আসে। উল্লেখ্য, তার দীর্ঘদিনের সহযোগী ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল বর্তমানে কারাদণ্ড ভোগ করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব বেশি। সম্প্রতি পিউ রিসার্চের একটি জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে। ৩৬টি দেশে পরিচালিত জরিপের ফলাফল অনুযায়ী, ২৫টিতে যুক্তরাষ্ট্রের তুলনায় চীনের প্রতি আগ্রহ বেশি।
দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্ব রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তৃত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। हालের সময়ে ভূরাজনৈতিক অঙ্গনে চীনের আধিপত্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন জরিপেও এ বিষয়ে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টার সম্প্রতি ৩৬টি দেশে জরিপ পরিচালনা করেছে। নতুন জরিপ বলছে, ৩৬টি দেশের মধ্যে ২৫টিতে যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনের প্রতি ইতিবাচক ভাবনা বেশি। ২০০২ সাল থেকে বৈশ্বিক জনমত পর্যবেক্ষণ করে পিউ রিসার্চ সেন্টার, এবারই প্রথম এতগুলি দেশে এ ধরনের ফলাফল পাওয়া গেছে।
ফেব্রুয়ারি থেকে মে, এই চার মাসে ৪২ হাজারেরও বেশি মানুষের মতামত নিয়ে করা এ জরিপে দেখা যায়, ইতালি, স্পেন, কানাডা, গ্রিস, ইন্দোনেশিয়াসহ বেশ কিছু দেশে চীনের গ্রহণযোগ্যতা রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রকে এখনও বেশি সমর্থন করে এমন দেশের সংখ্যা নেমে এসেছে ছয়ে। এই তালিকায় রয়েছে ভারত, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপিন্স, পোল্যান্ড ও ইসরাইল।
এই জরিপে দুই পরাশক্তির শীর্ষ নেতা ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং শি জিনপিংয়ের প্রতি আস্থার দিকটিও তুলে ধরা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে উভয়ের প্রতি আস্থা খুব বেশি নয়। তবে বেশিরভাগ দেশে ট্রাম্পের তুলনায় শি জিনপিংয়ের প্রতি আস্থা কিছুটা বেশি দেখা গেছে। ব্যক্তিগত স্বাধীনতা রক্ষার দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে এখনও এগিয়ে মনে করলেও, অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়সমূহে হস্তক্ষেপের ক্ষেত্রে অনেক উত্তরদাতার মতে, ওয়াশিংটনকে অনেক বেশি সক্রিয় মনে করা হচ্ছে। তুলনামূলকভাবে চীনকে তারা কম হস্তক্ষেপকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির অনিশ্চয়তা, সামরিক হস্তক্ষেপ এবং শুল্ক ও বাণিজ্যনীতির ওঠানামা অনেক দেশকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। অন্যদিকে, উন্নয়নশীল দেশগুলোর অবকাঠামো, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের মাধ্যমে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করেছে বেইজিং। এর ফলস্বরূপ, চীনের ভাবমূর্তি আগের তুলনায় শক্তিশালী হয়েছে।
তবে গবেষকরা বলছেন, চীনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব বৃদ্ধি পেলেও, এটি দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থা অথবা শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থনের প্রতিফলন নয়। বরং অনেকের কাছে চীন একটি বিকল্প শক্তি হিসেবে দেখা যাচ্ছে। যদিও মানবাধিকার, সংখ্যালঘুদের অধিকার এবং বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। তাই বৈশ্বিক জনমতের এই পরিবর্তনকে কেবল জনপ্রিয়তার নয়, বরং পরিবর্তিত ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ