রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৪২ পি.এম
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে পরিচয়ের পর ইমোতে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে দেখা করতে গিয়ে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ১৪ বছরের একটি কিশোরী ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর মা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে রাজু গাজীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোফাজ্জল হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার উপজেলার ডিঙ্গামানিক গোলারমাঠ এলাকায় দেখা করতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগীর দেওয়া তথ্য ও এজাহার থেকে জানা যায়, শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার পূর্ব দিনারা গ্রামের ওই কিশোরীর সঙ্গে সখিপুর থানার চারভাগা শনি কান্দি গ্রামের সুলতান গাজীর ছেলে রাজু গাজী (২১) প্রায় তিন মাস ধরে টিকটক ও ইমোর মাধ্যমে যোগাযোগ ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে।
একপর্যায়ে কিশোরী দেখা করতে গেলে রাজু তাকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে তুলে নিজ বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে একদিন আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করা হয়। পরদিন বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীকে ঢাকায় নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে আরও একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। পরে কিশোরী বিয়ের কাবিননামা করার জন্য চাপ দিলে রাজু তাকে এলাকায় ফিরিয়ে এনে বাড়ির পাশের সড়কে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় মাতব্বর ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে বিচার না পেয়ে রাজুর পরিবারকে জানালে, রাজু বিয়ে করতে অস্বীকার করে এবং মামলা বা বাড়াবাড়ি করলে ভুক্তভোগীকে খুন করে মরদেহ গুম করার হুমকি দেয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, সখিপুর থানায় আইনি সহায়তার জন্য গেলে পুলিশ তাদেরকে ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরামর্শ দেয়। ফলে আইনি জটিলতা ও বিলম্বের কারণে ২২ সেপ্টেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক মামলা দাখিল করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে অভিযুক্ত রাজু গাজীর বাড়িতে যোগাযোগ করা হলে তার পরিবার কোনো বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি। উল্টো সংবাদ সংগ্রহে যাওয়া সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে বলে, "আপনারা যা পারেন করেন।"
এ বিষয়ে সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর আলীপুর মৎস্যবন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে গভীর বঙ্গোপসাগরে ১৫ জেলেসহ একটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবির ঘটনা ঘটেছে। তবে, কাছাকাছি অবস্থানরত অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলারের সহায়তায় ডুবে যাওয়া ট্রলারের ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। দুর্ঘটনার পর থেকে ডুবে যাওয়া ট্রলারটির সন্ধান এখনও মেলেনি।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) আলীপুর মৎস্যবন্দর থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার গভীরে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার এমবি মায়ের দোয়া-৬-এর মাঝি মূসা জানিয়েছেন, শনিবার তারা আলীপুর বন্দর থেকে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সাগরে রওনা দেন। কিছুদূর যাওয়ার পর সাগরের উত্তাল ঢেউয়ের আঘাতে ট্রলারটির তলা বা কাঠামো ফেটে যায়। এর ফলে ট্রলারের ভেতরে পানি ঢুকে সেটি ডুবতে শুরু করে।
পরে কিছুক্ষণ সাগরে ভেসে থাকার পর, কাছাকাছি থাকা অন্য একটি মাছ ধরার ট্রলার তাদের দেখতে পায়। এরপর ওই ট্রলারের সহায়তায় ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
ট্রলার মালিক মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, মাছ ধরার জন্য ট্রলারটি সাগরে পাঠানো হয়েছিল। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর তিনি জেলেদের উদ্ধার সম্পর্কে জানতে পারেন। ডুবে যাওয়া ট্রলারটি উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, গভীর সমুদ্রে ট্রলারডুবির ঘটনায় ১৫ জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে, ডুবে যাওয়া ট্রলারটির এখনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। ট্রলারটি উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শহীদুল্লাহ্ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী এবং রসায়ন বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র মুরাদুল ইসলাম মুরাদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ার পর হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে। মুরাদের গ্রামের বাড়ি নীলফামারী জেলায় অবস্থিত।
সহপাঠী ও হলের সূত্রে জানা যায়, রাতের কোনো এক সময় মুরাদ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ সময় তার বন্ধু ও বড় ভাইয়েরা দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করেন। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় শহীদুল্লাহ্ হল মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শহীদুল্লাহ্ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমিনূল ইসলাম ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, শনিবার দিবাগত রাত ২টা ১৫ মিনিটের দিকে মুরাদ মারা যান। আমরা এখন তার জানাজার জন্য দাঁড়িয়ে আছি।
মুরাদের এই আকস্মিক মৃত্যুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও শহীদুল্লাহ্ হলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে, বিশেষ করে তার স্নাতক শেষ করার আগেই।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ময়মনসিংহ নগরীতে মাদক সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের কারণে আহত সাবেক যুবদল নেতা রাজা মিয়া (৪০) মারা গেছেন। এই ঘটনার পর পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
নিহত রাজা মিয়া নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কৃষ্টপুর এলাকার মমরোজ মিয়ার পুত্র। তিনি মহানগর যুবদল ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে।
এর আগে, ২২ সেপ্টেম্বর সকালে নগরীর কৃষ্টপুর এলাকায় রাজা মিয়াকে পিটিয়ে আহত করার ঘটনা ঘটে।
কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম রাজা মিয়ার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এই ঘটনায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে নিহত রাজা মিয়ার স্ত্রী জোসনা আক্তার ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৫/৬ জনকে আসামি করে কোতোয়ালী মডেল থানায় ৩২৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার প্রধান আসামি কবিরসহ (৩০) তিনজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অন্য দুই আসামি হলেন বিনু (৩৮) ও নিশাত (২৫)। গ্রেপ্তারকৃত প্রত্যেকেই একই এলাকার বাসিন্দা।
স্থানীয় একটি সূত্র জানায়, ২২ সেপ্টেম্বর সকালে নাস্তা খেয়ে রাজা মিয়া ঘরে শুয়ে ছিলেন। এই সময় কবিরের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন হামলা চালায়। হামলার সময় কবির শাবল দিয়ে রাজা মিয়ার মাথায় আঘাত করে, যার ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
কিন্তু সেখানে আইসিইউ খালি না থাকায় রাজা মিয়াকে আবারও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ফিরিয়ে আনা হয়। শনিবার বিকেলে তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
সূত্র আরও জানায়, সম্প্রতি রাজা মিয়া কবির ও তার লোকজনকে মাদক ব্যবসা করতে নিষেধ করেছিলেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছিল, যা ২২ সেপ্টেম্বর রাজা মিয়ার উপর হামলার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
পুলিশের একটি পক্ষ দাবি করছে যে উভয় পক্ষই মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। তবে, কতগুলো মাদক মামলা কার নামে রয়েছে তা জানাতে পারেনি।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের হোসেন শাকিল বলেন, রাজা মিয়া মহানগরের ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। তিনি আন্দোলন সংগ্রামে সবসময় দলের সঙ্গে ছিলেন। তাকে যে বা যারা হত্যা করেছে, তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। তবে, রাজা মিয়া মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন না বলেও তিনি জানান।
ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার জন্য তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মরদেহ মর্গে রয়েছে। নিহতের স্ত্রী বাদি হয়ে শুক্রবার রাতে ৩২৬ ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। ওই মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে বলেও তিনি জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলির সামনে একাধিক মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ রয়েছে। রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) তিরুবনন্তপুরমে ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
কোহলির ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে রেকর্ড বরাবরই চমৎকার। এই দলের বিপক্ষে ৪৩ ম্যাচে ৪১ ইনিংসে তার রান সংখ্যা ২ হাজার ২৬১। ব্যাটিং গড় ৬৬.৫০। তার নামের পাশে রয়েছে ৯টি সেঞ্চুরি এবং ১১টি ফিফটি।
ওয়ানডেতে ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হিসেবে পরিচিত কোহলি। ৩১৪ ম্যাচের ৩০২ ইনিংসে তার রান সংখ্যা ১৪ হাজার ৯৪১। ১৫ হাজার রান পূর্ণ করতে তার প্রয়োজন মাত্র ৫৯ রান।
যদি তিনি এই মাইলফলক স্পর্শ করতে সক্ষম হন, তবে শচীন টেন্ডুলকারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় এবং ইতিহাসের মাত্র দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে ওয়ানডেতে ১৫ হাজার রানের ক্লাবে প্রবেশ করবেন কোহলি।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কোহলির সেঞ্চুরির সংখ্যা বর্তমানে ৮৫। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি শতক করলে সেই সংখ্যা ৮৬-তে পৌঁছাবে।
তিরুবনন্তপুরমের মাঠটি কোহলির জন্য সুখকর স্মৃতির স্থান। এখানে দুটি ওয়ানডে খেলে তিনি কখনো আউট হননি। দুই ম্যাচে তার রান সংখ্যা ১৯৯, যার মধ্যে ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপরাজিত ১৬৬ রানের ইনিংসটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে কোহলির সেঞ্চুরির সংখ্যা ৫৯। শচীন টেন্ডুলকারের রেকর্ড ৬০ সেঞ্চুরি। অতএব, আরও দুটি শতক করলে কোহলি শচীনের রেকর্ডকে অতিক্রম করবেন।
ভারতের মাটিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে শচীনের সেঞ্চুরি সংখ্যা ৪২। কোহলির রয়েছে ৪১টি। ফলে আরও দুটি সেঞ্চুরি করলে তিনি ঘরের মাঠে আন্তর্জাতিক শতকের সংখ্যায় শচীনকে ছাড়িয়ে যেতে পারবেন।
ওয়ানডেতে ভারতের মাটিতে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডও কোহলির নাগালের মধ্যে রয়েছে। শচীনের ১৬৪ ম্যাচে ৬ হাজার ৯৭৬ রান এবং কোহলির ১৩০ ম্যাচে ১২৭ ইনিংসে ৬ হাজার ৮৬৭ রান। রেকর্ডটি ভাঙতে তার প্রয়োজন ১১০ রান।
বর্তমান বছরে কোহলি ব্যাট হাতে দারুণ ছন্দে রয়েছেন। ছয় ইনিংসে তার রান সংখ্যা ৩৮৪, গড় ৬৪.০০ এবং স্ট্রাইক রেট ১০৬-এর বেশি। এর মধ্যে একটি সেঞ্চুরি এবং তিনটি ফিফটি রয়েছে।
এ কারণে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে কোহলির সামনে একাধিক ব্যক্তিগত মাইলফলক স্পর্শ করার সুযোগ রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ