বৃহস্পতিবার, ১৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:২৮ পি.এম
চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বিয়ের মাত্র আড়াই মাস পর শাশুড়িকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ উঠেছে এক প্রবাসী যুবকের স্ত্রীর বিরুদ্ধে। পুলিশ অভিযুক্ত পুত্রবধূ আকলিমা আক্তার (১৯) কে গ্রেপ্তার করেছে।
ঘটনাটি ঘটে গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের টুনার গাজির বাড়িতে। আহত শাশুড়ির নাম শাহেদা বেগম (৫৩)। অভিযুক্ত আকলিমা রোসাংগিরি ইউনিয়নের মনুর বাপের বাড়ির বাসিন্দা।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী মঈন উদ্দিন ফয়সালের সঙ্গে গত ১৯ জুন আকলিমা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে আকলিমা তার শাশুড়ির সঙ্গেই একই ঘরে বসবাস করছিলেন। ঘটনার রাতে খাবার শেষে তারা একসঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১টার দিকে আকলিমা ধারালো ছুরি নিয়ে ঘুমন্ত শাহেদা বেগমের ওপর অতর্কিত হামলা চালান এবং মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। এতে শাহেদা বেগম মারাত্মক জখম হন। আত্মরক্ষার্থে শাশুড়ি পুত্রবধূর হাতে কামড় দেন এবং চিৎকার শুরু করেন। তার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করেন।
আহত শাহেদা বেগমকে প্রথমে ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, পুত্রবধূর কোনো পরকীয়া সম্পর্ক শাশুড়ি দেখে ফেলার কারণে আকলিমা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। তবে আকলিমার বাবার পক্ষ থেকে পরকীয়ার বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। তার বাবার দাবি, তার মেয়েকে কেউ তন্ত্রমন্ত্র করেছে এ কাজ করার জন্য।
এ ঘটনায় আহত শাহেদা বেগমের মেয়ে ফারজানা আকতার পপি বাদী হয়ে ফটিকছড়ি থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেছেন (মামলা নং-১৯, তারিখ: ১৫/০৯/২০২৬ ইং)।
ফটিকছড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রবিউল আলম খান জানান, এখন পর্যন্ত পরকীয়া সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। মামলার তদন্ত ও প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশি কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ার ধুনট এলাকায় গত দুই বছর ধরে রাতের অন্ধকারে সড়কের বিভিন্ন স্থান থেকে সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে। পুলিশ একাধিক অভিযান পরিচালনা করে কাটা গাছের গুঁড়ি উদ্ধার করলেও, এখন পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সক্ষম হয়নি।
সূত্রে জানা গেছে, সরকারিভাবে ধুনট উপজেলা সদর থেকে চিকাশি ইউনিয়নের জোড়শিমুল পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার পাকা সড়কের দুই পাশে প্রায় ১২ বছর আগে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়েছিল। গত দুই বছর ধরে সেই গাছগুলো এলাকার সংঘবদ্ধ চক্র রাতের অন্ধকারে কেটে নিচ্ছে। প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ একাধিকবার অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে কয়েকটি কাটা গাছের গুঁড়িও উদ্ধার করেছে। তবে, জড়িতদের শনাক্ত বা আটক করতে তারা সক্ষম হয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন জানান, গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতরা একটি চিহ্নিত সংঘবদ্ধ চক্র। কিন্তু তাদের নাম বলার সাহস পায় না কেউ। পুলিশ অভিযানে আসার আগেই তারা খবর পেয়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ শুধুমাত্র ডালপালা উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, ‘গাছ কাটার সঙ্গে জড়িত কয়েকজনের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। বনবিভাগের কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। মামলার প্রস্তুতি চলছে। সেই সঙ্গে গ্রেপ্তারের চেষ্টাও চলছে।’
উপজেলা বন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বলেন, ‘গাছ কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে আলোচনা করে মামলা করা হবে। জড়িতদের নামের তালিকা পাওয়া গেছে। তদন্তের স্বার্থে নামগুলো প্রকাশ করা যাচ্ছে না।’
ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফউল্লাহ নিজামী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র। খুব দ্রুত চিহ্নিতদের বিরুদ্ধে মামলা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের নিম্নমানের বা কম দামের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ৬২ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে সর্বনিম্ন ৬৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, অন্যান্য স্তরের সিগারেটের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এর মধ্যে মধ্যম স্তরের প্রতি ১০ শলাকা সিগারেটের দাম ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের দাম ১৬০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের দাম ২১০ টাকা ও তার উপরে অপরিবর্তিত থাকবে। সম্প্রতি নিম্ন স্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। এর আগে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছিল।
বাজেটে নিম্নস্তরের প্রতি ১০ শলাকা প্যাকেটের দাম ৬০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬২ টাকা করা হয়েছিল।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে নিম্ন স্তরের সিগারেটের দাম আরও ৩ টাকা বেড়ে গিয়ে ন্যূনতম ৬৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বাজেটে মধ্যম স্তরের দাম ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চ স্তরের দাম ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি-উচ্চ বা প্রিমিয়াম স্তরের দাম ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার একটি বাসা থেকে রাফসাদ মোস্তফা রুহিন (২২) নামের এক বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলের দিকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
মৃত শিক্ষার্থীর খালাতো ভাই ইমতিয়াজ কামাল জানিয়েছেন, রাফসাদের এক তরুণীর সঙ্গে বছরখানেক ধরে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রেমের সম্পর্কের মধ্যে মনোমালিন্যের কারণে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইমতিয়াজ জানান, রাফসাদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার সিপাহীপাড়ায়। তার বাবার নাম জামাল উদ্দিন রিপন। তিনি হাজারীবাগের ঝিগাতলা ৪/এ রাস্তার জাহানারা মেনশন নামের ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। রাফসাদ দুই ভাইয়ের মধ্যে ছোট ছিলেন।
এ বিষয়ে হাজারীবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শামীম মিয়া বলেন, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ সংবাদ পাওয়ার পর বিকেলের দিকে হাজারীবাগের বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে স্বজনেরা জানিয়েছেন, প্রেমঘটিত বিষয়ে অভিমান করে রাফসাদ আত্মহত্যা করেছেন। বাসার ডাইনিং রুমে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে প্লাস্টিকের রশি গলায় পেঁচিয়ে তিনি ফাঁস নেন।
তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক যাত্রীদের জন্য ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ায় একটি উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে পাসপোর্ট দেখিয়ে পরিচয় যাচাইয়ের পরিবর্তে এখন বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা হচ্ছে। এর ফলে যাত্রীরা নির্দিষ্ট ব্যবস্থায় পাসপোর্ট বা অন্য কোনো পরিচয়পত্র বের না করেই দ্রুত ইমিগ্রেশন পার হতে সক্ষম হবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বক্তব্য অনুযায়ী, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে ‘গ্লোবাল এন্ট্রি’ সুবিধাভোগীরা বিমানবন্দরে কোনো কার্ড বা পাসপোর্ট বের না করেই ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার সুযোগ পাবেন।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ২৩৮টি বিমানবন্দরে বায়োমেট্রিক মুখ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩টি বিমানবন্দরে মার্কিন নাগরিকদের জন্য উন্নত যাত্রী প্রক্রিয়াকরণ ব্যবস্থা এবং ৭টি বিমানবন্দরে দ্রুত সীমান্ত প্রবেশের ব্যবস্থা রয়েছে। এসব ব্যবস্থার মাধ্যমে যাত্রীরা থেমে না থেকেই তিন সেকেন্ডেরও কম সময়ে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
বিদেশিদের জন্য বায়োমেট্রিক ব্যবস্থায় বাধ্যতামূলক নিয়ম প্রবর্তন করা হয়েছে। মার্কিন নাগরিকরা চাইলে মুখ স্ক্যানের পরিবর্তে শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে পরিচয় যাচাই করতে পারবেন। তবে বিদেশি নাগরিকদের জন্য বায়োমেট্রিক পরিচয় যাচাই বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হওয়া নতুন ফেডারেল নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ ও দেশ ছাড়ার সময় বায়োমেট্রিক পরিচয় যাচাই করা আবশ্যক। পূর্বে ১৭ বছরের কম এবং ৭৯ বছরের বেশি বয়সী বিদেশিদের এই প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত রাখা হলেও নতুন নিয়মে সেই বয়সভিত্তিক ছাড় তুলে নেওয়া হয়েছে। এখন আকাশ, স্থল বা সমুদ্রপথে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বা দেশ ছাড়ার সময় বিদেশিদের মুখ স্ক্যান বা আঙুলের ছাপ দিতে হবে।
কীভাবে হবে পরিচয় যাচাই?
বায়োমেট্রিক ব্যবস্থায় যাত্রীর মুখের ছবি তোলা হবে। এরপর সেটি সরকারি তথ্যভান্ডারে থাকা পাসপোর্ট বা ভিসার ছবির সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে মিলিয়ে দেখা হবে।
শুল্ক ও সীমান্ত সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুসারে, মুখ শনাক্তকরণের মাধ্যমে পরিচয় যাচাইয়ের নির্ভুলতার হার ৯৮ শতাংশের বেশি। ২০১৭ সালের জুন থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৮৪ কোটি ৮০ লাখ মানুষ এই বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে গেছেন। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করা ৫ লাখ ২৯ হাজারের বেশি মানুষকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
সব সীমান্তে চালুর লক্ষ্য
আগামী তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব বন্দর ও সীমান্ত পারাপারের স্থানে বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে চালুর লক্ষ্যে কাজ চলছে। শুধু ইমিগ্রেশন নয়, বিমানবন্দরের লাগেজ পরীক্ষাতেও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। ২০২৭ সালের মধ্যে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে এমন একটি লাগেজ পরীক্ষার ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে, যার মাধ্যমে উড়োজাহাজ আকাশে থাকা অবস্থাতেই কর্মকর্তারা দূর থেকে লাগেজ পরীক্ষা করতে পারবেন।
ফলে ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে যাতায়াতকারী বিদেশিদের ইমিগ্রেশন ও নিরাপত্তা যাচাইয়ের বড় অংশই বায়োমেট্রিক প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠতে যাচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ