সোমবার, ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:৪৮ পি.এম
ব্রাজিলের ইনফ্লুয়েন্সার এবং রিয়াল মাদ্রিদ তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের বান্ধবী ভার্জিনিয়া ফনসেকার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী রুজেরিও কামিলো রামোস এবং তার স্ত্রী পাউলা রেজিনা সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ফনসেকা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘রোতা ভের্দে গোইয়াস’ এর উদ্ধৃতি দিয়ে গোলডটকম জানায়, ব্রাজিলের গোইয়ানিয়া মেট্রোপলিটন অঞ্চলের গুয়াপো পৌরসভার রিবেইরাও দাস পোস এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দুর্ঘটনার পর জরুরি বিভাগের একজন চিকিৎসক ঘটনাস্থলে রুজেরিওর মৃত্যু নিশ্চিত করেন। তার স্ত্রী পাউলা রেজিনাকে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাকে পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু ঘটে।
দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে ফনসেকা স্প্যানিশ ফর্মুলা ওয়ান গ্র্যান্ড প্রিক্সের মাদ্রিং সার্কিটের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। ইনস্টাগ্রামে নিরাপত্তারক্ষী ও তার স্ত্রীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের সকল সদস্যকে আনুষ্ঠানিকভাবে খবর দেওয়ার আগে এই বিষয়টি প্রকাশ করতে চাননি।
এক আবেগঘন বার্তায় ফনসেকা লিখেছেন, “আমাদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী কামিলো ও তার স্ত্রীর অকালমৃত্যুর খবর পেলাম। এতক্ষণ কিছু পোস্ট করিনি, কারণ আমরা চেয়েছিলাম খবরটি যেন আগে পরিবারের সব সদস্য জানতে পারেন। কিন্তু খবরটি পাওয়ার পর থেকে আমি আর কোনো কাজই করতে পারছি না। আমার হৃদয় একেবারে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে।”
কামিলোর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি আরও লেখেন, “আমাদের পরিবারের প্রতি আপনার যে যত্ন, সুরক্ষা, প্রজ্ঞা ও ভালোবাসা ছিল, তার জন্য আমরা চিরকাল কৃতজ্ঞ থাকব। আপনার উপস্থিতি ছিল আমাদের কাছে এক নিরাপদ আশ্রয়, আর আপনার স্মৃতি আমাদের হৃদয়ে চিরকাল অমর হয়ে থাকবে।”
প্রয়াত দম্পতির একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। হেলোইস নামের শিশুটির দায়িত্ব নেওয়ারও আশ্বাস দিয়েছেন ফনসেকা। তিনি জানিয়েছেন, শিশুটির অভিভাবক হিসেবে পাশে থাকবেন এবং ভবিষ্যতেও তার দেখভাল করবেন।
মর্মান্তিক এই ঘটনায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন ফনসেকা।
সূত্র: গোলডটকম
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার বিভিন্ন শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকে কেন্দ্র করে জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের এডিপি সাধারণ খাতের বরাদ্দের চেক বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান সরকার রোকন।
অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ কামরুল হুদা, নির্বাহী কর্মকর্তা স্নিগ্ধা দাসসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা বক্তব্য প্রদান করেন।
প্রধান অতিথি বলেন, "স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।"
জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স মন্তব্য করেন, "জেলা পরিষদের অর্থ জনগণের অর্থ। তাই বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনকল্যাণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।"
পরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের হাতে উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের চেক তুলে দেওয়া হয়।
এদিকে, হালুয়াঘাটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘বিশেষ এলাকার জন্য উন্নয়ন সহায়তা’ কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থী ও নারীদের মাঝে বাইসাইকেল, শিক্ষা বৃত্তি এবং সেলাই মেশিন বিতরণ করা হয়েছে।
রোববার সকালে রাংড়া পাড়ার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার এবং বিকেলে জেলা পরিষদের প্রশাসক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স এসব সহায়তা বিতরণ করেন।
বিজন কান্তি সরকার বলেন, "ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার পাশাপাশি শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আর্থসামাজিক উন্নয়নে সরকারি সহায়তা আরও জোরদার করা হয়েছে।"
অন্যদিকে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স বলেন, "দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও জাতিগোষ্ঠী নির্বিশেষে সবাইকে দেশের উন্নয়ন ও পুনর্গঠনে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।"
অনুষ্ঠানে হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফয়সল আহমেদসহ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিভিন্ন সংগঠনের নেতা ও স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নির্বাচন কমিশন (ইসি) আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন সাত ধাপে করার পরিকল্পনা করছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এ তথ্য প্রকাশ করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমরা সাত ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন করতে চাই।" প্রথম ধাপের সম্ভাব্য তারিখ ১২ নভেম্বর, দ্বিতীয় ধাপের জন্য ১৩ ডিসেম্বর, এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে।
এছাড়া, আগামী বছরের ১৭ জানুয়ারি চতুর্থ ধাপের ভোট অনুষ্ঠিত হবে, ৪ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম ধাপ, ২২ এপ্রিল ষষ্ঠ ধাপ এবং সপ্তম ধাপের ভোটের সম্ভাব্য তারিখ ২৭ মে বলে জানান নির্বাচন কমিশনার।
প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হবে বলেও তিনি জানান।
এর আগে, আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি।" সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনার আলোকে, আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করবে কমিশন।
তিনি আরও বলেন, "আগামী নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হবে।" প্রথম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন আয়োজন করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচনের আইনি কাঠামো নিয়েও আলোচনা করেন এ নির্বাচন কমিশনার। আইন সংশোধন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আইনে নতুন কোনো পরিবর্তন বা সংশোধন না এলে বিদ্যমান আইন অনুযায়ীই নির্বাচন পরিচালনা করবে কমিশন।"
আবদুর রহমানেল মাছউদ জানান, এ ক্ষেত্রে নির্ধারিত সময়ে ভোট আয়োজনের ক্ষেত্রে কোনো আইনি বা কার্যগত জটিলতা থাকবে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ৫২ কিলোমিটার দীর্ঘ নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু করার পরিকল্পনা করছে সরকার।
এই প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য আগামী বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় উপস্থাপন করা হবে।
৩ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার এই প্রকল্পের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এবং ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (ইআইবি) ২ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করবে। ২০৩১ সালের ৩০ জুনের মধ্যে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিজেলচালিত ইঞ্জিন ব্যবহার করে। সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী, বৈদ্যুতিক ট্রেনে ৪০ শতাংশ বেশি জ্বালানি সাশ্রয় হবে এবং ট্রেনের গতিও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
প্রস্তাবনায় উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকা এবং এর দুই পাশের শিল্পাঞ্চল গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের মধ্যে যানজট ও গাড়ির চাপ কমাতে এই রুটটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট লিংক হিসেবে কাজ করবে। পুরোনো ডিজেলচালিত ইঞ্জিনের কারণে বর্তমানে ট্রেনগুলো কাঙ্ক্ষিত গতিতে চলতে সক্ষম নয় এবং যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত ট্রিপও প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে না।
এই সমস্যাগুলো সমাধান করতে রেলওয়ে প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। এটি চালু হলে প্রতিদিন গাজীপুর, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে যাতায়াতকারী হাজারো যাত্রী দ্রুত, সাশ্রয়ী ও নিরাপদ গণপরিবহন সুবিধা লাভ করবেন।
এই উদ্যোগের আওতায় ট্রেনের পরিচালনা ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ডিজেল থেকে বিদ্যুতে রূপান্তরিত হবে। রেললাইনের ওপর দিয়ে ‘ওভারহেড ওয়্যার’ বা বিদ্যুতের তার স্থাপন করা হবে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য নির্দিষ্ট দূরত্বে বিশেষায়িত ‘ট্রাকশন সাবস্টেশন’ নির্মাণ করা হবে।
নিরাপদ ও মসৃণ চলাচল নিশ্চিত করতে আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব ‘ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট’ (ইএমইউ) ট্রেন, বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন এবং কম্পিউটারভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
প্রস্তাবনায় বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক ট্রেন অর্থনীতি ও পরিবহন খাতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে। ডিজেল ইঞ্জিনের তুলনায় বৈদ্যুতিক ট্রেন অনেক দ্রুতগতিতে চলতে এবং থামতে সক্ষম। ফলে স্টেশনে থামার পর দ্রুত সর্বোচ্চ গতিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে। এতে নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে যাতায়াতের সময় অর্ধেকের বেশি কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ে ৩ হাজার ৯৩ কিলোমিটার নেটওয়ার্কে ডিজেলচালিত ট্রেন পরিচালনা করছে। পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও রেলওয়ের কর্মকর্তারা জানান, বৈদ্যুতিক ট্রেনে প্রাথমিক বিনিয়োগ তুলনামূলক বেশি হলেও এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক কম। এই ব্যবস্থা অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব।
কর্মকর্তারা জানান, বৈদ্যুতিক ট্রেন চালু হলে পরিচালনা ব্যয় ৩৫ শতাংশ এবং রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমবে। পাশাপাশি কার্বন নিঃসরণ ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমবে।
উদাহরণ হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভারতের রেলওয়ে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে তাদের ৬৫ হাজার ৩০০ কিলোমিটার ব্রডগেজ নেটওয়ার্কের প্রায় ৯০ শতাংশ অর্থাৎ ৫৮ হাজার ৮১২ কিলোমিটার বিদ্যুতায়ন করেছে।
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটেও বৈদ্যুতিক ট্রেনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানান, চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে বৈদ্যুতিক ট্রাকশন চালুর জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিস্তারিত নকশার কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
সাংসদ মোহাম্মদ এনামুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও প্রকল্পের সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। এটি বাস্তবায়িত হলে চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটেও বৈদ্যুতিক ট্রেন চলবে। এতে ট্রেনের গড় গতি বৃদ্ধি পাবে এবং যাতায়াতের সময় কমবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ দিয়ে সম্প্রতি হাইকোর্ট যে রায় প্রদান করেছে, তা আপাতত বহাল রেখেছে চেম্বার আদালত।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের রায় স্থগিত করার জন্য গ্রামীণ কল্যাণের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব এ আদেশ দেন। আদালত জানায়, পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত তারা এই মামলায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবে না।
এদিন, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধের নির্দেশ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায় স্থগিত করার জন্য আবেদন করা হয় চেম্বার আদালতে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন, যিনি ব্যারিস্টার খাজা তানভীর আহমেদ দ্বারা সহযোগিতা পান।
গ্রামীণ কল্যাণের আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, গ্রামীণ কল্যাণের পক্ষ থেকে দুটি রিট পিটিশন দাখিল করা হয়েছিল। এনবিআর যে অতিরিক্ত ট্যাক্স দাবি করেছে, সেটিকে অবৈধ ঘোষণা করার জন্য যে দুটি রিট করা হয়েছিল, সেগুলো গত ১০ তারিখে নামঞ্জুর হয়েছে। এজন্য তারা একটি স্থগিতাদেশ চেয়েছিলেন, চেম্বার জজের কাছে সিএমপি ফাইল করে। চেম্বার জজ বলেন, যেহেতু হাইকোর্ট এখনও কোনো রায় দেয়নি এবং তারা তা পাননি, তাই এই বিষয়ে তারা কোনো হস্তক্ষেপ করবেন না। সুতরাং, রায় প্রকাশ হলে তার ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায় দেয়। ওইদিন বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রায় প্রদান করে। রায়ে আদালত উল্লেখ করে, আগামী ৩ অর্থবছরের মধ্যে গ্রামীণ কল্যাণকে এই অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ