সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৩৭ পি.এম
সাইবারনিরাপত্তা গবেষকেরা নতুন করে সতর্কবার্তা প্রকাশ করেছেন অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য। তারা জানিয়েছেন, ‘ম্যানট্যাক্স ওট্যাক্স’ নামের একটি ভয়ংকর ম্যালওয়্যার ব্যবহারকারীর ফোন থেকে ওটিপি, ব্যক্তিগত তথ্য, এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের বার্তাও সংগ্রহ করতে সক্ষম।
গবেষকদের বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডে জানায়, ম্যানট্যাক্স ওট্যাক্স সাধারণ কোনো ম্যালওয়্যার নয়। এতে রয়েছে স্পাইওয়্যার, র্যানসমওয়্যার এবং রিমোট অ্যাক্সেসের মতো একাধিক ক্ষতিকর সুবিধা। ফলে এই ম্যালওয়্যার ফোনে প্রবেশ করলে সাইবার অপরাধীরা ব্যক্তিগত তথ্য চুরির পাশাপাশি দূর থেকে ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হন।
গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, ম্যালওয়্যারটি ফোনে আসা এসএমএসের নোটিফিকেশন পড়তে পারে। এর ফলে বিভিন্ন সেবায় লগইন কিংবা অনলাইন লেনদেনের সময় আসা ওয়ান-টাইম পাসওয়ার্ড (ওটিপি) অপরাধীদের হাতে চলে যেতে পারে।
এছাড়া, ফোনকলের তালিকা, যোগাযোগের তথ্য, ইন্টারনেট ব্যবহারের ইতিহাস, ইনস্টল করা অ্যাপ, অবস্থান এবং গুগল অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত তথ্যও ম্যালওয়্যারটি সংগ্রহ করতে পারে।
তথ্য চুরির পাশাপাশি, ম্যানট্যাক্স ওট্যাক্স ফোনের পর্দায় ব্যবহারকারী কী করছেন, সেটিও গোপনে নজরদারি করতে পারে। অ্যান্ড্রয়েডের মিডিয়া প্রজেকশন সুবিধা ব্যবহার করে ফোনের পর্দার ছবি ও অন্যান্য তথ্য ধারণের সক্ষমতা রয়েছে। এমনকি সামনের ও পেছনের ক্যামেরা গোপনে চালু করে ছবি তুলে তা দূরে থাকা অপরাধীদের কাছে পাঠাতে পারে।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, গুগল প্লে স্টোরের বাইরে থাকা বিভিন্ন তৃতীয় পক্ষের ফাইল শেয়ারিং প্ল্যাটফর্মে ক্ষতিকর এপিকে ফাইলের মাধ্যমে ম্যালওয়্যারটি ছড়ানো হচ্ছে। ফিশিং লিংক, মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম এবং সামাজিক প্রকৌশলভিত্তিক প্রতারণার মাধ্যমে এটি ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অ্যান্ড্রয়েড ৯ বা তার আগের সংস্করণে চলা পুরোনো স্মার্টফোনগুলোতে এই ম্যালওয়্যারের ঝুঁকি তুলনামূলক বেশি। তবে নতুন অ্যান্ড্রয়েড সংস্করণ ব্যবহারকারীরাও পুরোপুরি নিরাপদ নন।
সুতরাং, অচেনা কোনো লিংক থেকে এপিকে ফাইল ডাউনলোড না করা, অপরিচিত উৎস থেকে অ্যাপ ইনস্টল না করা, গুগল প্লে প্রটেক্ট চালু রাখা এবং ফোনের অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত হালনাগাদ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৃত্যুর দীর্ঘ ১৫২ দিন পর অবশেষে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে নিজ বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন আফগান নাগরিক হাসমত মোহাম্মদী। জটিল আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, পরিচয় শনাক্তকরণ এবং দীর্ঘ আন্তর্জাতিক দাপ্তরিক আনুষ্ঠানিকতা শেষে বাংলাদেশ থেকে তার মরদেহ নিজ দেশে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
তথ্যসূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশে হাসমত মোহাম্মদীর মৃত্যু হয়। পরদিন ১৪ এপ্রিল ঝিনাইদহের একটি সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই সময় পরিচয় নিশ্চিত না হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ঝিনাইদহ পৌর গোরস্তানে অজ্ঞাতনামা হিসেবে তাকে দাফন করা হয়েছিল।
পরবর্তীতে ডিএনএ পরীক্ষা ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের মাধ্যমে হাসমত মোহাম্মদীর পরিচয় সুনিশ্চিত হয়। বিষয়টি জানার পর তার পরিবার মরদেহ আফগানিস্তানে ফিরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেয়। এই প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশে অবস্থিত আফগান দূতাবাস, বাংলাদেশ পুলিশ, স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের সহায়তায় দীর্ঘ প্রশাসনিক কাজ সম্পন্ন করা হয়।
আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ১ সেপ্টেম্বর ঝিনাইদহ পৌর গোরস্তান থেকে হাসমত মোহাম্মদীর মরদেহ উত্তোলন করা হয় এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষণ করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় দাপ্তরিক ছাড়পত্র ও এয়ার কার্গো সংক্রান্ত সব নিয়ম মেনে গত ১০ সেপ্টেম্বর ফ্লাইদুবাই এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে মরদেহ কাবুলে পাঠানো হয়।
গত ১১ সেপ্টেম্বর কাবুলে পৌঁছানোর পর স্বজনদের উপস্থিতিতে ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী জানাজা শেষে হাসমত মোহাম্মাদীকে তার বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়।
মরদেহের হস্তান্তরে আন্তরিক সহযোগিতার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশে অবস্থিত আফগান দূতাবাস, স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনি সমন্বয়কারী আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহমুদুল হাসান মাসুমের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলের ইনফ্লুয়েন্সার এবং রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বান্ধবী ভার্জিনিয়া ফনসেকার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী রুজেরিও কামিলো রামোস এবং তার স্ত্রী পাউলা রেজিনা সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ফনসেকা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘রোতা ভের্দে গোইয়াস’ এর উদ্ধৃতি দিয়ে গোলডটকম জানায়, ব্রাজিলের গোইয়ানিয়া মেট্রোপলিটন অঞ্চলের গুয়াপো পৌরসভার রিবেইরাও দাস পোস এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দুর্ঘটনার পর জরুরি বিভাগের একজন চিকিৎসক ঘটনাস্থলে রুজেরিওর মৃত্যু নিশ্চিত করেন। তার স্ত্রী পাউলা রেজিনাকে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটে।
দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে ফনসেকা স্প্যানিশ ফর্মুলা ওয়ান গ্র্যান্ড প্রিক্সের মাদ্রিং সার্কিটের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ইনস্টাগ্রামে নিরাপত্তারক্ষী ও তার স্ত্রীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের সকল সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে খবর দেওয়ার আগে এই বিষয়টি প্রকাশ করতে চাননি।
এক আবেগঘন বার্তায় ফনসেকা লিখেছেন, “আমাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী কামিলো ও তার স্ত্রীর অকালমৃত্যুর খবর পেলাম। এতক্ষণ কিছু পোস্ট করিনি, কারণ আমরা চেয়েছিলাম খবরটি যেন আগে পরিবারের সব সদস্য জানতে পারেন। কিন্তু খবরটি পাওয়ার পর থেকে আমি আর কোনো কাজই করতে পারছি না। আমার হৃদয় একেবারে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।”
কামিলোর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, “আমাদের পরিবারের প্রতি আপনার যে যত্ন, সুরক্ষা, প্রজ্ঞা ও ভালোবাসা ছিল, তার জন্য আমরা চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। আপনার উপস্থিতি ছিল আমাদের কাছে এক নিরাপদ আশ্রয়, আর আপনার স্মৃতি আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অমর হয়ে থাকবে।”
প্রয়াত দম্পতির একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। হেলোইস নামের শিশুটির দায়িত্ব নেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন ফনসেকা। তিনি জানিয়েছেন, শিশুটির অভিভাবক হিসেবে পাশে থাকবেন এবং ভবিষ্যতেও তার দেখভাল করবেন।
মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন ফনসেকা।
সূত্র: গোলডটকম
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপি সাধারণ খাতের বরাদ্দের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ কামরুল হুদা, নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রধান অতিথি বলেন, "স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।"
জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেন, "জেলা পরিষদের অর্থ জনগণের অর্থ। তাই বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।"
পরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের চেক তুলে দেওয়া হয়।
এদিকে, হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা’ কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও নারীদের মাঝে বাইসাইকেল, শিক্ষা বৃত্তি এবং সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার সকালে রাংড়া পাড়ার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং বিকেলে জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এসব সহায়তা বিতরণ করেন।
বিজন কান্তি সরকার বলেন, "ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকারি সহায়তা আরও জোরদার করা হয়েছে।"
অন্যদিকে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, "দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাইকে দেশের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।"
অনুষ্ঠানে হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সল আহমেদসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সাত ধাপে করার পরিকল্পনা করছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে চাই।" প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপের জন্য ১৩ ডিসেম্বর, এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া, আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে, ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ ধাপ এবং সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার।
প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে, আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি।" সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনার আলোকে, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করবে কমিশন।
তিনি আরও বলেন, "আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে।" প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের আইনি কাঠামো নিয়েও আলোচনা করেন এ নির্বাচন কমিশনার। আইন সংশোধন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনে নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না এলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই নির্বাচন পরিচালনা করবে কমিশন।"
আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে কোনো আইনি বা কার্যগত জটিলতা থাকবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ