শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৩৫ পি.এম
জামালপুরে মশাল মিছিল করেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের নেতাকর্মীরা, যা পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ যুবলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে জেলা শহরের চালাপাড়া পাইলিং রোডে ঝটিকা মশাল মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী ৩০ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী মশাল হাতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে দিতে বানিয়া বাজার ব্রিজপাড় এলাকার দিক থেকে চালাপাড়া এলাকা হয়ে ফৌজদারি মোড়ের দিকে আসতে থাকে।
মিছিলের সামনে একটি ব্যানার দেখা যায়, যেখানে লেখা ছিল, অবৈধ ক্যাঙ্গারু কোর্টের ফরমায়েশি রায়ের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল। আয়োজনে জামালপুর জেলা যুবলীগ।
মিছিলে বিভিন্ন স্লোগান দিতে শোনা যায়। রাত দেড়টার দিকে মিছিলটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রাথমিকভাবে মিছিলে অংশগ্রহণকারী কারও পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
মিছিলের পর পুলিশ অভিযানে নেমেছে বলে জানা গেছে। এর আগেও ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা কয়েকবার বিক্ষোভ মিছিল বের করেছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিয়ের আগে বর-কনের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়। সাজসজ্জা এবং পোশাকের জন্য খরচ করা হয় বিপুল পরিমাণ অর্থ। যদিও এসব বিষয়ে অধিক মনোযোগ দেওয়া হয়, তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে অনেকেই উদাসীন থাকেন। সেটি হলো বিয়ের পূর্বে বর-কনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা।
চিকিৎসকরা উল্লেখ করেছেন, থ্যালাসেমিয়া, বর্ণান্ধতা, সিক্ল সেল অ্যানিমিয়া, এবং এরিথ্রোব্লাস্টোসিস ফেটালিসের মতো রোগগুলি এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে সঞ্চারিত হতে পারে। এই রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিয়ের আগে বর-কনের রক্তপরীক্ষা করানো অত্যন্ত জরুরি।
১. হিমোগ্লোবিন ইলেক্ট্রোফোরেসিস
রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় বর বা কনে থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত কি না, অথবা তারা এই রোগের বাহক কি না। যদি বর ও কনে উভয়েই এই রোগের বাহক হন, তবে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়ার মতো গুরুতর রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই অনাগত সন্তানের স্বার্থে থ্যালাসেমিয়া বাহকের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহিত করা হয়।
২. ব্লাড গ্রুপিং এবং আরএইচ টাইপিং
হবু বর-কনের রক্তের গ্রুপ যদি একই হয়, তবে সন্তান ধারণে কোনো সমস্যা হয় না। কিন্তু রক্তের গ্রুপের রেসাস বা আরএইচ ফ্যাক্টর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থাৎ, রক্তের গ্রুপ পজিটিভ নাকি নেগেটিভ তা জানা প্রয়োজন। কারণ, যদি মা আরএইচ নেগেটিভ হন এবং বাবা আরএইচ পজিটিভ হন, তবে অনাগত সন্তান গর্ভাবস্থায় ইরাইথ্রোব্লাস্টোসিস ফিটালিস নামে মারাত্মক রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তবে, যদি মা আরএইচ নেগেটিভ এবং বাবা আরএইচ পজিটিভ হন, তাহলে প্রথমবার গর্ভধারণের সময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা গ্রহণ করলে সুস্থ সন্তানের জন্ম দেওয়া সম্ভব।
৩. যৌনবাহিত রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা
এইডস, সিফিলিস, গনোরিয়া, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি ইত্যাদি মারাত্মক রোগগুলো স্বামী-স্ত্রীর যৌন মিলনের মাধ্যমে একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বিয়ের আগে এসব রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসা হবু বর-কনেকে নিরাপদ ও আত্মবিশ্বাসী রাখতে সাহায্য করে এবং পরবর্তীতে সন্তানের মধ্যে এসব রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।
৪. প্রজনন ক্ষমতা সংক্রান্ত পরীক্ষা
এই পরীক্ষা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক সময়ে স্ট্রেস এবং অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কারণে ইনফার্টিলিটির সমস্যা ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এই শারীরিক সমস্যা বিবাহিত জীবনে মানসিক ও সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি করে। শূন্যতা অনুভূত হয়। তাই আগে থেকেই দুজনের ফার্টিলিটি পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া উচিত।
৫. হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা
বিয়ের পূর্বে রক্তে ভিটামিন ডি-এর মান এবং হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা করানো প্রয়োজন। যদি কারও রিকেট, হাড়ের গঠনগত সমস্যা বা অস্টিওপোরোসিস থাকে, তাহলে তা অনেক ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
৬. মানসিক রোগ
অনেকে মনে করেন, বিয়ে করলেই মানসিক রোগ সেরে যাবে, যা একেবারেই সঠিক নয়। সিজোফ্রেনিয়া, ডিপ্রেশন, বাইপোলার মুড ডিজঅর্ডার ইত্যাদি মানসিক রোগ বিয়ের আগেই শনাক্ত করে চিকিৎসা করানো উচিত এবং মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক সময়ে তাঁদের বিয়ে দেওয়া উচিত।
৭. ক্রনিক রোগ স্ক্রিনিং
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা ইত্যাদি রোগের পরীক্ষা করানোর মাধ্যমে পাত্র-পাত্রী দুজনেরই জানা উচিত, কেউ এসব রোগে ভুগছেন কি না এবং অপরকে জানানো উচিত।
৮. ক্রনিক রোগ স্ক্রিনিং
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড হরমোনজনিত সমস্যা ইত্যাদি রোগের পরীক্ষা করানোর মাধ্যমে পাত্র-পাত্রী দুজনেরই জানা উচিত, কেউ এসব রোগে ভুগছেন কি না এবং অপরকে জানানো উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুষ্টিয়ার কুমারখালী পৌরসভার কুন্ডুপাড়া এলাকায় সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন কুমারখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা টিভির কুমারখালী প্রতিনিধি এম এ উল্লাস।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুন্ডুপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা আহত সাংবাদিককে উদ্ধার করে কুমারখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুন্ডুপাড়ায় পৌর সড়কের নির্মাণকাজে অনিয়ম ও নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহের জন্য যান সাংবাদিক উল্লাস। সংবাদ সংগ্রহের একপর্যায়ে কুষ্টিয়া-৪ আসনের জামায়াতের এমপি আফজাল হোসেনের ছেলে শোভন ও এমপির চাচাতো ভাই আনোয়ারের নেতৃত্বে একদল লোক সাংবাদিককের ওপর হামলা চালায়।
আহত সাংবাদিক মাহবুবুল আহসান উল্লাসের অভিযোগ, কুন্ডুপাড়ায় একটি সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট, বালু ও খোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তিনি সংবাদ সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যান। একপর্যায়ে এমপি আফজাল হোসেনের ভাই ও ভাতিজাদের নেতৃত্বে একদল লোক তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়েছে। পরে সহকর্মী সাংবাদিক ও পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
কুমারখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি কে এম আর সাহিন বলেন, আমরা এই ন্যক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা না হলে থানা ঘেরাও, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার কর্মসূচি দেওয়া হবে। আমরা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছি।
এ বিষয়ে কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌর প্রশাসক ফারজানা আখতার বলেন, পৌর সড়কের কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়ার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ বন্ধ রাখতে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এরপরও কাজ চলতে থাকায় তিনি নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেন। তিনি চলে আসার পরপরই সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন বলেন, সংবাদ সংগ্রহের সময় বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও হামলা ঠেকানোর চেষ্টা করে। তবে পুলিশের সদস্যসংখ্যা কম থাকায় তা পুরোপুরি সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।
এদিকে সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় কুষ্টিয়ার সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের পাশাপাশি এর নেপথ্যে কেউ থাকলে তাদেরও আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে একটি ৩৩ কেজির বাঘাইড় মাছ। মাছটির বিক্রয় মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৭৯ হাজার ২০০ টাকা।
স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ জানান, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জেলে সেকেন হালদারের জালে মাছটি ধরা পড়ে।
সম্রাট শাহজাহান শেখ সেকেন হালদারের বরাত দিয়ে জানান, সকালে সেকেন হালদার তাঁর দলের সাথে পদ্মায় মাছ ধরার উদ্দেশ্যে যান। নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জাল ফেলেও মাছের দেখা পাননি। পরে দুপুরের দিকে পদ্মা-যমুনার মোহনায় জাল ফেললে বিশাল আকৃতির বাঘাইড় মাছটি ধরা পড়ে। দৌলতদিয়া মৎস্য আড়তে নিয়ে ওজন মাপার পর মাছটির ওজন ৩৩ কেজি হিসেবে নির্ধারণ করা হয়।
মাছ ব্যবসায়ী সম্রাট শাহজাহান শেখ বলেন, মৎস্য আড়ত থেকে উন্মুক্ত নিলামে ২ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে মোট ৭২ হাজার ৬০০ টাকায় মাছটি ক্রয় করেন।
পরে ওই মাছের ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড করেন এবং মুঠোফোনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীদের সাথে যোগাযোগ করেন। ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে ২ হাজার ৪০০ টাকা কেজি দরে মোট ৭৯ হাজার ২০০ টাকায় মাছটি বিক্রি করে দেন তিনি।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী বাঘাইড় একটি সংরক্ষিত ও মহাবিপন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণী হিসেবে চিহ্নিত। এই মাছের শিকার, ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী, এর জন্য সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।
তবে আইনটির কোনো প্রয়োগ না থাকায় দৌলতদিয়ায় পদ্মার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রকাশ্যে জেলেরা বাঘাইড়, পাঙ্গাশ, চিতল ও ড্রাই মাছ শিকার করে বিক্রি করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, "আমরা অনেকটা নিশ্চিত আইফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।"
এর আগে, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির এই শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ বিকেল ৩টার দিকে তুহিন নামের এক সন্দেহভাজন কিশোরকে আটক করেছে।
পবিবার সূত্রে জানা যায়, অপ্রতিম তার মায়ের আইফোন নিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে ছবি তুলতে বের হয়েছিল। এরপর সে আর বাড়ি ফেরেনি। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে ওইদিন সদর দক্ষিণ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার।
নিখোঁজের প্রায় ২১ ঘণ্টা পর অপ্রতীমের মরদেহ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশের একটি জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে।
কুমিল্লার কোটবাড়ি থানার ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভুঁইয়া আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তের স্বার্থে তুহিন নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, বাসা থেকে বের হওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতীমের সাথে তুহিনকে দেখা যায়। তাদের মধ্যে হ্যান্ডশেক হয় এবং প্রায় ঘন্টাখানেক তারা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় ছিল। পরে তারা ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যান। নিখোঁজের দিন অপ্রতীমের সঙ্গে তুহিনের ম্যাসেজিংও হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ