০৯:৪০ পি.এম
পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কের ১৯ কিলোমিটার সংস্কারের ১৫ দিনের মাথায় খানাখন্দে ভরে গেছে। চালক ও স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়সারা কাজ করায় এমন অবস্থা হয়েছে। তারা দাবি করছেন, পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন এবং সড়ক সংস্কারের দাবি তাঁদের।
জানাগেছে, পটুয়াখালী-কুয়াকাটা ৭১ কিলোমিটার মহাসড়কটি ২০০০ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ নির্মাণ করে। অভিযোগ রয়েছে, নির্মাণকালীন অনিয়মের কারণে কয়েক বছরের মাথায় সড়ক খানাখন্দে ভরে যায়। ২০১৮ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এ সড়কের কিছু স্থানে সংস্কার করে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন৯’শ ১২ টি যানবাহন চলাচল করে। এর মধ্যে পরিবহন বাস, লোকাল বাস, ডিস্ট্রিক ট্রাক, মিনি ট্রাক, মাইক্রোবাস ও প্রাইভেটকার অন্তর্ভুক্ত। এর পাশাপাশি সহ-হাজারাধিক অবৈধ মাহেন্দ্র, ট্রলি, সিএনজি ও ব্যাটারীচালিত অটোগাড়ী চলাচল করে বলে জানান পটুয়খালী সেতুর টোল আদায় কর্তৃপক্ষ। গত ৮ বছরে সড়কজুড়ে খানাখন্দে ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
এ বছর জুন মাসের শুরুতে পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মহিষকাটা স্ট্যান্ড পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার সড়ক পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ মেরামত করে। ৩০ জুন ওই কাজ শেষ হয়। কিন্তু কাজ শেষ হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যেই মহাসড়কে শত শত খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। চালকরা জানান, খানাখন্দের কারণে সড়কে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, দায়সারা সড়ক ও জনপথ বিভাগ কর্মচারীদের কাজ করায় ১৫ দিনের মধ্যে সড়কের পীচ উঠে খানাখন্দে পরিণত হয়েছে। গাড়ী চালক মোঃ নিজাম উদ্দিন, সালাম এবং স্থানীয় ইমরান, রাসেল ও শাহ আলম দ্রুত সড়ক সংস্কার কাজের অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি তুলেছেন। রবিবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পটুয়াখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে মহিষকাটা পর্যন্ত ১৯ কিলোমিটার খানাখন্দে পরিপূর্ণ হয়ে গেছে। এর মধ্যে শাখারিয়া থেকে মহিষকাটা পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার কেবল খানাখন্দ।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
যাত্রী তানজিলা, জিয়া উদ্দিন জুয়েল ও নজরুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে মহাসড়কে কাজ করতে দেখলাম, বর্তমানে সেই মহাসড়ক জনজীবনের জন্য অনিরাপদ থেকে গেছে, খানাখন্দে ভরে গেছে। তুহিন পরিবহন গাড়ীর চালক সাদ্দাম মিয়া বলেন, সড়কে খানাখندانর কারণে গাড়ী চালাতে সমস্যা হচ্ছে। অল্প সময়ে কিভাবে এতো খানাখন্দ হয়, তা বুঝে আসে না। পটুয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেছেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সড়কে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। তবে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে ওই সড়কের খানাখন্দ সংস্কার করা হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন