বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৯:২৭ এম
খুলনা বিভাগীয় বইমেলা আগামী ১০ থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত নয় দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে।
এ সিদ্ধান্তটি বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত একটি প্রস্তুতিসভায় গৃহীত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুন। এ সময় সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মু. বিল্লাল হোসেন খান, খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এবং জাসাস মহানগর কমিটি ও জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় চত্বরে আয়োজিত এ বইমেলায় প্রতিদিন আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, কুইজ প্রতিযোগিতা সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
বইমেলা ছুটির দিন বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এবং অন্যান্য দিনগুলোতে বিকেল তিনটা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট অব স্পোর্টস জাস্টিস (এসটিজেডি) নেইমার জুনিয়রকে দুই ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে। সান্তোসের এই ফরোয়ার্ড মাঠে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিবাদের সময় মুখ ঢেকে রাখার জন্য এই শাস্তি পেয়েছেন।
নেইমার ইতিমধ্যে তিনটি হলুদ কার্ড দেখানোর কারণে এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিলেন, ফলে সব মিলিয়ে তিনি সান্তোসের হয়ে তিন ম্যাচে খেলতে পারবেন না।
শনিবার ব্রাজিলিয়ান সিরি ‘আ’-তে বাহিয়ার বিরুদ্ধে ১-১ গোলে ড্র হওয়া ম্যাচে নেইমার লাল কার্ড পান। বুধবার এসটিজিডি ওই ঘটনার শাস্তি ঘোষণা করে। ম্যাচে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখানোর পর, আরেকটি ঘটনায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ৩৪ বছর বয়সী এই তারকাকে।
বাহিয়ার মিডফিল্ডার রদ্রিগো নেস্তরের সঙ্গে বিবাদের সময় মুখ ঢেকে রাখার কারণে নেইমারকে দোষী সাব্যস্ত করেছে ক্রীড়া ট্রাইব্যুনাল। ফুটবলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সংঘাতের সময় খেলোয়াড়দের মুখ ঢেকে রাখা নিষিদ্ধ করার যে নিয়ম চালু হয়েছে, সেটি লঙ্ঘনের অভিযোগে এই শাস্তি দেওয়া হয়েছে। এই নিয়মটি ‘ভিনিসিয়ুস জুনিয়র’ নামে পরিচিত।
এসটিজিডির ভাষ্য অনুযায়ী, রেফারির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, লাল কার্ড দেখার পরেও নেইমার প্রতিপক্ষের সঙ্গে ফের বিবাদে জড়াতে দর্শক দলের বেঞ্চের দিকে ছুটে যান। পরে সতীর্থরা তাকে আটকে রাখেন।
নেইমার ও সান্তোসের আপিল করার সুযোগ রয়েছে এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে। আপিলের ফলাফল কী হবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।
গত তিন মাসে দ্বিতীয়বারের মতো শাস্তির কারণে নেইমার আলোচনায় এসেছেন। আগস্ট মাসে ব্রাজিলের শীর্ষ ফুটবলে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হওয়া নতুন নিয়মের আওতায় তাকে সাময়িকভাবে মাঠের বাইরে যেতে হয়েছিল। গোলরক্ষকদের সময়ক্ষেপণ কমানোর লক্ষ্যে নিয়মটি পরীক্ষা করছে লিগ কর্তৃপক্ষ।
সর্বমোট নিষেধাজ্ঞার কারণে সান্তোসের হয়ে পরবর্তী তিন ম্যাচে নেইমার খেলতে পারবেন না। ফলে কবে মাঠে ফিরবেন, তা নির্ভর করছে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার সময়সূচি ও সম্ভাব্য আপিলের ফলের ওপর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার বাতাস চলতি মাসের অধিকাংশ সময় অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় ছিল। আজকের বায়ুমান সূচক গতকালকের তুলনায় আরও খারাপ অবস্থায় রয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ১৫১ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ১৩তম, যা ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গতকাল ঢাকার স্কোর ছিল ১২৩।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ৮টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান বিষয়ক ওয়েবসাইট আইকিউ এয়ারে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
এদিন বায়ুদূষণের কারণে বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ইরাকের রাজধানী বাগদাদ, যার স্কোর ৩৯৯। তালিকার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে যথাক্রমে পাকিস্তানের লাহোর ও ভারতের রাজধানী দিল্লি, স্কোর ২৭৭ ও ২১৬।
সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার শহরের বাতাসের নির্মলতা বা দূষণের লাইভ সূচক জানিয়ে থাকে। প্রতিষ্ঠানটির মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোর হলে বায়ুর মান ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয়।
এছাড়া ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে গণ্য করা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোর ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে চিহ্নিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে তা ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচিত হয়। ৩০১-এর বেশি স্কোর ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
যখন বায়ুমান অস্বাস্থ্যকর হয়, তখন শিশু, বৃদ্ধ এবং শ্বাসকষ্ট বা হৃদরোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের দীর্ঘ সময় বাইরে অবস্থান থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়। বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে ২০০ টাকা বেশি দামে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার খুচরা বিক্রেতারা কিনছেন। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) এলপিজির দাম পুনর্নির্ধারণের জন্য গণশুনানি আয়োজন করতে যাচ্ছে। ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) অভিযোগ, ব্যবসায়ীরা অযৌক্তিক অজুহাত দেখিয়ে বারবার দাম বাড়াচ্ছেন, ফলে ভোক্তাদের পকেট ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দাম বাড়ানোর পরেও নতুন নতুন অজুহাতে বেশি দামে বিক্রি করার আশঙ্কা রয়েছে।
এলপিজি সিলিন্ডার খুচরা বিক্রেতার কাছে পৌঁছাতে কয়েকটি হাত বদল হয়। এই প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের কমিশন বাণিজ্য চলে। সিন্ডিকেটের বিভিন্ন ধাপ পেরিয়ে সিলিন্ডার খুচরা বিক্রেতার কাছে পৌঁছাতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি পায়।
সিলিন্ডার কিনতে আসা এক ভোক্তা মন্তব্য করেন, ‘আগে আমাদের সিন্ডিকেট ঠিক করতে হবে। জায়গামতো ঠিক করতে পারলেই দোকানদার কম দামে পেলে কম দামে বিক্রি করতে পারবেন।’
সরকার নির্ধারিত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা ছিল। অক্টোবরে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে দাম ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এবার সিলিন্ডারের প্রতি আরও ৩০০ টাকা দাম বাড়ানোর প্রস্তাব রয়েছে।
গ্রাহকদের মধ্যে এলপিজির দাম বাড়ানোর প্রস্তাবে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এক ভোক্তা অভিযোগ করেন, ‘এটা একটা সিন্ডিকেটের মতো। আরেকটা বিষয় হলো, টাকা বেশি দিলে পাওয়া যায়, কম দিলে পাওয়া যায় না।’
ডিলার ও বিক্রেতাদের দাবি, সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের ১০০ থেকে ২০০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে সিলিন্ডার কিনতে। এক বিক্রেতা জানান, ‘আমাদের ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। অনেক সময় গাড়ি আসে না। তখন অন্যভাবে সিলিন্ডার আনতে হয়। সেখানেও আমাদের গাড়ি পাঠাতে হয়। সব মিলিয়ে কিছুটা বাড়তি টাকা নিতে হচ্ছে। সামনে শীত আসছে। শীতের সময় একটা সংকট থাকে। তখন দাম আরও কিছুটা বাড়তে পারে।’
এদিকে, ভোক্তাদের নিয়ে কাজ করা সংগঠন ক্যাবের দাবি, ব্যবসায়ীরা নানা অজুহাতে আবারও দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। ক্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘দাম বাড়ালেও আমরা নির্ধারিত দামে পণ্য পাব কি না, তা নিয়ে এক ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারণ, এর আগেও দাম বাড়ানোর পর নির্ধারিত দামে পণ্য পাওয়া যায়নি। তখন ব্যবসায়ীরা নতুন নতুন ইস্যু তৈরি করে সামনে আনেন।’
এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারি দফতরগুলোর সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন। এলপিজির দাম নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোম্পানিগুলোর প্রকৃত ব্যয়, কমিশন ও মুনাফার হিসাব স্বচ্ছভাবে প্রকাশের দাবি জানিয়েছে ক্যাব।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনির মা ইউলালিয়া মারজেত্তি মারা গেছেন। তিনি মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সান্টা ফে প্রদেশের পুজাতো শহরে ৭৪ বছর বয়সে শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন তিনি।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। একই সঙ্গে সংস্থাটি বিশ্বকাপজয়ী কোচ স্কালোনি ও তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানায়। আর্জেন্টিনার ফুটবল অঙ্গনের পক্ষ থেকেও তাদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করা হয়।
ইউলালিয়া মারজেত্তি তার স্বামী অ্যাঞ্জেল ‘চিচে’ স্কালোনির সঙ্গে পুজাতো শহরে বসবাস করতেন। তিনি স্থানীয় সমাজে একটি পরিচিত মুখ ছিলেন। এর আগে তিনি স্থানীয় বিচারক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এই দম্পতির তিন সন্তান লিওনেল, মাউরো ও কোরিনা। আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবারের পক্ষ থেকে ব্যক্তিগত পরিসরে শেষকৃত্যের আয়োজন করা হবে।
স্কালোনির মা প্রায় পাঁচ বছর ধরে শারীরিক নানা সমস্যায় ভুগছিলেন। ২০২১ সালের অক্টোবরে কাতার বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব চলাকালে মায়ের শারীরিক অবস্থা নিয়ে আর্জেন্টিনার এই কোচ প্রকাশ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।
পেরুর বিপক্ষে ম্যাচের পর স্কালোনি বলেছিলেন, ‘আমি এখন বিশ্বকাপ নিয়ে ভাবার মতো অবস্থায় নেই।’ তার এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের পথে এগিয়ে নেওয়ার সময়ও তাকে ব্যক্তিগত জীবনের কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছিল।
এর কয়েক মাস আগে, ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে ব্রাজিলকে হারিয়ে ২০২১ সালের কোপা আমেরিকা জয়ের পর ঐতিহাসিক শিরোপাটি মাকে উৎসর্গ করেছিলেন স্কালোনি। তখন তার মা গুরুতর অসুস্থ ছিলেন।
শিরোপা জয়ের পর স্কালোনি বলেছিলেন, ‘আমি এই জয় আমার মাকে উৎসর্গ করতে চাই। কয়েক দিন আগে তিনি বেশ গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যায় পড়েছিলেন এবং এখনো লড়াই করে যাচ্ছেন।’
আর্জেন্টিনার কোচ হিসেবে এটিই ছিল স্কালোনির প্রথম বড় শিরোপা। এরপর তার অধীনে দলটি ২০২২ সালের ফিনালিসিমা ও ফিফা বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা জয় করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ