ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

একই প্রাঙ্গণে আজান ও উলুধ্বনি, ১৪৩ বছরের সম্প্রীতি


একই প্রাঙ্গণে আজান ও উলুধ্বনি, ১৪৩ বছরের সম্প্রীতি

নামাজের সময় হলে মসজিদের মিনার থেকে আজানের ধ্বনি শোনা যায়। তখন এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা মসজিদের দিকে রওনা দেন। মসজিদের পাশে অবস্থান করছে একটি মন্দির। পূজার সময় সেখানে ঢাকের বাদ্য বাজানো হয়; উলুধ্বনি তোলা হয়। ভক্তরা পূজা-অর্চনায় মগ্ন হয়ে যান।

১৪৩ বছর ধরে এভাবেই নামাজ ও পূজা-অর্চনা পাশাপাশি চলছে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এই সহাবস্থান মানবিক ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ইউসুফগঞ্জ এলাকায় দুই ধর্মীয় সম্প্রদায় শান্তিপূর্ণভাবে coexist করছে।

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: সিলেটে প্রেমের টানে চীনা নাগরিকের বিয়ে, ধর্মান্তরিত হয়ে মুক্তি

পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে জনতার কাতারে নেমে এলেন প্রধানমন্ত্রী।

একই প্রাঙ্গণে মুসলমানদের ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদ এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শ্রী শ্রী সাধুবাবা সম্ভুনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম পাশাপাশি অবস্থান করছে।

স্থানীয় ইতিহাস অনুযায়ী, ১৮৮৩ সালে একই আঙিনায় ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান দুটির যাত্রা শুরু হয়। এ পর্যন্ত কোনো বিরোধ, তিক্ততা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি। স্থানীয়রা তাদের ঐতিহ্যকে জীবনের অংশ হিসেবে শ্রদ্ধার সঙ্গে ধারণ করে আসছেন।

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: ডাকতে গিয়ে যাত্রী দেখেন মিঠাপুকুরে অটোরিকশাচালক মারা গেছেন

পূজার ছুটিতে ফাঁকা সড়ক

স্থানীয় বাসিন্দা আলতাফ হোসেন মোল্লা জানান, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদে নামাজ পড়ি। পূজা ও নামাজ নিয়ে কখনও কোনো বিরোধ সৃষ্টি হতে দেখিনি। দুই উপাসনালয়েই কমিটি রয়েছে। কমিটি যার যার উপাসনার সময় সমন্বয় করে থাকে। আমাদের মধ্যে এক গভীর সম্প্রীতির বন্ধন রয়েছে।’

ইউসুফগঞ্জ জামে মসজিদের ইমাম সাঈদুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের এখানে একই প্রাঙ্গণে মসজিদ ও মন্দির। বহু বছর ধরে এখানে নামাজ ও পূজা-অর্চনা পাশাপাশি হয়ে আসছে। কখনও কোনো বিভেদ সৃষ্টি হয়নি। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা আমাদের নামাজের সময় সহায়তা করেন, আমরাও তাদের পূজার সময় সহায়তা করি। এর মধ্য দিয়ে এখানে গভীর ভ্রাতৃত্ববোধ সৃষ্টি হয়েছে।’

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: দৌলতপুরে মসজিদের মাইকে ডেকে ১২ দোকান ও গোডাউন ভাঙচুরের অভিযোগ

মণ্ডপের প্রতিমায় থিম ‘অভয়া’, দেয়ালে প্রতিবাদের ভাষা।

শ্রী শ্রী সাধুবাবা সম্ভুনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম কমিটির সাধারণ সম্পাদক রাজয় দাশ হরি বলেন, ‘আজান ও নামাজের সময় শ্রদ্ধাপূর্বক নীরবতা পালন এবং ধর্মীয় উৎসবে একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর সংস্কৃতিই আমাদের ঐক্যের মূল ভিত্তি। আমরা নামাজের সময় পূজা ও বাদ্য বাজানো বন্ধ রাখি। তারা (মুসল্লিরা) আমাদের পূজায় সহায়তা করেন।’

শ্রী শ্রী সাধুবাবা সম্ভুনাথ ব্রহ্মচারী আশ্রম কমিটির সভাপতি বিশ্বনাথ দত্ত বলেন, ‘আমরা সবাই যার যার ধর্ম পালন করি। আমাদের মাঝে কোনো ভেদাভেদ নেই। আমরা পূজার সময় অনুষ্ঠান করি; তাদের ইবাদতের সময় আমরা সব কিছু বন্ধ রাখি।’

আরো পড়ুন

আরও পড়ুন: ঢাকায় তিন দিনের সফরে এলেন চীনা মন্ত্রী লিউ হাইশিং

মণ্ডপের দেয়ালে শিল্পকর্মে বাবার আত্মত্যাগের গল্প।

সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত জানান, দীর্ঘদিন ধরে এখানে অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মসজিদ ও মন্দিরের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। তবুও সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় উপজেলা প্রশাসন সোনারগাঁয়ের সব পূজামণ্ডপে তিন স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে ৩ ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


হরমুজ প্রণালিতে মাইন বিস্ফোরণে ৩ ট্যাংকার ক্ষতিগ্রস্ত

ঢাকা, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সময় তিনটি তেলবাহী জাহাজ সমুদ্রে পেতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, এমন দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।

সংস্থাটি জানায়, তেহরানের দৃষ্টিতে অবৈধ পথে প্রণালিটি অতিক্রমের চেষ্টা করায় তিনটি জাহাজ মাইনের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

আইআরজিসি মঙ্গলবার তাদের সরকারি সংবাদমাধ্যম সেপাহ নিউজের ওয়েবসাইটে একটি বিবৃতিতে জানায়, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণাংশে অবৈধ প্রবেশপথে তাদের নৌবাহিনীর সদস্যদের পেতে রাখা মাইন আঘাত লেগে দুটি তেলবাহী জাহাজে আগুন ধরে যায়। এরপর জাহাজ দুটি থেমে যায়।

পরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত আরেক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে একটি নৌমাইনে আঘাত লেগে তৃতীয় একটি তেলবাহী জাহাজেও বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন ধরে যায়।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, জাহাজটিতে ২০ লাখ ব্যারেলের বেশি অপরিশোধিত তেল ছিল। ইরানি বাহিনী দাবি করেছে, জাহাজটি তার সব রাডার ও নৌ-চলাচল সংক্রান্ত ব্যবস্থা বন্ধ করে রেখেছিল।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ওমানের উপকূলঘেঁষা দক্ষিণ দিকের পথ দিয়ে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করা জাহাজগুলোকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরানি বাহিনী।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে হামলা চালানোর মধ্য দিয়ে এ সংঘাত শুরু হয়। ওই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এবং দেশটির জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা নিহত হন।

এরপর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে অবরোধ আরোপের চেষ্টা করছে ইরান। দেশটির দাবি, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের আগে সব জাহাজকে ইরানের অনুমতি নিতে হবে। স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দর ও জাহাজ চলাচলের ওপর পাল্টা অবরোধ আরোপ করেছে।

মঙ্গলবার ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ আলি আবদোল্লাহি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল সামরিক সরঞ্জামকে লক্ষ্যবস্তু করতে কম খরচের অস্ত্র ব্যবহার করছে তার দেশ।

তিনি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ আরও কোনো ভুল করলে আমরা স্বল্পমূল্যের, কিন্তু কার্যকর বিভিন্ন সরঞ্জাম ব্যবহার করে তাদের ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জামের কার্যকারিতা নষ্ট করে দেব।’

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টাকারী জাহাজগুলোর ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে।

ওয়াশিংটন আরও বেশি জাহাজকে প্রণালি পার হতে নিরাপত্তা দিয়ে এগিয়ে নিতে চাইছে। অন্যদিকে, তেহরান জাহাজ চলাচলের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে চায়।

গত কয়েক দিনেও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে একাধিক তেলবাহী জাহাজ মাইনে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে আইআরজিসি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতালিতে বোরকা নিষেধাজ্ঞা ও বিদেশি শিক্ষার্থী কোটা বিরোধী বিক্ষোভ রোমে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৩ পি.এম


ইতালিতে বোরকা নিষেধাজ্ঞা ও বিদেশি শিক্ষার্থী কোটা বিরোধী বিক্ষোভ রোমে

ইতালির ডানপন্থী জর্জো মেলোনি সরকারের অনুমোদিত নতুন ‘স্কুল ডিক্রি’ এবং সার্বিক নীতির বিরুদ্ধে দেশটির অভিবাসী সমাজের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বোরকা ও নিকাব নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি শ্রেণিকক্ষে বিদেশি শিক্ষার্থীর সংখ্যা সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশে সীমাবদ্ধ করার সিদ্ধান্তকে 'বৈষম্যমূলক' হিসেবে চিহ্নিত করে রাজধানী রোমে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। স্থানীয় মানবাধিকারকর্মী, প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধি এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা এই সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।

ইতালির রাজনীতিতে অভিবাসন ও সংস্কৃতি রক্ষা সংক্রান্ত বিতর্ক নতুন কিছু নয়। তবে সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নতুন স্কুল ডিক্রি এই বিতর্ককে শিক্ষাঙ্গনে সরাসরি নিয়ে এসেছে। ডিক্রিতে স্কুলের অভ্যন্তরে মুখ ঢেকে রাখা পোশাক সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি ক্লাসরুমে বিদেশি শিক্ষার্থীর সর্বোচ্চ সীমা ৩০ শতাংশ নির্ধারণের নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে বহুসংস্কৃতি চর্চার এলাকা হিসেবে পরিচিত রোমের তরপিনাত্তারায় রাস্তায় নেমে আসেন বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষ।

সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এই এলাকায় বসবাসকারী অভিবাসীরা ইতালিতে বাড়তে থাকা বর্ণবাদী পরিবেশ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, স্কুলে কতজন শিশু পড়ালেখা করবে তার সীমা নির্ধারণ বা নারীদের পোশাক নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাবনাগুলোর বিরুদ্ধে আজ সর্বস্তরের মানুষ একত্রিত হয়েছে। তারা কোনো ধরনের বর্ণবাদ চান না এবং ইতালীয় ও অভিবাসীরা বছরের পর বছর যেভাবে শান্তিতে বসবাস করছেন, সেভাবেই থাকতে চান।

নতুন শিক্ষানীতিতে সমতা ও অন্তর্ভুক্তির অভাব লক্ষ্য করছেন প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরাও। তাদের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোটা নির্ধারণ বা ধর্মীয় পোশাক পরিধানে বাধ্যবাধকতা তৈরি করা মৌলিক ও নাগরিক স্বাধীনতার পরিপন্থী।

সমাবেশে অংশ নেওয়া অভিবাসী কমিউনিটি নেতারা মেলোনি সরকারের এই নীতিকে ইতালির ঐতিহাসিক সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্টের শামিল বলে অভিযোগ করেন। তারা জানান, কোনো সামাজিক বিভাজন ছাড়াই ইতালীয় সমাজের মূলধারার অংশ হতে চান প্রবাসীরা। একই সঙ্গে সমাবেশ থেকে চরমপন্থী রাজনৈতিক উসকানি প্রতিহত করতে অভিবাসী মুসলিম সম্প্রদায়কেও দায়িত্বশীল ও সচেতন থাকার আহ্বান জানান আন্দোলনকারীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে হোটেল-মোটেলে ৫০% ছাড়ের ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৪ পি.এম


কুয়াকাটার পর্যটন কার্নিভালে হোটেল-মোটেলে ৫০% ছাড়ের ঘোষণা

আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র সাগরকন্যা কুয়াকাটায় অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দুই দিনব্যাপী পর্যটন কার্নিভাল। এই উৎসবটি বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন কর্তৃক আয়োজিত, যেখানে দেশের বিভিন্ন নামকরা তারকা নায়ক-নায়িকা, জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী, ফ্যাশন ডিজাইনার, অভিনয়শিল্পী এবং তারকা ফুটবল ও ক্রিকেট খেলোয়াড়রা অংশগ্রহণ করবেন। পর্যটন সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই দুই দিনের আয়োজনে কুয়াকাটায় অন্তত ৩ থেকে ৪ লাখ পর্যটকের আগমন ঘটবে।

এদিকে, পর্যটন উৎসবটিকে আরও আকর্ষণীয় এবং পর্যটকবান্ধব করে তুলতে কুয়াকাটার হোটেল ও মোটেলের রুম ভাড়ায় ৫০ শতাংশ ছাড়ের ঘোষণা এসেছে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে। সংগঠনের সভাপতি মোতালেব শরীফ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কার্নিভাল উপলক্ষে কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইদ হাসান স্বাক্ষরিত একটি জরুরি নোটিশে সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য চারটি বিশেষ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো হলো:
১. আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর কুয়াকাটার সব হোটেল ও মোটেলে রুম ভাড়ার ওপর বাধ্যতামূলকভাবে ৫০ শতাংশ ছাড় দিতে হবে।

২. প্রতিটি হোটেলের রিসেপশন বা অভ্যর্থনা কাউন্টারে পর্যটকদের দৃষ্টিগোচর হয় এমন স্থানে ৫০ শতাংশ ডিসকাউন্টকৃত ভাড়ার তালিকা স্পষ্টভাবে টাঙিয়ে দিতে হবে। কোনো অবস্থাতেই নির্ধারিত বা তালিকা বহির্ভূত অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না।

৩. কার্নিভাল চলাকালীন ও এর পূর্ববর্তী সময়ে প্রতিটি হোটেল, মোটেল ও এর আশপাশের পরিবেশ অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

৪. ইভেন্টটিকে উৎসবমুখর করে তুলতে প্রতিটি হোটেল ও মোটেলের প্রাঙ্গণ, মূল ফটক এবং সম্মুখভাগ নান্দনিকভাবে সাজাতে হবে ও আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করতে হবে।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশ-বিদেশ থেকে আগত পর্যটকদের সর্বোচ্চ সেবা প্রদান, ঐতিহ্য ধরে রাখা এবং কুয়াকাটার ইতিবাচক সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখার লক্ষ্যেই এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এসব নির্দেশনা অমান্য করে বা পর্যটকদের হয়রানির অভিযোগ পাওয়া যায়, তবে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোতালেব শরীফ জানান, কার্নিভালকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে অনেক হোটেল-মোটেল নতুন রঙে সাজানো হয়েছে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, তাদের আওতাধীন ৩ শতাধিক হোটেল-মোটেলের মধ্যে প্রথম শ্রেণীর অধিকাংশ হোটেলের সব কক্ষ ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণীর হোটেলগুলোতেও বুকিং চলছে। আশা করা হচ্ছে, কার্নিভালের আগেই সব হোটেল শতভাগ বুকিং হয়ে যাবে।

তিনি আরও জানান, কুয়াকাটার পর্যটন শিল্পকে বিকশিত করতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এই কার্নিভালের উদ্যোগ নিয়েছে। হোটেল মালিকদের সর্বসম্মতিক্রমেই এসব সিদ্ধান্ত ও নির্দেশনা জারি করা হয়েছে এবং তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, সবাই তা মেনে চলবেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুয়াকাটায় পূজার ছুটিতে পর্যটকদের ঢল, বেড়েছে হোটেল কক্ষের চাহিদা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:০৫ পি.এম


কুয়াকাটায় পূজার ছুটিতে পর্যটকদের ঢল, বেড়েছে হোটেল কক্ষের চাহিদা

পটুয়াখালী, ২১ অক্টোবর, ২০২৬ : শারদীয় দুর্গাপূজার দ্বিতীয় দিনের ছুটির সুযোগে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পর্যটন কেন্দ্রে হাজার হাজার পর্যটক সমবেত হয়েছে। সমুদ্র সৈকত এখন পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।

পর্যটকদের উপস্থিতির কারণে পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিক্রির পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সৈকতে আসা পর্যটকদের মধ্যে কেউ সমুদ্রের নোনা জলে সাঁতার কাটছেন, কেউ বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠেছেন। আবার অনেকেই সৈকতের বেঞ্চিতে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।

অনেককে প্রিয়জনের হাত ধরে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াতে দেখা গেছে। সব মিলিয়ে সৈকতজুড়ে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। কুয়াকাটার হোটেল-মোটেলগুলোতে পর্যটকদের আগমনের ফলে কক্ষের চাহিদা বেড়ে গেছে।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, ইতোমধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানের ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়ে গেছে। পর্যটকদের আনাগোনায় রেস্তোরাঁ, খাবারের দোকানসহ বিভিন্ন পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বিক্রির পরিমাণও বৃদ্ধি পেয়েছে।

এদিকে, আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ট্যুরিস্ট পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা পাঁচ দিনের অবকাশ এবং আগামী ২৩ ও ২৪ অক্টোবর কুয়াকাটায় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পর্যটন কার্নিভালকে কেন্দ্র করে বিপুল সংখ্যক পর্যটকের সমাগমের প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের আশা, এই সময়ে কুয়াকাটায় প্রায় চার লাখ পর্যটকের আগমন ঘটবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%