রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪১ পি.এম
ভিডিও এবং কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব। নির্মাতারা ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে দর্শক এবং ভিউ বাড়ানোর পাশাপাশি বিজ্ঞাপন থেকেও আয় করেন। তবে নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য ইউটিউব আয়ের পথ আরও কঠিন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রাম (ওয়াইপিপি)-এর আওতায় বিজ্ঞাপন থেকে আয় করার যোগ্যতার শর্তগুলো বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে, ইউটিউব থেকে বিজ্ঞাপনের আয় পেতে নতুন নির্মাতাদের আগের তুলনায় দ্বিগুণ ওয়াচ আওয়ার অথবা ‘শর্টস’ ভিউ অর্জন করতে হবে।
নিউজ১৮-এর একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, নতুন নিয়ম ২০২৭ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হওয়ার আশা করা হচ্ছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ইউটিউবের বিজ্ঞাপন আয়ের অংশ পেতে একজন নির্মাতাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্তগুলো হলো-
*) শেষ ৩৬৫ দিনে কমপক্ষে ৮ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ আওয়ার,
*) শেষ ৯০ দিনে কমপক্ষে ২ কোটি (২০ মিলিয়ন) ‘শর্টস’ ভিউ,
*) কমপক্ষে ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার।
বর্তমানে ইউটিউবের বিজ্ঞাপন আয়ের অংশ পাওয়ার জন্য একজন নির্মাতার গত ১২ মাসে ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ আওয়ার অথবা শেষ ৯০ দিনে ১ কোটি (১০ মিলিয়ন) ‘শর্টস’ ভিউ এবং অন্তত ১ হাজার সাবস্ক্রাইবার থাকার শর্ত রয়েছে।
অর্থাৎ, নতুন নিয়ম কার্যকর হলে ওয়াচ আওয়ার ও ‘শর্টস’ ভিউ উভয় ক্ষেত্রেই যোগ্যতার সীমা দ্বিগুণ হবে।
নতুন নির্মাতারা বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে। নতুন নিয়মের সরাসরি প্রভাব মূলত নতুন কনটেন্ট নির্মাতাদের ওপর পড়বে। ইতোমধ্যে যারা ইউটিউব পার্টনার প্রোগ্রামের আওতায় রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তনের সরাসরি প্রভাব পড়বে না।
তবে যারা আগামী বছর ইউটিউবকে আয়ের একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করে কনটেন্ট তৈরির পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য নতুন শর্ত পূরণ করা তুলনামূলকভাবে কঠিন হতে পারে। বিশেষ করে কম সাবস্ক্রাইবার ও সীমিত দর্শকসংখ্যা নিয়ে কাজ করা নির্মাতাদের আরও বেশি সময় ধরে দর্শক তৈরি করতে হতে পারে।
কেন নিয়ম পরিবর্তন করছে ইউটিউব?
যোগ্যতার শর্ত পরিবর্তনের বিষয়ে ইউটিউবের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। তবে নতুন নীতির ফলে বিজ্ঞাপন আয়ের অংশ পাওয়ার আগে নির্মাতাদের আরও বেশি দর্শক এবং ওয়াচ আওয়ার অর্জন করতে হবে।
ফলে আয় করার যোগ্যতা অর্জনের আগেই নির্মাতাদের বড় পরিসরে দর্শক তৈরি এবং নিয়মিত কনটেন্ট প্রকাশের ওপর বেশি গুরুত্ব দিতে হতে পারে।
নতুন এই শর্তের কারণে অন্যান্য ভিডিও এবং কনটেন্ট প্ল্যাটফর্মও নতুন নির্মাতাদের কাছে তুলনামূলকভাবে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। ইউটিউবের পাশাপাশি মেটার মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রামসহ অন্যান্য প্ল্যাটফর্মে দর্শক তৈরির দিকে নতুন নির্মাতারা আরও বেশি মনোযোগ দিতে পারেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জুলাই মাসে সামান্য হ্রাসের পর আগস্টে যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি পুনরায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে। আগস্ট মাসে দেশটিতে পোশাক রপ্তানি ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাজ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্ট সময়ে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে ৯১৫ দশমিক ৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের। গত অর্থবছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় ছিল ৮৮২ দশমিক ৬২ মিলিয়ন ডলার। এই হিসাবে দেখা যাচ্ছে যে, দুই মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৩ দশমিক ১ মিলিয়ন ডলার।
এছাড়া, উল্লেখযোগ্য যে, জুলাই মাসে যুক্তরাজ্যে পোশাক রপ্তানি গত বছরের একই মাসের তুলনায় ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ কমেছিল। তবে আগস্টে রপ্তানি ১০ দশমিক ৫৩ শতাংশ বেড়ে জুলাইয়ের দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠে।
চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে যুক্তরাজ্যের বাজারে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির মাসিক গড় দাঁড়িয়েছে ৪৫৭ দশমিক ৮২ মিলিয়ন ডলারে। বিপরীতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে যুক্তরাজ্যে পোশাক রপ্তানি থেকে মোট আয় হয়েছিল ৪ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার, যার মাসিক গড় ছিল ৩৬৫ দশমিক ৭১ মিলিয়ন ডলার।
অর্থাৎ, চলতি অর্থবছরের প্রথম দু’মাসে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির মাসিক গড় গত অর্থবছরের মাসিক গড়ের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। মাত্র দুই মাসে গত অর্থবছরের পুরো বছরের রপ্তানি আয়ের ২০ দশমিক ৮৬ শতাংশ অর্জিত হয়েছে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, আগস্টের দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি মূলত অর্থবছরের শুরুতে যুক্তরাজ্যের বাজারে সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে সহায়তা করেছে।
যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার। ফলে অর্থবছরের শুরুতেই এই বাজারে রপ্তানি আয় বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে তা সামগ্রিক তৈরি পোশাক রপ্তানিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
উত্তর-আটলান্টিক সাগরে উদ্ভূত শক্তিশালী নিম্নচাপের ফলে সৃষ্ট তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘নর’ইস্টার’ যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলীয় অঞ্চলে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে। নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট ও পেনসিলভেনিয়া অঙ্গরাজ্যে প্রবল বর্ষণ, তীব্র ঝোড়ো হাওয়া এবং আকস্মিক বন্যার কারণে বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় নিউইয়র্ক ও নিউজার্সিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঝড়টি সাগর থেকে উপকূলে আছড়ে পড়ে। এর প্রভাবে রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি থেকে শুরু করে মাইন পর্যন্ত পূর্ব উপকূলের প্রায় ১৪টি অঙ্গরাজ্যে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে নিউইয়র্ক, নিউজার্সি, কানেকটিকাট ও পেনসিলভেনিয়া।
ঝড়ের আঘাতের পর থেকে বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়েছে এসব অঞ্চলের ১ লাখ ১৯ হাজারেরও বেশি ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। চারটি অঙ্গরাজ্যের প্রতিটিতে অন্তত ২৫ হাজার পরিবার বর্তমানে বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন অবস্থায় মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে।
প্রতিকূল আবহাওয়ার সরাসরি প্রভাব পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর। ঝড় ও খারাপ দৃশ্যমানতার কারণে পূর্ব উপকূলের ১৪টি অঙ্গরাজ্যে ইতোমধ্যে ১ হাজার ১৯৯টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া নির্দিষ্ট সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রায় ২ হাজার ৪০০টি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস সতর্ক বার্তা জারি করে জানিয়েছে, আগামী সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত এই নর’ইস্টারের প্রভাব বজায় থাকবে। এ সময়ে উপকূলীয় অঞ্চলে জলোচ্ছ্বাস, সমুদ্রে বিপজ্জনক রিটার্ন স্রোত, তীব্র দমকা হাওয়া এবং টানা ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আবহাওয়া দপ্তর।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইতালির সিসিলি দ্বীপে আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে ইউরোপের অন্যতম সক্রিয় আগ্নেয়গিরি মাউন্ট এতনা। আগ্ন্যুৎপাতের ফলে ছাই ও ধোঁয়ার কুণ্ডলী প্রায় ৪ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠে যায়। এর প্রভাবে সিসিলির কাতানিয়া বিমানবন্দরে ফ্লাইট চলাচলে বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ইতালির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জিওফিজিক্স অ্যান্ড ভলকানোলজি (আইএনজিভি) জানায়, মাউন্ট এতনা থেকে নির্গত আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে বিমান চলাচলে রেড অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। একই সঙ্গে আকাশসীমার সি-১ সেক্টর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পরিস্থিতির কারণে কাতানিয়া বিমানবন্দরে আগমনকারী ফ্লাইট স্থগিত করা হয়। এর আগে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতি ঘণ্টায় ১২টির পরিবর্তে সর্বোচ্চ চারটি ফ্লাইটকে অবতরণের অনুমতি দেওয়া হচ্ছিল।
ফ্লাইট চলাচল পুরোপুরি স্থগিত হওয়ার আগে বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজের গতিপথ পরিবর্তন করা হয়। আইটিএ এয়ারওয়েজের অন্তত ১০টি ফ্লাইট অন্য বিমানবন্দরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়। এর মধ্যে পাঁচটি ফ্লাইট পালের্মো, তিনটি ত্রাপানি এবং দুটি কোমিসোর দিকে পাঠানো হয়।
এ ছাড়া ভোলোতিয়া এয়ারের একটি ফ্লাইটও কোমিসো বিমানবন্দরের দিকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
আগ্নেয় ছাইয়ের কারণে বিমান চলাচলে ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মাউন্ট এতনা ইউরোপের সবচেয়ে সক্রিয় আগ্নেয়গিরিগুলোর একটি এবং সিসিলির পূর্বাঞ্চলে এর অবস্থান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পরিচয়ের পর ইমোতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে দেখা করতে গিয়ে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ১৪ বছরের একটি কিশোরী ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রাজু গাজীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার উপজেলার ডিঙ্গামানিক গোলারমাঠ এলাকায় দেখা করতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য ও এজাহার থেকে জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার পূর্ব দিনারা গ্রামের ওই কিশোরীর সঙ্গে সখিপুর থানার চারভাগা শনি কান্দি গ্রামের সুলতান গাজীর ছেলে রাজু গাজী (২১) প্রায় তিন মাস ধরে টিকটক ও ইমোর মাধ্যমে যোগাযোগ ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।
একপর্যায়ে কিশোরী দেখা করতে গেলে রাজু তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একদিন আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। পরদিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ঢাকায় নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরে কিশোরী বিয়ের কাবিননামা করার জন্য চাপ দিলে রাজু তাকে এলাকায় ফিরিয়ে এনে বাড়ির পাশের সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মাতব্বর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পেয়ে রাজুর পরিবারকে জানালে, রাজু বিয়ে করতে অস্বীকার করে এবং মামলা বা বাড়াবাড়ি করলে ভুক্তভোগীকে খুন করে মরদেহ গুম করার হুমকি দেয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, সখিপুর থানায় আইনি সহায়তার জন্য গেলে পুলিশ তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরামর্শ দেয়। ফলে আইনি জটিলতা ও বিলম্বের কারণে ২২ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক মামলা দাখিল করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত রাজু গাজীর বাড়িতে যোগাযোগ করা হলে তার পরিবার কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি। উল্টো সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলে, "আপনারা যা পারেন করেন।"
এ বিষয়ে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ