সোমবার, ২৮শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৪:১২ পি.এম
ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন মামলার বাদী রুনু আক্তার (৩০), যিনি ধর্ষণ মামলার আসামিকে স্বামী হিসেবে পাওয়ার দাবি করেছেন। তিনি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে বিচার না চেয়ে বিয়ের ব্যবস্থা না করলে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার হুমকিও দেন।
এই ঘটনা ঘটে রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মামলার যুক্তিতর্ক শুনানির সময়। আদালত সূত্রে জানা যায়, যুক্তিতর্ক চলাকালে বার ডকে দাঁড়িয়ে থাকা রুনু আক্তার বারবার হট্টগোল শুরু করেন। ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ শরীফ মোহাম্মদ সানাউল হক, আইনজীবী ও নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।
বিচারক তাকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে। রুনু আক্তার এর জবাবে বলেন, আসামির সাজা হলে তাকেও ফাঁসি দিতে হবে। তিনি আসামির শাস্তি চান না, বরং তাকে স্বামী হিসেবে চান এবং তার চাকরি ফিরে পাওয়ার দাবিও করেন।
বিচারক তাকে জানান, আদালত কাউকে বিয়েতে বাধ্য করতে পারে না। আসামির অপরাধ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া সম্ভব। এরপর রুনু আক্তার চিৎকার করে বলেন, আদালত যেন কাজী ডেকে আল-আমিনের সঙ্গে তার বিয়ের ব্যবস্থা করে। তা না হলে তিনি বিষ খেয়ে বিচারকের সামনে আত্মহত্যা করবেন বলেও হুমকি দেন।
ঝালকাঠি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি অ্যাডভোকেট মো. আককাস সিকদার জানান, রোববার নারী ও শিশু মামলা নম্বর ১২৫/২৩-এর যুক্তিতর্ক শুনানির দিন ধার্য ছিল। মামলার বাদী রুনু আক্তার রাজাপুর থানার জগন্নাথপুর গ্রামের রুহুল আমিনের মেয়ে এবং মনির হোসেনের সাবেক স্ত্রী। আসামি মো. আল-আমিন মোল্লা রাজাপুর থানার সাবেক এএসআই।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩ সালের ২০ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এবং বিয়ের নাটক সাজিয়ে রুনু আক্তারকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন এএসআই আল-আমিন। এ অভিযোগে ২০২৩ সালের ১০ সেপ্টেম্বর তিনি মামলা করেন।
২০২৪ সালের ২৮ নভেম্বর আল-আমিনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ৯(১) ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়। এরপর মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। বাদী, তার নাবালক ছেলে মুবিন হোসেনসহ চারজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
সাক্ষ্য গ্রহণের শেষ পর্যায়ে আরও দুজন সাক্ষী দেশে নেই জানিয়ে বাদী নিজেই সাক্ষ্য সমাপ্ত করার আবেদন করেন। পরে পুলিশও ওই দুই সাক্ষীর বিষয়ে একই প্রতিবেদন দেয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হওয়ার পর থেকেই রুনু আক্তার আদালতে আসামির সঙ্গে তার বিয়ে ও কাবিননামার দাবি জানাতে শুরু করেন বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
রোববার আসামিপক্ষের আইনজীবী যুক্তিতর্ক শুরু করলে রুনু আক্তার তার ওপরও চড়াও হয়ে উচ্চস্বরে হট্টগোল করেন বলে জানান আইনজীবী অ্যাডভোকেট মল্লিক মুহা. নাসির উদ্দিন কবীর। তিনি বলেন, একপর্যায়ে বাদী বিচারককেও হুমকি দিয়ে বলেন, আসামির সঙ্গে তার বিয়ের ব্যবস্থা না করলে রায়ের দিন ট্রাইব্যুনালে সবার সামনে নিজেকে শেষ করে দেবেন।
রাষ্ট্রপক্ষের পিপি আককাস সিকদার বলেন, রুনু আক্তার মৌখিক দাবির পাশাপাশি লিখিত দরখাস্ত দিয়েও আসামির সঙ্গে তার বিয়ের ব্যবস্থা করার দাবি জানিয়েছেন। বিয়ে না হলে তিনি নিজে এবং তার আগের স্বামীর সন্তানকে নিয়ে ট্রাইব্যুনালের সামনে আত্মহত্যা করার হুমকি দিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
পিপি আরও অভিযোগ করেন, রুনু আক্তার তার ব্যক্তিগত চেম্বারেও গিয়ে তাকে হুমকি দিয়েছেন।
এ বিষয়ে রুনু আক্তার বলেন, আমি ধর্ষণ মামলা করেছি আল-আমিনকে স্বামী হিসেবে ফেরত পেতে। তাকে সাজা দিয়ে আমার কী লাভ? আমি যে কোনোভাবে আল-আমিনকে চাই।
মামলাটিতে রোববার রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক গ্রহণ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সকালের রোদের তেজ তখনও পুরোপুরি বাড়েনি, কিন্তু রাজশাহীর গোদাগাড়ীর গোলাই গ্রামের কৃষকরা মাঠে কাজ শুরু করে দিয়েছেন।
কিছু কৃষক চারা রোপণ করছেন, কেউ আগাছা পরিষ্কার করছেন, আবার কেউ বেড়ে ওঠা সবজি গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত রয়েছেন। মৌসুমের শুরুতে বাজারে ভালো দাম পাওয়ার আশায় বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে মনোনিবেশ করেছেন, ফলে মাঠগুলো ধীরে ধীরে সবুজ হয়ে উঠছে।
তারা ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউ, টমেটো, শিম, ঝিঙা, করলা, পটল, বেগুন ও কাঁচা মরিচসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করছেন। গোলাই গ্রামের কৃষক আলী আসগর সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি অর্জনের পর চাকরির পরিবর্তে কৃষিকাজকেই পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছেন। বর্তমানে তিনি নিজের ১০ বিঘা জমিতে বিভিন্ন ধরনের আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করছেন। তিনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভাড়া করা শ্রমিকদের সাথে মাঠে কাজ করেন এবং উৎপাদন ও ফসলের অবস্থার ওপর নজর রাখেন।
আলী আসগর জানিয়েছেন, ১০ বিঘা জমিতে সবজি চাষে এ পর্যন্ত তার প্রায় ৬ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে মৌসুম শেষে সব খরচ মিটিয়ে ৪-৫ লাখ টাকা লাভ করতে পারব বলে আশা করছি।’
দেওপাড়া ইউনিয়নের কদমশহর এলাকার কৃষক মোহাম্মদ আমিনও আগাম সবজি চাষ থেকে ভালো লাভের আশা করছেন। এ মৌসুমে তিনি ১ লাখ ২৬ হাজার ৭০০ টাকা ব্যয়ে চার বিঘা জমিতে লাউ, বেগুন, ঝিঙা ও শিম চাষ করেছেন। তিনি বলেন, ‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এই জমি থেকে ৩ থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা আয় হবে বলে আশা করছি।’
আমিন জানিয়েছেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ ও মাঠপর্যায়ের পরামর্শ কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে সহায়তা করছে। বিশেষ করে ফসলে রোগবালাইয়ের আক্রমণ হলে কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া এবং গাছগুলোকে রক্ষা করা সহজ হয়। তিনি আরও জানান, এ মৌসুমে কৃষকদের সার নিয়ে বড় কোনো সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে না।
বরেন্দ্র অঞ্চলের মাঠজুড়ে এখন কর্মচাঞ্চল্যের এমন দৃশ্য চোখে পড়ছে। কোথাও জমি প্রস্তুত করা হচ্ছে, কোথাও চারা রোপণ করা হচ্ছে, আবার কোথাও কৃষকরা বেড়ে ওঠা সবজি গাছের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।
আগাম জাতের কিছু সবজি ইতিমধ্যে স্থানীয় বাজারে আসতে শুরু করেছে। তবে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে কিছু এলাকায় চারা গাছের গোড়া পচে যাচ্ছে, আবার কোথাও পোকামাকড়ের আক্রমণে গাছের পাতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এছাড়া কৃষকরা বিভিন্ন ফসলি রোগের ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছেন।
এসব প্রতিকূলতা সত্ত্বেও, কৃষকরা আগাম সবজি চাষ করে লাভের ব্যাপারে আশাবাদী। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর তাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও জোরদার করতে মাঠপর্যায়ে সহায়তা প্রদান করছে।
গোদাগাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মরিয়ম আহমেদ জানিয়েছেন, এ মৌসুমে উপজেলায় প্রায় ১ হাজার ৮৪১ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের আগাম সবজি চাষ করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘এখানে ফুলকপি, বাঁধাকপি এবং আগাম জাতের টমেটোসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করা হচ্ছে।’
কৃষি কর্মকর্তারা নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করছেন, ফসলের রোগবালাই শনাক্ত করছেন এবং কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিচ্ছেন। পাশাপাশি তারা কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারে উৎসাহিত করছেন।
বরেন্দ্র অঞ্চলে এ মৌসুমে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ১৫,০০০ হেক্টর। কৃষকরা ইতিমধ্যে ৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে চাষাবাদ সম্পন্ন করেছেন, বাকি জমিতে জমি প্রস্তুত ও ফসল পরিচর্যার কাজ চলছে।
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষি বিষয়ক যথাযথ সহায়তা পাওয়ায় কৃষকরা আশা করছেন যে আসন্ন শীতকালীন সবজি মৌসুমে তাদের এই সবুজ ফসলের মাঠ ভালো আয়ের উৎস হয়ে উঠবে। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন অভিযোগ করেছেন যে, সকালে শরীরচর্চা শেষে টি-শার্ট ও হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে গিয়ে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হন। পুলিশ তার পোশাককে ‘অশালীন’ উল্লেখ করে তাকে মেট্রো স্টেশনে প্রবেশে বাধা দেয়। তিনি দাবি করেছেন যে, প্রায় ৪০ মিনিট অপেক্ষার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে তাকে মেট্রোরেলে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হয়।
সাজ্জাদ হোসেন জানিয়েছেন, তিনি প্রায় ১০ বছর ধরে ম্যারাথন ও আল্ট্রাম্যারাথনের প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন এবং নিয়মিত দৌড়ান। ঢাকার বিভিন্ন পার্কে ভোরবেলা অ্যাথলেটদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজ করেন তিনি।
ঘটনার পর সাজ্জাদ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি মেট্রো স্টেশনে দায়িত্বে থাকা এক পুলিশ সদস্যের সঙ্গে কথা বলছেন।
ভিডিওতে পুলিশ সদস্য জাকিরকে বলতে শোনা যায়, "দাঁড়ান, একটু চুলটা ঠিক করি।" এরপর সাজ্জাদ হোসেন হাফপ্যান্ট পরে স্টেশনে প্রবেশের কারণ জানতে চান।
পুলিশ সদস্যের জবাব ছিল, "আপনাকে বলা হয়েছে, আপনি একটু শালীনতার সঙ্গে যান। এটা একেবারে পুরোপুরি শালীনতার মধ্যে পড়ে না।" এ সময় সাজ্জাদ প্রশ্ন করেন, "কোনটা শালীনতা, কোনটা শালীনতা না, সেটি কি আপনার নিয়মে লেখা আছে?" পুলিশ সদস্যের উত্তর ছিল, "এটা দেখা আমার দায়িত্ব।"
সাজ্জাদ হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, সকালে রমনায় প্রশিক্ষণ শেষে ফার্মগেটে একটি কাজে যান তিনি। পরে বিজয় সরণিতে যাওয়ার জন্য ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে পৌঁছে টিকিট কাটেন। স্টেশনে প্রবেশের সময় দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য তাকে থামিয়ে পোশাক নিয়ে আপত্তি জানান।
সাজ্জাদের অভিযোগ, ওই পুলিশ সদস্য তাকে বলেন, "এই সব কী ড্রেস পরেন, এই সব অশালীন ড্রেস পরে মেট্রোতে ঢোকা যাবে না।" তখন তিনি নিজেকে একজন রানিং কোচ হিসেবে পরিচয় দিয়ে জানান, প্রশিক্ষণ শেষে পরবর্তী গন্তব্যে যাওয়ার জন্য মেট্রোরেল ব্যবহার করছেন। হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে যাতায়াত নিষিদ্ধ এমন কোনো নিয়ম থাকলে তা দেখানোর অনুরোধও করেন তিনি।
সাজ্জাদের দাবি, সেখানে থাকা আরও দুই পুলিশ সদস্যও তার পোশাক নিয়ে আপত্তি জানান। তাদের একজন তাকে ট্রাউজার পরে আসতে বলেন এবং এমনকি হাফপ্যান্ট খুলে রেখে ট্রাউজার পরে আসার কথাও বলা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এভাবে তাকে প্রায় ৪০ মিনিট সেখানে দাঁড় করিয়ে রাখা হয় বলে দাবি করেন সাজ্জাদ। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মেট্রোরেলের কন্ট্রোল বোর্ডের একজন নারী কর্মকর্তাও তার পোশাক নিয়ে প্রশ্ন করেন। ওই কর্মকর্তা তার ছবি তুলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলতে যান। পরে মেট্রোরেলের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলার পর তাকে মেট্রোরেলে যাতায়াতের অনুমতি দেওয়া হয়।
ঘটনার বিষয়ে সাজ্জাদের অভিযোগ, মেট্রোরেলে হাফপ্যান্ট পরে প্রবেশের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকলে তা স্পষ্টভাবে জানানো উচিত। তবে পোশাকের কারণে তাকে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার ঘটনায় তিনি হয়রানির শিকার হয়েছেন বলে দাবি করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারীতে ট্রাক এবং অটোরিকশার মধ্যে সংঘর্ষের ফলে তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় অন্তত সাতজন যাত্রী আহত হয়েছেন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সকালে বুড়িমারী লালমনিরহাট মহাসড়কের উপজেলার বুড়িমারী ইউনিয়নের ঘুন্টি এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুড়িমারী স্থলবন্দর থেকে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে আসা একটি অটোরিকশা পাটগ্রামের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। ঘুন্টি এলাকায় পৌঁছানোর পর বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে অটোরিকশার সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় ট্রাকটি পাশের দোকানে প্রবেশ করে এবং অটোরিকশাকে চাপা দেয়।
দুর্ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলে দুইজন নিহত হন। আহতদের মধ্যে আরও অন্তত সাতজন যাত্রী গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা এবং পাটগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে মোস্তাকীন নামে একজনের মৃত্যু হয়। আহতদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং দুইজনকে পাটগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত এবং আহতদের নাম পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, তারা সবাই পাটগ্রাম উপজেলার বাসিন্দা।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ অফিসার পাঠানো হয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনজন নিহত এবং সাতজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের আওতাধীন একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানে দুই ক্যাটাগরির পদে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হবে।
এই নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি গত ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে।
পদের নাম: অতিরিক্ত মহাব্যবস্থাপক (কারিগরি)।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (ইইই/ইসিই/ইটিই/সিএসই) স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।
অন্যান্য যোগ্যতা: সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১২ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৪৮ (আট চল্লিশ) বছর। তবে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডে কর্মরত প্রার্থীদের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫০ (পঞ্চাশ) বছর।
বেতন: ৯৬,২৫০–১,৩৭,০৫০ টাকা।
পদের নাম: সহকারী ব্যবস্থাপক (কারিগরি)।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (ইইই/ইসিই/ইটিই/সিএসই) স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি।
বয়সসীমা: সর্বোচ্চ ৩২ (বত্রিশ) বছর।
বেতন: ২৯,৭৫০–৬৬,১৭০ টাকা।
আবেদন ফি: ২০৬ টাকা।
আবেদন পদ্ধতি: আগ্রহী প্রার্থীরা এখানে ক্লিক করে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের শেষ সময়: ১ অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ