ঢাকা বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৩শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ০৪ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৯ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রচারণা ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রচারণা ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার ছাড়াতে পারে

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রচারণা এযাবৎকালের মধ্যে সবচেয়ে ব্যয়বহুল হতে পারে এবং এর মোট খরচ প্রায় ১২ বিলিয়ন (১২০০ কোটি) ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে নির্বাচনী অর্থায়ন পর্যবেক্ষণকারী স্বাধীন সংস্থা ‘ওপেন সিক্রেটস’।

বহুাংশ ব্যয় আসছে বাইরের রাজনৈতিক গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে, যাদের সুপার পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (সুপার প্যাক) নামে পরিচিত। তারা ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের আগে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিপুল পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ করেছে।

শীর্ষ ব্যক্তিগত দাতা হিসেবে রয়েছেন বিলিয়নেয়ার ব্যবসায়ী ইলন মাস্ক, যিনি রিপাবলিকান প্রার্থীদের সমর্থনে প্রায় ৫০ কোটি ডলার ব্যয় করেছেন, বিশেষ করে টেক্সাসে যেখানে তার কোম্পানির সদর দফতর অবস্থিত।

আরও পড়ুন: ইউরোপের ১০ দেশের সুপারমার্কেটে সাইবার হামলা, খাদ্যপণ্য ফেলে দিতে বাধ্য

বিবিসি ভেরিফাই এই পরিসংখ্যান এবং অর্থের ব্যয়ের খতিয়ান করেছে।

কত খরচ হয়েছে?

ব্যক্তি, দল এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড কমিটিগুলো (প্যাক) প্রার্থীদের সরাসরি কতটুকু অর্থ দিতে পারে, সে বিষয়ে নিয়মাবলী রয়েছে।

কিন্তু সুপার প্যাকগুলো ব্যক্তি, করপোরেশন, শ্রমিক ইউনিয়ন এবং অন্যান্য রাজনৈতিক কমিটি থেকে সীমাহীন অনুদান গ্রহণ করতে পারে। তারা সেই অর্থ সরাসরি প্রার্থীদের দিতে পারে না, তবে পরোক্ষভাবে তাদের সমর্থন করার জন্য তা ব্যয় করতে পারে।

আরও পড়ুন: এভারেস্টে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ভারতীয় পর্যটক নিহত

ফেডারেল নির্বাচন কমিশন (এফইসি)-এর অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত দাখিলকৃত সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই মধ্যবর্তী নির্বাচনে ৯.৫ বিলিয়ন (৯৫০ কোটি) ডলারেরও বেশি ব্যয় হয়েছে।

এর অর্ধেকেরও বেশি, প্রায় ৫.৫ বিলিয়ন (৫৫০ কোটি) ডলার প্যাক ও সুপার প্যাকগুলোর অংশ, এবং গত কয়েক মাসে তাদের ব্যয় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।

প্রার্থী, দল এবং বহিরাগত গোষ্ঠীগুলোকে এফইসি-র কাছে তাদের ব্যয়ের হিসাব জমা দিতে হয়, কিন্তু পূর্ণাঙ্গ হিসাব মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে পাওয়া যাবে না।

তবে, ওপেন সিক্রেটস বিগত চক্রগুলোর প্রবণতার ওপর ভিত্তি করে মোট পরিমাণ ১১.৯ বিলিয়ন ডলার হবে বলে অনুমান করেছে।

আরও পড়ুন: আলাস্কার ভোটারদের কাছে নির্বাচন ঘিরে কারসাজির অভিযোগ গুরুত্ব পাচ্ছে

এটি ২০২২ সালের সর্বশেষ মধ্যবর্তী নির্বাচনে ব্যয় করা অর্থের চেয়ে প্রায় ৩০ শতাংশ বেশি হবে।

কোন দাতারা সবচেয়ে বেশি ব্যয় করেছেন?

উদারপন্থি গবেষণা সংস্থা ব্রেনান সেন্টার ফর জাস্টিসের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ ৪০ জন দাতা ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত ২.৪ বিলিয়ন ডলার দান করেছেন, যা মধ্যবর্তী নির্বাচনের এই সময়ের জন্য একটি রেকর্ড।

মার্কিন নির্বাচনী অর্থায়ন বিশেষজ্ঞ মাইকেল বেকেল বলেছেন, ‘২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ব্যয় রেকর্ড ভেঙে দিচ্ছে এবং এই নির্বাচনে অর্থের সিংহভাগই আসছে সবচেয়ে ধনী দাতা ও গোষ্ঠীগুলোর কাছ থেকে।’

আরও পড়ুন: অভিবাসন নীতিতে ইউ-টার্ন: যুক্তরাজ্যের কল্যাণমূলক খাতে ব্যয় বাড়ার কথা স্বীকার করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ব্যক্তিদের পাশাপাশি বিভিন্ন সংস্থাও প্যাক-এ অনুদান দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, শতকোটিপতি অর্থলগ্নিকারী জর্জ সোরোসের প্রতিষ্ঠিত জিওসর কর্প এবং ফান্ড ফর পলিসি রিফর্ম, উভয়ই উদারপন্থি গোষ্ঠীগুলোকে সম্মিলিতভাবে ১০২ মিলিয়ন (১০ কোটি ২০ লাখ) ডলার অনুদান দিয়েছে।

সোরোস ছাড়াও, নিউ ইয়র্ক সিটির সাবেক মেয়র ও ব্যবসায়ী মাইকেল ব্লুমবার্গই ডেমোক্র্যাটিক দলের সবচেয়ে বড় দাতা, যিনি ৬০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অনুদান দিয়েছেন।

এফইসি-তে দাখিলকৃত নথি অনুযায়ী, বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম ট্রেডিং ফার্মের পরিচালক জেফ ইয়াস এবং একটি মার্কিন ব্যবসায়িক সরঞ্জাম সরবরাহকারী সংস্থার মালিক রিচার্ড ও এলিজাবেথ উইলাইনসহ বেশ কয়েকজন বিলিয়নিয়ার এই নির্বাচনী প্রচারণায় রিপাবলিকানদের বিভিন্ন খাতে ১০০ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অনুদান দিয়েছেন।

কিন্তু মাস্কই এখন পর্যন্ত অন্য যেকোনো ব্যক্তির চেয়ে সবচেয়ে বেশি অনুদান দিয়েছেন, অক্টোবর মাস পর্যন্ত তিনি প্রায় অর্ধ বিলিয়ন বা ৫০ কোটি ডলার অনুদান দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল জানা যাবে কয়েক দিন পর

এই অর্থ কোথায় খরচ করা হয়েছে?

প্রচারণা ও রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন উপায়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য অর্থ ব্যয় করে, যার মধ্যে রয়েছে মাঠ পর্যায়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য কর্মী নিয়োগ এবং র‍্যালির মতো প্রচারমূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন। তারা অভ্যন্তরীণ জরিপ পরিচালনার জন্যও অর্থ ব্যয় করে।

তবে, তহবিলের সিংহভাগই বিজ্ঞাপনে ব্যয় করা হয়, বিশেষ করে টিভিতে।

বিজ্ঞাপন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা অ্যাডইমপ্যাক্টের তথ্য অনুযায়ী, চলতি চক্রে অক্টোবর মাসের শেষ পর্যন্ত বিজ্ঞাপনে ১১.১৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: নাইজেরিয়ায় বন্দুকধারীদের হামলায় নিহত ৫ পুলিশ সদস্য

বেকেল বলেন, ‘প্রচলিত সম্প্রচার টেলিভিশন বিজ্ঞাপন ব্যয়ের শীর্ষ সুবিধাভোগী হিসেবে রয়েছে, যদিও ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ব্যয় ক্রমাগত বাড়ছে।’

মাস্কের ব্যয়ের মতোই, অ্যাডইমপ্যাক্টের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, এই অর্থের সিংহভাগ ব্যয় হয়েছে মিশিগান, টেক্সাস ও ওহাইওর সিনেট নির্বাচনের বিজ্ঞাপনে। এর পরেই আছে আইওয়া ও মেইন অঙ্গরাজ্য।

সূত্র: বিবিসি

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়তে পারেন হলান্ড, সম্ভাব্য গন্তব্য রিয়াল মাদ্রিদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৩ পি.এম


ম্যানচেস্টার সিটি ছাড়তে পারেন হলান্ড, সম্ভাব্য গন্তব্য রিয়াল মাদ্রিদ

ম্যানচেস্টার সিটির জন্য চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এনে দেওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন আর্লিং হলান্ড। এই নরওয়েজিয়ান ইতোমধ্যে ক্লাবটির ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। পেপ গার্দিওলার বিদায় এবং এনজো মারেস্কার আগমনের পর, দলের আক্রমণভাগে হলান্ডের গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। তবে বছরের শুরুতে ভালো শুরু করলেও সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে সিটিজেনদের ছন্দ হারানোর ঘটনা ঘটেছে। এরই মধ্যে, আর্থিক অনিয়মের বিরুদ্ধে শতাধিক অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় প্রিমিয়ার লিগের শাস্তির মুখে পড়তে পারে ক্লাবটি।

ম্যানচেস্টার সিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার পাশাপাশি দলের সেরা খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। এদের মধ্যে হলান্ডের নাম প্রথমে আসে। চলতি প্রিমিয়ার লিগের প্রথম নয় ম্যাচে তিনি নয়টি গোল করেছেন। যদিও ২০৩৪ সাল পর্যন্ত সিটির সঙ্গে তার চুক্তি রয়েছে, তবে ক্লাব ছাড়ার সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দেননি তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হলান্ড।

এ বিষয়ে আলফ-ইঙ্গে বলেন, 'আমার মনে হয়, আপিলের রায় আসা পর্যন্ত আমাদের অপেক্ষা করা উচিত। দ্রুতই এর নিষ্পত্তি হতে পারে। তবে বর্তমানে সিটির বিরুদ্ধে সমর্থক, প্রতিদ্বন্দ্বী ক্লাব এবং বিশেষ করে সাংবাদিকদের একটি অংশ অবস্থান নিয়েছে। তাই আপিলের ফল কী হয়, সেটি দেখার জন্য আমাদের অপেক্ষা করতে হবে।'

তিনি আরও উল্লেখ করেন, 'সিটি বিশ্বাস করে, তাদের নির্দোষ প্রমাণ করার মতো শক্ত প্রমাণ রয়েছে। আমার মনে হয়, সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করাই ভালো। আর্লিং (হলান্ড) এখন শুধু যত বেশি সম্ভব ফুটবল খেলার কথা ভাবছে এবং সেটিতেই মনোযোগ দিচ্ছে। আমার মনে হয়, মাঠের বাইরে আমরাই বিষয়টি নিয়ে একটু বেশি ভাবছি।'

অর্থনৈতিক অনিয়মের অভিযোগে যদি ম্যানচেস্টার সিটি বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়ে, তাহলে তারা অবনমনের ঝুঁকিতেও পড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে হলান্ডকে দলে পেতে আগ্রহ দেখাতে পারে বিশ্বের বড় বড় ক্লাবগুলো।

নরওয়েজীয় এই তারকার নিজের পরবর্তী ক্লাব বেছে নেওয়ার সুযোগ থাকবে। তবে হলান্ডের বিশাল ট্রান্সফার ফি এবং আকাশছোঁয়া বেতন বহন করার সামর্থ্য খুব বেশি ক্লাবের নেই।

এমন পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে রিয়াল মাদ্রিদ এগিয়ে থাকতে পারে। দীর্ঘদিন ধরেই স্প্যানিশ ক্লাবটির হলান্ডকে দলে নেওয়ার আগ্রহ রয়েছে। পাশাপাশি, তাদের একজন স্বীকৃত নাম্বার নাইন স্ট্রাইকারের ঘাটতি রয়েছে।

কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে হলান্ডের জুটি গড়ে উঠলে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী আক্রমণভাগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজপথে সরকারকে জবাব দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ পি.এম


রাজপথে সরকারকে জবাব দিতে হবে: নাহিদ ইসলাম

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, সরকারের নৈরাজ্য, ব্যর্থতা ও গণবিরোধী নীতির বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে আসার জন্য।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে পাবনা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জেলা এনসিপির সাংগঠনিক ও স্থানীয় নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময় সভায় যোগ দেয়ার আগে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন।

নাহিদ ইসলাম উল্লেখ করেন, "রাজপথেই এই সরকারকে জবাব দিতে হবে, সরকারকে শায়েস্তা করতে এর বাইরে আর কোনো উপায় নেই।"

ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘ডিসেম্বরে কোনো কিছুই হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সরকারের যে ব্যর্থতা ও পারফরম্যান্স, সেটির ওপর আস্থা নেই। তাই ডিসেম্বরে কিছু ঘটলে তা সরকারের ব্যর্থতা এবং সরকার ও আওয়ামী লীগের সমঝোতার কারণেই হবে। এনসিপি রাজপথে থেকেই তা প্রতিহত করবে।’

তৈরি পোশাক শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গার্মেন্টস শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন একটি যৌক্তিক আন্দোলন। সরকার সঠিক সময়ে পরিকল্পনা নিতে ব্যর্থ হওয়ায় আজকে এ পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে। কোনো একটা ন্যায্য আন্দোলনকে ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে পার পাওয়া যায় না।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যদি এ আন্দোলনে ফ্যাসিস্টরা ঢুকে থাকে এবং নৈরাজ্য সৃষ্টি করে, তবে এর দায়ও সরকারকে নিতে হবে। সারা দেশে ফ্যাসিবাদের নেতাকর্মীদের বিএনপিই লালন-পালন করছে। আওয়ামী লীগের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ সবকিছু এখন বিএনপির দখলে।’

মতবিনিময় সভায় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জোনায়েদ, যুগ্ম সদস্যসচিব এস এম সাইফ মোস্তাফিজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমরান ইমন ও মাহিন সরকারসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে জোড়া কবর জেগে ওঠার রহস্য উদ্ঘাটন করলো প্রশাসন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ পি.এম


বরিশালে জোড়া কবর জেগে ওঠার রহস্য উদ্ঘাটন করলো প্রশাসন

নিজের হাতে বসতঘরের মেঝেতে তিনি দুটি কবর তৈরি করেছিলেন। পরে প্রশাসনের জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার কথা স্বীকার করে সজীব বেপারী কোদাল দিয়ে নিজ হাতে কথিত সেই কবর দুটো ভেঙে ফেলেন। বরিশালের আগৈলঝাড়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করা বসতঘরের মধ্যে ‘কবর জেগে ওঠার’ রহস্য এভাবেই উদ্ঘাটিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের কদমবাড়ি গ্রামের ওই বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন।

এসময় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল হোসেন তমাল ও আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ মাসুদ খান সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে সজীব বেপারী এবং তার মা শিউলী বেগমের সঙ্গে কথা বলেন।

একপর্যায়ে সজীব নিজেই কবর দুটো তৈরির কথা স্বীকার করেন। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে কোদাল দিয়ে সেগুলো ভেঙে ফেলেন তিনি। তবে কেন তিনি কবর দুটো তৈরি করেছিলেন, সে বিষয়ে কোনো সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি সজীব। ভবিষ্যতে এ ধরনের কাজ আর করবেন না বলেও উপজেলা প্রশাসনের কাছে মুচলেকা দিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভ্যানচালক ছালাম বেপারীর ছেলে সজীব বেপারী প্রায় ছয় মাস ধরে ধ্যানে বসে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা দিয়ে আসছিলেন। প্রতিদিন ৪০ থেকে ৫০ জন নারী-পুরুষ তার কাছে চিকিৎসা নিতে আসতেন। প্রতি সোমবার রাতে রোগীর সংখ্যা বেড়ে যেত কয়েক গুণ।

এরইমধ্যে গেল ২৬ অক্টোবর সকালে সজীবের বসতঘরের মেঝেতে একটি কবর জেগে ওঠার দাবি করে তার পরিবার। একই দিন রাত ১২টার দিকে পাশে আরও একটি কবর জেগে ওঠে বলেও জানানো হয়। পরিবারটির দাবি ছিল, কবর দুটো বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী ও খাজা মঈনউদ্দিন চিশতির।

এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। কথিত কবর দুটো দেখতে বাড়িতে ভিড় করেন উৎসুক মানুষ। একই সঙ্গে সেখানে চিকিৎসা নিতে আসা মানুষের সংখ্যাও বেড়ে যায়।

এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তানজিল হোসেন তমাল বলেন, ‘এ ধরনের একটি ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন সরেজমিনে তদন্তে যায়। মানুষ যাতে প্রতারিত না হয়, সে জন্য সজীবকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে তিনি কবর দুটো নিজের তৈরি বলে স্বীকার করেন এবং নিজেই সেগুলো ভেঙে ফেলেন।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বড়দিনের জন্য দুই কোটি অনুদানের বদলে প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৩ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১১:৩৪ পি.এম


বড়দিনের জন্য দুই কোটি অনুদানের বদলে প্রধানমন্ত্রী দিলেন ৩ কোটি টাকা

খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট শুভ বড়দিন উদ্‌যাপনের জন্য দুই কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক কোটি টাকা বেশি, অর্থাৎ তিন কোটি টাকা অনুদান দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, সোমবার (২ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তিন কোটি টাকা অনুদান দেয়ার বিষয়ে অনুমোদন প্রদান করেন।

২৫ ডিসেম্বর খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ বড়দিন ২০২৬’ উদ্‌যাপনের জন্য ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো সারসংক্ষেপে জানানো হয়েছে, শুভ বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নিয়েছে। এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বিশেষ অনুদান দেয়ার প্রস্তাব করা হয়।

সারসংক্ষেপে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি ২০২৬ সালেও বড়দিন উপলক্ষে দুই কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ অর্থ খ্রিস্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকূলে বরাদ্দ দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুমোদন চাওয়া হয়।

তবে প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত দুই কোটি টাকার পরিবর্তে তিন কোটি টাকা অনুদান দেয়ার নির্দেশ দেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২২শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪২
মাগরিব ০৫:১৮
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৮
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%