ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চাঁদপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি মতবিনিময়


চাঁদপুর মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটি মতবিনিময়

চাঁদপুরের মতলব মুন্সির হাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নব গঠিত এডহক কমিটির প্রথম মতবিনিময় সভা রোববার (১৯ জুলাই, ২০২৬) সকাল ১০ টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও চাঁদপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মোঃ মানিকুর রহমান মানিকের সভাপতিত্বে এবং সহকারি শিক্ষক কাজী সহিদুল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতি শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, সকলের সহযোগিতা থাকলে আমরা এই বিদ্যালয়ের লেখা পড়ার মান বৃদ্ধি করে বিদ্যালয়ের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে এনে জেলার মধ্যে একটি মডেল সৃষ্টি করতে পারব। এ সময় তিনি বৃত্তিপ্রাপ্ত ১৭ জন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের এ ধারাটি অব্যাহত রেখে আগামীতে আরও ভালো রেজাল্ট করে বিদ্যালয়ের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে হবে। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধান শিক্ষক মোঃ সাখাওয়াত উল্লাহ, চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ কামরুল হাসান, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম প্রধান, সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোঃ আব্দুস শুক্কুর মাস্টার, চাঁদপুর জেলা বিএনপির সদস্য ও সাবেক ভিপি জিএম খলিলুর রহমান, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ জালাল উদ্দিন সাগর, মুন্সিরহাট কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোঃ জসিম উদ্দিন মৃধা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম নয়ন হাজরা, পশ্চিম পিংড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নজরুল ইসলাম প্রধান, জেলা পুস্তক সমিতির সভাপতি এসএম মোরশেদ সেলিম, সাবেক ছাত্রনেতা মোঃ মোস্তফা গাজী, মোঃ বশির পারভেজ, মোঃ ফারুক গাজী, ৮ নং ওয়ার্ড বিএনপি'র সভাপতি মোঃ সুলতান সরকার, ৯ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মামুন বকাউল, ৯ নং ওয়ার্ড যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন মিজি, ২ নং আশিকাটি ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মমিন খান এবং মোঃ মাহাবুব আলম মুন্না।

মতবিনিময় সভায় অন্যান্য বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের কাছে কিশোর গ্যাং, ইভটিজিং ও বহিরাগতদের আনাগোনা লক্ষণীয়। সেই কারণে প্রয়োজন হলে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে তা রোধ করতে বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানানো হয়। বক্তারা আরও বলেন, ম্যানেজিং কমিটিতে যাতে কোনভাবেই নেশাগ্রস্থ লোক না থাকে সেটি নজরে রাখতে হবে। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মতলবের ৮ গ্রামের মানুষের জনজীবন বদলে দেবে একটি কালভার্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


মতলবের ৮ গ্রামের মানুষের জনজীবন বদলে দেবে একটি কালভার্ট

চাঁদপুরের মতলব পৌরসভার উদ্দমদী এলাকার একটি কালভার্ট আটটি গ্রামের মানুষের জীবন বদলে দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বছরের পর বছর ধরে একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোই ছিল তাদের চলাচলের একমাত্র ভরসা। বর্ষা মৌসুমে সামান্য বৃষ্টি বা পানির স্রোত বাড়লেই সেই সাঁকো আতঙ্কের প্রতীক হয়ে দাঁড়াত। প্রতিদিন জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে শিক্ষার্থী, কৃষক, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে চলাচল করতে হতো। দীর্ঘদিনের অপেক্ষা এখন শেষের দিকে, কারণ প্রায় ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন কালভার্টটির কাজ এখন শেষ পর্যায়ে। স্থানীয়দের আশা, যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হয়, তবে শুধু যাতায়ातের দুর্ভোগই দূর হবে না, বরং পুরো এলাকার আর্থ-সামাজিক চিত্র বদলে যাবে। আজ রবিবার (১৯ জুলাই ২০২৬) সরেজমিনে পরিদর্শনকালে স্থানীয়রা জানিয়েছেন, এতদিন তারা খালের ওপর বাঁশের সাঁকো দিয়েই চলাচল করতে বাধ্য ছিলেন। বর্ষাকালে খালের পানির পরিমাণ বাড়লে ঝুঁকি কয়েক গুণ বেড়ে যেত। শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যাওয়ায় ভোগান্তি সৃষ্টি হতো, কৃষিপণ্য বাজারে নিতে হিমশিম খেতে হতো, জরুরি রোগী পরিবহনেও সংকট দেখা দিত। অনেক সময় বিকল্প দীর্ঘ পথ ব্যবহার করতে যেতে হতো, ফলে সময় ও অর্থ দুয়েরই অপচয় হতো। স্থানীয় বাসিন্দা ও পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর শাহজাহান সাগর বলেন, "কালভার্ট না থাকায় এই এলাকার আটটি গ্রামের সহস্রাধিক মানুষকে দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। আমরা চাই, দ্রুত এর নির্মাণকাজ শেষ করা হোক।" স্থানীয়দের মতে, বহু বছর ধরে তারা জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে কালভার্ট নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। অবশেষে উদ্যোগ নেওয়ায় সেই স্বপ্ন এখন বাস্তবায়িত হতে চলেছে। নির্মাণকাজ শেষের দিকে পৌঁছানোয় এলাকায় স্বস্তি এবং আশাবাদ দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসীদের মতামত হলো, কালভার্টটি চালু হলে আট গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারবেন। কৃষিপণ্য দ্রুত বাজারে নিয়ে যাওয়া সহজ হবে, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত সহজ হবে, এবং জরুরি প্রয়োজনে রোগী পরিবহনেও বেশি অসুবিধা হবে না। ফলে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকান্ডও আরও গতিশীল হবে। নির্মাণকাজের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার মো. জহিরুল হক জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যে বর্ষার মাঝেও নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে। চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে কালভার্টের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হবে। কালভার্টটি আরও টেকসই করার লক্ষ্যে নির্ধারিত ড্রইংয়ের বাইরেও অতিরিক্ত বিমের কাজ করা হচ্ছে। মতলব পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল) ফেরদৌস আহমেদ জানিয়েছেন, কালভার্ট নির্মাণকাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। এখন রেলিং ও রঙের কিছু কাজ বাকি আছে। খুব শিগগিরই পুরো কাজ শেষ হলে এলাকাবাসী এর সুফল ভোগ করতে পারবেন। সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী জানান, কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। প্রায় ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে কোনো ধরনের মানের সঙ্গে আপস করা হচ্ছে না। মতলব দক্ষিণ পৌরসভার প্রশাসক কে এম ইশমাম বলেন, কালভার্টের নির্মাণকাজ শেষ হলে ওই এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্ট দূর হবে। কাজটি মানসম্মত ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। কোনো একটা ত্রুটি দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণকাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে কালভার্টটি যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। তাদের বিশ্বাস, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটিয়ে এই একটি অবকাঠামো উদমদী এলাকার আটটি গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রায় নতুন গতি আনবে এবং উন্নয়নের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে বীজ ও কৃষি সহায়তার ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫৪ পি.এম


বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে বীজ ও কৃষি সহায়তার ঘোষণা

বন্যার পানি নামতে শুরু করার পরেও সীতাকুণ্ডের কৃষকদের সংকট কিন্তু কাটেনি। বীজতলা তলিয়ে গেছে, নষ্ট হয়েছে হাজার হাজার একর সবজিখেত ও আবাদি জমি। ফসল হারিয়ে অনেক কৃষক নতুন করে চাষাবাদ করার সামর্থ্যও হারিয়েছেন। এ অবস্থায়, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনে ধানের বীজ, কৃষি উপকরণ এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এফসিএ। তিনি গত শুক্রবার ও শনিবার দুই দিনব্যাপী সীতাকুণ্ড উপজেলার বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে এ ঘোষণা দেন। বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় সৈয়দপুর, বারৈয়াঢালা, সীতাকুণ্ড পৌরসভা, মুরাদপুর, বাড়বকুণ্ড, বাঁশবাড়িয়া ও কুমিরা ইউনিয়নে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। একইসাথে ভাটিয়ারী, সলিমপুর ও জঙ্গল সলিমপুরের দুর্গম এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ পৌঁছে দেন উপজেলা ও পৌর বিএনপি এবং অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সরেজমিনে পরিদর্শন করতে গিয়ে দেখা যায়, অতিবৃষ্টি ও বন্যায় উপজেলায় বিস্তীর্ণ এলাকার সবজিখেত, বীজতলা ও আবাদি জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক কৃষক বীজ, সার ও চাষাবাদের পুঁজি হারিয়ে অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। ক্ষতির পরিমাণ মূল্যায়ন করতে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন অধ্যাপক আসলাম চৌধুরী এবং তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলেন।

তিনি এসময় বলেন, দুর্যোগের সময়ে মানুষের পাশে দাঁড়ানো মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার বাইরে রাখা হবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম চলতে থাকবে। তিনি আরও বলেন, এবারের বন্যায় সবচেয়ে বড় ক্ষতির শিকার হচ্ছেন কৃষক। অনেকের বীজতলা, সবজিখেত ও আবাদি জমি সম্পূর্ণরূপে নষ্ট হয়ে গেছে। তাদের হাতে ধানের বীজ, কৃষি উপকরণ এবং পুনরায় চাষাবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা পর্যায়ক্রমে পৌঁছে দেওয়া হবে। কৃষক মাঠে ফিরে এলে, শুধু একটি পরিবার নয়, পুরো এলাকার অর্থনীতিই পুনরুজ্জীবিত হবে।

আসলাম চৌধুরী জানান, বিগত বন্যায় অনেক সড়কের ক্ষতি হওয়ায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে সহায়তা পৌঁছানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে দুর্গম এলাকায় কোনো পরিবার সহায়তা বঞ্চিত না হয়।

উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. মোরসালিন জানান, বন্যার শুরু থেকেই প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে দুর্গম এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে খাদ্য সহায়তার পাশাপাশি কৃষকদের পুনর্বাসনের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা হবে।

ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. কমল কদর, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহুরুল আলম জহুর, যুগ্ম আহ্বায়ক সালামতুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব ফজলুল করিম চৌধুরী, নুরুল আনোয়ার চেয়ারম্যান, বদিউল আলম বদরুল, আওরঙ্গজেব মোস্তফা, মুক্তিযোদ্ধা মহররম আলী, মোস্তাফিজুর রহমান হিরু, ওহিদুর নবী শরিফ, আলা উদ্দিন মাসুম, আবুল কালাম আজাদ, শাহাবুদ্দিন রাজু, লোকমান হাকিম, মো. ইসমাইল হোসেন, আবু জাফর, শাহাবুদ্দিনসহ উপজেলা, ইউনিয়ন ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ত্রাণপ্রাপ্ত বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন পানিবন্দি থাকার কারণে তারা কর্মহীন হয়ে পড়েছিলেন। বাড়িতে ত্রাণ পৌঁছানোর ফলে তাৎক্ষণিক সংকট কিছুটা কমেছে। আর কৃষকদের জন্য বীজ ও কৃষি সহায়তার ঘোষণায় তারা নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর আশা দেখছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভালো নেই দেশের পর্যটন শিল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:০৯ পি.এম


ভালো নেই দেশের পর্যটন শিল্প

টানা বৃষ্টির ফলে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে, যা দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে কক্সবাজারে আসা পর্যটকদের সংখ্যা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। এবং পর্যটক শূন্যতা মানে তো পর্যটন শিল্পের জন্য ভাল লক্ষণ নয়। বর্ষায় কক্সবাজারের সৌন্দর্য থাকে একেবারেই অন্যরকম। বৃষ্টি ও মেঘলা আকাশের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য বর্ষার মৌসুমে অসংখ্য পর্যটক কক্সবাজারে ছুটে আসেন। তবে কিছুদিন আগে ৯ দিনের টানা বর্ষণে পুরো চিত্র বদলে গেছে। অথচ যাঁরা এখনও রয়েছেন, তাঁদের উত্তাল সমুদ্রের দৃশ্য দর্শন করতে এসে তাঁরা মোহিত হয়েছেন।

পর্যটকদের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা, এছাড়াও হোটেল এবং রিসোর্ট মালিকরা চরম আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে সৃষ্টি হওয়া এই সংকটে প্রায় শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধনের কথা জানিয়েছেন সায়মন বীচ রিসোর্টের ফ্রন্ট অফিস এসিস্ট্যান্ট সঞ্জয় রয়। হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদারের মতে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারে পর্যটকদের আগমন আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এর ফলস্বরূপ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, সৈকতকেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং পুরো পর্যটন শিল্পে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উল্লেখ করেছেন যে, যদি আবহাওয়ার পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটে, তাহলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে পর্যটননির্ভর হাজারো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শ্রমিক এবং সেবাখাতের কর্মীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহী থেকে নেসকোর ইতালির স্বপ্ন ভেঙে কুমিল্লার ৬ যুবক লিবিয়ায় জিম্মি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:১২ পি.এম


রাজশাহী থেকে নেসকোর ইতালির স্বপ্ন ভেঙে কুমিল্লার ৬ যুবক লিবিয়ায় জিম্মি

রাজশাহী থেকে নেসকোর ইতালির স্বপ্ন ভেঙে কুমিল্লার ছয় যুবক বর্তমানে লিবিয়ায় জিম্মি রয়েছে, এমন খবর এসেছে। ২০ জুলাই, ২০২৬, ০৩:৫৬ পিএম এফএনএস (মোঃ হাবিবুর রহমান খান; কুমিল্লা)। অভিজ্ঞান এবং একটি সুন্দর ভবিষ্যতের সন্ধানে, কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলার ছয় যুবক ইতালির উদ্দেশ্যে বাড়ি ছেড়ে গিয়েছিলেন যাতে পরিবারের দারিদ্র্য ঘোচাতে পারেন। কিন্তু একটি নির্মম পরিহাসে, তারা তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই লিবিয়ায় মানবপাচারকারী চক্রের খপ্পরে পড়ে এখন জিম্মি অবস্থায় রয়েছেন। তাদের মুক্তির জন্য দাবি করা হয়েছে দেড় কোটি টাকা। মুক্তির জন্য টাকা আদায়ের উদ্দেশ্যে প্রতি দিন তাদের উপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে এবং সেই নির্যাতনের ভিডিও তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে পাঠানো হচ্ছে। সন্তানের অসহায় আর্তনাদ শুনে স্বজনরা প্রতিদিন ভেঙে পড়ছেন।

জিম্মি হওয়া যুবকদের মধ্যে রয়েছেন খিলা ইউনিয়নের দিশাবন্দ গ্রামের শাহাদাত হোসেন (২০), মানিকুল ইসলাম (২০), মো. সোহেল (২৭), তাজ মোহাম্মদ (২৫), ফয়সাল (২০) এবং লক্ষণপুর ইউনিয়নের বেতিয়াপাড়া গ্রামের মেহেদী হাসান (২১)।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলি অভিযোগ করছে যে, স্থানীয় দালালদের মাধ্যমে প্রতিজনের জন্য ১৮ থেকে ২০ লাখ টাকা খরচ করে ইতালিতে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কিন্তু লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর তারা মানবপাচারকারীদের হাতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আট মাস আটকে রাখার পর সম্প্রতি তাদের অন্য একটি সংঘবদ্ধ চক্রের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে একটি গোপন আস্তানায় আটকে রেখে, প্রত্যেকের জন্য ২৫ লাখ টাকা করে, মোট দেড় কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে।

ছেলের নির্যাতনের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন মানিকুল ইসলামের বাবা মাহবুবুর রহমান। তিনি বলেন, ‘দিশাবন্দ গ্রামের বেলাল হোসেনের ছেলে মানিকের মাধ্যমে ইতালি পাঠানোর আশ্বাসে প্রায় নয় মাস আগে তার ভাই সামছুল আলম ২০ লাখ টাকা নেন। পরবর্তী সময়ে মানিকুলকে লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু সেখানে তাকে একটি দালালচক্রের হাতে তুলে দেওয়া হয়। বর্তমানে মুক্তিপণের দাবিতে তার ছেলের ওপরে নির্মম নির্যাতন চালানো হচ্ছে। একই অভিযোগ করেছে সোহেলের বাবা হারুনুর রশিদ। তারা জানিয়েছেন, প্রায় আট মাস আগে সামছুল আলমের মাধ্যমে ১৮ লাখ টাকা দিয়ে ছেলেকে ইতালি পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু লিবিয়ায় পৌঁছানোর পর সেও ভিডিওর বদলে একটি দালালচক্রের হাতে জিম্মি হয়ে পড়ে। এখন মুক্তিপণের দাবিতে তার ওপরও নির্যাতন চলছে।

পরিবারগুলি দাবি করছে যে, দালালরা ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নির্যাতনের ভিডিও পাঠিয়ে দ্রুত টাকা পরিশোধের চাপ প্রদান করছে। ভিডিওতে যুবকদের আর্তনাদ এবং নির্যাতনের দৃশ্য দেখে পরিবারগুলোর সদস্যরা চরম মানসিক বিপর্যয়ের মধ্যে রয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, নির্যাতনের ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর অভিযুক্ত দালাল সামছুল আলম এবং তার পরিবার গত ১০ থেকে ১২ দিন আত্মগোপনে রয়েছেন। অন্যদিকে, লিবিয়ায় অবস্থানরত মূল দালাল মানিকের সঙ্গেও এখন আর কোনো যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ইতোমধ্যেই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি লিখিত আবেদন করেছে, সকলের জীবিত ও নিরাপদ দেশে ফিরে আসার জন্য। পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে। এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাকসুদ আহমেদ জানিয়েছেন, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মানবপাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযান পরিচালনাসহ জড়িতদের আইনের আওতায় এনে লিবিয়ায় জিম্মি থাকা ছয় যুবককে উদ্ধারের জন্য সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%