মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৮:৪৭ পি.এম
সরকারি নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করলে রুট পারমিট বাতিল করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে জরিমানা আরোপের ব্যবস্থা থাকবে এবং ভবিষ্যতে রুট পারমিট প্রদান নিয়ে জবাবদিহি করতে হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
নতুনভাবে নির্ধারিত বাস ভাড়ার প্রজ্ঞাপন আজই প্রকাশিত হবে জানিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, গেজেট হয়ে যাওয়ার অর্থ হলো এটি কার্যকর হয়ে যাবে। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের কারণে এবং একটি অবধারিত পরিস্থিতির কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি করতে হয়েছে।
“জ্বালানির দাম বৃদ্ধির সাথে পরিবহন ভাড়া বাড়ানোর একটি যৌক্তিক দাবি থাকে। দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত একটি প্রক্রিয়া রয়েছে যে, জ্বালানির দাম যদি ১ টাকা বাড়ে, তাহলে ভাড়া বাড়ে ১ পয়সা এবং এটি সহনীয়।”
রবিউল আলম বলেন, এই সরকারের সময়ে পূর্বে লিটারপ্রতি জ্বালানি তেলের দাম ১৫ টাকা বেড়ে গেলে, তখন ভাড়া ১৫ পয়সা বাড়ানোর যৌক্তিক দাবি ছিল। ডলারের দাম বৃদ্ধির কারণে ব্যবস্থাপনার খরচ বেড়ে গেছে। এই বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়ার দাবি তাদের ছিল। মেইনটেনেন্স খরচ বেড়ে যাওয়ার পরও ভাড়া না বাড়ালে তাদের ক্ষতি হয়। গতবার আমরা ১১ পয়সা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।
তিনি আরও বলেন, এবার লিটারপ্রতি ২০ টাকা বেড়েছে, ফলে প্রচলিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী ২০ পয়সা বাড়ানোর দাবি উঠেছে। তবে তারা এর নিচে মানতে চায়নি। তারা আরও দাবি জানিয়েছিল যে, মেইনটেনেন্স ব্যয়ও যেন আমরা এবার বিবেচনায় না নিই। তবে একটি সুসংবাদ হলো ২০ পয়সার পরিবর্তে ১৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, বিবেচনায় অনেক কিছু রয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো পরিবহন সেক্টরের ব্যয় বেড়েছে, মেইনটেনেন্স ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে তারা প্রায় ২০ পয়সা দাবি করেছে। এ কথা অস্বীকার করা যাবে না, যাদের যানবাহন রয়েছে তারা জানেন যে এক্সেসরিজের দাম কত বেড়েছে। বিশ্বব্যাপী এই বৃদ্ধি ঘটেছে, বাংলাদেশেও তা ঘটেছে। সরকার সবসময় জনস্বার্থ বিবেচনা করে সমন্বয় করার চেষ্টা করেছে। ভাড়া কমাতে পারলে ভালো লাগতো।
অনেক স্থানে ইতোমধ্যে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, গতবার ১১ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল, কার্যকর হয়েছে, তার চেয়ে বেশি কেউ নেননি। এবার ১৭ পয়সা বাড়ানো হয়েছে, এর ব্যত্যয় ঘটবে না এবং ঘটতে দেওয়া হবে না।
“বিচ্ছিন্নভাবে কিছু জায়গায় অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার প্রবণতা রয়েছে, তবে আমাদের দেশে পরিবহন সেক্টর সম্পূর্ণ সুশৃঙ্খল নয়, এটি মেনে চলা হয় না, তা স্বীকার করতে হবে,” যোগ করেন তিনি।
সড়ক পরিবহনমন্ত্রী আরও বলেন, “যদি কেউ নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেয়, তার রুট পারমিট বাতিল হবে, জরিমানা হবে এবং ভবিষ্যতে রুট পারমিট পাবে কি না, সেটি নিয়েও জবাবদিহি করতে হবে।”
এ প্রসঙ্গে রবিউল আরও বলেন, “আপনি জানলে খুশি হবেন, গতবার আমরা রেলের ভাড়া বাড়াইনি। এবারও এখন পর্যন্ত বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি না।”
আগামী পরশু বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে এবং ওই দিনই লঞ্চ মালিক সমিতির সঙ্গে লাঞ্চ ভাড়া নিয়ে আলোচনা হবে, জানান তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মো. আতাউর রহমানকে ফোনের মাধ্যমে চাঁদা চাওয়া হয়েছে এবং তার সন্তানকে অপহরণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষক আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে অধ্যাপক আতাউর রহমান আশুলিয়া থানায় জিডিটি (নম্বর ২৫১৯) দাখিল করেন।
জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সোমবার দুপুর ১২টা ৩৮ মিনিটে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক মো. আতাউর রহমান তার কর্মস্থলে ছিলেন। এ সময় তার ফোনে একটি অচেনা নম্বর থেকে কল আসে। ফোনদাতা নিজেকে ‘আরমান’ বলে পরিচয় দেয় এবং তার কাছে চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে তার সন্তানকে অপহরণ করার হুমকি দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী শিক্ষক জিডিতে উল্লেখ করেন, ফোনদাতা অজ্ঞাতনামা। পরবর্তী সময়ে ওই ব্যক্তি বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছে। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, যেকোনো সময় ওই ব্যক্তি কোনো ঘটনা ঘটিয়ে তাকে হয়রানি এবং তার পরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন।
অধ্যাপক আতাউর রহমান বলেন, ‘সোমবার দুপুরে আমার মোবাইলে অপরিচিত একটি নম্বর থেকে ফোন করে চাঁদা দাবি করা হয়। না দিলে আমার সন্তানকে অপহরণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। এ ঘটনায় আমি আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।’
এ ব্যাপারে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই বি. এম. মেহেদী হাসান বলেন, ‘থানায় একটি জিডি করা হয়েছে। আমরা দ্রুত এটি নিয়ে কাজ শুরু করব।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের কোপ্পাল জেলায় একটি বানরের আকস্মিক হামলায় ৯১ বছর বয়সী এক বৃদ্ধা প্রাণ হারিয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিটি পাতিল নগর এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, বাড়ির সামনে থাকা বৃদ্ধার ওপর হঠাৎ করেই একটি বানর ঝাঁপিয়ে পড়ে।
নিহত বৃদ্ধার নাম নাজমুনিসা বেগম। বানরের আকস্মিক আক্রমণে গুরুতর আহত হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। সংবাদ সংস্থা পিটিআই-এর শেয়ার করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, হামলার সময় চিৎকার শুনে আরেক বয়স্ক নারী ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। এ সময় আশপাশের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এলে তিনি বানরের আক্রমণ থেকে রক্ষা পান এবং বানরটি পালিয়ে যায়।
সম্প্রতি ভারতের বিভিন্ন স্থানে লোকালয় ও জনসমাগমস্থলে বানরের হামলার ঘটনা উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি দিল্লির চিড়িয়াখানায় খাঁচা থেকে বেরিয়ে একটি বানর এক কর্মীর ওপর হামলা চালায়। এতে ওই কর্মীর একটি আঙুল বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং পায়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। এছাড়া এক দর্শনার্থীও বানরের কামড়ের শিকার হন। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, একই বানর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও আরেক কর্মীকে আহত করেছিল।
এদিকে, মানেসারের একটি আবাসিক এলাকার বাসিন্দারাও বানরের উপদ্রব নিয়ে তীব্র অভিযোগ জানিয়েছেন। সেখানে গত ১৫ দিনে অন্তত তিন শিশু বানরের হামলার শিকার হয়েছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার জানানোর পরও পার্ক, বারান্দা ও সাধারণ চলাচলের জায়গাগুলোতে বানরের অবাধ বিচরণ থামানো যাচ্ছে না। এতে অভিভাবকরা শিশুদের নিয়ে আতঙ্কিত, বয়স্করাও ঘরের বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। তবে বন বিভাগ বলছে, শহরাঞ্চলে বানরের উপদ্রব নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি তাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়। অন্যদিকে মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরের সালথায় একটি স্থানীয় মিটিংয়ে সমর্থকদের অস্ত্র তৈরি করার নির্দেশনা এবং হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যদুনন্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, যিনি রফিক মোল্লা নামেও পরিচিত।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, উপজেলার উজিরপুর বাজারে আয়োজিত মিটিংয়ে তিনি বলেন, ‘অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ বলে মন্তব্য করেন।
এদিকে, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম রফিক মোল্লা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেন, তিনি এ ধরনের কোনো বক্তব্য দেননি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সম্পূর্ণ এডিট করা। সামনে আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরো জানান, তার দলের একজন ভ্যানচালককে প্রতিপক্ষের লোকজন মারধর করে ভ্যান রেখে দিয়েছে। তিনি বলেন, চাইলে দলীয় লোকজন নিয়ে ভ্যানটি উদ্ধার করতে পারতেন, কিন্তু তিনি তা না করে পুলিশের সহায়তা নিচ্ছেন। বর্তমানে তিনি এলাকাকে শান্ত রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করেন।
সালথা থানার ওসি বাবলুর রহমান খান জানান, ‘আমি এ বিষয়ে অবগত নই। চেয়ারম্যান সম্প্রতি এ ধরনের কোনো বক্তব্য দিয়েছেন কি-না, তা খতিয়ে দেখা হবে।’
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাড়িটি চারটি চাকার। তবে এর চওড়া মাত্র ৫০ দশমিক ২ সেন্টিমিটার বা ১ ফুট ৮ ইঞ্চির মতো। যে ধরনের প্লাস্টিক চেয়ার সাধারণত ঘরে বা অফিসে ব্যবহার করা হয়, গাড়িটি তার চেয়েও সরু। ফলে এটি সহজেই দরজা দিয়ে শোবার ঘরের ভেতরে ঢুকিয়ে রাখা সম্ভব। তবে গাড়িটির লম্বা প্রায় ১১ ফুট।
এমন ‘অদ্ভুত–দর্শন’ যান তৈরি করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লিখিয়েছেন আন্দ্রেয়া মারাজ্জি। ইতালির এই নাগরিক পেশায় গাড়ির মেকানিক। তিনি সাধারণ একটি ফিয়াট পান্ডা গাড়িকে ‘কেটেকুটে’ সরু গাড়িতে রূপান্তরিত করেছেন। এটির নাম দিয়েছেন ‘পান্ডা পার উনো’ (পান্ডা ফর ওয়ান)।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, মারাজ্জির মাথায় এমন একটি গাড়ি তৈরির ধারণা আসে ২০২৪ সালে। তার পরিবার পুরোনো গাড়ি ভাঙার বা অকেজো গাড়ি থেকে যন্ত্রাংশ আলাদা করার কাজে নিয়োজিত। এই পারিবারিক ব্যবসায় ১৯৯৩ মডেলের একটি পুরোনো ফিয়াট পান্ডা গাড়ি ভাঙার জন্য আনা হয়। ছোটখাটো গড়নের গাড়িটি ইতালির প্রাচীন শহরগুলোর সরু গলিতে চলাচলের জন্য বেশ জনপ্রিয়।
মারাজ্জি সিদ্ধান্ত নেন গাড়িটিকে লোহালক্কড় হিসেবে বিক্রি করবেন না। প্রতিবছর ইতালির পান্দিনো শহরে ফিয়াট পান্ডা গাড়ির বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে গাড়িপ্রেমীদের জন্য ব্যতিক্রমধর্মী কিছু উপস্থাপনের ইচ্ছা থেকে তিনি ফিয়াট পান্ডা গাড়িটিকে সবচেয়ে সরু আকৃতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।
এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ শুরু হয়। প্রথমে গাড়ির দরজা ও দুই পাশের প্যানেল খুলে ফেলা হয়। এরপর মাঝখান থেকে গাড়ির কাঠামো কেটে দুই পাশের অংশ আবার জোড়া লাগানো হয়। এই কাজের সবচেয়ে কঠিন দিক ছিল গাড়ির দুই পাশকে একেবারে সমানভাবে কেটে জোড়া লাগানো। সামান্য এদিক-সেদিক হলে কাঠামো ঠিক রাখা কঠিন হয়ে পড়তো। এরপর বনেট, ছাদ ও পেছনের দরজার জন্য নতুন করে বডি ও জানালা তৈরি করেন মারাজ্জি। পান্ডা পার উনোর প্রায় ৯০ শতাংশ অংশই এসেছে পুরোনো ফিয়াট পান্ডা থেকে।
নতুন গাড়িটি সফলভাবে চালিয়ে দেখেছেন আন্দ্রেয়া। এর ভেতরে রয়েছে ছোট একটি বৈদ্যুতিক মোটর ও ব্যাটারি। গাড়ির স্টিয়ারিংয়ের আকার ছোট করা হয়েছে। হেডলাইট ও দিকনির্দেশক বাতিগুলো সঠিকভাবে কাজ করে।
তবে গাড়িটির গতি খুব বেশি নয়। ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫ কিলোমিটার গতিতে চলতে পারে এটি। বাঁক নেওয়ার সময় গাড়িটি খুব একটা স্থিতিশীল নয়। তাই এটি দ্রুতগতিতে চালানোর জন্য অনুপযোগী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ