ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করা ব্যবহারকারীরা


ফেসবুকের ফ্রি ভেরিফায়েড ব্যাজ পাবেন না নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ না করা ব্যবহারকারীরা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক অনলাইনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত ভুয়া আইডি, ছবি এবং সাইবার প্রতারণা প্রতিরোধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এবার, সাধারণ ব্যবহারকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য বিনামূল্যে ‘ভেরিফায়েড ব্যাজ’ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে মেটা।

এই নতুন উদ্যোগের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা সহজেই চিহ্নিত করতে পারবেন যে অ্যাকাউন্টটি বাস্তব মানুষের নাকি এআই দ্বারা তৈরি ভুয়া আইডি। তবে, মেটার পেইড সার্ভিস ‘মেটা ভেরিফায়েড’-এর মতো টাকা দিয়ে এই ব্যাজ কিনতে হবে না। সাধারণ ব্যবহারকারীরা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এই ব্যাজটি পাবেন।

নতুন এই ব্যাজ পেতে, ব্যবহারকারীকে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নিজের সেলফি ভিডিও ধারণ করে জমা দিতে হবে। ফেসবুক উক্ত ভিডিওটি অ্যাকাউন্টের মূল ছবি ও তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে পরিচয় শতভাগ নিশ্চিত করবে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

তবে, এই সুবিধা সবার জন্য নয়। ব্যাজটি পেতে হলে অ্যাকাউন্টধারীকে বেশ কিছু প্রাথমিক শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো—

মেটা জানাচ্ছে যে এই ব্যাজটি কেবল একজন ব্যবহারকারী বাস্তব মানুষ কি না সেই প্রমাণ বহন করে। এটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সততা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা ব্যক্তিগত আচরণের কোনো নিশ্চয়তা দেয় না। ফলে, অনলাইনে যেকোনো লেনদেন, তথ্য আদান-প্রদান বা ব্যক্তিগত যোগাযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের নিজস্ব সচেতনতা বজায় রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে, এই ফিচারটি বিশ্বের নির্বাচিত কয়েকটি দেশে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য এই সুবিধা উন্মুক্ত করবে মেটা।

আরও পড়ুন: টিকটক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফ্লোরিডায় প্রথম বাড়ি কিনলেই মিলতে পারে ১ লাখ ডলার, যারা পাবেন সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


ফ্লোরিডায় প্রথম বাড়ি কিনলেই মিলতে পারে ১ লাখ ডলার, যারা পাবেন সুবিধা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের টাম্পা শহরে প্রথমবার বাড়ি কেনার জন্য আগ্রহী ব্যক্তিদের জন্য ১ লাখ ডলার পর্যন্ত আর্থিক সহায়তার সুযোগ রয়েছে। নগর কর্তৃপক্ষের দুটি পৃথক কর্মসূচির মাধ্যমে যোগ্য ক্রেতারা এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। তবে, এই অর্থ সকলের জন্য প্রযোজ্য নয়। সহায়তার পরিমাণ নির্ধারিত হবে পারিবারিক আয়, বাড়ির অবস্থান এবং অন্যান্য শর্তের ওপর ভিত্তি করে।

টাম্পা নগর কর্তৃপক্ষের দুটি কর্মসূচি হলো ‘ডেয়ার টু ওন দ্য ড্রিম’ এবং ‘কমিউনিটি রিডেভেলপমেন্ট এরিয়া’ বা সিআরএ ডাউন পেমেন্ট সহায়তা কর্মসূচি। প্রথম কর্মসূচির আওতায় যোগ্য ক্রেতারা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার সহায়তা পেতে পারেন। অন্যদিকে, নির্ধারিত পুনর্গঠন এলাকার মধ্যে বাড়ি কিনলে দ্বিতীয় কর্মসূচির আওতায় আরও সর্বোচ্চ ৫০ হাজার ডলার পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। উভয় কর্মসূচির শর্ত পূরণ করলে মোট সহায়তা ১ লাখ ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

২০২৬ সালের জুনে প্রকাশিত নগর কর্তৃপক্ষের এক প্রতিবেদনে এমন একজন ক্রেতার অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে, যিনি দুটি কর্মসূচির সহায়তা মিলিয়ে মোট ১ লাখ ডলার পেয়েছেন। ‘ডেয়ার টু ওন দ্য ড্রিম’ কর্মসূচির আওতায় সহায়তা পেতে হলে বাড়িটি অবশ্যই টাম্পা নগরসীমার মধ্যে থাকতে হবে। পরিবারের আয় নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে এবং বাড়ির ক্রয়মূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার ডলারের বেশি হওয়া যাবে না। এছাড়া অনুমোদিত আবাসন পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে। বাড়ি কেনার চুক্তি করার আগে কর্মসূচির নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা আবশ্যক।

অন্যদিকে, সিআরএ কর্মসূচির জন্য বাড়িটি টাম্পার নির্ধারিত কমিউনিটি পুনর্গঠন এলাকার সীমানার মধ্যে অবস্থিত হতে হবে। বাড়িটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ডাক-সংকেত বা জিপ কোডের আওতায় পড়লেই হবে না; বাড়িটির প্রকৃত অবস্থান সংশ্লিষ্ট এলাকার মধ্যে কি না, তা যাচাই করতে হবে। এ ক্ষেত্রে পারিবারিক আয়, ক্রেতার যোগ্যতা, নিজস্ব অর্থ বিনিয়োগ এবং অনুমোদিত ঋণের ধরনসহ বিভিন্ন শর্ত রয়েছে।

নগর কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা অনুযায়ী, নির্ধারিত এলাকার মধ্যম পারিবারিক আয়ের তুলনায় আবেদনকারীর আয়ের স্তর বিবেচনা করে সহায়তার পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়। তবে, এই আয়সীমা পূরণ করলেই সহায়তা নিশ্চিত নয়। অন্যান্য শর্তও পূরণ করতে হবে।

এটি মনে রাখা উচিত যে, এই অর্থকে সরাসরি নগদ অনুদান হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়। সাধারণত শূন্য সুদের বিলম্বিত পরিশোধযোগ্য ঋণের মাধ্যমে সহায়তা দেওয়া হয়। নির্ধারিত শর্ত মেনে বাড়িটিকে নিজের প্রধান বাসস্থান হিসেবে ব্যবহার করলে ২০ বছর পর ঋণ মওকুফের সুযোগ থাকতে পারে।

তবে বাড়ি বিক্রি, মালিকানা পরিবর্তন কিংবা বসবাসের শর্ত ভঙ্গ করলে ভিন্ন নিয়ম প্রযোজ্য হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে ঋণের চুক্তি ও মওকুফের শর্ত ভালোভাবে বুঝে নেওয়া জরুরি। প্রথমবার বাড়ি কিনতে গিয়ে যারা প্রাথমিক অর্থের জোগান দিতে সমস্যায় পড়েন, তাদের জন্য টাম্পার এই কর্মসূচি সহায়ক হতে পারে। তবে, সহায়তার পরিমাণ, তহবিলের প্রাপ্যতা ও আবেদনের নিয়ম সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে।

সুতরাং, আবেদন করার আগে টাম্পা নগর কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বা অনুমোদিত আবাসন পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করে বর্তমান যোগ্যতা, আবেদন প্রক্রিয়া ও তহবিলের অবস্থা নিশ্চিত করা উচিত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন জাহান মুক্তার সন্ধানে স্বজনরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪০ পি.এম


কক্সবাজারে অগ্নিকাণ্ড: নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন জাহান মুক্তার সন্ধানে স্বজনরা

কক্সবাজারের ইনানী মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন ‘টুপটুপ রিসোর্ট’-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে নিখোঁজ রয়েছেন নাসরিন জাহান মুক্তা (২৯), যিনি পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার একজন স্কুলশিক্ষিকা। ১৩ ঘণ্টা অতিবাহিত হলেও এখনও তার পরিবার তাকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়নি।

রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুক্তার স্বামী দেওয়ান ফয়সাল, যিনি ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি। তারা বর্তমানে কক্সবাজারে রয়েছেন, মরদেহ চিহ্নিত করার জন্য ডিএনএ টেস্টের অপেক্ষায়।

শনিবার সকাল ৬টার দিকে মেরিন ড্রাইভের পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার ওই রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এই অগ্নিকাণ্ডে মুক্তা নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

অন্য নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রাজধানী ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০), মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩) এবং ফায়িজান আহম্মেদ (৫) সহ আরও তিনজন।

অগ্নিকাণ্ডের পর ধ্বংসস্তূপ থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও মুক্তাকে শনাক্ত করতে পারেননি তার স্বামী ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। মুক্তা বেঁচে আছেন কি না, এই অনিশ্চয়তায় তার পরিবার চরম উৎকণ্ঠা ও শোকে দিন কাটাচ্ছে।

নিখোঁজ নাসরিন জাহান মুক্তা মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর রাজপাড়া গ্রামের মোস্তফা কামালের কন্যা। তিনি ঢাকার সাভারের ‘স্বপ্ন বিলাস স্কুল’ নামের একটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করতেন।

পারিবারিক ফুফাতো ভাই ইমরান হোসেনের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তা তার দুই বান্ধবীর সঙ্গে কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়েছিলেন। তারা পাটোয়ারটেক সমুদ্রসৈকত এলাকার ‘টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্ট’ (TUPTUP Resto & Resort)-এ অবস্থান করেছিলেন। শনিবার সকালে তার দুই বান্ধবী সৈকতে হাঁটতে বের হলে মুক্তা রুমে ঘুমানোর কথা জানান। কিন্তু বান্ধবীরা রিসোর্ট থেকে বের হওয়ার মাত্র ২০ মিনিটের মধ্যে সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটে।

ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে। তাদের সঙ্গে যোগ দেয় বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসন। সকাল সোয়া ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে এবং বেলা ১১টার দিকে তা সম্পূর্ণ নির্বাপণ করা সম্ভব হয়।

মুক্তার আপন ফুফাতো ভাই ও মঠবাড়িয়া রুস্তম আলী ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ইমরান হাজী চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, "উদ্ধার হওয়া দশ মরদেহের মধ্যে আমার বোনের মরদেহ এখনও শনাক্ত করতে পারিনি। বোন জামাই বর্তমানে কথা বলার মতো পরিস্থিতিতে নেই। পরিবারের সবাই চরম উদ্বিগ্ন, আমাদের এই শোক ও অনিশ্চয়তা সইবার মতো কোনো শক্তি আর অবশিষ্ট নেই। মরদেহ শনাক্ত করতে পারলে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে আসবো।"

মঠবাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রবিউল ইসলাম বলেন, "আমরা ওই পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। খোঁজ-খবর নিয়ে দেখব কিছু করা যায় কিনা।"

কক্সবাজারে আনন্দভ্রমণে গিয়ে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে মুক্তার নিখোঁজ হওয়ার খবরে তার নিজ এলাকা মঠবাড়িয়ায় শোক ও উদ্বেগের ছায়া নেমে এসেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যালিফোর্নিয়ার ৩ শহরে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৩ বাংলাদেশি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


ক্যালিফোর্নিয়ার ৩ শহরে কাউন্সিলর পদে লড়ছেন ৩ বাংলাদেশি

যুক্তরাষ্ট্রের মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের অংশগ্রহণ ক্রমবর্ধমান। এই প্রেক্ষাপটে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের তিনটি শহরের নগর পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির মন্টেবেলো শহরের শাজিয়া হক, রিভারসাইড কাউন্টির পেরিস শহরের মোহাম্মদ রহমান এবং সান বার্নার্ডিনো কাউন্টির চিনো শহরের এম এস আলম।

আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের জন্য তিন প্রার্থীই প্রচার কার্যক্রম চালাচ্ছেন। স্থানীয় বাংলাদেশি-আমেরিকান সম্প্রদায়ের অনেক সদস্য তাদের সমর্থন জানাচ্ছেন। কেউ আর্থিক সহায়তা প্রদান করছেন, কেউ নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহে সহায়তা করছেন, আবার কেউ উৎসাহ ও নৈতিক সমর্থন জোগাচ্ছেন।

মূলধারার রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ চান শাজিয়া।

লস অ্যাঞ্জেলেস কাউন্টির মন্টেবেলো শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নগর পরিষদ নির্বাচনে লড়ছেন শাজিয়া হক। তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন জর্জিনা তামায়ো, কিম্বারলি কোবোস ক্যাথর্ন ও রাফায়েল সান্তোয়া।

শাজিয়া, যিনি ব্যবসা, লেখালেখি ও সামাজিক নেতৃত্বের সঙ্গে যুক্ত, দাবি করেছেন যে তার ব্যবসা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রায় ২০ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। নির্বাচিত হলে তিনি নগর প্রশাসনে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি, দায়িত্বশীল বাজেট ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ পাড়া এবং স্থানীয় ব্যবসার বিকাশে কাজ করতে চান। নগর কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে বাসিন্দাদের মতামত নিশ্চিত করাও তার লক্ষ্য।

গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে শাজিয়া জানান, বাংলাদেশি-আমেরিকান নারী হিসেবে তিনি মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের অন্য জাতিগোষ্ঠীর তুলনায় তাদের প্রতিনিধিত্ব পিছিয়ে রয়েছে। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের সুযোগ ও সুবিধা কাজে লাগাতে হলে মূলধারার রাজনীতিতে যুক্ত হতে হবে এবং পরবর্তী প্রজন্মের জন্য পথ তৈরি করতে হবে।

জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী মোহাম্মদ রহমান

রিভারসাইড কাউন্টির পেরিস শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রার্থী হয়েছেন মোহাম্মদ রহমান। তার প্রতিদ্বন্দ্বী গুয়াদালুপে গোমেজ ও হুয়ান কার্লোস ফ্রাঙ্কো।

মোহাম্মদ রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ডাক বিভাগে ২৭ বছর কাজ করেছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের অভিজ্ঞতা নির্বাচনী প্রচারে তাকে সহায়তা করছে বলে তিনি মনে করেন। কর্মজীবনের সুবাদে অনেক ভোটার তাকে আগে থেকেই চেনেন, যা তাকে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী করে তুলেছে।

তার নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে রয়েছে জননিরাপত্তা, সাশ্রয়ী আবাসন, ক্ষুদ্র ব্যবসার বিকাশ এবং তরুণদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি। পাশাপাশি পাড়ায় নজরদারি, পর্যাপ্ত সড়কবাতি, উন্নত ফুটপাত ও জননিরাপত্তা জোরদার করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

প্রকৌশল অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান এম এস আলম।

সান বার্নার্ডিনো কাউন্টির চিনো শহরের ৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন প্রকৌশলী এম এস আলম। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান নগর পরিষদ সদস্য মার্ক লুসিও।

এম এস আলম ক্যালিফোর্নিয়ার পরিবহন বিভাগের সপ্তম জেলায় পূর্ণকালীন প্রকল্প ব্যবস্থাপক হিসেবে কাজ করেন। তিনি ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, লং বিচে খণ্ডকালীন শিক্ষকতাও করেন। লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন প্রকৌশল নিয়ে গবেষণা ও পিএইচডি পর্যায়ের কাজের অভিজ্ঞতাও রয়েছে তার। তিনি চিনো শহরে ১৮ বছর ধরে বসবাস করছেন।

নির্বাচিত হলে পরিকল্পিত নগরায়ন, উন্নত গণপরিবহন, শক্তিশালী অবকাঠামো, দায়িত্বশীল উন্নয়ন এবং মানসম্মত নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে চান এম এস আলম। তার লক্ষ্য, বর্তমান বাসিন্দাদের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করা। নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কঠোর পরিশ্রম করবেন বলেও গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশিদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর লড়াই।

তিন প্রার্থীর নির্বাচনী অঙ্গীকারের মধ্যে পার্থক্য থাকলেও তাদের লক্ষ্য একই—যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় রাজনীতিতে বাংলাদেশি-আমেরিকানদের অংশগ্রহণ ও প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি করা। শাজিয়া হক নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণে গুরুত্ব দিচ্ছেন, মোহাম্মদ রহমান আবাসন ও জননিরাপত্তাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন। এম এস আলম প্রকৌশল ও প্রকল্প ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিত নগর উন্নয়নের কথা বলছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে নগর পরিষদের সিদ্ধান্ত সরাসরি বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রভাব ফেলে। সড়ক, গণপরিবহন, আবাসন, জননিরাপত্তা, নগর পরিকল্পনা ও স্থানীয় ব্যবসার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে এসব পরিষদের ভূমিকা রয়েছে।

আগামী ৩ নভেম্বর মন্টেবেলো, পেরিস ও চিনো শহরের ভোটাররা তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। তিন বাংলাদেশি-আমেরিকান প্রার্থীর জন্য এই লড়াই শুধু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার নয়; স্থানীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব প্রতিষ্ঠারও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রচেষ্টা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কানাডার আলবার্টার সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন, নিহত ও আহতের সংখ্যা বেড়েছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৮ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


কানাডার আলবার্টার সেনাঘাঁটিতে ভয়াবহ আগুন, নিহত ও আহতের সংখ্যা বেড়েছে

কানাডার আলবার্টার সেনাঘাঁটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত সামরিক ঘাঁটিগুলোর একটি। সেখানে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় বেশ কয়েকজন নিহত ও আহত হয়েছেন।

কানাডার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্থানীয় সময় শনিবার রাতে (১৭ অক্টোবর) এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ জানায়, বিকাল ৪টার দিকে ঘাঁটি থেকে তাদের কাছে সহায়তা চাওয়া হয়।

আগুন লাগার পরও ওই শহরের বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ সাধারণ জনগণকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার, সড়ক খোলা রাখার এবং ওয়াইনরাইটের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অপ্রয়োজনে না যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী ডেভিড ম্যাকগুইন্টি এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, "আমি দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি সেখানে নিহত ও আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।" তবে তিনি আগুনের সূত্রপাতের কারণ এবং কতজন আহত বা নিহত হয়েছেন, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

তিনি কেবল উল্লেখ করেছেন, আগুনটি সক্রিয় এবং ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। উচ্চ বাতাসের কারণে আগুনটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।

আলবার্টার প্রাদেশিক রাজধানী এডমন্টন থেকে ২১০ কিলোমিটার দক্ষিণপূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ওয়াইনরাইট শহর। এখানে কানাডিয়ান ম্যানুভার ট্রেনিং সেন্টার এবং থার্ড কানাডিয়ান ডিভিশন ট্রেনিং সেন্টার অবস্থিত। এছাড়া, এডমন্ডের আর্মি ফিল্ড ফোর্স ইউনিটের ট্রেনিং গ্রাউন্ড হিসেবেও এই ঘাঁটি ব্যবহৃত হয়।

প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি জানিয়েছেন, গুরুতর ঘটনা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতো তিনিও আগুন লাগার কারণ সম্পর্কে কিছু জানাননি।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%