১০:০৯ পি.এম
টানা বৃষ্টির ফলে বন্যা সৃষ্টি হয়েছে, যা দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে কক্সবাজারে আসা পর্যটকদের সংখ্যা অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। এবং পর্যটক শূন্যতা মানে তো পর্যটন শিল্পের জন্য ভাল লক্ষণ নয়। বর্ষায় কক্সবাজারের সৌন্দর্য থাকে একেবারেই অন্যরকম। বৃষ্টি ও মেঘলা আকাশের সৌন্দর্য উপভোগ করার জন্য বর্ষার মৌসুমে অসংখ্য পর্যটক কক্সবাজারে ছুটে আসেন। তবে কিছুদিন আগে ৯ দিনের টানা বর্ষণে পুরো চিত্র বদলে গেছে। অথচ যাঁরা এখনও রয়েছেন, তাঁদের উত্তাল সমুদ্রের দৃশ্য দর্শন করতে এসে তাঁরা মোহিত হয়েছেন।
পর্যটকদের সংখ্যা কমে যাওয়ার ফলে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা, এছাড়াও হোটেল এবং রিসোর্ট মালিকরা চরম আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছেন। কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে সৃষ্টি হওয়া এই সংকটে প্রায় শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতিসাধনের কথা জানিয়েছেন সায়মন বীচ রিসোর্টের ফ্রন্ট অফিস এসিস্ট্যান্ট সঞ্জয় রয়। হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদারের মতে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কক্সবাজারে পর্যটকদের আগমন আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এর ফলস্বরূপ নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, সৈকতকেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং পুরো পর্যটন শিল্পে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উল্লেখ করেছেন যে, যদি আবহাওয়ার পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটে, তাহলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে পর্যটননির্ভর হাজারো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শ্রমিক এবং সেবাখাতের কর্মীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন