বুধবার, ৩০শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:৩১ পি.এম
স্কয়ার গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এজিস সার্ভিসেস লিমিটেড একটি জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন করার জন্য আগ্রহী ব্যক্তিরা আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।
পদের নাম: সিনিয়র অফিসার
বিভাগ: সেলস, এইচভিএসি
পদসংখ্যা: নির্ধারিত নয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে প্রার্থীদের ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অথবা মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিপ্লোমা অথবা বিএসসি থাকতে হবে।
অন্যান্য যোগ্যতার মধ্যে এইচভিএসি সিস্টেমে ভালো জ্ঞান থাকা আবশ্যক।
অভিজ্ঞতা: কমপক্ষে ৩ থেকে ৫ বছর
চাকরির ধরন: ফুলটাইম
কর্মক্ষেত্র: অফিসে
প্রার্থীর ধরন: নারী-পুরুষ (উভয়)
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩৫ বছর
কর্মস্থল: চট্টগ্রাম
বেতন: আলোচনা সাপেক্ষে
অন্যান্য সুবিধা: প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা অনুযায়ী
আবেদন প্রক্রিয়া: আগ্রহী প্রার্থীরা আবেদন করতে এখানে ক্লিক করুন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক সজীব প্রামাণিকের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীকে মারধর, হুমকি ও নির্যাতনের অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এই ঘটনার সঙ্গে সজীবের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ করেছেন তার স্ত্রী। তবে সজীব এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
অভিযুক্ত সজীব প্রামাণিক বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার স্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থাপত্য বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের (১৪তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী। তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে পারিবারিকভাবে সজীবের সঙ্গে তার বিয়ে হয়।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সজীবের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিয়ের পর সজীব অন্য এক নারীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। বিষয়টি জানতে পেরে ওই নারী তার স্ত্রীকে বিষয়টি জানান। এ নিয়ে সজীবের সঙ্গে কথা বললে তিনি উল্টো তাকেই দোষারোপ করেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী।
এছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রত্ব শেষ করে দেওয়া, চাকরি খেয়ে দেওয়া এবং ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি।
ভুক্তভোগী জানান, গতকাল (২৯ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে সজীব ও তার বাবা-মা মিলে তাকে মারধর করেন। এ সময় সজীব তাকে কিল-ঘুষি মারেন এবং বুকে-পেটে লাথি দেন। সকালে তার বাবা-মা তাকে নিতে এলে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় সজীবের মা বটি নিয়ে তাকে কোপ দিতে আসেন। তিনি হাত দিয়ে ঠেকাতে গেলে তার হাতে কোপ লাগে। এ ঘটনার পর তারা থানায় মামলা করার পরিকল্পনা করছেন।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সজীবের পরিবারের আর্থিক সংকটের কথা বলে সোনালী ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ করে দেওয়ার জন্যও তাকে চাপ দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, এর আগে প্রায় দুই মাস আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগেটে সজীব তাকে মারধর করেন। এ সময় দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা সজীবকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যান।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সজীব প্রামাণিক। তিনি বলেন, "আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা। ওর হাতে কেউ কোপ দেয়নি। আমার এলাকার প্রতিবেশীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ও বের হওয়ার সময় গেটের সঙ্গে ওর হাত লেগে কেটে যায়।"
হুমকি দেওয়ার অভিযোগও অস্বীকার করে সজীব বলেন, "আমি তাকে কোনো হুমকি দিইনি। গত রাতে (২৯ সেপ্টেম্বর) আমাদের দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয় এবং হাতাহাতিও হয়েছে। সেও আমার গায়ে হাত তুলেছে। পরে আমার বাবা-মা এসে আমাদের দুজনকে থামান। আমার মা-বাবা তার গায়ে হাত দেননি।"
ঋণ করে টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, "আমি লোন করে কোনো টাকা দিতে বলিনি। সে নিজে থেকেই আমাকে দিতে চেয়েছে।"
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি শেখ মোজাহিদ হোসেন বলেন, "বিষয়টি আমি মাত্র আপনার কাছ থেকেই জানতে পারলাম। আমাদের কমিটি গঠনের সময় কেউ বিবাহিত ছিল না। আমাদের কাছে অভিযোগ এলে সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ঘাটতি হবে না আগামী অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে। চাহিদা অনুযায়ী ১৯ কার্গো এলএনজি আসছে। এর মধ্যে অক্টোবরে ১০ কার্গো এবং নভেম্বরে ৯ কার্গো এলএনজি আসবে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মান্নান।
তিনি উল্লেখ করেন, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে এলএনজিবাহী কার্গো নিয়ে কোনো সমস্যা দেখা দেবে না। মোট ১৯ কার্গো এলএনজি চাহিদা অনুযায়ী নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে, এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা গ্যাস নিয়েও কোনো সমস্যা হবে না।
পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান আরও জানান, আমরা ধারাবাহিকভাবে প্রতি মাসে পরবর্তী তিন মাসের জন্য প্রয়োজনীয় এলএনজি সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। এতে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহে কোনো ধরনের ঘাটতির আশঙ্কা থাকবে না।
জ্বালানি বিভাগের অনুমোদনে দেশে এলএনজি আমদানি তদারক করে পেট্রোবাংলা। এলএনজি আমদানি, কার্গো শিডিউলিং, চুক্তি নেগোসিয়েশন ও বাস্তবায়ন এবং টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে পেট্রোবাংলার কোম্পানি রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)।
পেট্রোবাংলা ও আরপিজিসিএল সূত্র জানায়, অক্টোবর ও নভেম্বর মাস মিলিয়ে মোট ১৯ কার্গো এলএনজি আমদানি নিশ্চিত হয়েছে। অক্টোবরে আসবে ১০ কার্গো, যার মধ্যে স্পট মার্কেট থেকে ৩ কার্গো, দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ২ কার্গো এবং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ৫ কার্গো আসবে।
এছাড়া, নভেম্বরে ৯ কার্গো এলএনজি আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় ৬ কার্গো এবং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় ৩ কার্গো আসবে।
সূত্র জানায়, চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন উৎস থেকে এলএনজি সংগ্রহ করা হচ্ছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী এসব কার্গো দেশে আসবে এবং পরে তা জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (অর্থ) মিজানুর রহমান জানান, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসের জন্য মোট ১৯ কার্গো এলএনজি নিশ্চিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, নাইজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে এসব এলএনজি কেনা হচ্ছে।
তিনি জানান, নিশ্চিত হওয়া কার্গোগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় এলএনজি কার্গো রয়েছে। পাশাপাশি স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি কেনা হচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী আমদানি নিশ্চিত হওয়ায় আগামী কয়েক মাস এলএনজি সরবরাহে বড় কোনো সমস্যা হবে না।
আরপিজিসিএলের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি থাকে। সে হিসাবে অক্টোবর ও নভেম্বরের ১৯ কার্গোতে মোট প্রায় ৬ কোটি ৮ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি আমদানি নিশ্চিত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স (জিআইআই) ২০২৬-এ দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে। ১৩৯টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশের স্থান ১০৫তম। নেপাল ১০৪তম স্থানে উন্নীত হয়েছে।
জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ‘পাওয়ারিং এন্টারপ্রেনারস অ্যাট দ্য ফ্রন্টিয়ার অব সায়েন্স’ শিরোনামে গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সের ১৯তম সংস্করণ প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশের স্কোর ১০০-এর মধ্যে ২১.৫। দক্ষিণ এশিয়ার ছয়টি দেশের মধ্যে ভারত ৪০.১ স্কোর নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে (৩৮তম)। ভূটান ২৮.৯ স্কোর নিয়ে ৭৪তম, শ্রীলঙ্কা ২৩.৭ স্কোর নিয়ে ৯৪তম, পাকিস্তান ২৩.৭ স্কোর নিয়ে ৯৫তম এবং নেপাল ২২.৩ স্কোর নিয়ে ১০৪তম স্থানে রয়েছে।
এদিকে, ২০২৬ সালেও বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ উদ্ভাবনী অর্থনীতির মধ্যে সুইজারল্যান্ড (স্কোর ৬৬.৭), সুইডেন (৬৩.২), যুক্তরাষ্ট্র (৬২.৩), দক্ষিণ কোরিয়া (৬১.৪) এবং সিঙ্গাপুর (৬১) নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছে।
ষষ্ঠ স্থানে যুক্তরাজ্য (৫৯.৬), সপ্তম স্থানে নেদারল্যান্ডস (৫৮.৪), অষ্টম স্থানে ফিনল্যান্ড (৫৭.৯), নবম স্থানে ডেনমার্ক (৫৭.৭) এবং দশম স্থানে রয়েছে চীন (৫৭)।
তালিকার তলানিতে ১৩৭তম স্থানে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গো (স্কোর ১২.৬), ১৩৮তম স্থানে নাইজার (১২.১) এবং ১৩৯তম স্থানে চাদ (৯.৫) রয়েছে।
জ্ঞান হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম মন্তব্য করেছেন যে, উদ্ভাবনে অগ্রসর হতে হলে বাংলাদেশকে জ্ঞান, মানবসম্পদ, অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রতিষ্ঠান ও প্রণোদনাসহ প্রয়োজনীয় ভিত্তি গড়ে তুলতে হবে। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, নতুন উদ্ভাবন তৈরির পরিবর্তে অন্য দেশের উদ্ভাবন স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী মানিয়ে নেওয়ার দিকে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।
গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬ এ ৬৬ দশমিক ৭ স্কোর নিয়ে সুইজারল্যান্ড শীর্ষে রয়েছে। এরপর সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুর রয়েছে। ৫৭ স্কোর নিয়ে দশম অবস্থানে চীন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) চলমান আন্দোলনের নবম দিনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা দৃশ্যমান উদ্যোগ না নেওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিল করেছেন।
অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে এই প্রতিবাদ মিছিলটি অনুষ্ঠিত হয়। আন্দোলনের নবম দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা এই প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে চলমান এই আন্দোলনের পরেও প্রশাসন থেকে বিষয়টির সমাধানে কার্যকর কোনো উদ্যোগ কিংবা ভ্রুক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবাদস্বরূপ শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে মিছিলে অংশ নেন। মিছিলে তারা উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে অংশ নেন, যা প্রশাসনের নীরবতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র সংলগ্ন সড়ক ধরে স্বাধীনতা চত্বরকে প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
মিছিল চলাকালে শিক্ষার্থীরা ‘প্রশাসন নীরব কেন, জবাব চাই, জবাব চাই’, ‘ভিসি স্যার, ভিসি স্যার, সায়েম স্যার, সায়েম স্যার’, ‘মোদের দাবি একটাই, সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।
চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী নাইম হাওলাদার বলেন, "গত আট দিন ধরেই আমাদের এই আন্দোলন চলমান রয়েছে। আমরা দেখছি সরকার আসলে আমাদের এই বিষয়ে কোনো ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিচ্ছে না। কোনো ধরণের আশ্বাস বা কোনো ধরণের পদক্ষেপও আমাদের জানাচ্ছে না। তো সেই প্রেক্ষিতে আমরা আজকে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছি চোখে কালো কাপড় বেঁধে, যা আসলে বোঝায় যে আমাদের এই ক্ষেত্রে কেন প্রশাসন নীরব। আমাদের দাবি ১০টা না, ৫টা না, আমাদের দাবি মাত্র একটা—আমরা আমাদের পূর্বের ভিসিকে পুনর্বহাল চাই। তো সরকারের কাছে আমাদের এই আকুল আবেদন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কাছে আকুল আবেদন আমাদের এই বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ